বরিশালে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পরিবেশে ঈদের জামাত আদায় করতে পেরে শুকরিয়া জানিয়েছেন মুসল্লিরা।শনিবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় শহরের বান্দরোডের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজে ইমামতি করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সকাল থেকেই ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে দলে দলে ঈদগাহ ময়দানে আসতে শুরু করেন মুসল্লিরা।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কায়ছার, জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মানুষ ঈদের প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ করেন।
এদিকে নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়। অপরদিকে নামাজ শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুসল্লিরা।
প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া নগরের ৫ শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৭
কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস বরগুনার আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ইমরান পরিবহনের বাসটি বুধবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে একটি বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাসটির বেশির ভাগ যাত্রীই কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসের চালক নেমে যান। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন তাঁর সহকারী (হেলপার)। সড়কের একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস বরগুনার আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ইমরান পরিবহনের বাসটি বুধবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে একটি বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাসটির বেশির ভাগ যাত্রীই কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসের চালক নেমে যান। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন তাঁর সহকারী (হেলপার)। সড়কের একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৪৭
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পান ভুক্তভোগী। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে গনি হাওলাদারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার ঠিকাদার সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তার ‘নুসরাত এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীতে জুতা, কালি, বেল্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতান তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরা জেলার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান।
ফরিদ আহমেদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধ করতে সোহেল রানা সেখানে আসেন। তবে টাকা না দিয়ে চেক দেওয়ার পর একটি স্ট্যাম্পে সুলতানকে স্বাক্ষর করতে বললে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আত্মরক্ষায় খালে ঝাঁপ দিয়ে চিৎকার শুরু করেন সুলতান। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে আসা সোহেল রানা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাবেক এই কাউন্সিলর।
হামলার শিকার সুলতান আহমেদ বলেন, তাঁরা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে বিস্তারিত বলার আগেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সুলতান।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পান ভুক্তভোগী। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে গনি হাওলাদারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার ঠিকাদার সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তার ‘নুসরাত এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীতে জুতা, কালি, বেল্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতান তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরা জেলার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান।
ফরিদ আহমেদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধ করতে সোহেল রানা সেখানে আসেন। তবে টাকা না দিয়ে চেক দেওয়ার পর একটি স্ট্যাম্পে সুলতানকে স্বাক্ষর করতে বললে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আত্মরক্ষায় খালে ঝাঁপ দিয়ে চিৎকার শুরু করেন সুলতান। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে আসা সোহেল রানা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাবেক এই কাউন্সিলর।
হামলার শিকার সুলতান আহমেদ বলেন, তাঁরা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে বিস্তারিত বলার আগেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সুলতান।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৪০
মাদকবিরোধী অভিযানের নামে আটক ব্যক্তিদের পেটানো, সেই দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া, এরপর বিতর্কিত বক্তব্য—সব মিলিয়ে চাপে পড়েছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক। মাদক নির্মূলের নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পাশ কাটিয়ে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযান এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কি কোনো রাজনৈতিক নেতার আছে?
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ফারুক। একপর্যায়ে দুই যুবককে চড়-থাপ্পড় মারতে এবং কয়েকজনকে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে পেটাতে দেখা যায়।
মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব নাভিদ রহমান তুষারের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে মাদক সেবনের অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছিল। পরে স্থানীয় মুরব্বি ও অভিভাবকদের অনুরোধে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে অভিযানের আগে পুলিশকে জানানো হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি।
ঘটনার সবচেয়ে আলোচিত দিক ফারুকের নিজের বক্তব্য। আটক ব্যক্তিদের মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে কী করব, তারা তো ছেড়ে দেয়। তাই উত্তমমাধ্যম দিয়ে আমরাও ছেড়ে দিয়েছি।’
এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে কাউকে মারধরের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার এই যুক্তি কতটা গ্রহণযোগ্য, সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে।
আমানতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (উপ-পরিদর্শক) এসআই রেজাউল ইসলাম রেজা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযানে পুলিশের কোনো সদস্য ছিলেন না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশালের উপ-পরিচালক মো. তানভীর হোসেন খানও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। কর্মকর্তা বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ছাড়া এ ধরনের অভিযান পরিচালনার সুযোগ নেই।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকন কুদ্দুসুর রহমানের বক্তব্যেও প্রশাসনের ভূমিকাই গুরুত্ব পেয়েছে। এই নেতার মতে, মাদক নির্মূলে নেতা-কর্মীরা পুলিশকে সহায়তা করতে পারেন, কিন্তু অভিযান পরিচালনা করবে প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবু আল রায়হানও বলেছেন, মাদকসহ কাউকে আটক করা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্কে ঢাকার বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঘটনাও নতুন করে আলোচনায় আসছে। সম্প্রতি ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়া এবং পিস্তল হাতে থাকার ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চাওয়ার ঘোষণা দেন।
ইশরাকের ঘটনাকে ঘিরে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই বরিশালে ফারুকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। দুই ঘটনার প্রেক্ষাপট এক না হলেও মাদকবিরোধী তৎপরতায় রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা, আইন প্রয়োগের সীমা এবং প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা সামনে এসেছে।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফারুককে ঘিরে গণমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা বাড়ছে। একই সঙ্গে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও সমালোচনাও চোখে পড়ছে।
এখন বড় প্রশ্ন হচ্ছে, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফারুকের বক্তব্যের বাইরে আর কী ব্যাখ্যা সামনে আসে, বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না এবং প্রশাসন ঘটনাটি খতিয়ে দেখে কি না। মাদকবিরোধী অভিযানের নামে আটক ব্যক্তিদের মারধরের এই ঘটনা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বিতর্কেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি ইশরাকের ন্যায় পরিণতি ফারুকেরও হয় সেই বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।’
মাদকবিরোধী অভিযানের নামে আটক ব্যক্তিদের পেটানো, সেই দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া, এরপর বিতর্কিত বক্তব্য—সব মিলিয়ে চাপে পড়েছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক। মাদক নির্মূলের নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পাশ কাটিয়ে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযান এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কি কোনো রাজনৈতিক নেতার আছে?
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ফারুক। একপর্যায়ে দুই যুবককে চড়-থাপ্পড় মারতে এবং কয়েকজনকে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে পেটাতে দেখা যায়।
মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব নাভিদ রহমান তুষারের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে মাদক সেবনের অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছিল। পরে স্থানীয় মুরব্বি ও অভিভাবকদের অনুরোধে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে অভিযানের আগে পুলিশকে জানানো হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি।
ঘটনার সবচেয়ে আলোচিত দিক ফারুকের নিজের বক্তব্য। আটক ব্যক্তিদের মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে কী করব, তারা তো ছেড়ে দেয়। তাই উত্তমমাধ্যম দিয়ে আমরাও ছেড়ে দিয়েছি।’
এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে কাউকে মারধরের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার এই যুক্তি কতটা গ্রহণযোগ্য, সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে।
আমানতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (উপ-পরিদর্শক) এসআই রেজাউল ইসলাম রেজা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযানে পুলিশের কোনো সদস্য ছিলেন না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশালের উপ-পরিচালক মো. তানভীর হোসেন খানও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। কর্মকর্তা বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ছাড়া এ ধরনের অভিযান পরিচালনার সুযোগ নেই।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকন কুদ্দুসুর রহমানের বক্তব্যেও প্রশাসনের ভূমিকাই গুরুত্ব পেয়েছে। এই নেতার মতে, মাদক নির্মূলে নেতা-কর্মীরা পুলিশকে সহায়তা করতে পারেন, কিন্তু অভিযান পরিচালনা করবে প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবু আল রায়হানও বলেছেন, মাদকসহ কাউকে আটক করা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্কে ঢাকার বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঘটনাও নতুন করে আলোচনায় আসছে। সম্প্রতি ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়া এবং পিস্তল হাতে থাকার ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চাওয়ার ঘোষণা দেন।
ইশরাকের ঘটনাকে ঘিরে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই বরিশালে ফারুকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। দুই ঘটনার প্রেক্ষাপট এক না হলেও মাদকবিরোধী তৎপরতায় রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা, আইন প্রয়োগের সীমা এবং প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা সামনে এসেছে।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফারুককে ঘিরে গণমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা বাড়ছে। একই সঙ্গে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও সমালোচনাও চোখে পড়ছে।
এখন বড় প্রশ্ন হচ্ছে, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফারুকের বক্তব্যের বাইরে আর কী ব্যাখ্যা সামনে আসে, বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না এবং প্রশাসন ঘটনাটি খতিয়ে দেখে কি না। মাদকবিরোধী অভিযানের নামে আটক ব্যক্তিদের মারধরের এই ঘটনা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বিতর্কেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি ইশরাকের ন্যায় পরিণতি ফারুকেরও হয় সেই বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।’

০৭ জুন, ২০২৫ ১০:১৬
বরিশালে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পরিবেশে ঈদের জামাত আদায় করতে পেরে শুকরিয়া জানিয়েছেন মুসল্লিরা।শনিবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় শহরের বান্দরোডের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজে ইমামতি করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সকাল থেকেই ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে দলে দলে ঈদগাহ ময়দানে আসতে শুরু করেন মুসল্লিরা।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কায়ছার, জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মানুষ ঈদের প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ করেন।
এদিকে নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়। অপরদিকে নামাজ শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুসল্লিরা।
প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া নগরের ৫ শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮