পটুয়াখালীর বাউফলে একসঙ্গে পাচ সন্তানের জন্ম দেয় লামিয়া ও তার সন্তানদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছেনবাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার।
বিয়ের পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান ঘর আলোকিত করলেও নিন্ম আয়ের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে বিপাকে পরেন লামিয়া সোহেল দম্পতি। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন রাজনীতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দানবীর মানুষেররা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের মানবিক সহায়তা আর মায়ের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাচ শিশু।
শিশুদের মা লামিয়া আক্তার বলেন,বিয়ের পর কোনো সন্তান হয়নি। পরে পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান হয়। আমরা খুশি হই। তবে ভরণ পোষণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। পরে অনেকেই আমাদের পাশে দাড়িয়েছে। আজও হাসিব আলম তালুকদার ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে।
সরে জমিনে জানাযায়, প্রায় ৬ বছর আগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘুরচাকাঠি গ্রামের লামিয়া আক্তার ও একই উপজেলার কালিশুড়ী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। বিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সবশেষ গত বছরের ৬ অক্টোরব বরিশালের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে লামিয়ার কোলজুড়ে আসেন একে একে পাচ সন্তান। এতে পুরো পরিবার জুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
তবে বিপত্তি বাধে পাচ শিশুর খরচ বহনে। দুধ, চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খরচ মিটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মুদিদোকানি বাবা সোহলে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ৮ মাস বয়স পার করেছেন পাচ শিশু। এখনো অনেক পথ বাকি। শিশুদের জন্য প্রতিদিন দুধ সহ আনুসঙ্গিক ২ হাজার টাকা খরচ হয়। যা শিশুদের বাবার পক্ষে সম্ভব নয়।
শিশুদের নানী শাহানাজ বেগম বলেন, অনেকে অনেক সহায়তা করছে। তা দিয়ে চলছে। আজ শনিবার ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। আরও সহায়তা দরকার। সরকার সহ ধনীরা এগিয়ে আসলে শিশু গুলোর ভরণপোষণ সম্ভব।
অ্যাড. ঝর্ণা আক্তার বলেন, লামিয়া- সোহেল দম্পতির স্বপ্ন সন্তানদের মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। তবে নিন্ম আয়ের সংসারে এত ব্যয় মিটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাড়ানো আহ্বায়ন জানিয়েছেন পাচ শিশুর মা- বাবা।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সাংবাদিক ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্য পরিচয়ে একটি পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ায় ২০ হাজার টাকা নগদ ও ১০ হাজার টাকা পরে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে রক্ষা পান ওই পরিবারটি। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাউফল থানায় মামলা করেছেন রতন মন্ডল নামের ভুক্তভোগী পরিবারের এক ব্যক্তি। মামলায় দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে আরও পাঁচ-ছয়জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া গ্রামের।
মামলায় উল্লেখ দুই আসামি হলেন এনামুল হক এনা (৩৫) ও মো. রিয়াজ (৩৭)। এনামুল হক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) উপকূলীয় প্রতিনিধি। রিয়াজ দৈনিক জাগো জনতার বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি।
মামলার এজাহার,স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,তিন বছরেরও বেশি সময় আগে অসম প্রেমের সম্পর্কের টানে একটি মুসলিম পরিবারের মেয়ে পালিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ছেলেকে বিয়ে করে। এ নিয়ে শুরুতে দুই পরিবারের মধ্যে বিভেদ তৈরি হলেও পরে এ নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করেননি মুসলিম পরিবারটি। মেয়েটি হিন্দু ধর্ম পালন করছে। তাঁদের সংসারে ছয় মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
ওই পুরানো ঘটনাকে সামনে এনে গত রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সাংবাদিক এনামুল হক মো. রিয়াজসহ আর পাঁচ-ছয় জন নিজেদের সাংবাদিক ও গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য পরিচয়ে ওই হিন্দু পরিবারের বাড়িতে যান এবং হিন্দু পরিবারের ঘরে ঢুকে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
মামলার বাদী রতন মন্ডললের ভাষ্য মতে এনামুল হক পুলিশ পরিচয়ে তাঁদেরকে (হিন্দু পরিবার) বলেন-মুসলিম মেয়েকে অবৈধভাবে ঘরে রেখে অবৈধ কাজ করা হচ্ছে। বাঁচতে হলে তিন লাখ টাকা দিতে হবে। পরে তাঁরা (হিন্দু পরিবার) মিনতি করে বলেন, তাঁরা (হিন্দু পরিবার) গরীব মানুষ, তাঁদের কাছে টাকা নাই। তখন তাঁরা (সাংবাদিক ও পুলিশ পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা) ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে বাড়ির অদূরে এক দোকানির কাছ থেকে ধার করে এনে এনামুলের হাতে ২০ হাজার টাকা দেন এবং পরের দিন (মঙ্গলবার) সকালে আরও ১০ হাজার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁরা চলে আসেন।
এ বিষয়ে এনামুল হক এনা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাংবাদিক পরিচয়ে বলেন,একজন মুসলিম নারীকে হিন্দু পরিবারের এক ছেলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিবাহ ব্যতীত তাঁদের ঘরে রেখেছে, সন্তান প্রসব করিয়েছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তিনিসহ মানবকন্ঠের ডিজিটাল বিভাগের প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন অন্তু, জাগো জনতার মো. রিয়াজ ও আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি এম নাজিম উদ্দিন সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য যান। তবে চাঁদা দাবি ও চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ সত্য না।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে চাঁদা দাবি ও চাঁদা গ্রহণের সত্যতা পাওয়ায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে সাংবাদিক ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্য পরিচয়ে একটি পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ায় ২০ হাজার টাকা নগদ ও ১০ হাজার টাকা পরে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে রক্ষা পান ওই পরিবারটি। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাউফল থানায় মামলা করেছেন রতন মন্ডল নামের ভুক্তভোগী পরিবারের এক ব্যক্তি। মামলায় দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে আরও পাঁচ-ছয়জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া গ্রামের।
মামলায় উল্লেখ দুই আসামি হলেন এনামুল হক এনা (৩৫) ও মো. রিয়াজ (৩৭)। এনামুল হক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) উপকূলীয় প্রতিনিধি। রিয়াজ দৈনিক জাগো জনতার বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি।
মামলার এজাহার,স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,তিন বছরেরও বেশি সময় আগে অসম প্রেমের সম্পর্কের টানে একটি মুসলিম পরিবারের মেয়ে পালিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ছেলেকে বিয়ে করে। এ নিয়ে শুরুতে দুই পরিবারের মধ্যে বিভেদ তৈরি হলেও পরে এ নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করেননি মুসলিম পরিবারটি। মেয়েটি হিন্দু ধর্ম পালন করছে। তাঁদের সংসারে ছয় মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
ওই পুরানো ঘটনাকে সামনে এনে গত রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সাংবাদিক এনামুল হক মো. রিয়াজসহ আর পাঁচ-ছয় জন নিজেদের সাংবাদিক ও গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য পরিচয়ে ওই হিন্দু পরিবারের বাড়িতে যান এবং হিন্দু পরিবারের ঘরে ঢুকে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
মামলার বাদী রতন মন্ডললের ভাষ্য মতে এনামুল হক পুলিশ পরিচয়ে তাঁদেরকে (হিন্দু পরিবার) বলেন-মুসলিম মেয়েকে অবৈধভাবে ঘরে রেখে অবৈধ কাজ করা হচ্ছে। বাঁচতে হলে তিন লাখ টাকা দিতে হবে। পরে তাঁরা (হিন্দু পরিবার) মিনতি করে বলেন, তাঁরা (হিন্দু পরিবার) গরীব মানুষ, তাঁদের কাছে টাকা নাই। তখন তাঁরা (সাংবাদিক ও পুলিশ পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা) ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে বাড়ির অদূরে এক দোকানির কাছ থেকে ধার করে এনে এনামুলের হাতে ২০ হাজার টাকা দেন এবং পরের দিন (মঙ্গলবার) সকালে আরও ১০ হাজার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁরা চলে আসেন।
এ বিষয়ে এনামুল হক এনা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাংবাদিক পরিচয়ে বলেন,একজন মুসলিম নারীকে হিন্দু পরিবারের এক ছেলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিবাহ ব্যতীত তাঁদের ঘরে রেখেছে, সন্তান প্রসব করিয়েছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তিনিসহ মানবকন্ঠের ডিজিটাল বিভাগের প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন অন্তু, জাগো জনতার মো. রিয়াজ ও আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি এম নাজিম উদ্দিন সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য যান। তবে চাঁদা দাবি ও চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ সত্য না।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে চাঁদা দাবি ও চাঁদা গ্রহণের সত্যতা পাওয়ায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’

১৬ মে, ২০২৬ ২০:২৬
পটুয়াখালীর বাউফলে একসঙ্গে পাচ সন্তানের জন্ম দেয় লামিয়া ও তার সন্তানদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছেনবাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার।
বিয়ের পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান ঘর আলোকিত করলেও নিন্ম আয়ের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে বিপাকে পরেন লামিয়া সোহেল দম্পতি। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন রাজনীতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দানবীর মানুষেররা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের মানবিক সহায়তা আর মায়ের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাচ শিশু।
শিশুদের মা লামিয়া আক্তার বলেন,বিয়ের পর কোনো সন্তান হয়নি। পরে পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান হয়। আমরা খুশি হই। তবে ভরণ পোষণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। পরে অনেকেই আমাদের পাশে দাড়িয়েছে। আজও হাসিব আলম তালুকদার ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে।
সরে জমিনে জানাযায়, প্রায় ৬ বছর আগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘুরচাকাঠি গ্রামের লামিয়া আক্তার ও একই উপজেলার কালিশুড়ী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। বিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সবশেষ গত বছরের ৬ অক্টোরব বরিশালের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে লামিয়ার কোলজুড়ে আসেন একে একে পাচ সন্তান। এতে পুরো পরিবার জুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
তবে বিপত্তি বাধে পাচ শিশুর খরচ বহনে। দুধ, চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খরচ মিটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মুদিদোকানি বাবা সোহলে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ৮ মাস বয়স পার করেছেন পাচ শিশু। এখনো অনেক পথ বাকি। শিশুদের জন্য প্রতিদিন দুধ সহ আনুসঙ্গিক ২ হাজার টাকা খরচ হয়। যা শিশুদের বাবার পক্ষে সম্ভব নয়।
শিশুদের নানী শাহানাজ বেগম বলেন, অনেকে অনেক সহায়তা করছে। তা দিয়ে চলছে। আজ শনিবার ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। আরও সহায়তা দরকার। সরকার সহ ধনীরা এগিয়ে আসলে শিশু গুলোর ভরণপোষণ সম্ভব।
অ্যাড. ঝর্ণা আক্তার বলেন, লামিয়া- সোহেল দম্পতির স্বপ্ন সন্তানদের মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। তবে নিন্ম আয়ের সংসারে এত ব্যয় মিটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাড়ানো আহ্বায়ন জানিয়েছেন পাচ শিশুর মা- বাবা।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৪১
০১ আগস্ট, ২০২৬ ০০:৩১
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪০
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২