Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৩
নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
প্রজ্ঞাপনে মোট আটজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের নিম্ন বর্ণিত কর্মকর্তাগণকে তাদের নামের পাশে বর্ণিত উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হলো।
বদলির বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, আমি যেহেতু সরকারি কর্মচারী সে হিসেবে সরকার আমাকে যেখানে বদলি করবে আমাকে সেখানেই যোগদান করতে হবে।
নির্দিষ্ট কোনো কারণে বদলি করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এটা সরকারি সিদ্ধান্ত।
তবে এটুকু বলতে পারি যেহেতু সামনে নির্বাচন সে হিসেবে হয়তো আমাকে বদলি করা হয়েছে। আমি নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য তৈরি হচ্ছি। আশা করি নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকালকে আমার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবো।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে জেলার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান।
এ সময় সরকারি জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করছিলেন পারভেজ নামে এক ব্যক্তি। তখন পারভেজ নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর ক্ষিপ্ত হন সাইদুর রহমান। এ সময় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
ওই ঘটনার ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। খন্ডিত ওই ভিডিওতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, ‘কী করছেন এটা বলেন না আমাকে। আপনি ম্যাজিস্ট্রেট, আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আপনি ম্যাজিস্ট্রেট, আমি চেয়ারম্যান, এটা আপনি জানেন তো, এটা আমাকে বলতে সমস্যা কোথায়? মোবাইল কোর্ট তো হচ্ছে, স্বাক্ষর করার আগে আমাকে বলেন। ইউএনও সাহেব আমাকে বলেন, আপনি আছেন ঠিক আছে, আমার ইউনিয়ন এটা, আমি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হলে আগে আমাকে বলতে হবে।’
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানতে চান চেয়ারম্যানের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টা কোন আইনে আছে? তখন চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, এটা চেয়ারম্যানের আইনে আছে।
এ ঘটনায় পরদিন (১৮ জানুয়ারি) লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
এরপর গতকাল (২০ জানুয়ারি) মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে, কলমাকান্দা উপজেলার ইউএনও মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করে। মাসুদুর রহমান গত ১৪ ডিসেম্বর জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) প্রীতম সোহাগ এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। পোস্টে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসন এবং রাজনীতির এমন অহি-নকূল সম্পর্ক আমরা চাই না।
আমলাতন্ত্র আর রাজনৈতিক ক্ষমতার গরম আমরা দেখতে চাই না,আমরা আমলা ও রাজনৈতিক চর্চাকারীদের সম্মানের চোখে দেখতে চাই। আপনি ঘটনাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা নিন।
দীর্ঘ পোস্টের শেষে তিনি লিখেন, এই অফিসারকে যদি চাকরির নিয়মিত বদলির বাইরে অরাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে শাস্তিমূলক বদলি ও চরিত্রহনন করা হয়ে থাকে তাহলে, এই কাজের সাথে জড়িত উপদেষ্টা, রাজনীতিবীদ,সচিব-আমলাসহ সকলের প্রতি নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়ে রাখলাম। সিদ্ধান্ত বদল করার দাবি জানিয়ে রাখলাম।
নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
প্রজ্ঞাপনে মোট আটজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের নিম্ন বর্ণিত কর্মকর্তাগণকে তাদের নামের পাশে বর্ণিত উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হলো।
বদলির বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, আমি যেহেতু সরকারি কর্মচারী সে হিসেবে সরকার আমাকে যেখানে বদলি করবে আমাকে সেখানেই যোগদান করতে হবে।
নির্দিষ্ট কোনো কারণে বদলি করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এটা সরকারি সিদ্ধান্ত।
তবে এটুকু বলতে পারি যেহেতু সামনে নির্বাচন সে হিসেবে হয়তো আমাকে বদলি করা হয়েছে। আমি নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য তৈরি হচ্ছি। আশা করি নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকালকে আমার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবো।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে জেলার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান।
এ সময় সরকারি জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করছিলেন পারভেজ নামে এক ব্যক্তি। তখন পারভেজ নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর ক্ষিপ্ত হন সাইদুর রহমান। এ সময় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
ওই ঘটনার ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। খন্ডিত ওই ভিডিওতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, ‘কী করছেন এটা বলেন না আমাকে। আপনি ম্যাজিস্ট্রেট, আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আপনি ম্যাজিস্ট্রেট, আমি চেয়ারম্যান, এটা আপনি জানেন তো, এটা আমাকে বলতে সমস্যা কোথায়? মোবাইল কোর্ট তো হচ্ছে, স্বাক্ষর করার আগে আমাকে বলেন। ইউএনও সাহেব আমাকে বলেন, আপনি আছেন ঠিক আছে, আমার ইউনিয়ন এটা, আমি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হলে আগে আমাকে বলতে হবে।’
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানতে চান চেয়ারম্যানের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টা কোন আইনে আছে? তখন চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, এটা চেয়ারম্যানের আইনে আছে।
এ ঘটনায় পরদিন (১৮ জানুয়ারি) লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
এরপর গতকাল (২০ জানুয়ারি) মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে, কলমাকান্দা উপজেলার ইউএনও মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করে। মাসুদুর রহমান গত ১৪ ডিসেম্বর জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) প্রীতম সোহাগ এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। পোস্টে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসন এবং রাজনীতির এমন অহি-নকূল সম্পর্ক আমরা চাই না।
আমলাতন্ত্র আর রাজনৈতিক ক্ষমতার গরম আমরা দেখতে চাই না,আমরা আমলা ও রাজনৈতিক চর্চাকারীদের সম্মানের চোখে দেখতে চাই। আপনি ঘটনাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা নিন।
দীর্ঘ পোস্টের শেষে তিনি লিখেন, এই অফিসারকে যদি চাকরির নিয়মিত বদলির বাইরে অরাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে শাস্তিমূলক বদলি ও চরিত্রহনন করা হয়ে থাকে তাহলে, এই কাজের সাথে জড়িত উপদেষ্টা, রাজনীতিবীদ,সচিব-আমলাসহ সকলের প্রতি নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়ে রাখলাম। সিদ্ধান্ত বদল করার দাবি জানিয়ে রাখলাম।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২১
একদিনে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন।
মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের
বরিশাল টাইমস

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৮
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বাদী মো. আশরাফুলের অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক নেতাকে আসামি করা হয়েছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং এগুলোর তদন্ত চলছে। ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনও জানান, মামলাগুলো চলমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় থেকে শিরীন শারমিনকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশেষ করে শহরের কয়েকটি পাম্পে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ, বাইকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ। তাদের প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েও গণমাধ্যমেরকর্মীদের পড়তে হচ্ছে এসব সিন্ডিকেটের রোষানলে।
জানা যায়, এ উপজেলায় মোট ১১টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিতরণে হচ্ছে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বাইকার চালক ও ব্যবসায়ী বারবার তেল নিয়ে মজুত করছেন। কিছুক্ষণ পরই তারাই আবার লাইনে এসে দাঁড়ানোতে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতেই বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।
উপজেলার কেয়াবাগান প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইকার রাকিব হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করি। কিন্তু তিনদিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাইনি। অথচ কিছু লোককে বারবার তেল নিতে দেখছি।
শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে আসা বাইকার সজীব রহমানের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনে গেলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়।
এল কে প্রমাণিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক বাইকার মাহিম হোসেন বলেন, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। পরে শুনি 'তেল শেষ'। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, আমরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সবাইকে দিতে পারছি না। অনেকেই অতিরিক্ত তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি।
কিন্তু ভিড়ের কারণে সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে তেল দেওয়া শুরু করি। যতক্ষণ তেল স্টকে থাকছে ততক্ষণ আমরা তেল সারবরাহ করছি। দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকেই বাইকার রা আবার লাইনে মোটরসাইকেল রেখে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমারাও এর স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে তেল পাম্পের পরিস্থিতির চিত্র ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়াসহ সন্ত্রাসী আচরণের ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সমস্যা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার বার তেল নেওয়া বাইকার সিন্ডিকেট ঠেকাতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপস সিস্টেম ব্যবহার করে তেল প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশেষ করে শহরের কয়েকটি পাম্পে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ, বাইকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ। তাদের প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েও গণমাধ্যমেরকর্মীদের পড়তে হচ্ছে এসব সিন্ডিকেটের রোষানলে।
জানা যায়, এ উপজেলায় মোট ১১টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিতরণে হচ্ছে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বাইকার চালক ও ব্যবসায়ী বারবার তেল নিয়ে মজুত করছেন। কিছুক্ষণ পরই তারাই আবার লাইনে এসে দাঁড়ানোতে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতেই বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।
উপজেলার কেয়াবাগান প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইকার রাকিব হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করি। কিন্তু তিনদিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাইনি। অথচ কিছু লোককে বারবার তেল নিতে দেখছি।
শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে আসা বাইকার সজীব রহমানের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনে গেলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়।
এল কে প্রমাণিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক বাইকার মাহিম হোসেন বলেন, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। পরে শুনি 'তেল শেষ'। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, আমরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সবাইকে দিতে পারছি না। অনেকেই অতিরিক্ত তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি।
কিন্তু ভিড়ের কারণে সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে তেল দেওয়া শুরু করি। যতক্ষণ তেল স্টকে থাকছে ততক্ষণ আমরা তেল সারবরাহ করছি। দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকেই বাইকার রা আবার লাইনে মোটরসাইকেল রেখে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমারাও এর স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে তেল পাম্পের পরিস্থিতির চিত্র ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়াসহ সন্ত্রাসী আচরণের ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সমস্যা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার বার তেল নেওয়া বাইকার সিন্ডিকেট ঠেকাতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপস সিস্টেম ব্যবহার করে তেল প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
একদিনে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন।
মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের
বরিশাল টাইমস
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বাদী মো. আশরাফুলের অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক নেতাকে আসামি করা হয়েছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং এগুলোর তদন্ত চলছে। ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনও জানান, মামলাগুলো চলমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় থেকে শিরীন শারমিনকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।