পটুয়াখালীর বাউফলে একসঙ্গে পাচ সন্তানের জন্ম দেয় লামিয়া ও তার সন্তানদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছেনবাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার।
বিয়ের পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান ঘর আলোকিত করলেও নিন্ম আয়ের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে বিপাকে পরেন লামিয়া সোহেল দম্পতি। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন রাজনীতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দানবীর মানুষেররা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের মানবিক সহায়তা আর মায়ের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাচ শিশু।
শিশুদের মা লামিয়া আক্তার বলেন,বিয়ের পর কোনো সন্তান হয়নি। পরে পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান হয়। আমরা খুশি হই। তবে ভরণ পোষণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। পরে অনেকেই আমাদের পাশে দাড়িয়েছে। আজও হাসিব আলম তালুকদার ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে।
সরে জমিনে জানাযায়, প্রায় ৬ বছর আগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘুরচাকাঠি গ্রামের লামিয়া আক্তার ও একই উপজেলার কালিশুড়ী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। বিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সবশেষ গত বছরের ৬ অক্টোরব বরিশালের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে লামিয়ার কোলজুড়ে আসেন একে একে পাচ সন্তান। এতে পুরো পরিবার জুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
তবে বিপত্তি বাধে পাচ শিশুর খরচ বহনে। দুধ, চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খরচ মিটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মুদিদোকানি বাবা সোহলে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ৮ মাস বয়স পার করেছেন পাচ শিশু। এখনো অনেক পথ বাকি। শিশুদের জন্য প্রতিদিন দুধ সহ আনুসঙ্গিক ২ হাজার টাকা খরচ হয়। যা শিশুদের বাবার পক্ষে সম্ভব নয়।
শিশুদের নানী শাহানাজ বেগম বলেন, অনেকে অনেক সহায়তা করছে। তা দিয়ে চলছে। আজ শনিবার ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। আরও সহায়তা দরকার। সরকার সহ ধনীরা এগিয়ে আসলে শিশু গুলোর ভরণপোষণ সম্ভব।
অ্যাড. ঝর্ণা আক্তার বলেন, লামিয়া- সোহেল দম্পতির স্বপ্ন সন্তানদের মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। তবে নিন্ম আয়ের সংসারে এত ব্যয় মিটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাড়ানো আহ্বায়ন জানিয়েছেন পাচ শিশুর মা- বাবা।
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৮
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

১৬ মে, ২০২৬ ২০:২৬
পটুয়াখালীর বাউফলে একসঙ্গে পাচ সন্তানের জন্ম দেয় লামিয়া ও তার সন্তানদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছেনবাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার।
বিয়ের পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান ঘর আলোকিত করলেও নিন্ম আয়ের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে বিপাকে পরেন লামিয়া সোহেল দম্পতি। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন রাজনীতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দানবীর মানুষেররা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের মানবিক সহায়তা আর মায়ের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাচ শিশু।
শিশুদের মা লামিয়া আক্তার বলেন,বিয়ের পর কোনো সন্তান হয়নি। পরে পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান হয়। আমরা খুশি হই। তবে ভরণ পোষণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। পরে অনেকেই আমাদের পাশে দাড়িয়েছে। আজও হাসিব আলম তালুকদার ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে।
সরে জমিনে জানাযায়, প্রায় ৬ বছর আগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘুরচাকাঠি গ্রামের লামিয়া আক্তার ও একই উপজেলার কালিশুড়ী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। বিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সবশেষ গত বছরের ৬ অক্টোরব বরিশালের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে লামিয়ার কোলজুড়ে আসেন একে একে পাচ সন্তান। এতে পুরো পরিবার জুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
তবে বিপত্তি বাধে পাচ শিশুর খরচ বহনে। দুধ, চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খরচ মিটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মুদিদোকানি বাবা সোহলে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ৮ মাস বয়স পার করেছেন পাচ শিশু। এখনো অনেক পথ বাকি। শিশুদের জন্য প্রতিদিন দুধ সহ আনুসঙ্গিক ২ হাজার টাকা খরচ হয়। যা শিশুদের বাবার পক্ষে সম্ভব নয়।
শিশুদের নানী শাহানাজ বেগম বলেন, অনেকে অনেক সহায়তা করছে। তা দিয়ে চলছে। আজ শনিবার ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। আরও সহায়তা দরকার। সরকার সহ ধনীরা এগিয়ে আসলে শিশু গুলোর ভরণপোষণ সম্ভব।
অ্যাড. ঝর্ণা আক্তার বলেন, লামিয়া- সোহেল দম্পতির স্বপ্ন সন্তানদের মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। তবে নিন্ম আয়ের সংসারে এত ব্যয় মিটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাড়ানো আহ্বায়ন জানিয়েছেন পাচ শিশুর মা- বাবা।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬