
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৮
বরিশাল সদরে জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় ফুরফুরে মেজাজে ধানের শীষের সরওয়ার। গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় দলীয় বিদ্রোহী নিয়ে টেনশনে ধানের শীষের প্রার্থী।
আর মাত্র একদিন বাদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বরিশালের ৬ টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩৬ প্রার্থী অংশগ্রহণের কথা থাকলেও রোববার একজন সরে দাঁড়িয়েছেন। বরিশাল ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে জাসদ মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত ‘মোটরগাড়ি’ প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ শারীরিক অসুস্থার অজুহাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় এখন ৬টি আসনে ৩৫ প্রার্থী ভোটযুদ্ধে থাকছেন। এই ভোট আয়োজনকে ঘিরে প্রতিটি আসনে বিএনপি-জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা আলোচনার অগ্রভাগে আছেন। বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী আলোচনায় এই তিনটির দলের প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাচ্ছেন এবং ভোটারদের মধ্যেও তাদের নিয়ে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। তবে নিজ দলের বিদ্রোহী নিয়ে বরিশাল ১ আসনে বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন আছেন বিপদে।
৩ লাখ ২৮ হাজার ১৯৮ ভোটারের বরিশাল ১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে জামায়াত ইসলামীর মো. কামরুল ইসলাম খানের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নিজ দলীয় নেতা আব্দুস সোবাহান বিদ্রোহ করে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনঢ় থাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর স্নায়ুচাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এই আসনে বিএনপির ভাগ্যে কি আছে তা নিয়ে দলীয় কর্ম-সমর্থকেরাও চিন্তায় আছেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলের ১৫ বছরে এ আসনটিতে একবার তালুকদার মো. ইউনুস এবং দুইবার শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি ছিলেন।
এর আগে ২০০১ সালে ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি থাকাকালে সংখ্যালঘু নির্যাতনের উদাহরণ আছে। এবং ১/১১-তে স্বপনকে সংস্কারপন্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুস সোবাহান। তিনি বলেন, ‘হিন্দুদের রক্ষার জন্য প্রার্থী হয়েছি। ফলে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়, ধানের শীষের প্রার্থীকে কতটা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হচ্ছে।
বরিশাল ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ৮ প্রার্থী থাকলেও রোববার ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন জাসদের আবুল কালাম আজাদ। ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৭ ভোটারের এই আসনে এখন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সরদার শরফুদ্দিন সান্টুর মূল জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নান। বানারীপাড়া উপজেলার সহ-সভাপতি গোলাম মাহবুব এবং পৌর কৃষক দলের আব্দুল গাফফার হোসেনসহ কয়েক শ নেতাকর্মী গত ৩০ জানুয়ারি জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানের পরপরই তারা জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নানের জন্য ভোট চাইতে মাঠে নেমেছেন। এতে ধানের শীষের প্রার্থীকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে বলে জানিয়েছে ভোটাররা।
আড়িয়াল খাঁ নদীতীরবাতী বরিশাল ৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে মোট ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও আলোচনার কেন্দ্রে আছেন ধানের শীষের জয়নুল আবেদীন, লাঙ্গল প্রতীকের গোলাম কিবরিয়া টিপু এবং ঈগল প্রতীকের ব্যারিস্টার মো. আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তবে এখানে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের সাথে জাতীয় পার্টির প্রার্থী টিপুর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তিনবারের সাবেক এমপি টিপু জুলাই আন্দোলনসহ একাধিক মামলায় কারান্তরীণ থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তার পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে মিডিয়ায় শিরোনাম হয়েছেন মেয়ে। এই আসনে মোট ৩ লাখ ৩২ হাজার ০৯৭ জন ভোটাধিকার পেয়েছেন।
জাপার কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল হোসেন তাপস সাংবাদিকদের বলেন, মুক্ত টিপুর চেয়ে কারাবন্দী টিপু বেশি শক্তিশালী, তিনি বারবার এই আসনের এমপি হয়েছেন, এবারও হবেন।
বরিশাল ৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রাজিব আহসান এবার ধানের শীষের প্রার্থী। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল জব্বার। বরিশালের ৬ টি আসনের মধ্যে এখানে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে জামায়াত। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের ৬ ফেব্রুয়ারি মেহেন্দিগঞ্জে সমাবেশও করেছেন। ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৭৫ ভোটারের এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীসহ মোট ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
আওয়ামী লীগ শাসানামলে বরিশাল ৪ আসনে টানা তিনবারের এমপি ছিলেন বিতর্কিত রাজনৈতিক পঙ্কজ দেবনাথ। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে তিনি পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। এরপরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী চরের জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। ফলে এখানে ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের জয়লাভ করাটা অনেকটা চ্যালেঞ্জের বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল ৫ আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর থেকেই ফুরফুরে মেজাজে আছেন ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার। এই আসনে ধানের শীষের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখার প্রার্থী মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করিমকে ভাবা হলেও তিনি অতটা শক্তপোক্ত জনসমর্থনে নেই। ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪ জন ভোটারের এ আসনে আলোচিত বাসদ নেত্রী মনীষা চক্রবর্তীও আলোচনায় আছেন।
কীর্তনখোলা তীর জনপদের সবচে মর্যাদাসম্পন্ন এই আসনে আওয়ামী লীগের শাসানামলে একবার জেবুন্নেছা আফরোজ এবং দুবার সাবেক সেনা কর্মকর্তা জাহিদ ফারুক শামীম এমপি ছিলেন। তার আগে পাঁচবার এমপি ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার এবং তিনি জনপ্রিয় রাজনৈতিকও বটে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল ৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৬ প্রার্থী। তবে সবচে আলোচনার বিষয় হচ্ছে বরিশাল সদর আসনের পাশাপাশি বাকেরগঞ্জেও প্রার্থিতা করছেন হাতপাখার প্রার্থী ফয়জুল করিম। এখানে ধানের শীষের শক্তিশালি প্রার্থী আবুল হাসেন খান। আছে জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহমুদুন্নবীও।
তবে এই আসনে বেশিমাত্রায় আলোচনায় আছেন ধানের শীষ এবং হাতপাখার প্রার্থী। ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ ভোটার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আবুল এবং ফয়জুলের মধ্যেকার একজনকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে চূড়ান্ত করবেন।
ভোট পেতে দুই প্রার্থী বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন। তবে চরমোনাই প্রার্থী ফয়জুল আওয়ামী লীগের ভোটারদের টানতে বেশ কৌশলী পদক্ষেপ রাখছেন। তিনি পদধারী আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এমনকি আ’লীগের নিরিহ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করতেও পুলিশের কাছে সুপারিশ রাখেন।
এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন একবার এমপি ছিলেন। কর্মীসমর্থকেরা বলছেন, আবুল হোসেনের জনপ্রিয়তা আছে, তিনি এবারও এমপি হবেন।
অবশ্য হাতপাখার প্রার্থীর অনুসারীদের দাবি হচ্ছে, বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জে তাদের ভোট বেড়েছে। এছাড়া মানুষের মধ্যে চরমোনাই নায়েবে আমির ফয়জুল করিমকে নিয়ে আগ্রহ আছে, এই কারণে তিনি দুটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে বরিশালের ৬টি আসনের ৫টিতে ধানের শীষ-জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনের মধ্যেকার তুমুল ভোটযুদ্ধের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রভাব দেখা যেতে পারে বরিশাল ১, ২, ৩, ৪ এবং ৬ আসনে। তবে মর্যাদার বরিশাল ৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সরওয়ারের তেমন একটা বেগ না পাওয়ার সম্ভবনা বেশি।
চির প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অনপুস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশালের মানুষ এখন কোন আসনে কার পক্ষে রায় দেবেন সেটাই দেখার অপেক্ষা।’
বরিশাল সদরে জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় ফুরফুরে মেজাজে ধানের শীষের সরওয়ার। গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় দলীয় বিদ্রোহী নিয়ে টেনশনে ধানের শীষের প্রার্থী।
আর মাত্র একদিন বাদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বরিশালের ৬ টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩৬ প্রার্থী অংশগ্রহণের কথা থাকলেও রোববার একজন সরে দাঁড়িয়েছেন। বরিশাল ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে জাসদ মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত ‘মোটরগাড়ি’ প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ শারীরিক অসুস্থার অজুহাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় এখন ৬টি আসনে ৩৫ প্রার্থী ভোটযুদ্ধে থাকছেন। এই ভোট আয়োজনকে ঘিরে প্রতিটি আসনে বিএনপি-জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা আলোচনার অগ্রভাগে আছেন। বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী আলোচনায় এই তিনটির দলের প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাচ্ছেন এবং ভোটারদের মধ্যেও তাদের নিয়ে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। তবে নিজ দলের বিদ্রোহী নিয়ে বরিশাল ১ আসনে বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন আছেন বিপদে।
৩ লাখ ২৮ হাজার ১৯৮ ভোটারের বরিশাল ১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে জামায়াত ইসলামীর মো. কামরুল ইসলাম খানের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নিজ দলীয় নেতা আব্দুস সোবাহান বিদ্রোহ করে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনঢ় থাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর স্নায়ুচাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এই আসনে বিএনপির ভাগ্যে কি আছে তা নিয়ে দলীয় কর্ম-সমর্থকেরাও চিন্তায় আছেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলের ১৫ বছরে এ আসনটিতে একবার তালুকদার মো. ইউনুস এবং দুইবার শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি ছিলেন।
এর আগে ২০০১ সালে ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি থাকাকালে সংখ্যালঘু নির্যাতনের উদাহরণ আছে। এবং ১/১১-তে স্বপনকে সংস্কারপন্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুস সোবাহান। তিনি বলেন, ‘হিন্দুদের রক্ষার জন্য প্রার্থী হয়েছি। ফলে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়, ধানের শীষের প্রার্থীকে কতটা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হচ্ছে।
বরিশাল ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ৮ প্রার্থী থাকলেও রোববার ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন জাসদের আবুল কালাম আজাদ। ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৭ ভোটারের এই আসনে এখন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সরদার শরফুদ্দিন সান্টুর মূল জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নান। বানারীপাড়া উপজেলার সহ-সভাপতি গোলাম মাহবুব এবং পৌর কৃষক দলের আব্দুল গাফফার হোসেনসহ কয়েক শ নেতাকর্মী গত ৩০ জানুয়ারি জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানের পরপরই তারা জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নানের জন্য ভোট চাইতে মাঠে নেমেছেন। এতে ধানের শীষের প্রার্থীকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে বলে জানিয়েছে ভোটাররা।
আড়িয়াল খাঁ নদীতীরবাতী বরিশাল ৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে মোট ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও আলোচনার কেন্দ্রে আছেন ধানের শীষের জয়নুল আবেদীন, লাঙ্গল প্রতীকের গোলাম কিবরিয়া টিপু এবং ঈগল প্রতীকের ব্যারিস্টার মো. আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তবে এখানে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের সাথে জাতীয় পার্টির প্রার্থী টিপুর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তিনবারের সাবেক এমপি টিপু জুলাই আন্দোলনসহ একাধিক মামলায় কারান্তরীণ থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তার পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে মিডিয়ায় শিরোনাম হয়েছেন মেয়ে। এই আসনে মোট ৩ লাখ ৩২ হাজার ০৯৭ জন ভোটাধিকার পেয়েছেন।
জাপার কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল হোসেন তাপস সাংবাদিকদের বলেন, মুক্ত টিপুর চেয়ে কারাবন্দী টিপু বেশি শক্তিশালী, তিনি বারবার এই আসনের এমপি হয়েছেন, এবারও হবেন।
বরিশাল ৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রাজিব আহসান এবার ধানের শীষের প্রার্থী। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল জব্বার। বরিশালের ৬ টি আসনের মধ্যে এখানে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে জামায়াত। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের ৬ ফেব্রুয়ারি মেহেন্দিগঞ্জে সমাবেশও করেছেন। ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৭৫ ভোটারের এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীসহ মোট ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
আওয়ামী লীগ শাসানামলে বরিশাল ৪ আসনে টানা তিনবারের এমপি ছিলেন বিতর্কিত রাজনৈতিক পঙ্কজ দেবনাথ। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে তিনি পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। এরপরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী চরের জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। ফলে এখানে ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের জয়লাভ করাটা অনেকটা চ্যালেঞ্জের বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল ৫ আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর থেকেই ফুরফুরে মেজাজে আছেন ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার। এই আসনে ধানের শীষের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখার প্রার্থী মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করিমকে ভাবা হলেও তিনি অতটা শক্তপোক্ত জনসমর্থনে নেই। ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪ জন ভোটারের এ আসনে আলোচিত বাসদ নেত্রী মনীষা চক্রবর্তীও আলোচনায় আছেন।
কীর্তনখোলা তীর জনপদের সবচে মর্যাদাসম্পন্ন এই আসনে আওয়ামী লীগের শাসানামলে একবার জেবুন্নেছা আফরোজ এবং দুবার সাবেক সেনা কর্মকর্তা জাহিদ ফারুক শামীম এমপি ছিলেন। তার আগে পাঁচবার এমপি ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার এবং তিনি জনপ্রিয় রাজনৈতিকও বটে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল ৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৬ প্রার্থী। তবে সবচে আলোচনার বিষয় হচ্ছে বরিশাল সদর আসনের পাশাপাশি বাকেরগঞ্জেও প্রার্থিতা করছেন হাতপাখার প্রার্থী ফয়জুল করিম। এখানে ধানের শীষের শক্তিশালি প্রার্থী আবুল হাসেন খান। আছে জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহমুদুন্নবীও।
তবে এই আসনে বেশিমাত্রায় আলোচনায় আছেন ধানের শীষ এবং হাতপাখার প্রার্থী। ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ ভোটার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আবুল এবং ফয়জুলের মধ্যেকার একজনকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে চূড়ান্ত করবেন।
ভোট পেতে দুই প্রার্থী বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন। তবে চরমোনাই প্রার্থী ফয়জুল আওয়ামী লীগের ভোটারদের টানতে বেশ কৌশলী পদক্ষেপ রাখছেন। তিনি পদধারী আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এমনকি আ’লীগের নিরিহ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করতেও পুলিশের কাছে সুপারিশ রাখেন।
এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন একবার এমপি ছিলেন। কর্মীসমর্থকেরা বলছেন, আবুল হোসেনের জনপ্রিয়তা আছে, তিনি এবারও এমপি হবেন।
অবশ্য হাতপাখার প্রার্থীর অনুসারীদের দাবি হচ্ছে, বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জে তাদের ভোট বেড়েছে। এছাড়া মানুষের মধ্যে চরমোনাই নায়েবে আমির ফয়জুল করিমকে নিয়ে আগ্রহ আছে, এই কারণে তিনি দুটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে বরিশালের ৬টি আসনের ৫টিতে ধানের শীষ-জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনের মধ্যেকার তুমুল ভোটযুদ্ধের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রভাব দেখা যেতে পারে বরিশাল ১, ২, ৩, ৪ এবং ৬ আসনে। তবে মর্যাদার বরিশাল ৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সরওয়ারের তেমন একটা বেগ না পাওয়ার সম্ভবনা বেশি।
চির প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অনপুস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশালের মানুষ এখন কোন আসনে কার পক্ষে রায় দেবেন সেটাই দেখার অপেক্ষা।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.