Loading news...

২২ মে, ২০২৬ ১৫:৫২
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন চায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টারবিহীন হোক এবং সে লক্ষ্যেই বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন যুক্ত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিধান বাতিল এবং ইভিএম ব্যবহারের নিয়ম তুলে দেওয়া। নির্বাচন পুরোপুরি নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে, ফলে কোনো দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।
বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে নিয়ম রয়েছে, সেটিও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে ঠিক কতটা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে না। একই সঙ্গে পলাতক আসামিরা প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ চলছে। ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে এবং জুনের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার আশা করছে কমিশন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন অক্টোবর থেকেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে চায়।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।
প্রথমত, সরকারের নিরপেক্ষ অবস্থান। তার মতে, সরকার কী চায় এবং কীভাবে আচরণ করে, সেটি নির্বাচনের পরিবেশে বড় প্রভাব ফেলে।
দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ। তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সহিংসতা বা সংঘর্ষ কাম্য নয়।
তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় অবস্থান। তার ভাষায়, কমিশনের নিজস্ব শক্তি সীমিত হলেও নীতিগত কঠোরতা থাকতে হবে।
চতুর্থত, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সততা ও দায়িত্ববোধ। তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং স্টাফরা সৎভাবে দায়িত্ব পালন করলে অনিয়ম অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব।
সহিংসতামুক্ত নির্বাচন আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন ছাড়া তা সম্ভব নয়। শুধু আইন প্রয়োগ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না; রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।
তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকে। ফলে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও সংযম না থাকলে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন ঘিরে মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হবে। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বড় রাজনৈতিক জোটগুলো আচরণবিধি মেনে চলায় ভোটের দিন বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা বা কেন্দ্র দখলের ঘটনা খুব কম ঘটেছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতাও কমিশনের হাতে রয়েছে।
সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।
সূত্র: বাসস
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন চায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টারবিহীন হোক এবং সে লক্ষ্যেই বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন যুক্ত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিধান বাতিল এবং ইভিএম ব্যবহারের নিয়ম তুলে দেওয়া। নির্বাচন পুরোপুরি নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে, ফলে কোনো দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।
বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে নিয়ম রয়েছে, সেটিও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে ঠিক কতটা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে না। একই সঙ্গে পলাতক আসামিরা প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ চলছে। ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে এবং জুনের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার আশা করছে কমিশন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন অক্টোবর থেকেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে চায়।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।
প্রথমত, সরকারের নিরপেক্ষ অবস্থান। তার মতে, সরকার কী চায় এবং কীভাবে আচরণ করে, সেটি নির্বাচনের পরিবেশে বড় প্রভাব ফেলে।
দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ। তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সহিংসতা বা সংঘর্ষ কাম্য নয়।
তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় অবস্থান। তার ভাষায়, কমিশনের নিজস্ব শক্তি সীমিত হলেও নীতিগত কঠোরতা থাকতে হবে।
চতুর্থত, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সততা ও দায়িত্ববোধ। তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং স্টাফরা সৎভাবে দায়িত্ব পালন করলে অনিয়ম অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব।
সহিংসতামুক্ত নির্বাচন আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন ছাড়া তা সম্ভব নয়। শুধু আইন প্রয়োগ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না; রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।
তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকে। ফলে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও সংযম না থাকলে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন ঘিরে মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হবে। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বড় রাজনৈতিক জোটগুলো আচরণবিধি মেনে চলায় ভোটের দিন বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা বা কেন্দ্র দখলের ঘটনা খুব কম ঘটেছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতাও কমিশনের হাতে রয়েছে।
সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।
সূত্র: বাসস

২২ মে, ২০২৬ ১৫:৫৭
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না।
আজ শুক্রবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান বলেন, ‘আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সূত্র: বাসস
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না।
আজ শুক্রবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান বলেন, ‘আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সূত্র: বাসস

২১ মে, ২০২৬ ১৬:২৬
ঢাকার পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হওয়া আট বছর বয়সী শিশু রামিসার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।বুধবার (২০ মে) রাত ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের ইছাপুরের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে এশার নামাজ শেষে তার জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
নিহত রামিসা ওই গ্রামের হান্নান মোল্লার মেয়ে। দাফনের সময় স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
এদিকে, এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মুন্সবগঞ্জ জেলা শহরে মশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার রাত ৭টার দিকে থানারপুল এলাকার অঙ্কুরিত যুদ্ধ-৭১ ভাস্কর্যের সামনে থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শিশু রামিসার হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত নৃশংস ও মানবতাবিরোধী। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিচার সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবী থানার সেকশন-১১ এলাকার একটি বাসায় আট বছর বয়সী রামিসাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে গেলেও মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকার পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হওয়া আট বছর বয়সী শিশু রামিসার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।বুধবার (২০ মে) রাত ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের ইছাপুরের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে এশার নামাজ শেষে তার জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
নিহত রামিসা ওই গ্রামের হান্নান মোল্লার মেয়ে। দাফনের সময় স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
এদিকে, এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মুন্সবগঞ্জ জেলা শহরে মশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার রাত ৭টার দিকে থানারপুল এলাকার অঙ্কুরিত যুদ্ধ-৭১ ভাস্কর্যের সামনে থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শিশু রামিসার হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত নৃশংস ও মানবতাবিরোধী। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিচার সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবী থানার সেকশন-১১ এলাকার একটি বাসায় আট বছর বয়সী রামিসাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে গেলেও মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২১ মে, ২০২৬ ১৫:২০
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ২০২৪ সালে দেশের প্রয়োজনে সেনাসদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে দেশ স্থিতিশীল হওয়ায় তারা ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেন। দেশের ক্রান্তিলগ্নে সেনাসদস্যদের এমন ভূমিকা জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখবে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, গত ১৮ মাস মাঠে দায়িত্ব পালন করেও সেনাসদস্যরা ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা সত্যিই অভূতপূর্ব। সেনাপ্রধান বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের সদস্যদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
গত ১৬ মে সদর দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, লজিস্টিকস এরিয়া, পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ মোট ১৭টি দল অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় ১৭ পদাতিক ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাস্টার জেনারেল অব দি অর্ডন্যান্স (এমজিও), কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১৭ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সিলেট এরিয়াসহ সেনাসদর ও বিভিন্ন ফরমেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ২০২৪ সালে দেশের প্রয়োজনে সেনাসদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে দেশ স্থিতিশীল হওয়ায় তারা ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেন। দেশের ক্রান্তিলগ্নে সেনাসদস্যদের এমন ভূমিকা জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখবে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, গত ১৮ মাস মাঠে দায়িত্ব পালন করেও সেনাসদস্যরা ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা সত্যিই অভূতপূর্ব। সেনাপ্রধান বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের সদস্যদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
গত ১৬ মে সদর দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, লজিস্টিকস এরিয়া, পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ মোট ১৭টি দল অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় ১৭ পদাতিক ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাস্টার জেনারেল অব দি অর্ডন্যান্স (এমজিও), কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১৭ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সিলেট এরিয়াসহ সেনাসদর ও বিভিন্ন ফরমেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২২ মে, ২০২৬ ২১:৩৬
২২ মে, ২০২৬ ২১:১৪
২২ মে, ২০২৬ ১৯:৫১
২২ মে, ২০২৬ ১৯:২৮