
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী মিসেস শামীমা আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পিরোজপুর সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৮ ও ১৯। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, আসামি ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভান্ডারিয়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম (৪৮) তার মালিকানাধীন ইফতি ইটিসিএল (প্রা.) লি., ইফতি এন্টারপ্রাইজ এবং সাউথ বাংলা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর নামে জমি, বাড়ি, ফ্লাট ও দোকান ক্রয় বাবদ ৩৬ কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪৭ টাকা স্থাবর এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, মুলধন ও কোম্পানির শেয়ার বিনিয়োগ ও ৯টি গাড়ি ক্রয় বাবদ ৫০ কোটি ৬১ লাখ ৬৩৬ টাকা মুল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪৯ হাজার ২৮৩ টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় বাবদ ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৬ টাকা মোট ১১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৯ টাকার স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব পায় দুদক। পক্ষান্তরে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস্য ১৭ কোটি ৭১ লাখ ০৫ হাজার ৪৪৯ টাকা। তার অর্জিত ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ টাকা মুল্যের সম্পদ আড়াল করে রাখায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ ছাড়াও মিরাজুল ইসলাম ২৬৭৯ কোটি ৩৭ লাখ ১১ হাজার ৪০৪ টাকা সরকারী অর্থ আত্মসাত পুর্বক ৯টি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় জমাপূর্বক অবৈধভাবে আয় করেছেন, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অপরদিকে মিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আসামি শামীমা আক্তার তার মালিকানাধীন মেসার্স শিমু এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে অর্জিত ২৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৫১ টাকা মুল্যের স্থাবর-অস্থাবর করে ভোগদখলে রেখে এবং এলজিইডির নিযুক্ত ঠিকাদার হিসাবে প্রকল্পের কাজ না করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎপুর্বক বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে অসদুদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও হস্তান্তর করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশনের মানিলন্ডারিং আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের কারণে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়াও স্ত্রী শামীমা আক্তার তার শিমু এন্টারপ্রাইজের নামে ব্রাক ব্যাংকের হিসাব হতে ১২২ কোটি ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭০৮ টাকা স্থানান্তর করে মানিলন্ডারিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক এই মামলা দায়ের করেছে।
এ সকল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে এলজিইডি দপ্তর থেকে বিভিন্ন কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে কার্যাদেশ গ্রহণপুর্বক কোনো কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অপরাধে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেছে। এই নিয়ে মোট ১০টি মামলা হয়েছে।’
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী মিসেস শামীমা আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পিরোজপুর সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৮ ও ১৯। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, আসামি ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভান্ডারিয়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম (৪৮) তার মালিকানাধীন ইফতি ইটিসিএল (প্রা.) লি., ইফতি এন্টারপ্রাইজ এবং সাউথ বাংলা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর নামে জমি, বাড়ি, ফ্লাট ও দোকান ক্রয় বাবদ ৩৬ কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪৭ টাকা স্থাবর এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, মুলধন ও কোম্পানির শেয়ার বিনিয়োগ ও ৯টি গাড়ি ক্রয় বাবদ ৫০ কোটি ৬১ লাখ ৬৩৬ টাকা মুল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪৯ হাজার ২৮৩ টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় বাবদ ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৬ টাকা মোট ১১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৯ টাকার স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব পায় দুদক। পক্ষান্তরে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস্য ১৭ কোটি ৭১ লাখ ০৫ হাজার ৪৪৯ টাকা। তার অর্জিত ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ টাকা মুল্যের সম্পদ আড়াল করে রাখায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ ছাড়াও মিরাজুল ইসলাম ২৬৭৯ কোটি ৩৭ লাখ ১১ হাজার ৪০৪ টাকা সরকারী অর্থ আত্মসাত পুর্বক ৯টি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় জমাপূর্বক অবৈধভাবে আয় করেছেন, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অপরদিকে মিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আসামি শামীমা আক্তার তার মালিকানাধীন মেসার্স শিমু এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে অর্জিত ২৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৫১ টাকা মুল্যের স্থাবর-অস্থাবর করে ভোগদখলে রেখে এবং এলজিইডির নিযুক্ত ঠিকাদার হিসাবে প্রকল্পের কাজ না করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎপুর্বক বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে অসদুদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও হস্তান্তর করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশনের মানিলন্ডারিং আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের কারণে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়াও স্ত্রী শামীমা আক্তার তার শিমু এন্টারপ্রাইজের নামে ব্রাক ব্যাংকের হিসাব হতে ১২২ কোটি ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭০৮ টাকা স্থানান্তর করে মানিলন্ডারিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক এই মামলা দায়ের করেছে।
এ সকল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে এলজিইডি দপ্তর থেকে বিভিন্ন কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে কার্যাদেশ গ্রহণপুর্বক কোনো কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অপরাধে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেছে। এই নিয়ে মোট ১০টি মামলা হয়েছে।’

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৭
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়েছেন মুক্তা বেগম (২৭)। (৮ এপ্রিল) বুধবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা।
বুধবার সকালে তিন সন্তান আরজিনি (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন মা মুক্ত। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন।
ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, মুক্তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা থাকেন। তার আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটিও নিয়ে নেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়েছেন মুক্তা বেগম (২৭)। (৮ এপ্রিল) বুধবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা।
বুধবার সকালে তিন সন্তান আরজিনি (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন মা মুক্ত। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন।
ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, মুক্তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা থাকেন। তার আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটিও নিয়ে নেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
পিরোজপুরে দীর্ঘদিনের তীব্র সুপেয় পানি সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবিতে পৌরসভা ঘেরাও এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে পৌরবাসী।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর পৌরসভার সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর পৌর এলাকায় সুপেয় পানির চরম সংকট বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় নিয়মিত পানি সরবরাহ না থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমে এ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
তারা অভিযোগ করেন, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা রাস্তায় নেমে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, পানির লাইনের সংস্কার এবং নিরবচ্ছিন্ন সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। এ সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
পিরোজপুরে দীর্ঘদিনের তীব্র সুপেয় পানি সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবিতে পৌরসভা ঘেরাও এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে পৌরবাসী।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর পৌরসভার সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর পৌর এলাকায় সুপেয় পানির চরম সংকট বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় নিয়মিত পানি সরবরাহ না থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমে এ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
তারা অভিযোগ করেন, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা রাস্তায় নেমে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, পানির লাইনের সংস্কার এবং নিরবচ্ছিন্ন সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। এ সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১১
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ এ শিলাবৃষ্টির ঘটনা ঘটে। এ সময় হালকা বাতাসও বইতে দেখা যায়।
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে শিলাবৃষ্টি শুরু হলে কিছু সময়ের জন্য মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ হওয়া এ শিলাবৃষ্টিতে মাঠের ফল, সবজি ও বীজতলার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকরা জানান, শিলাবৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারত। তবে এ বিষয়ে এখনো স্থানীয় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানানো হয়নি।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ এ শিলাবৃষ্টির ঘটনা ঘটে। এ সময় হালকা বাতাসও বইতে দেখা যায়।
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে শিলাবৃষ্টি শুরু হলে কিছু সময়ের জন্য মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ হওয়া এ শিলাবৃষ্টিতে মাঠের ফল, সবজি ও বীজতলার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকরা জানান, শিলাবৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারত। তবে এ বিষয়ে এখনো স্থানীয় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানানো হয়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.