
২২ জুলাই, ২০২৫ ০১:১২
বরিশাল শহরের আলোচিত মাদকবিক্রেতা জুতি-মুন্নাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। নগরীর ভাটারখাল এলাকায় সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গাঁজার একটি বড় চালানসহ গ্রেপ্তার করা হয়। সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী জুতি-মুন্না দীর্ঘদিন ধরে বান্দরোডসংলগ্ন ভাটারখাল কলোনিতে অবস্থান নিয়ে মাদকবাণিজ্য চালিয়ে আসছিলেন। এর আগে তারা ৯নং ওয়ার্ডের রসুলপুর কলোনিতে বসবাস করতেন এবং সেখানে তাদের মাদকের বড় সিন্ডেকেট ছিল। ইতিপূর্বে তারা দুজন একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একডজনের বেশি মামলা চলমান রয়েছে।
এই চিহ্নিত মাদকবিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করার খবর শহরবাসীকে এক ধরনের স্বস্তি দিয়েছে। তবে তাদের বেশি দিন বন্দি রাখা নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বলছেন, চিহ্নিত মাদকবিক্রেতা জুতি-মুন্নাকে পুলিশ এরআগেও একাধিকবার গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু তাদের বেশি দিন আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। আইনি ফাঁক গলে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদকবাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, পঁচিশোর্ধ্ব মুন্না ফরাজী ও তার স্ত্রী জুতি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে ভাটারখালে মাদকবাণিজ্য চালিয়ে আসছেন এবং তাদের কাছে মাদকের বড়টি চালান মজুত আছে এমন খবরে সোমবার বিকেলে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একপর্যায়ে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করাসহ ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এবং মাদক বিক্রির বেশ কিছু অর্থও উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জুতি-মুন্নাকে গ্রেপ্তার করায় ডিবি পুলিশ সাধুবাদ জানিয়েছে ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রী গোটা ভাটারখাল এলাকাকে মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাসোহারা দিয়ে তারা এই অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল। এই চিহ্নিত মাদক বিক্রেতাদের দীর্ঘ মেয়াদি কারান্তরীণ রাখার ক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।’
বরিশাল শহরের আলোচিত মাদকবিক্রেতা জুতি-মুন্নাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। নগরীর ভাটারখাল এলাকায় সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গাঁজার একটি বড় চালানসহ গ্রেপ্তার করা হয়। সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী জুতি-মুন্না দীর্ঘদিন ধরে বান্দরোডসংলগ্ন ভাটারখাল কলোনিতে অবস্থান নিয়ে মাদকবাণিজ্য চালিয়ে আসছিলেন। এর আগে তারা ৯নং ওয়ার্ডের রসুলপুর কলোনিতে বসবাস করতেন এবং সেখানে তাদের মাদকের বড় সিন্ডেকেট ছিল। ইতিপূর্বে তারা দুজন একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একডজনের বেশি মামলা চলমান রয়েছে।
এই চিহ্নিত মাদকবিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করার খবর শহরবাসীকে এক ধরনের স্বস্তি দিয়েছে। তবে তাদের বেশি দিন বন্দি রাখা নিয়ে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বলছেন, চিহ্নিত মাদকবিক্রেতা জুতি-মুন্নাকে পুলিশ এরআগেও একাধিকবার গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু তাদের বেশি দিন আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। আইনি ফাঁক গলে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদকবাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, পঁচিশোর্ধ্ব মুন্না ফরাজী ও তার স্ত্রী জুতি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে ভাটারখালে মাদকবাণিজ্য চালিয়ে আসছেন এবং তাদের কাছে মাদকের বড়টি চালান মজুত আছে এমন খবরে সোমবার বিকেলে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একপর্যায়ে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করাসহ ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এবং মাদক বিক্রির বেশ কিছু অর্থও উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জুতি-মুন্নাকে গ্রেপ্তার করায় ডিবি পুলিশ সাধুবাদ জানিয়েছে ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রী গোটা ভাটারখাল এলাকাকে মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাসোহারা দিয়ে তারা এই অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল। এই চিহ্নিত মাদক বিক্রেতাদের দীর্ঘ মেয়াদি কারান্তরীণ রাখার ক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৪
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ‘ইসলাম পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) ভোরে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মাসুদুর রহমান নামে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে কুয়াকাটাগামী বাসটির সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হলে বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ‘ইসলাম পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) ভোরে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মাসুদুর রহমান নামে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে কুয়াকাটাগামী বাসটির সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হলে বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
বরিশাল টাইমস

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.