Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৫
রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। এ সময় যখন দেশজুড়ে ধর্মীয় আবহে মানুষ ইবাদতে নিমগ্ন, ঠিক তখনই দেশের শেষ প্রান্তে অদৃশ্য এক প্রাচীরের সামনে নিরলস দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন সীমান্তরক্ষীরা। রোজা রেখেও এক মুহূর্তের জন্য শিথিল নয় তাদের সতর্কতা।
দেশের সীমান্তে টহলে নিয়োজিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা প্রখর রোদ, ধুলো আর দীর্ঘ পথচলার মধ্যেও পালন করছেন তাদের অর্পিত দায়িত্ব। কাঁটাতারের এপারে সবুজ-লাল পতাকার ছায়ায় দাঁড়িয়ে তারা নিশ্চিত করছেন দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা।
সীমান্ত শুধু ভৌগোলিক রেখা নয়- এটি একটি রাষ্ট্রের মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। সামান্য অসতর্কতা বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই রোজার তৃষ্ণা ও ক্লান্তি উপেক্ষা করেই টহল অব্যাহত রাখছেন বিজিবি সদস্যরা।
লালমনিরহাটের আদিতমারীর দুর্গাপুর ক্যাম্পের কমান্ডার, ১৫ বিজিবির নায়েক সুবেদার মো. আকরামুজ্জামান বলেন, ‘দেশ রক্ষা আমাদের দায়িত্ব, আর রোজা আমাদের ঈমান। এই দুটিই আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। রোজা রেখে দায়িত্ব পালন করাটাই আমাদের জন্য গর্বের।’
এ বিষয়ে ১৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, ‘রমজান আমাদের আত্মসংযম ও ত্যাগের শিক্ষা দেয়। সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত আমাদের সদস্যরা সেই শিক্ষাকে ধারণ করেই দায়িত্ব পালন করছে। যে কোনো পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত।’
সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়লে সীমান্ত পোস্টে শুরু হয় ইফতারের প্রস্তুতি। পরিবারের সঙ্গে টেবিলে বসে নয়- ডিউটির ফাঁকে কয়েক মিনিটের বিরতিতেই খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার সারেন তারা। আজানের ধ্বনি কানে পৌঁছাতেই নীরবে দোয়া শেষে আবার অস্ত্র কাঁধে নিয়ে ফিরে যান দায়িত্বে।
রাত গভীর হলেও থামে না টহল। নিস্তব্ধ অন্ধকারে সীমান্তজুড়ে চলতে থাকে সতর্ক পদচারণা। পরিবার থেকে বহু দূরে থেকেও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিচল রয়েছেন এই সদস্যরা।
রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। এ সময় যখন দেশজুড়ে ধর্মীয় আবহে মানুষ ইবাদতে নিমগ্ন, ঠিক তখনই দেশের শেষ প্রান্তে অদৃশ্য এক প্রাচীরের সামনে নিরলস দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন সীমান্তরক্ষীরা। রোজা রেখেও এক মুহূর্তের জন্য শিথিল নয় তাদের সতর্কতা।
দেশের সীমান্তে টহলে নিয়োজিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা প্রখর রোদ, ধুলো আর দীর্ঘ পথচলার মধ্যেও পালন করছেন তাদের অর্পিত দায়িত্ব। কাঁটাতারের এপারে সবুজ-লাল পতাকার ছায়ায় দাঁড়িয়ে তারা নিশ্চিত করছেন দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা।
সীমান্ত শুধু ভৌগোলিক রেখা নয়- এটি একটি রাষ্ট্রের মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। সামান্য অসতর্কতা বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই রোজার তৃষ্ণা ও ক্লান্তি উপেক্ষা করেই টহল অব্যাহত রাখছেন বিজিবি সদস্যরা।
লালমনিরহাটের আদিতমারীর দুর্গাপুর ক্যাম্পের কমান্ডার, ১৫ বিজিবির নায়েক সুবেদার মো. আকরামুজ্জামান বলেন, ‘দেশ রক্ষা আমাদের দায়িত্ব, আর রোজা আমাদের ঈমান। এই দুটিই আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। রোজা রেখে দায়িত্ব পালন করাটাই আমাদের জন্য গর্বের।’
এ বিষয়ে ১৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, ‘রমজান আমাদের আত্মসংযম ও ত্যাগের শিক্ষা দেয়। সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত আমাদের সদস্যরা সেই শিক্ষাকে ধারণ করেই দায়িত্ব পালন করছে। যে কোনো পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত।’
সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়লে সীমান্ত পোস্টে শুরু হয় ইফতারের প্রস্তুতি। পরিবারের সঙ্গে টেবিলে বসে নয়- ডিউটির ফাঁকে কয়েক মিনিটের বিরতিতেই খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার সারেন তারা। আজানের ধ্বনি কানে পৌঁছাতেই নীরবে দোয়া শেষে আবার অস্ত্র কাঁধে নিয়ে ফিরে যান দায়িত্বে।
রাত গভীর হলেও থামে না টহল। নিস্তব্ধ অন্ধকারে সীমান্তজুড়ে চলতে থাকে সতর্ক পদচারণা। পরিবার থেকে বহু দূরে থেকেও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিচল রয়েছেন এই সদস্যরা।

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:২৬
সিলেটে দুই ওলি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে কাজ শুরুর আলোচিত ঘটনার মধ্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘উপসচিব (সংযুক্ত)’ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন এক সময় মো. সারওয়ার আলমের বদলির আদেশ এলো, যখন সিলেটে দুই ওলির মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসনের নানা পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে আলোচিত হচ্ছে। এমন পদক্ষেপের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
বেশির ভাগ মানুষ প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। এ রকম সময় এমন সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১২ জুন শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান সিলেটে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সেদিনই দরগাহের দানবাক্সগুলোতে তালা দেওয়া হয়।
এরপর ১৮ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানার উপস্থিতিতে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি নতুন দানবাক্স স্থাপন করে নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যও নিয়োজিত করা হয়।
এর এক দিন পর ২০ জুন শনিবার বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দান বাক্সের ওপরে ও ডেগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।
এর আগের দিন ১৯ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাজার এলাকায় মদ ও গাঁজার আসর বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
যদিও জেলা প্রশাসনের এসব উদ্যোগকে বাড়াবাড়ি ও জোরজবরদস্তি আখ্যায়িত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারসংশ্লিষ্টরা। এ রকম পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের বদলির আদেশ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৭:০১
সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত বছরের ২১ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছিলেন সারওয়ার আলম। মাজারগুলোতে যেন মদ-গাঁজার আসর না বসে: সিলেটের ডিসি সারওয়ার
২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন তিনি। ভেজাল, অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত এবং মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
হঠাৎ ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট উপসচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। এর আগে তিনি বঞ্চিত হলে নিজের ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয়টিকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’র শাস্তি দেয়। ২০২২ সালের মে মাসে তাকে শাস্তি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

২১ জুন, ২০২৬ ১৬:১৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল-আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বড়শি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।
দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্বপাশে একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তারা ডোবার পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল। এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সিলেটে দুই ওলি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে কাজ শুরুর আলোচিত ঘটনার মধ্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘উপসচিব (সংযুক্ত)’ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন এক সময় মো. সারওয়ার আলমের বদলির আদেশ এলো, যখন সিলেটে দুই ওলির মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসনের নানা পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে আলোচিত হচ্ছে। এমন পদক্ষেপের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
বেশির ভাগ মানুষ প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। এ রকম সময় এমন সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১২ জুন শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান সিলেটে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সেদিনই দরগাহের দানবাক্সগুলোতে তালা দেওয়া হয়।
এরপর ১৮ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানার উপস্থিতিতে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি নতুন দানবাক্স স্থাপন করে নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যও নিয়োজিত করা হয়।
এর এক দিন পর ২০ জুন শনিবার বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দান বাক্সের ওপরে ও ডেগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।
এর আগের দিন ১৯ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাজার এলাকায় মদ ও গাঁজার আসর বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
যদিও জেলা প্রশাসনের এসব উদ্যোগকে বাড়াবাড়ি ও জোরজবরদস্তি আখ্যায়িত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারসংশ্লিষ্টরা। এ রকম পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের বদলির আদেশ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত বছরের ২১ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছিলেন সারওয়ার আলম। মাজারগুলোতে যেন মদ-গাঁজার আসর না বসে: সিলেটের ডিসি সারওয়ার
২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন তিনি। ভেজাল, অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত এবং মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
হঠাৎ ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট উপসচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। এর আগে তিনি বঞ্চিত হলে নিজের ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয়টিকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’র শাস্তি দেয়। ২০২২ সালের মে মাসে তাকে শাস্তি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল-আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বড়শি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।
দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্বপাশে একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তারা ডোবার পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল। এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।