বরিশালের বাবুগঞ্জে সমন্বিত কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষির টেকসই উন্নয়নে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং বিশ্বব্যাংক ও ইফাদের সহায়তায় বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে দিনব্যাপী ওই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
'প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত ওই কংগ্রেসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে পার্টনার কংগ্রেসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোমানা শারমিন রিপার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রকল্পের বরিশাল অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, চাঁদপাশা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, পার্টনার এনজিও প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সুমন, সফল চাষী রুম্মন হোসেন, ঝর্ণা রাণী প্রমুখ।
পার্টনার কংগ্রেসে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএফএম নাজমুস সালেহীন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান, রহমতপুর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান সুমন সিকদার, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম ওমর, রফিকুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সুরুজ, বিবি হাজেরা রিমি, রেশমা আক্তার প্রমুখ। এসময় পার্টনার প্রকল্পের স্টেক হোল্ডাররা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।
পার্টনার প্রকল্প সম্পর্কে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডমুক্ত আধুনিক, নিরাপদ এবং সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করাই এই পার্টনার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। এছাড়াও নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনসহ কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। এতে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষকদের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যাবে তেমনি প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। #

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩৯
দৈনিক সমকাল বরিশাল ব্যুরো অফিসে সিনিয়র সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা রাতে তার এই আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে শহরের ৯নং ওয়ার্ডের প্যারারা রোডের অফিসে পুলিশ প্রশাসন এবং সহকর্মীরা ছুটে যান। পুলক চ্যাটার্জি এর আগে সমকাল ব্যুরো হিসেবে একই অফিসে দীর্ঘকাল কাজ করেছেন, বছর তিনেক পূর্বে তাকে প্রতিষ্ঠানটি সরিয়ে সহকর্মী রিপোর্টার সুমন চৌধুরীকে দায়িত্ব দেয়।
পুলক চ্যাটার্জির এই মৃত্যু নিয়ে সহকর্মী সিনিয়র-জুনিয়র অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন এবং এর নেপথ্যে কোনো গল্প লুকানো আছে কী না তা তদন্ত করার জোর দাবিও তোলা হচ্ছে। বিশেষ করে তার ঝুলন্ত ছবিটি মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ বাড়িয়ে তুলেছে। এই বিষয়টিতে পুলিশ আপাতত কোনো মন্তব্য না করলেও একটি চিকন রশিতে ফ্যানের সাথে সাংবাদিকের দেহ ঝুলে থাকা এবং পা মাটিতে ভাজ থাকার চিত্রটি তাদেরও ভাবাচ্ছে।
সহকর্মীরা জানিয়েছে, চাকরি না থাকলেও পুলক চ্যাটার্জি মাঝেমধ্যে অফিসে পত্রিকা পড়তে আসতেন এবং তার কাছে অফিসের একটি বিকল্প চাবি ছিল। শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে তিনি অনুরূপভাবে অফিসে আসেন, যা সিসি ক্যামেরায় রেকর্ড আছে। তবে এ সময় ব্যুরো চিফ সুমন চৌধুরী অফিসে ছিলেন না বলে জানা গেছে।
প্যারারা রোডের এই অফিস ভবনটি বিএনপি নেতা আনোয়ারুল হক তারিনের। ভবনটিতে দৈনিক আজকের পত্রিকা, দৈনিক যুগান্তর, এনটিভির অফিস রয়েছে।
পুলকের স্ত্রী নিলোৎপলা মুখার্জি সাংবাদিকদের বলেন, “ ২০২৩ সালের দিকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তারপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। পুলক চ্যাটার্জি স্ত্রী ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। পুলক চ্যাটার্জির ভাই ভূমি কর্মকর্তা দীপক চ্যাটার্জি বলেন, চাকরি না থাকার কারণে তার ভাই কিছুটা হতাশ ছিলেন। সে কারণেও এটা হতে পারে। কিন্তু এ কারণে আত্মহত্যা করবেন, সেটা কেউ ভাবিনি।”
৫৭ বছর বয়সি এই সাংবাদিকের মৃত্যুর খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-সহকর্মী সাংবাদিকসহ রাজনৈতিক নেতারা ছুটে যান।
বর্তমান ব্যুরো চিফ সুমন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তিনি সন্ধ্যা ৬টার দিকে এসে অফিসের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পান এবং পাশের জানালা দিয়ে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জিতে রশিতে ঝুলতে দেখেন। তাৎক্ষণিক তৃতীয় তলায় যুগান্তর অফিসের লোকজন ডেকে এনে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলেও সাংবাদিকের মরদেহটি নামানটি, বরং সাথে সাথে পুলিশকে অবহিত করেন।
সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলছেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তাকে একটি চিকন রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং পাটি মেঝেতে ভাজ করা ছিল। ফলে বিষয়টি নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন। এই কারণে সাংবাদিকের মরদেহের ময়নাতদন্ত করার প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ।’
দৈনিক সমকাল বরিশাল ব্যুরো অফিসে সিনিয়র সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা রাতে তার এই আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে শহরের ৯নং ওয়ার্ডের প্যারারা রোডের অফিসে পুলিশ প্রশাসন এবং সহকর্মীরা ছুটে যান। পুলক চ্যাটার্জি এর আগে সমকাল ব্যুরো হিসেবে একই অফিসে দীর্ঘকাল কাজ করেছেন, বছর তিনেক পূর্বে তাকে প্রতিষ্ঠানটি সরিয়ে সহকর্মী রিপোর্টার সুমন চৌধুরীকে দায়িত্ব দেয়।
পুলক চ্যাটার্জির এই মৃত্যু নিয়ে সহকর্মী সিনিয়র-জুনিয়র অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন এবং এর নেপথ্যে কোনো গল্প লুকানো আছে কী না তা তদন্ত করার জোর দাবিও তোলা হচ্ছে। বিশেষ করে তার ঝুলন্ত ছবিটি মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ বাড়িয়ে তুলেছে। এই বিষয়টিতে পুলিশ আপাতত কোনো মন্তব্য না করলেও একটি চিকন রশিতে ফ্যানের সাথে সাংবাদিকের দেহ ঝুলে থাকা এবং পা মাটিতে ভাজ থাকার চিত্রটি তাদেরও ভাবাচ্ছে।
সহকর্মীরা জানিয়েছে, চাকরি না থাকলেও পুলক চ্যাটার্জি মাঝেমধ্যে অফিসে পত্রিকা পড়তে আসতেন এবং তার কাছে অফিসের একটি বিকল্প চাবি ছিল। শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে তিনি অনুরূপভাবে অফিসে আসেন, যা সিসি ক্যামেরায় রেকর্ড আছে। তবে এ সময় ব্যুরো চিফ সুমন চৌধুরী অফিসে ছিলেন না বলে জানা গেছে।
প্যারারা রোডের এই অফিস ভবনটি বিএনপি নেতা আনোয়ারুল হক তারিনের। ভবনটিতে দৈনিক আজকের পত্রিকা, দৈনিক যুগান্তর, এনটিভির অফিস রয়েছে।
পুলকের স্ত্রী নিলোৎপলা মুখার্জি সাংবাদিকদের বলেন, “ ২০২৩ সালের দিকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তারপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। পুলক চ্যাটার্জি স্ত্রী ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। পুলক চ্যাটার্জির ভাই ভূমি কর্মকর্তা দীপক চ্যাটার্জি বলেন, চাকরি না থাকার কারণে তার ভাই কিছুটা হতাশ ছিলেন। সে কারণেও এটা হতে পারে। কিন্তু এ কারণে আত্মহত্যা করবেন, সেটা কেউ ভাবিনি।”
৫৭ বছর বয়সি এই সাংবাদিকের মৃত্যুর খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-সহকর্মী সাংবাদিকসহ রাজনৈতিক নেতারা ছুটে যান।
বর্তমান ব্যুরো চিফ সুমন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তিনি সন্ধ্যা ৬টার দিকে এসে অফিসের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পান এবং পাশের জানালা দিয়ে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জিতে রশিতে ঝুলতে দেখেন। তাৎক্ষণিক তৃতীয় তলায় যুগান্তর অফিসের লোকজন ডেকে এনে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলেও সাংবাদিকের মরদেহটি নামানটি, বরং সাথে সাথে পুলিশকে অবহিত করেন।
সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলছেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তাকে একটি চিকন রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং পাটি মেঝেতে ভাজ করা ছিল। ফলে বিষয়টি নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন। এই কারণে সাংবাদিকের মরদেহের ময়নাতদন্ত করার প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ।’

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৬
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৩
বরিশালের বাবুগঞ্জে সমন্বিত কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষির টেকসই উন্নয়নে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং বিশ্বব্যাংক ও ইফাদের সহায়তায় বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে দিনব্যাপী ওই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
'প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত ওই কংগ্রেসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে পার্টনার কংগ্রেসে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোমানা শারমিন রিপার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্টনার প্রকল্পের বরিশাল অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, চাঁদপাশা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, পার্টনার এনজিও প্রতিনিধি সাইদুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সুমন, সফল চাষী রুম্মন হোসেন, ঝর্ণা রাণী প্রমুখ।
পার্টনার কংগ্রেসে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএফএম নাজমুস সালেহীন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান, রহমতপুর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান সুমন সিকদার, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম ওমর, রফিকুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সুরুজ, বিবি হাজেরা রিমি, রেশমা আক্তার প্রমুখ। এসময় পার্টনার প্রকল্পের স্টেক হোল্ডাররা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।
পার্টনার প্রকল্প সম্পর্কে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাঃ আব্দুর রউফ জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডমুক্ত আধুনিক, নিরাপদ এবং সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করাই এই পার্টনার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটি কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। এছাড়াও নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদনসহ কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। এতে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একদিকে যেমন কৃষকদের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যাবে তেমনি প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। #
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬