
২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:১০
বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলায় উঁচু টিলার উপর দাঁড়িয়ে আছে মোঘল আমলের স্থাপত্য নিদর্শন এক গম্বুজ বিশিষ্ট ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদ। চারিদিকে সবুজ বৃক্ষ পরিবেষ্টিত এ অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যায়। দেশের ঐতিহাসিক দর্শনীয় মসজিদগুলোর মধ্যে বিবিচিনি শাহী মসজিদ একটি অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কালের বিবর্তনে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে এ ঐতিহাসিক নিদর্শন বিবিচিনি মসজিদটি। ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে মোঘল আমলে স্থাপিত মসজিদের অতীত রূপের উজ্জ্বলতা।
বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নে অবস্থিত বিবিচিনি শাহী মসজিদকে ঘিড়ে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনা। স্থানীয় লোকজনের জল্পনা কল্পনার যেন শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন, এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিল পরী’রা। তাই এই মসজিদকে পরীর মসজিদ বলে মনে করেন স্থানীয় জনসাধারণ।
ঐতিহাসিক শাহী মসজিদটি যিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং যার নাম এই মসজিদের নামের সাথে একই সুতোয় গাঁথা তিনি হলেন, আধ্যাত্মিক সাধক হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ।
জানা যায়, ১৬৫৯ খ্রিষ্টাব্দে সুদূর পারস্য থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রথমে তিনি দিল্লি আসেন। ওই সময় মোঘল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজা বঙ্গ দেশের সুবেদার এই মহান সাধকের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।
তখন হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ কয়েকজন শিষ্যকে সাথে নিয়ে এই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা বরগুনার বিবিচিনি গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে তার শিষ্য শাহ সুজার অনুরোধে এই গ্রামেই তিনি এক গম্বুজ বিশিষ্ট এ শাহী মসজিদটি নির্মাণ করেন।
বরগুনা জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা গেছে, হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহর কন্যা চিনিবিবির নামের সাথে মিল রেখে এই গ্রামের নামকরণ করা হয় বিবিচিনি। সমতল ভূমি থেকে এই মসজিদের অবস্থান প্রায় ৩৯ ফুট উচ্চ টিলার উপরে। এর দৈর্ঘ্য ৩৩ ফুট এবং প্রস্থ ৩৩ ফুট। চারপাশের দেয়াল ৬ ফুট চওড়া। উত্তর ও দক্ষিণ পাশে তিনটি দরজা রয়েছে। মসজিদের ইটের রং ধূসর বর্ণের, ইটের দৈর্ঘ্য ১২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১০ ইঞ্চি এবং পুরো ২ ইঞ্চি, বর্তমান যুগের ইটের চেয়ে এর আকৃতি সম্পূর্ণ আলাদা।
তৎকালীন সময় সাধক শাহ নেয়ামত উল্লাহর অনেক কীর্তি দেখে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মানুষ তার কাছে ইসলাম ধর্মে দীক্ষা লাভ করেন। কথিত আছে, ‘তখনকার সময় বিষখালী নদীর পানি প্রচুর লবণাক্ত থাকায় পানযোগ্য ছিল না। তাই তিনি মানুষের কষ্টের কথা ভেবে তার আধ্যাত্মিক সাধনার আশ্চর্য তসবিহ খানি বিষখালী নদীর পানিতে ধুয়ে দিলে সেই লবণাক্ত পানি মিঠা পানিতে পরিণত হয় এবং পানের উপযোগী হয়ে যায়।’
আরো জানা যায়, ‘ওই সময়ে বিষখালী নদী সুগন্ধা নদীর অংশ বিশেষ ছিল এবং এর পানি অতি মাত্রায় লবণাক্ত থাকায় মানুষ মুখে পর্যন্ত নিতে পারতেন না।’ একদিন চিনিবিবি নদীতে নেমে লবণ পানি মুখে নিয়ে তিনঢোক পানি পান করে বলেন, পানির বিষ খেয়ে ফেললাম, সেই থেকে এই নদীর নামকরণ করা হয় বিষখাই, যা পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয় বিষখালী নদী নামে। আরো কথিত আছে যে, ‘ওই সময় বিষখালী নদীতে ছিল কুমিরের অবাধ বিচরণ। কিন্তু তার অলৌকিক ক্ষমতার প্রভাবে পরবর্তীতে বিবিচিনি সংলগ্ন বিষখালী নদী এলাকায় কোন কুমির আসত না। এই নিয়ম আজও প্রচলিত আছে এমন ধারণা এলাকার মানুষের।
প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মসজিদটি দেখতে আসেন অসংখ্য নারী-পুরুষ। তাদের সাথে কথা হলে তারা জানান, এখানে মানত করলে তাদের মনোবাসনা পূর্ণ হয়। দর্শনার্থীরা এখানে এসে নামাজ আদায় করেন।
মসজিদ পরিচালনার জন্য একটি কার্যকরী কমিটি রয়েছে। আর এই কমিটির সভাপতি হলেন, বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হরেকৃষ্ণ অধিকারী।
জানা গেছে, শুধু দেশেই নয় মোঘল স্থাপত্যের গৌরব ও মর্যাদার সাক্ষী হিসেবে ইতিহাসে ব্রিটিশ জাদুঘরে এই বিবিচিনি শাহী মসজিদের নাম উল্লেখ আছে, যা পাঁচশত বছর পূর্বের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবিচিনি শাহী মসজিদ এর ইমাম আবদুল মান্নান বলেন, আমি ২০ বছর ধরে এই মসজিদের দায়িত্বে আছি, বহু বছর ধরে কোন সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে মসজিদের কিছু সংস্কার কাজ করা দরকার। মসজিদের সামনের মাঠটি পাঁকা করে নামাজের জন্য উপযোগী করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি মসজিদের সংস্কারসহ মাঠটি পাঁকা করণের দাবি জানাই।
মসজিদের মোয়াজ্জেম মো. আবু হানিফ বলেন, আমি এই মসজিদে ২৭ বছর ধরে আছি, এটি পাঁচশত বছরের পুরোনো মসজিদ। এই ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদে জুমার নামাজ পড়া শুরু হয়েছে ১১০ বছর আগে।
স্থানীয় বাসিন্দা হানিফ সর্দার (৬০) বলেন, এই মসজিদের কোন পরিচর্যা হচ্ছে না। মসজিদের ভিতরে ও বাইরে সংস্কারের দাবি জানাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি।
খুলনা থেকে আসা দর্শনার্থী রেজাউল ইসলাম বলেন, এক কথায় বলা যায়, এমন সৌন্দর্য শুধু হৃদয় দিয়েই অনুভব করা যায়, এ অনুভবের যেন শেষ নেই। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের এখানে থাকার জন্য পর্যাপ্ত ডাকবাংলো প্রয়োজন।
ঐতিহাসিক বিবিচিনি মসজিদটি সংস্কার করে মোঘল আমলের নিদর্শন ধরে রাখতে সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।
বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলায় উঁচু টিলার উপর দাঁড়িয়ে আছে মোঘল আমলের স্থাপত্য নিদর্শন এক গম্বুজ বিশিষ্ট ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদ। চারিদিকে সবুজ বৃক্ষ পরিবেষ্টিত এ অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যায়। দেশের ঐতিহাসিক দর্শনীয় মসজিদগুলোর মধ্যে বিবিচিনি শাহী মসজিদ একটি অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কালের বিবর্তনে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে এ ঐতিহাসিক নিদর্শন বিবিচিনি মসজিদটি। ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে মোঘল আমলে স্থাপিত মসজিদের অতীত রূপের উজ্জ্বলতা।
বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নে অবস্থিত বিবিচিনি শাহী মসজিদকে ঘিড়ে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনা। স্থানীয় লোকজনের জল্পনা কল্পনার যেন শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন, এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিল পরী’রা। তাই এই মসজিদকে পরীর মসজিদ বলে মনে করেন স্থানীয় জনসাধারণ।
ঐতিহাসিক শাহী মসজিদটি যিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং যার নাম এই মসজিদের নামের সাথে একই সুতোয় গাঁথা তিনি হলেন, আধ্যাত্মিক সাধক হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ।
জানা যায়, ১৬৫৯ খ্রিষ্টাব্দে সুদূর পারস্য থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রথমে তিনি দিল্লি আসেন। ওই সময় মোঘল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজা বঙ্গ দেশের সুবেদার এই মহান সাধকের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।
তখন হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ কয়েকজন শিষ্যকে সাথে নিয়ে এই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা বরগুনার বিবিচিনি গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে তার শিষ্য শাহ সুজার অনুরোধে এই গ্রামেই তিনি এক গম্বুজ বিশিষ্ট এ শাহী মসজিদটি নির্মাণ করেন।
বরগুনা জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা গেছে, হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহর কন্যা চিনিবিবির নামের সাথে মিল রেখে এই গ্রামের নামকরণ করা হয় বিবিচিনি। সমতল ভূমি থেকে এই মসজিদের অবস্থান প্রায় ৩৯ ফুট উচ্চ টিলার উপরে। এর দৈর্ঘ্য ৩৩ ফুট এবং প্রস্থ ৩৩ ফুট। চারপাশের দেয়াল ৬ ফুট চওড়া। উত্তর ও দক্ষিণ পাশে তিনটি দরজা রয়েছে। মসজিদের ইটের রং ধূসর বর্ণের, ইটের দৈর্ঘ্য ১২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১০ ইঞ্চি এবং পুরো ২ ইঞ্চি, বর্তমান যুগের ইটের চেয়ে এর আকৃতি সম্পূর্ণ আলাদা।
তৎকালীন সময় সাধক শাহ নেয়ামত উল্লাহর অনেক কীর্তি দেখে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মানুষ তার কাছে ইসলাম ধর্মে দীক্ষা লাভ করেন। কথিত আছে, ‘তখনকার সময় বিষখালী নদীর পানি প্রচুর লবণাক্ত থাকায় পানযোগ্য ছিল না। তাই তিনি মানুষের কষ্টের কথা ভেবে তার আধ্যাত্মিক সাধনার আশ্চর্য তসবিহ খানি বিষখালী নদীর পানিতে ধুয়ে দিলে সেই লবণাক্ত পানি মিঠা পানিতে পরিণত হয় এবং পানের উপযোগী হয়ে যায়।’
আরো জানা যায়, ‘ওই সময়ে বিষখালী নদী সুগন্ধা নদীর অংশ বিশেষ ছিল এবং এর পানি অতি মাত্রায় লবণাক্ত থাকায় মানুষ মুখে পর্যন্ত নিতে পারতেন না।’ একদিন চিনিবিবি নদীতে নেমে লবণ পানি মুখে নিয়ে তিনঢোক পানি পান করে বলেন, পানির বিষ খেয়ে ফেললাম, সেই থেকে এই নদীর নামকরণ করা হয় বিষখাই, যা পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয় বিষখালী নদী নামে। আরো কথিত আছে যে, ‘ওই সময় বিষখালী নদীতে ছিল কুমিরের অবাধ বিচরণ। কিন্তু তার অলৌকিক ক্ষমতার প্রভাবে পরবর্তীতে বিবিচিনি সংলগ্ন বিষখালী নদী এলাকায় কোন কুমির আসত না। এই নিয়ম আজও প্রচলিত আছে এমন ধারণা এলাকার মানুষের।
প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মসজিদটি দেখতে আসেন অসংখ্য নারী-পুরুষ। তাদের সাথে কথা হলে তারা জানান, এখানে মানত করলে তাদের মনোবাসনা পূর্ণ হয়। দর্শনার্থীরা এখানে এসে নামাজ আদায় করেন।
মসজিদ পরিচালনার জন্য একটি কার্যকরী কমিটি রয়েছে। আর এই কমিটির সভাপতি হলেন, বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হরেকৃষ্ণ অধিকারী।
জানা গেছে, শুধু দেশেই নয় মোঘল স্থাপত্যের গৌরব ও মর্যাদার সাক্ষী হিসেবে ইতিহাসে ব্রিটিশ জাদুঘরে এই বিবিচিনি শাহী মসজিদের নাম উল্লেখ আছে, যা পাঁচশত বছর পূর্বের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবিচিনি শাহী মসজিদ এর ইমাম আবদুল মান্নান বলেন, আমি ২০ বছর ধরে এই মসজিদের দায়িত্বে আছি, বহু বছর ধরে কোন সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে মসজিদের কিছু সংস্কার কাজ করা দরকার। মসজিদের সামনের মাঠটি পাঁকা করে নামাজের জন্য উপযোগী করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি মসজিদের সংস্কারসহ মাঠটি পাঁকা করণের দাবি জানাই।
মসজিদের মোয়াজ্জেম মো. আবু হানিফ বলেন, আমি এই মসজিদে ২৭ বছর ধরে আছি, এটি পাঁচশত বছরের পুরোনো মসজিদ। এই ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদে জুমার নামাজ পড়া শুরু হয়েছে ১১০ বছর আগে।
স্থানীয় বাসিন্দা হানিফ সর্দার (৬০) বলেন, এই মসজিদের কোন পরিচর্যা হচ্ছে না। মসজিদের ভিতরে ও বাইরে সংস্কারের দাবি জানাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি।
খুলনা থেকে আসা দর্শনার্থী রেজাউল ইসলাম বলেন, এক কথায় বলা যায়, এমন সৌন্দর্য শুধু হৃদয় দিয়েই অনুভব করা যায়, এ অনুভবের যেন শেষ নেই। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের এখানে থাকার জন্য পর্যাপ্ত ডাকবাংলো প্রয়োজন।
ঐতিহাসিক বিবিচিনি মসজিদটি সংস্কার করে মোঘল আমলের নিদর্শন ধরে রাখতে সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৪
পাথরঘাটায় টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের ধরণসমূহ এবং প্রকল্প সমাপ্তি পরিকল্পনা বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে পাথরঘাটা সংকল্প ট্রাস্ট সেমিনার কক্ষে-এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস এবং একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এফোরটি প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এনএসএস-এর পরিচালক (কার্যক্রম) মো: শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, শিক্ষক, নেটওয়ার্ক প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক ও কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ও বিগত বছরের অর্জনসমূহ তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো:মনিরুজ্জামান। এছাড়া কর্মশালা থেকে প্রত্যাশা ও টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন একশন এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার (ইয়ুথ হাব মোবিলাইজেশন এন্ড ক্লাইমেট একশান) মো: মাসুদ পারভেজ। কর্মশালায় সার্বিক সহায়তা করেন একশানএইড’র ইন্সপিরেটর মো: রোকনুজ্জামান।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিমেল আল ইসলাম, সমাজসেবা দপ্তরের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হাওলাদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.কবির আহমেদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জিন্নাত জাহান, পরিবেশ নেটওয়ার্কের সভাপতি মো.শফিকুল ইসলাম খোকন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: মেহেদী হাসান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান, সচিববৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি ও যুব সদস্যরা।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়ন স্থায়িত্ব সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা সুদৃঢ় করা এবং এর ব্যবহারিক প্রয়োগে যৌথ বোঝাপড়া তৈরি করা। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক, আর্থিক, নেতৃত্ব ও নেটওয়ার্কভিত্তিক স্থায়িত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্রকল্প-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের ভূমিকা ও দায়িত্ব চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
কর্মশালায় একটি যৌথ টেকসইতা ভিশন ও রূপান্তর রোডম্যাপ প্রণয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুব সদস্য মো: জাকির হোসেন নাইম ও মুক্তি রানী।
পাথরঘাটায় টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের ধরণসমূহ এবং প্রকল্প সমাপ্তি পরিকল্পনা বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে পাথরঘাটা সংকল্প ট্রাস্ট সেমিনার কক্ষে-এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস এবং একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এফোরটি প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এনএসএস-এর পরিচালক (কার্যক্রম) মো: শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, শিক্ষক, নেটওয়ার্ক প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক ও কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ও বিগত বছরের অর্জনসমূহ তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো:মনিরুজ্জামান। এছাড়া কর্মশালা থেকে প্রত্যাশা ও টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন একশন এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার (ইয়ুথ হাব মোবিলাইজেশন এন্ড ক্লাইমেট একশান) মো: মাসুদ পারভেজ। কর্মশালায় সার্বিক সহায়তা করেন একশানএইড’র ইন্সপিরেটর মো: রোকনুজ্জামান।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিমেল আল ইসলাম, সমাজসেবা দপ্তরের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হাওলাদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.কবির আহমেদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জিন্নাত জাহান, পরিবেশ নেটওয়ার্কের সভাপতি মো.শফিকুল ইসলাম খোকন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: মেহেদী হাসান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান, সচিববৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি ও যুব সদস্যরা।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়ন স্থায়িত্ব সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা সুদৃঢ় করা এবং এর ব্যবহারিক প্রয়োগে যৌথ বোঝাপড়া তৈরি করা। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক, আর্থিক, নেতৃত্ব ও নেটওয়ার্কভিত্তিক স্থায়িত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্রকল্প-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের ভূমিকা ও দায়িত্ব চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
কর্মশালায় একটি যৌথ টেকসইতা ভিশন ও রূপান্তর রোডম্যাপ প্রণয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুব সদস্য মো: জাকির হোসেন নাইম ও মুক্তি রানী।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৩
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.