বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আসন্ন গভর্নিং বডির নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক। সোমবার বিকেলে তার নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি চাঁদপাশা ইউনিয়নের শিক্ষার্থী অভিভাবক এবং বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেছেন। পরে বিভিন্ন ওয়ার্ডের শিক্ষার্থী অভিভাবক ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা ও গনসংযোগ করেন তিনি।
আজিজুল হকের সমর্থনে সোমবার বিকেল ৪টার দিকে চাঁদপাশার আরজি কালিকাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য রাজন সিকদার, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আকিব হোসেন ইমরান, চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক জসিম উদদীন, হেমায়েত হোসেন, হাবিবুর রহমান, চাঁপাশা ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি শাহাজুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় মুলাদীর কাজিরচর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল হোসেন তোতা, বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কুদ্দুস মোল্লা, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান জাকির, সাধারণ সম্পাদক মাসুম রেজা রুবেল, বিএনপি নেতা আবদুল জলিল, চাঁদপাশা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি রিপন হোসেন, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফেরদৌস খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বায়েজিদ হোসেন আনন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় প্রার্থী সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক বলেন, 'আমি বিগত ২০০৩ সাল থেকে ছাত্রছাত্রীদের কল্যাণে বিভিন্ন কাজ করে আসছি। অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থীকে নামমাত্র টাকায় বা স্বল্প খরচে পরীক্ষার ফরম ফিলাপের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। অনেককে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঠদান করিয়েছি। ছাত্রজীবন থেকেই প্রতিবছর আমি এই সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। শিক্ষার্থীদের যাতে আরও বেশি সেবা করতে পারি সেজন্য বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে দাঁড়িয়েছি। নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারি কিংবা না পারি, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমার সেবামূলক কাজ অব্যাহত থাকবে।'

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৫৯
বরিশালে বাস এবং থ্রি-হুইলার চালকদের দ্বন্দ্বের জেরে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ফের বন্ধ হয়েছে বাস চলাচল। থ্রি-হুইলার চালকরা এবার মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশালের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় ও অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বাবুগঞ্জের বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনে নামেন থ্রি-হুইলার চালকরা। অভ্যন্তরীণ রুটের বাস ঘুরিয়ে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরাও।
আন্দোলনকারী আব্দুল্লাহ মামুন এবং নুর আলমের অভিযোগ, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে থ্রি-হুইলার থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর চেষ্টা করলে প্রায়ই বাধা দেওয়া হয় থ্রি-হুইলার চালকদের। বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মী তাদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে আঘাতও করেন।
যাত্রী পরিবহন নিয়ে থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বাস মালিক ও শ্রমিকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ার করেন আন্দোলনকারীরা।
গতকাল সোমবার মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলন করেন। মহাসড়ক আটকে চলা আন্দোলনে দুপুর থেকে বরিশালের সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
বরিশাল বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, তারা সরকারকে নিয়মিত রাজস্ব দিয়ে বাস পরিচালনা করছেন। কিন্তু মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন ও থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে তৈরি হচ্ছে যাত্রী সংকট। বাড়ছে দুর্ঘটনাও।
তিনি জানান, থ্রি-হুইলার মালিক সমিতি ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে তাদের চলাচলের বিষয়ে লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালকরা সেই সিদ্ধান্ত মানছেন না। অনেক সময় তারা বাসের কাউন্টার এলাকায় অবস্থান করে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় চলে যাচ্ছেন। নিষেধ করা হলেও কাউন্টার কর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন।
এর আগে বরিশাল থেকে বানারীপাড়া রুটের শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদ এবং মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন।
আজ পাল্টা আন্দোলনে নামলেন থ্রি-হুইলার চালকরা। এতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে পরিবহন সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে পুলিশ। এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তিনি।
পাল্টাপাল্টি আন্দোলনে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত বিরোধের সমাধান করে সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি রাখা হয়েছে।’
বরিশালে বাস এবং থ্রি-হুইলার চালকদের দ্বন্দ্বের জেরে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ফের বন্ধ হয়েছে বাস চলাচল। থ্রি-হুইলার চালকরা এবার মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশালের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় ও অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বাবুগঞ্জের বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনে নামেন থ্রি-হুইলার চালকরা। অভ্যন্তরীণ রুটের বাস ঘুরিয়ে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরাও।
আন্দোলনকারী আব্দুল্লাহ মামুন এবং নুর আলমের অভিযোগ, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে থ্রি-হুইলার থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর চেষ্টা করলে প্রায়ই বাধা দেওয়া হয় থ্রি-হুইলার চালকদের। বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মী তাদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে আঘাতও করেন।
যাত্রী পরিবহন নিয়ে থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বাস মালিক ও শ্রমিকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ার করেন আন্দোলনকারীরা।
গতকাল সোমবার মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলন করেন। মহাসড়ক আটকে চলা আন্দোলনে দুপুর থেকে বরিশালের সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
বরিশাল বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, তারা সরকারকে নিয়মিত রাজস্ব দিয়ে বাস পরিচালনা করছেন। কিন্তু মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন ও থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে তৈরি হচ্ছে যাত্রী সংকট। বাড়ছে দুর্ঘটনাও।
তিনি জানান, থ্রি-হুইলার মালিক সমিতি ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে তাদের চলাচলের বিষয়ে লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালকরা সেই সিদ্ধান্ত মানছেন না। অনেক সময় তারা বাসের কাউন্টার এলাকায় অবস্থান করে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় চলে যাচ্ছেন। নিষেধ করা হলেও কাউন্টার কর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন।
এর আগে বরিশাল থেকে বানারীপাড়া রুটের শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদ এবং মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন।
আজ পাল্টা আন্দোলনে নামলেন থ্রি-হুইলার চালকরা। এতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে পরিবহন সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে পুলিশ। এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তিনি।
পাল্টাপাল্টি আন্দোলনে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত বিরোধের সমাধান করে সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি রাখা হয়েছে।’

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১১:১৬
নারী আসক্ত এক যুবককে বেদম পিটুনি দিয়েছে তিন তরুণী। সোমবার সন্ধ্যা রাতে জাবেদ নামের এই যুবককে তরুণীরা ডেকে নেন শহরের মুন্সিগ্যারেজ এলাকায়। এবং সেখানে বসে তিন তরুণী একত্রিত হয়ে বিএম কলেজ ছাত্র জাবেদকে গণপিটুনি দেন। পরে সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ গিয়ে যুবককে তাদের হেফাজতে নেয়।
বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী জাবেদ সদর উপজেলার টুমচর গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি নগরের গোরস্থান রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
এক তরুণীর দাবি, ২০২০ সালে তার সঙ্গে জাবেদের সম্পর্ক হয়। সম্পর্ক চলাকালে জাবেদ বিভিন্ন সময় তাকে নানা ধরনের প্রস্তাব দিতেন। মুঠোফোনে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দেওয়ার জন্যও চাপ দিতেন বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।
তার দাবি, জাবেদের পড়াশোনার খরচ, মুঠোফোন কেনা এবং মোটরসাইকেলে তেল ভরার টাকাসহ বিভিন্ন খরচও তাকে বহন করতে হয়েছে। ওই তরুণী জানান, জাবেদের সঙ্গে সম্পর্ক চলার সময়ই তিনি জানতে পারেন, তার পাশাপাশি আরও কয়েকজন তরুণীর সঙ্গে জাবেদের সম্পর্ক রয়েছে। পরে খোঁজ নিয়ে বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হন বলে দাবি করেন তিনি।
এরপর সোমবার রাতে কৌশলে জাবেদকে নগরের মুন্সিগ্যারেজ এলাকায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে একে একে তিন তরুণী উপস্থিত হন। তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জাবেদকে মারধর করা হয়। এ সময় ঘটনাটি দেখতে আশপাশের লোকজন জড়ো হন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জাবেদকে থানায় নিয়ে যায়।
বরিশাল মহানগর পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেছেন, একজনকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নারী আসক্ত এক যুবককে বেদম পিটুনি দিয়েছে তিন তরুণী। সোমবার সন্ধ্যা রাতে জাবেদ নামের এই যুবককে তরুণীরা ডেকে নেন শহরের মুন্সিগ্যারেজ এলাকায়। এবং সেখানে বসে তিন তরুণী একত্রিত হয়ে বিএম কলেজ ছাত্র জাবেদকে গণপিটুনি দেন। পরে সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ গিয়ে যুবককে তাদের হেফাজতে নেয়।
বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী জাবেদ সদর উপজেলার টুমচর গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি নগরের গোরস্থান রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
এক তরুণীর দাবি, ২০২০ সালে তার সঙ্গে জাবেদের সম্পর্ক হয়। সম্পর্ক চলাকালে জাবেদ বিভিন্ন সময় তাকে নানা ধরনের প্রস্তাব দিতেন। মুঠোফোনে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দেওয়ার জন্যও চাপ দিতেন বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।
তার দাবি, জাবেদের পড়াশোনার খরচ, মুঠোফোন কেনা এবং মোটরসাইকেলে তেল ভরার টাকাসহ বিভিন্ন খরচও তাকে বহন করতে হয়েছে। ওই তরুণী জানান, জাবেদের সঙ্গে সম্পর্ক চলার সময়ই তিনি জানতে পারেন, তার পাশাপাশি আরও কয়েকজন তরুণীর সঙ্গে জাবেদের সম্পর্ক রয়েছে। পরে খোঁজ নিয়ে বিষয়টির সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হন বলে দাবি করেন তিনি।
এরপর সোমবার রাতে কৌশলে জাবেদকে নগরের মুন্সিগ্যারেজ এলাকায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে একে একে তিন তরুণী উপস্থিত হন। তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জাবেদকে মারধর করা হয়। এ সময় ঘটনাটি দেখতে আশপাশের লোকজন জড়ো হন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জাবেদকে থানায় নিয়ে যায়।
বরিশাল মহানগর পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেছেন, একজনকে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০০:৪১
বরিশালের আলোচিত মাদক সম্রাট রিফিউজি রফিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম নগরের দুটি স্থানে অভিযান তাকেসহ রাব্বি, রানা, মিঠুন মৃধা এবং সিফাত গ্রেপ্তারে সফলতা পায়। এবং তাদের হেফাজত থেকে ৫৭ বোতল ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই রফিক আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর বাসিন্দা হলেও গোটা শহরে মাদকের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছেন, দিচ্ছেন। কীর্তনখোলা নদীর পূর্বতীর হিরননগর, কাজীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকাসমূহে তিনি মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটিয়েছেন। তার বিক্রিত এই মরননেশায় আসক্ত-আক্রান্ত হচ্ছে যুব সমাজ।
মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালি মডেলসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডজনখানে মামলা আছে, এর মধ্যে বেশকিছু বিচারাধীন বলে জানা গেছে। এবং তিনি মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে বিভিন্ন সময়ে কারান্তরীণ থাকার বহু উদাহরণও আছে।
স্থানীয়রা বলছেন, রফিকের স্ত্রী-সন্তান থেকে শুরু করে গোটা পরিবার মাদক বিক্রিতে জড়িত। এবং তাদের উপার্জনের একমাত্র পথই হচ্ছে মাদক বিক্রি, বিশেষ করে গাঁজা সরবরাহ। এই অবৈধ বাণিজ্যের অর্থে তিনি আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীতে একটি বহুতল ভবনও করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
চিহ্নিত এই মাদক ব্যবসায়ী তৎকালীন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে গিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। অবশ্য ডিবি পুলিশ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পরে পুলিশ এনিয়ে রফিক ওরফে গাঁজা রফিককে দুইবার গ্রেপ্তার করল।
সোমবার রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে রিফিউজি কলোনীর বাসাটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সাথে আরও তিনজনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৫৭ বোতল ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত মাদকবিক্রেতাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। সোমবার রাতে ডিসি দক্ষিণের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে, জানান ওসি।’
বরিশালের আলোচিত মাদক সম্রাট রিফিউজি রফিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম নগরের দুটি স্থানে অভিযান তাকেসহ রাব্বি, রানা, মিঠুন মৃধা এবং সিফাত গ্রেপ্তারে সফলতা পায়। এবং তাদের হেফাজত থেকে ৫৭ বোতল ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই রফিক আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর বাসিন্দা হলেও গোটা শহরে মাদকের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছেন, দিচ্ছেন। কীর্তনখোলা নদীর পূর্বতীর হিরননগর, কাজীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকাসমূহে তিনি মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটিয়েছেন। তার বিক্রিত এই মরননেশায় আসক্ত-আক্রান্ত হচ্ছে যুব সমাজ।
মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালি মডেলসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডজনখানে মামলা আছে, এর মধ্যে বেশকিছু বিচারাধীন বলে জানা গেছে। এবং তিনি মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে বিভিন্ন সময়ে কারান্তরীণ থাকার বহু উদাহরণও আছে।
স্থানীয়রা বলছেন, রফিকের স্ত্রী-সন্তান থেকে শুরু করে গোটা পরিবার মাদক বিক্রিতে জড়িত। এবং তাদের উপার্জনের একমাত্র পথই হচ্ছে মাদক বিক্রি, বিশেষ করে গাঁজা সরবরাহ। এই অবৈধ বাণিজ্যের অর্থে তিনি আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীতে একটি বহুতল ভবনও করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
চিহ্নিত এই মাদক ব্যবসায়ী তৎকালীন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে গিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। অবশ্য ডিবি পুলিশ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পরে পুলিশ এনিয়ে রফিক ওরফে গাঁজা রফিককে দুইবার গ্রেপ্তার করল।
সোমবার রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে রিফিউজি কলোনীর বাসাটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সাথে আরও তিনজনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৫৭ বোতল ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত মাদকবিক্রেতাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। সোমবার রাতে ডিসি দক্ষিণের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে, জানান ওসি।’

০৩ জুন, ২০২৫ ১৫:১৮
বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আসন্ন গভর্নিং বডির নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক। সোমবার বিকেলে তার নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি চাঁদপাশা ইউনিয়নের শিক্ষার্থী অভিভাবক এবং বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেছেন। পরে বিভিন্ন ওয়ার্ডের শিক্ষার্থী অভিভাবক ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা ও গনসংযোগ করেন তিনি।
আজিজুল হকের সমর্থনে সোমবার বিকেল ৪টার দিকে চাঁদপাশার আরজি কালিকাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য রাজন সিকদার, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আকিব হোসেন ইমরান, চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক জসিম উদদীন, হেমায়েত হোসেন, হাবিবুর রহমান, চাঁপাশা ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি শাহাজুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় মুলাদীর কাজিরচর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল হোসেন তোতা, বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কুদ্দুস মোল্লা, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান জাকির, সাধারণ সম্পাদক মাসুম রেজা রুবেল, বিএনপি নেতা আবদুল জলিল, চাঁদপাশা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি রিপন হোসেন, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফেরদৌস খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বায়েজিদ হোসেন আনন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় প্রার্থী সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক বলেন, 'আমি বিগত ২০০৩ সাল থেকে ছাত্রছাত্রীদের কল্যাণে বিভিন্ন কাজ করে আসছি। অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থীকে নামমাত্র টাকায় বা স্বল্প খরচে পরীক্ষার ফরম ফিলাপের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। অনেককে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঠদান করিয়েছি। ছাত্রজীবন থেকেই প্রতিবছর আমি এই সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। শিক্ষার্থীদের যাতে আরও বেশি সেবা করতে পারি সেজন্য বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে দাঁড়িয়েছি। নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারি কিংবা না পারি, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমার সেবামূলক কাজ অব্যাহত থাকবে।'
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০২:০৯
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৪
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৬
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৫৭