
১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৩
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, গত ফ্যাসিস্ট আমলে যেই পরিমাণ কলঙ্ক আমাদের ওপর চেপেছে, এটি শুধরাতে সময় লাগবে। এটা এত সহজে যাবে না। কিন্তু নির্বাচনটা আমরা করে ফেলতে পারবো। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ৪৩ হাজার সেন্টারের কয়টি সেন্টার বন্ধ করবেন? ৫০০ সেন্টার বন্ধ করবেন, রি-ইলেকশন হবে। ৪২ হাজার ৫০০ সেন্টারে করে ফেলবো। ৪২ হাজারে হয়ে যাবে, ৪১ হাজারে হয়ে যাবে। নির্বাচন ঠেকাতে পারবেন না। কারণ মানুষ নির্বাচনমুখী। এটাই হচ্ছে বড় শক্তি।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা মহানগরীর বয়রায় অবস্থিত পুলিশ লাইন্সে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, মানুষ নির্বাচনকে স্বাগত জানাচ্ছে। উদগ্রীব হয়ে মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্য। কাজেই এখানে যেসব বাধা-বিপত্তি আছে, বিশৃঙ্খলা আছে, অপরাধ আছে, সন্ত্রাস আছে- আমার বিশ্বাস সমাজের কোনো লোকই চায় না, আর যেহেতু সবাই নির্বাচনের ব্যাপারে উদগ্রীব প্রত্যেকেই আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। সমাজের সবচেয়ে সচেতন আপনারা (সাংবাদিক)। আপনাদের কাছ থেকে খবর পাই। আমার বিশ্বাস আমাদের হাতে যে দুই মাস সময় আছে, আমরা অবশ্যই দমন করতে পারবো।
নির্বাচন বানচালে নাশকতা বন্ধে পুলিশের পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে, সমাজের প্রতিটি মানুষ। পুলিশের একার পক্ষে বল প্রয়োগ করে এই নাশকতা শেষ করা অথবা মোকাবিলা করা সম্ভব না, যতক্ষণ না সমাজের সবাই আমাদেরকে সাহায্য করছে। আমার বিশ্বাস আমরা পারবো।
আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, আগে পুলিশ যেই রূপে ছিল- কিছু হলেই একজনকে ধরে নিয়ে আটকে ফেলা। কোর্টকে জানানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না। তিন দিন আটকে রাখলাম, এক মাস আটকে রাখলাম। অথবা ক্রসফায়ারের নামে খুন করে ফেললাম। এই যে অন্যায়, অত্যাচার করে টিকে থাকা এটাতো সবলতার লক্ষণ নয়। সবল কর্তৃপক্ষ বা সবল সরকার কি মানুষের ওপর অত্যাচার করে? অত্যাচার কে করে? করে তো একটা দুর্বল সরকার। যার আইনি ভিত্তি নেই। যার নৈতিক শক্তি নেই। তার জন্যই দরকার হয় মানুষকে অত্যাচার করা, গুলি করা, লাঠি দিয়ে আঘাত করা, মানুষকে গুম করে ফেলা। এসব কাজগুলো দুর্বল কর্তৃপক্ষের বৈশিষ্ট্য। আমি মনে করি- আমরা নৈতিকভাবে এখন অনেক বেশি শক্তিশালী।
তিনি বলেন, আমরা যখন ডিউটিতে যাই, পুলিশকে অনেক সময় মানুষ এক্সেপ্ট করতে পারে না। তাদের সেই স্মৃতি মনে পড়ে। যে এই পুলিশতো আমাকে গুলি করেছিল। তার জন্য অনেক সময় আক্রমণ করতে আসে। অনেক সময় আসামি ছিনিয়ে নিতে আসে। আমরা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে এগুলো মোকাবিলা করি। আমরা এখানে গুলি করে মানুষকে মারি না, জোর করে লাঠিপেটা করি না, গ্যাস মারি না। আমরা কিন্তু এই জায়গায় টলারেন্স। আমরা সেই পুলিশ হতে চাই না গালি দিলে গুলি করবে। সন্ত্রাসীরা জানে যে ধরা পড়লে ক্রসফায়ার, ধরা পড়লে গুম। এই ভয় দিয়ে আমি সন্ত্রাস দমন করতে চাই না। আমি রুলসের মধ্য দিয়েই ধরা পড়লে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোর্টে পাঠাবো। চার্জশিট দেব, ওইখানে বিচার হবে। এর মধ্য দিয়েই আমি সন্ত্রাস দমন করবো। আমি ক্রসফায়ার দিয়ে দমন করতে চাই না। এর জন্য মূল্য দিতে হচ্ছে, ঘুমহীন কাটাতে হচ্ছে।
নির্বাচনে সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের বিষয়ে আইজিপি বলেন, আগে বাধা দিত সিল মারার কারণে। এ জন্য ঢুকতে দেওয়া যাবে না। এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন সময়। আমরা আপনাদের বলবো ভাই আসেন, দেখে যান কেমন ভোট হচ্ছে। আমি উল্টা করবো। আপনি বরং টায়ার্ড হয়ে যাবেন। আপনাদের প্রতি আমার শত্রুতা নেই, শত্রুতা ছিল যখন আমি অন্যায় করেছি, দেখাতে চাইনি। দেখলে লিখে দেবে পত্রিকায়। আমি চাচ্ছি না সেটা। আমাদের ভেতরে যে অভ্যাসটা গড়ে উঠেছে এক বছরে যাবে না, চেষ্টা করছি। নির্বাচন কমিশন খুবই পজিটিভ।
আইজিপি বলেন, পুলিশের সবগুলো ইউনিটিতে আমাদের প্রশিক্ষণ চলছে। নির্বাচনে আগের চেয়ে এবার দায়িত্ব পালন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সরকার চাচ্ছে এই নির্বাচন সবচেয়ে ফ্রি, ফেয়ার এবং উৎসবমুখর হবে। এ জন্য আমাদের দায়িত্বটা আমরা যেন সবচেয়ে ভালোভাবে পালন করতে পারি, সে জন্য আমরা নিজেরা প্রশিক্ষিত হচ্ছি। গত তিনটি নির্বাচন নিয়ে নানা বিতর্ক আছে, নানা সমালোচনা আছে। সেই সব সমালোচনা থেকে আমরা যেন বেরিয়ে আসতে পারি। সকলের সহায়তায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমরা যেন ভূমিকা পালন করতে পারি। সেই বিষয়েসকলকে মনে করিয়ে দিতে সকলের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই খুবই উজ্জীবিত। ইনশাআল্লাহ- নির্বাচনে আমাদের ওপর যে দায়িত্ব এসেছে, সেটা পালন করতে পারবো।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, গত ফ্যাসিস্ট আমলে যেই পরিমাণ কলঙ্ক আমাদের ওপর চেপেছে, এটি শুধরাতে সময় লাগবে। এটা এত সহজে যাবে না। কিন্তু নির্বাচনটা আমরা করে ফেলতে পারবো। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ৪৩ হাজার সেন্টারের কয়টি সেন্টার বন্ধ করবেন? ৫০০ সেন্টার বন্ধ করবেন, রি-ইলেকশন হবে। ৪২ হাজার ৫০০ সেন্টারে করে ফেলবো। ৪২ হাজারে হয়ে যাবে, ৪১ হাজারে হয়ে যাবে। নির্বাচন ঠেকাতে পারবেন না। কারণ মানুষ নির্বাচনমুখী। এটাই হচ্ছে বড় শক্তি।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা মহানগরীর বয়রায় অবস্থিত পুলিশ লাইন্সে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, মানুষ নির্বাচনকে স্বাগত জানাচ্ছে। উদগ্রীব হয়ে মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্য। কাজেই এখানে যেসব বাধা-বিপত্তি আছে, বিশৃঙ্খলা আছে, অপরাধ আছে, সন্ত্রাস আছে- আমার বিশ্বাস সমাজের কোনো লোকই চায় না, আর যেহেতু সবাই নির্বাচনের ব্যাপারে উদগ্রীব প্রত্যেকেই আমাদেরকে সহযোগিতা করবে। সমাজের সবচেয়ে সচেতন আপনারা (সাংবাদিক)। আপনাদের কাছ থেকে খবর পাই। আমার বিশ্বাস আমাদের হাতে যে দুই মাস সময় আছে, আমরা অবশ্যই দমন করতে পারবো।
নির্বাচন বানচালে নাশকতা বন্ধে পুলিশের পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে, সমাজের প্রতিটি মানুষ। পুলিশের একার পক্ষে বল প্রয়োগ করে এই নাশকতা শেষ করা অথবা মোকাবিলা করা সম্ভব না, যতক্ষণ না সমাজের সবাই আমাদেরকে সাহায্য করছে। আমার বিশ্বাস আমরা পারবো।
আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, আগে পুলিশ যেই রূপে ছিল- কিছু হলেই একজনকে ধরে নিয়ে আটকে ফেলা। কোর্টকে জানানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না। তিন দিন আটকে রাখলাম, এক মাস আটকে রাখলাম। অথবা ক্রসফায়ারের নামে খুন করে ফেললাম। এই যে অন্যায়, অত্যাচার করে টিকে থাকা এটাতো সবলতার লক্ষণ নয়। সবল কর্তৃপক্ষ বা সবল সরকার কি মানুষের ওপর অত্যাচার করে? অত্যাচার কে করে? করে তো একটা দুর্বল সরকার। যার আইনি ভিত্তি নেই। যার নৈতিক শক্তি নেই। তার জন্যই দরকার হয় মানুষকে অত্যাচার করা, গুলি করা, লাঠি দিয়ে আঘাত করা, মানুষকে গুম করে ফেলা। এসব কাজগুলো দুর্বল কর্তৃপক্ষের বৈশিষ্ট্য। আমি মনে করি- আমরা নৈতিকভাবে এখন অনেক বেশি শক্তিশালী।
তিনি বলেন, আমরা যখন ডিউটিতে যাই, পুলিশকে অনেক সময় মানুষ এক্সেপ্ট করতে পারে না। তাদের সেই স্মৃতি মনে পড়ে। যে এই পুলিশতো আমাকে গুলি করেছিল। তার জন্য অনেক সময় আক্রমণ করতে আসে। অনেক সময় আসামি ছিনিয়ে নিতে আসে। আমরা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে এগুলো মোকাবিলা করি। আমরা এখানে গুলি করে মানুষকে মারি না, জোর করে লাঠিপেটা করি না, গ্যাস মারি না। আমরা কিন্তু এই জায়গায় টলারেন্স। আমরা সেই পুলিশ হতে চাই না গালি দিলে গুলি করবে। সন্ত্রাসীরা জানে যে ধরা পড়লে ক্রসফায়ার, ধরা পড়লে গুম। এই ভয় দিয়ে আমি সন্ত্রাস দমন করতে চাই না। আমি রুলসের মধ্য দিয়েই ধরা পড়লে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোর্টে পাঠাবো। চার্জশিট দেব, ওইখানে বিচার হবে। এর মধ্য দিয়েই আমি সন্ত্রাস দমন করবো। আমি ক্রসফায়ার দিয়ে দমন করতে চাই না। এর জন্য মূল্য দিতে হচ্ছে, ঘুমহীন কাটাতে হচ্ছে।
নির্বাচনে সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের বিষয়ে আইজিপি বলেন, আগে বাধা দিত সিল মারার কারণে। এ জন্য ঢুকতে দেওয়া যাবে না। এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন সময়। আমরা আপনাদের বলবো ভাই আসেন, দেখে যান কেমন ভোট হচ্ছে। আমি উল্টা করবো। আপনি বরং টায়ার্ড হয়ে যাবেন। আপনাদের প্রতি আমার শত্রুতা নেই, শত্রুতা ছিল যখন আমি অন্যায় করেছি, দেখাতে চাইনি। দেখলে লিখে দেবে পত্রিকায়। আমি চাচ্ছি না সেটা। আমাদের ভেতরে যে অভ্যাসটা গড়ে উঠেছে এক বছরে যাবে না, চেষ্টা করছি। নির্বাচন কমিশন খুবই পজিটিভ।
আইজিপি বলেন, পুলিশের সবগুলো ইউনিটিতে আমাদের প্রশিক্ষণ চলছে। নির্বাচনে আগের চেয়ে এবার দায়িত্ব পালন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সরকার চাচ্ছে এই নির্বাচন সবচেয়ে ফ্রি, ফেয়ার এবং উৎসবমুখর হবে। এ জন্য আমাদের দায়িত্বটা আমরা যেন সবচেয়ে ভালোভাবে পালন করতে পারি, সে জন্য আমরা নিজেরা প্রশিক্ষিত হচ্ছি। গত তিনটি নির্বাচন নিয়ে নানা বিতর্ক আছে, নানা সমালোচনা আছে। সেই সব সমালোচনা থেকে আমরা যেন বেরিয়ে আসতে পারি। সকলের সহায়তায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমরা যেন ভূমিকা পালন করতে পারি। সেই বিষয়েসকলকে মনে করিয়ে দিতে সকলের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই খুবই উজ্জীবিত। ইনশাআল্লাহ- নির্বাচনে আমাদের ওপর যে দায়িত্ব এসেছে, সেটা পালন করতে পারবো।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) নিয়োগ দেওয়া হয় তাদের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদসমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—
পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ. কে. এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরের মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় এস. এম. মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস. এম. ওবায়দুল হক এবং শেরপুরে এ. বি. এম. মামুনুর রশিদন।
এছাড়া ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (এড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।
দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) নিয়োগ দেওয়া হয় তাদের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদসমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—
পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ. কে. এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরের মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় এস. এম. মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস. এম. ওবায়দুল হক এবং শেরপুরে এ. বি. এম. মামুনুর রশিদন।
এছাড়া ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (এড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.