
৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ০০:০৮
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত পিরোজপুর-১ আসনের এমপিপ্রার্থী ও সাবেক জিয়ানগর (ইন্দুরকানী) উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান কখনো নিছক একটি আন্দোলনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের জনগণের গভীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। সেই আকাঙ্ক্ষা সুস্পষ্ট—দেশের মানুষ বিচার চায়, সংস্কার চায় এবং চায় একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। অন্যায়, দুঃশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই গণঅভ্যুত্থান হচ্ছে মানুষের ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামী পত্তাশী ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ভোটকেন্দ্র প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজ বুঝে গেছে। শাসক পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়; দেশের উন্নয়নে এখন প্রয়োজন নীতির পরিবর্তন, গঠনমূলক সংস্কার এবং নতুন একটি রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক কল্যাণময় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। গণঅভ্যুত্থানের এই আহ্বান কোনো দলের নয়, এটি পুরো জাতির, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠ একত্রিত হয়েছে ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও সুশাসনের পক্ষে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের পক্ষে।
তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের নির্বাচন হবে বাংলাদেশকে গড়ার নির্বাচন, দুর্নীতিমুক্ত করার নির্বাচন, ইনসাফ কায়েমের নির্বাচন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নির্বাচন। দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, আল্লাহর দয়ায় নির্বাচিত হলে পিরোজপুরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় শিল্প কল-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। ভেঙে পড়া সড়ক ব্যবস্থা উন্নয়নের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নদী ভাঙ্গন এলাকাসমূহকে চিহ্নিত করে টেকসই বাঁধের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়নের মাধ্যমে আদর্শবান, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলা হবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু ভোটে জয়ী হওয়া নয়, বরং একটি ন্যায়, ইনসাফভিত্তিক, স্বচ্ছ ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন।
সমাবেশে জামায়াতের পত্তাশী ইউনিয়ন আমির হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ফায়সালের সভাপতিত্বে ভোটকেন্দ্র প্রতিনিধি সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা শেখ আব্দুর রাজ্জাক।
এতে আরও বক্তব্য দেন—ইন্দুরকানী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আলী হোসাইন, সেক্রেটারি মো. তৌহিদুর রহমান রাতুল, অর্থ সম্পাদক মাওলানা তাওহীদুল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মো. মামুন হোসাইন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত ভোটকেন্দ্র প্রতিনিধি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত পিরোজপুর-১ আসনের এমপিপ্রার্থী ও সাবেক জিয়ানগর (ইন্দুরকানী) উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান কখনো নিছক একটি আন্দোলনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের জনগণের গভীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। সেই আকাঙ্ক্ষা সুস্পষ্ট—দেশের মানুষ বিচার চায়, সংস্কার চায় এবং চায় একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। অন্যায়, দুঃশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই গণঅভ্যুত্থান হচ্ছে মানুষের ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামী পত্তাশী ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ভোটকেন্দ্র প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজ বুঝে গেছে। শাসক পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়; দেশের উন্নয়নে এখন প্রয়োজন নীতির পরিবর্তন, গঠনমূলক সংস্কার এবং নতুন একটি রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক কল্যাণময় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। গণঅভ্যুত্থানের এই আহ্বান কোনো দলের নয়, এটি পুরো জাতির, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠ একত্রিত হয়েছে ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও সুশাসনের পক্ষে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের পক্ষে।
তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের নির্বাচন হবে বাংলাদেশকে গড়ার নির্বাচন, দুর্নীতিমুক্ত করার নির্বাচন, ইনসাফ কায়েমের নির্বাচন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নির্বাচন। দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, আল্লাহর দয়ায় নির্বাচিত হলে পিরোজপুরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় শিল্প কল-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। ভেঙে পড়া সড়ক ব্যবস্থা উন্নয়নের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নদী ভাঙ্গন এলাকাসমূহকে চিহ্নিত করে টেকসই বাঁধের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়নের মাধ্যমে আদর্শবান, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলা হবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু ভোটে জয়ী হওয়া নয়, বরং একটি ন্যায়, ইনসাফভিত্তিক, স্বচ্ছ ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন।
সমাবেশে জামায়াতের পত্তাশী ইউনিয়ন আমির হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ফায়সালের সভাপতিত্বে ভোটকেন্দ্র প্রতিনিধি সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা শেখ আব্দুর রাজ্জাক।
এতে আরও বক্তব্য দেন—ইন্দুরকানী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আলী হোসাইন, সেক্রেটারি মো. তৌহিদুর রহমান রাতুল, অর্থ সম্পাদক মাওলানা তাওহীদুল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মো. মামুন হোসাইন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত ভোটকেন্দ্র প্রতিনিধি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৫
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় নদীর তীরে গলাকাটা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর ধারে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ইটভাটার শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশের নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় কেউই মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরে এনে নির্জন স্থানে হত্যা করে মরদেহটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি সাবিহা মেহেবুবা। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় নদীর তীরে গলাকাটা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর ধারে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ইটভাটার শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশের নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় কেউই মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরে এনে নির্জন স্থানে হত্যা করে মরদেহটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি সাবিহা মেহেবুবা। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৬
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.