
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৭
বাংলাদেশের মতো ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর, আজ বৃহস্পতিবার নেপালে সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত। রাজধানী কাঠমান্ডুর সড়কে আজ সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।
দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি সভার (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ। এর মধ্যে ৮ লাখ ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন। নির্বাচনে ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যাদের মধ্যে হাজারের বেশির বয়স ৪০ বছরের কম।
২০১৫ সালে সংবিধান সংশোধনের ফলে নেপালে মিশ্র পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ পদ্ধতি চালু আছে। ভোটাররা সরাসরি ভোট (ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট) এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির সমন্বয়ে ২৭৫ জন সংসদ সদস্য নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে সরাসরি ভোটে ১৬৫ এবং আনুপাতিক ভোটে ১১০ প্রার্থী নির্বাচিত হবেন।
দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন থেকে উঠে আসা তরুণ শক্তি ও দীর্ঘদিনের পুরোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে এবারের নির্বাচনে কঠিন লড়াই হবে। দীর্ঘদিনের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলকে এবার টক্কর দিচ্ছে নতুন একটি দল।
এই দলের নেতৃত্বে আছেন সাবেক র্যাপার ও কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র বালেন্দ্র শাহ। ক্ষমতাচ্যুত কে পি শর্মা অলিও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এই নির্বাচনে। দুজনই লড়ছেন দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শান্ত শহর ঝাপা-৫ থেকে।
নেপাল কয়েক দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ১৯৯০ সাল থেকে দেশটিতে ৩২ বার সরকার পরিবর্তন হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে নেপালে জেন–জি আন্দোলনে কে পি শর্মা অলির সরকারের পতন হয়। এরপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেন দেশটির প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি।
সুশীলা কারকির দায়িত্ব গ্রহণের পর, ভোটার তালিকায় প্রায় ১০ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই তরুণ। এই নতুন ভোটাররা নেপালের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং উন্নত মজুরিসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবিকে আরও জোরালো করে তুলেছে।
নির্বাচনী লড়াইয়ে একদিকে রয়েছে কয়েক দশক ধরে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করা নেপালি কংগ্রেস (এনসি) এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের (ইউএমএল) মতো পুরোনো দলগুলো।
এই দলগুলোর জোটের সঙ্গে কঠিন লড়াই হবে তরুণদের দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) । বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নির্বাচনে কোনো একক দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
র্যাপ গায়ক হিসেবে জনপ্রিয় মুখ ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ গত জানুয়ারিতে তরুণদের দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে যোগ দেন এবং তিনি দলটির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। এর আগে, কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন তিনি।
বাংলাদেশের মতো ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর, আজ বৃহস্পতিবার নেপালে সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত। রাজধানী কাঠমান্ডুর সড়কে আজ সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।
দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি সভার (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ। এর মধ্যে ৮ লাখ ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন। নির্বাচনে ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যাদের মধ্যে হাজারের বেশির বয়স ৪০ বছরের কম।
২০১৫ সালে সংবিধান সংশোধনের ফলে নেপালে মিশ্র পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ পদ্ধতি চালু আছে। ভোটাররা সরাসরি ভোট (ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট) এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির সমন্বয়ে ২৭৫ জন সংসদ সদস্য নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে সরাসরি ভোটে ১৬৫ এবং আনুপাতিক ভোটে ১১০ প্রার্থী নির্বাচিত হবেন।
দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন থেকে উঠে আসা তরুণ শক্তি ও দীর্ঘদিনের পুরোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে এবারের নির্বাচনে কঠিন লড়াই হবে। দীর্ঘদিনের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলকে এবার টক্কর দিচ্ছে নতুন একটি দল।
এই দলের নেতৃত্বে আছেন সাবেক র্যাপার ও কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র বালেন্দ্র শাহ। ক্ষমতাচ্যুত কে পি শর্মা অলিও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এই নির্বাচনে। দুজনই লড়ছেন দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শান্ত শহর ঝাপা-৫ থেকে।
নেপাল কয়েক দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ১৯৯০ সাল থেকে দেশটিতে ৩২ বার সরকার পরিবর্তন হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে নেপালে জেন–জি আন্দোলনে কে পি শর্মা অলির সরকারের পতন হয়। এরপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেন দেশটির প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি।
সুশীলা কারকির দায়িত্ব গ্রহণের পর, ভোটার তালিকায় প্রায় ১০ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই তরুণ। এই নতুন ভোটাররা নেপালের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং উন্নত মজুরিসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবিকে আরও জোরালো করে তুলেছে।
নির্বাচনী লড়াইয়ে একদিকে রয়েছে কয়েক দশক ধরে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করা নেপালি কংগ্রেস (এনসি) এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের (ইউএমএল) মতো পুরোনো দলগুলো।
এই দলগুলোর জোটের সঙ্গে কঠিন লড়াই হবে তরুণদের দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) । বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নির্বাচনে কোনো একক দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
র্যাপ গায়ক হিসেবে জনপ্রিয় মুখ ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ গত জানুয়ারিতে তরুণদের দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে যোগ দেন এবং তিনি দলটির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। এর আগে, কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন তিনি।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫

৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরানের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। এটি শুধু ধর্মীয় বিভাজন বা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা নয়; বরং আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার জটিল সমন্বয়ে গঠিত। সৌদি আরব নিজেকে সুন্নি ইসলামের প্রধান দেশ হিসেবে গণ্য করে, যেখানে ইরান শিয়াদের প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ধর্মীয় বিভাজনকে প্রায়শই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে চায়।
ইরান সরাসরি যুদ্ধ না করলেও বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রক্সি বাহিনী ব্যবহার করে, যেমন- ইয়েমেনের হুতিদের বিদ্রোহ বা লেবাননের হিজবুল্লাহ। সৌদি আরবও প্রয়োজনমত এই প্রক্সি শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালায়। সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকে এ ধরনের ছায়া যুদ্ধ চলমান, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও সংঘাতের গুরুত্ব আছে। সৌদি আরব ও ইরান উভয়ই তেল ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। যুদ্ধ ও উত্তেজনা কেবল নিরাপত্তার কারণে নয়, আঞ্চলিক বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চালানো হয়। ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে, যা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০১৫ সালে ইরানের সীমিত পারমাণবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে একটি চুক্তি হয়। সৌদি আরব এবং ইসরায়েল এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা আঞ্চলিক হুমকি হিসেবে দেখে। এ কারণে ইরানের পারমাণবিক অর্জন সৌদি আরবের জন্য সর্বদা একটি সম্ভাব্য বিপদ।
বৈশ্বিক প্রভাবও দ্বন্দ্বকে জটিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রধান শক্তি হিসেবে কার্যকর, যা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে সমর্থন করে। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলিক অবস্থান অনিশ্চিত হয়েছে। চীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে।
সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকেও উভয় দেশের লক্ষ্য স্পষ্ট। ইরান চায় সৌদি আরবের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুক, যেখানে সৌদি আরব চায় যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের শক্তি ও প্রভাব কমানো হোক। এটি কেবল সামরিক লড়াই নয়; এটি কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সমন্বয়।
সৌদি আরব-ইরান দ্বন্দ্বের মূল উৎস কেবল ধর্মীয় বিভাজন নয়; এটি আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং বৈশ্বিক শক্তির প্রভাবের জটিল সমন্বয়। প্রক্সি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা দুই দেশকেই তাদের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা চালাতে বাধ্য করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব ও ইরানের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। এটি শুধু ধর্মীয় বিভাজন বা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা নয়; বরং আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার জটিল সমন্বয়ে গঠিত। সৌদি আরব নিজেকে সুন্নি ইসলামের প্রধান দেশ হিসেবে গণ্য করে, যেখানে ইরান শিয়াদের প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ধর্মীয় বিভাজনকে প্রায়শই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে চায়।
ইরান সরাসরি যুদ্ধ না করলেও বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রক্সি বাহিনী ব্যবহার করে, যেমন- ইয়েমেনের হুতিদের বিদ্রোহ বা লেবাননের হিজবুল্লাহ। সৌদি আরবও প্রয়োজনমত এই প্রক্সি শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালায়। সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকে এ ধরনের ছায়া যুদ্ধ চলমান, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও সংঘাতের গুরুত্ব আছে। সৌদি আরব ও ইরান উভয়ই তেল ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। যুদ্ধ ও উত্তেজনা কেবল নিরাপত্তার কারণে নয়, আঞ্চলিক বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চালানো হয়। ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে, যা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০১৫ সালে ইরানের সীমিত পারমাণবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে একটি চুক্তি হয়। সৌদি আরব এবং ইসরায়েল এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা আঞ্চলিক হুমকি হিসেবে দেখে। এ কারণে ইরানের পারমাণবিক অর্জন সৌদি আরবের জন্য সর্বদা একটি সম্ভাব্য বিপদ।
বৈশ্বিক প্রভাবও দ্বন্দ্বকে জটিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রধান শক্তি হিসেবে কার্যকর, যা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে সমর্থন করে। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলিক অবস্থান অনিশ্চিত হয়েছে। চীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে।
সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকেও উভয় দেশের লক্ষ্য স্পষ্ট। ইরান চায় সৌদি আরবের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখুক, যেখানে সৌদি আরব চায় যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের শক্তি ও প্রভাব কমানো হোক। এটি কেবল সামরিক লড়াই নয়; এটি কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সমন্বয়।
সৌদি আরব-ইরান দ্বন্দ্বের মূল উৎস কেবল ধর্মীয় বিভাজন নয়; এটি আঞ্চলিক আধিপত্য, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং বৈশ্বিক শক্তির প্রভাবের জটিল সমন্বয়। প্রক্সি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা দুই দেশকেই তাদের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা চালাতে বাধ্য করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ইরানের ইসফাহান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২ হাজার পাউন্ড (প্রায় ৯০৭ কেজি) ওজনের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা ব্যবহার করে ইসফাহান শহরের একটি গোলাবারুদের ডিপো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
বাঙ্কার বাস্টার বোমা হলো বিশেষ ধরনের শক্তিশালী পেনিট্রেটর অস্ত্র, যা মাটির গভীরে বা পুরু কংক্রিটের নিচে থাকা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার জন্য তৈরি। সাধারণ বোমার মতো এটি মাটির ওপর বিস্ফোরিত হয় না; বরং প্রথমে লক্ষ্যবস্তুর ভেতরে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌঁছানোর পর বিস্ফোরিত হয়। এই বোমাগুলোর শক্ত ধাতব আবরণ কংক্রিট ও পাথর ভেদ করতে সক্ষম এবং এতে এমন ফিউজ ব্যবহার করা হয়, যা নির্দিষ্ট সময় বা গভীরতা অতিক্রম করার পর বিস্ফোরণ ঘটায়।
প্রায় ৯০০ কেজি ওজনের এই ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা এত মারাত্মক হওয়ার প্রধান কারণ হলো এর গভীর ভেদক্ষমতা এবং ভেতরে বিস্ফোরণের ক্ষমতা। এটি কয়েক মিটার পুরু কংক্রিট বা মাটির স্তর ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুর গভীরে পৌঁছে যায়। ফলে বিস্ফোরণটি ভেতরে ঘটায় প্রচণ্ড চাপ, তাপ এবং শকওয়েভ সীমাবদ্ধ স্থানে আটকে থেকে বহুগুণ বেশি ধ্বংস সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বাঙ্কার, অস্ত্রাগার, কমান্ড সেন্টার বা সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংসে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম এবং কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখতে জটিল ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ও বাঙ্কার নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। এই ধরনের অবকাঠামো সাধারণ বোমা দিয়ে ধ্বংস করা কঠিন হওয়ায় বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো সাধারণত আকাশ হামলা থেকে নিরাপদ থাকে, কিন্তু এই বিশেষ বোমা সেই নিরাপত্তা ভেঙে দিতে সক্ষম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে বিশাল বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হামলাটি ইসফাহান শহরের বাইরে মাউন্ট সোফেহ-সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত হয়েছে, যেখানে সামরিক স্থাপনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কথিতভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-এর অংশ, যেখানে মার্কিন বিমান বাহিনীর বি-২ স্পিরিট স্টেলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করা হয়।
ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের ব্যবহার নতুন নয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে বাঙ্কার নির্মাণ করা হয়েছিল। জার্মানির বার্লিনে অ্যাডলফ হিটলারের শেষ অবস্থানও ছিল একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এসব বাঙ্কার আরও জটিল ও শক্তিশালী হয়েছে, ফলে সেগুলো ধ্বংস করতে ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমার ব্যবহারও বেড়েছে।
বলা হয়, ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা আধুনিক যুদ্ধের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও ভয়ংকর অস্ত্র, যা বিশেষভাবে ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইরানের মতো দেশগুলো যখন তাদের সামরিক অবকাঠামো ভূগর্ভে স্থানান্তর করছে, তখন এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহারও বাড়ছে, যা যুদ্ধকে আরও জটিল ও বিধ্বংসী করে তুলছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গত ১৭ মার্চ ইরানের উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ইরানের ইসফাহান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২ হাজার পাউন্ড (প্রায় ৯০৭ কেজি) ওজনের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা ব্যবহার করে ইসফাহান শহরের একটি গোলাবারুদের ডিপো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
বাঙ্কার বাস্টার বোমা হলো বিশেষ ধরনের শক্তিশালী পেনিট্রেটর অস্ত্র, যা মাটির গভীরে বা পুরু কংক্রিটের নিচে থাকা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার জন্য তৈরি। সাধারণ বোমার মতো এটি মাটির ওপর বিস্ফোরিত হয় না; বরং প্রথমে লক্ষ্যবস্তুর ভেতরে প্রবেশ করে এবং নির্দিষ্ট গভীরতায় পৌঁছানোর পর বিস্ফোরিত হয়। এই বোমাগুলোর শক্ত ধাতব আবরণ কংক্রিট ও পাথর ভেদ করতে সক্ষম এবং এতে এমন ফিউজ ব্যবহার করা হয়, যা নির্দিষ্ট সময় বা গভীরতা অতিক্রম করার পর বিস্ফোরণ ঘটায়।
প্রায় ৯০০ কেজি ওজনের এই ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা এত মারাত্মক হওয়ার প্রধান কারণ হলো এর গভীর ভেদক্ষমতা এবং ভেতরে বিস্ফোরণের ক্ষমতা। এটি কয়েক মিটার পুরু কংক্রিট বা মাটির স্তর ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুর গভীরে পৌঁছে যায়। ফলে বিস্ফোরণটি ভেতরে ঘটায় প্রচণ্ড চাপ, তাপ এবং শকওয়েভ সীমাবদ্ধ স্থানে আটকে থেকে বহুগুণ বেশি ধ্বংস সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বাঙ্কার, অস্ত্রাগার, কমান্ড সেন্টার বা সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংসে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম এবং কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখতে জটিল ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ও বাঙ্কার নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। এই ধরনের অবকাঠামো সাধারণ বোমা দিয়ে ধ্বংস করা কঠিন হওয়ায় বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো সাধারণত আকাশ হামলা থেকে নিরাপদ থাকে, কিন্তু এই বিশেষ বোমা সেই নিরাপত্তা ভেঙে দিতে সক্ষম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে বিশাল বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হামলাটি ইসফাহান শহরের বাইরে মাউন্ট সোফেহ-সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত হয়েছে, যেখানে সামরিক স্থাপনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কথিতভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-এর অংশ, যেখানে মার্কিন বিমান বাহিনীর বি-২ স্পিরিট স্টেলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করা হয়।
ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের ব্যবহার নতুন নয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে বাঙ্কার নির্মাণ করা হয়েছিল। জার্মানির বার্লিনে অ্যাডলফ হিটলারের শেষ অবস্থানও ছিল একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এসব বাঙ্কার আরও জটিল ও শক্তিশালী হয়েছে, ফলে সেগুলো ধ্বংস করতে ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমার ব্যবহারও বেড়েছে।
বলা হয়, ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা আধুনিক যুদ্ধের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও ভয়ংকর অস্ত্র, যা বিশেষভাবে ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইরানের মতো দেশগুলো যখন তাদের সামরিক অবকাঠামো ভূগর্ভে স্থানান্তর করছে, তখন এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহারও বাড়ছে, যা যুদ্ধকে আরও জটিল ও বিধ্বংসী করে তুলছে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গত ১৭ মার্চ ইরানের উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৯
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব সত্ত্বেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে তেলবাহী জাহাজের আগমন অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের একটি ট্যাংকার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোররাত ৩টার দিকে পানামার পতাকাবাহী 'পিভিটি সোলানা' জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
এর আগে সোমবার (৩০ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেছেন, মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে পৌঁছেছে।
প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাইটারের মাধ্যমে জ্বালানী খালাস হবে। প্রয়োজনে জাহাজটিকে ডলফিন জেটিতে ভিড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
এ ছাড়া বন্দর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ৪ এপ্রিল আরও একটি জাহাজ ভিড়তে পারে। এ নিয়ে গত এক মাসে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে ৩৩টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে এসেছে ১৫টি জাহাজ, এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) নিয়ে এসেছে ৮টি জাহাজ এবং এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) নিয়ে এসেছে ৯টি জাহাজ।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব সত্ত্বেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে তেলবাহী জাহাজের আগমন অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের একটি ট্যাংকার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোররাত ৩টার দিকে পানামার পতাকাবাহী 'পিভিটি সোলানা' জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
এর আগে সোমবার (৩০ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেছেন, মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে পৌঁছেছে।
প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাইটারের মাধ্যমে জ্বালানী খালাস হবে। প্রয়োজনে জাহাজটিকে ডলফিন জেটিতে ভিড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
এ ছাড়া বন্দর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ৪ এপ্রিল আরও একটি জাহাজ ভিড়তে পারে। এ নিয়ে গত এক মাসে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে ৩৩টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে এসেছে ১৫টি জাহাজ, এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) নিয়ে এসেছে ৮টি জাহাজ এবং এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) নিয়ে এসেছে ৯টি জাহাজ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.