Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১১
সীমানার প্রাচীর আর ভাষার ব্যবধান ঘুচিয়ে প্রেমের টানে শ্রীলঙ্কা থেকে ফেনীর দাগনভূঞায় ছুটে এসেছেন এক তরুণী। কেবল আসাই নয়, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে।
ঘটনাটি ঘটেছে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের আজিজ ফাজিলপুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইয়াছিনের ছেলে এজাজ আহমেদ শিহাব এবং শ্রীলঙ্কান নাগরিক ইশারা মাট্টি ওমানের একটি টেক্সটাইল কোম্পানিতে সহকর্মী ছিলেন। সেখানে কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়, যা পরে গভীর প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘ তিন বছরের সম্পর্ক শেষে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
ওমানে বিয়ের আইনি জটিলতা থাকায় তারা নিজ নিজ দেশে ফিরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারার পরিকল্পনা করেন। সেই মোতাবেক গত ৩১ জানুয়ারি শিহাব বাংলাদেশে ফেরেন। তার টানেই গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে পা রাখেন ইশারা মাট্টি। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি চলে আসেন দাগনভূঞায় শিহাবের বাড়িতে।
ভিনদেশি কন্যাকে বরণ করে নিতে কার্পণ্য করেনি শিহাবের পরিবার। বাড়িতে আসার পর ইশারা মাট্টি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার নতুন নাম রাখা হয় জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত (২৭)। এরপর পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতি মেনে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়রা জানান, ভিন্ন সংস্কৃতি ও দেশের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও কেবল ভালোবাসার টানে জান্নাতের এই সাহসী পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বর্তমানে জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত তার শ্বশুরবাড়িতে বেশ আনন্দেই সময় কাটাচ্ছেন। ভিনদেশি পুত্রবধূকে পেয়ে খুশি শিহাবের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরাও।
এ বিষয়ে পাত্র এজাজ আহমদ শিহাব জানান, ওমানে থাকা অবস্থায় আমাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেখানের আইনে বিয়ে সম্ভব নয় বিধায় আমরা দেশে এসে বিয়ে করেছি। সে ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলিম হয়েছে। তার পরিবার ও আমার পরিবার বিষয়টি অবগত রয়েছে।
সীমানার প্রাচীর আর ভাষার ব্যবধান ঘুচিয়ে প্রেমের টানে শ্রীলঙ্কা থেকে ফেনীর দাগনভূঞায় ছুটে এসেছেন এক তরুণী। কেবল আসাই নয়, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে।
ঘটনাটি ঘটেছে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের আজিজ ফাজিলপুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইয়াছিনের ছেলে এজাজ আহমেদ শিহাব এবং শ্রীলঙ্কান নাগরিক ইশারা মাট্টি ওমানের একটি টেক্সটাইল কোম্পানিতে সহকর্মী ছিলেন। সেখানে কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়, যা পরে গভীর প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘ তিন বছরের সম্পর্ক শেষে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
ওমানে বিয়ের আইনি জটিলতা থাকায় তারা নিজ নিজ দেশে ফিরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারার পরিকল্পনা করেন। সেই মোতাবেক গত ৩১ জানুয়ারি শিহাব বাংলাদেশে ফেরেন। তার টানেই গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে পা রাখেন ইশারা মাট্টি। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি চলে আসেন দাগনভূঞায় শিহাবের বাড়িতে।
ভিনদেশি কন্যাকে বরণ করে নিতে কার্পণ্য করেনি শিহাবের পরিবার। বাড়িতে আসার পর ইশারা মাট্টি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার নতুন নাম রাখা হয় জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত (২৭)। এরপর পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতি মেনে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়রা জানান, ভিন্ন সংস্কৃতি ও দেশের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও কেবল ভালোবাসার টানে জান্নাতের এই সাহসী পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বর্তমানে জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত তার শ্বশুরবাড়িতে বেশ আনন্দেই সময় কাটাচ্ছেন। ভিনদেশি পুত্রবধূকে পেয়ে খুশি শিহাবের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরাও।
এ বিষয়ে পাত্র এজাজ আহমদ শিহাব জানান, ওমানে থাকা অবস্থায় আমাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেখানের আইনে বিয়ে সম্ভব নয় বিধায় আমরা দেশে এসে বিয়ে করেছি। সে ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলিম হয়েছে। তার পরিবার ও আমার পরিবার বিষয়টি অবগত রয়েছে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২১
ঈশ্বরদীতে জেলা সহকারী জজ পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম সৈয়দ জিয়া পির মোহাম্মদ আলী।
তিনি যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার বাগমারা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি এক নারীসহ ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামানের কক্ষে উপস্থিত হয়ে নিজেকে যশোর জেলা সহকারী জজ হিসেবে পরিচয় দেন।
এ সময় তিনি পুলিশি পাহারায় রাত্রীযাপনের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। তবে তার কথাবার্তা ও আচরণে অসঙ্গতি হওয়ায় পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ।আরও জানায়, যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কোনো বিচারক নন; বরং ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
তিনি পূর্বে ভূমি অফিসে তহশিলদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে তিনি চাকরি হারান। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা নারী পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি থানার হাজতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ঈশ্বরদীতে জেলা সহকারী জজ পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম সৈয়দ জিয়া পির মোহাম্মদ আলী।
তিনি যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার বাগমারা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি এক নারীসহ ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামানের কক্ষে উপস্থিত হয়ে নিজেকে যশোর জেলা সহকারী জজ হিসেবে পরিচয় দেন।
এ সময় তিনি পুলিশি পাহারায় রাত্রীযাপনের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। তবে তার কথাবার্তা ও আচরণে অসঙ্গতি হওয়ায় পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ।আরও জানায়, যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কোনো বিচারক নন; বরং ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
তিনি পূর্বে ভূমি অফিসে তহশিলদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে তিনি চাকরি হারান। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা নারী পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি থানার হাজতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫