Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:০৯
আজ ৪ অক্টোবর শনিবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল এর আয়োজনে নগরীর ডিসি ঘাট থেকে কীর্তনখোলা নদীতে মা ইলিশ সম্পদ রক্ষায় প্রজননক্ষম ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৫ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জেলা টাক্সফোর্স কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক বরিশাল মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় পরিচালক মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল কামরুল হাসান৷ পুলিশ সুপার বরিশাল মোঃ শরিফ উদ্দীন, নৌ পুলিশ সুপার বরিশাল অঞ্চল এস এম নাজমুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরিশাল মোঃ ওবায়দুল্লাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরিশাল রিপন কান্তিসহ আরও অনেকে।
র্যাব-৮, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড এবং নৌ-পুলিশের সমন্বয়ে কীর্তনখোলা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান শেষে এক আলোচনায় অতিথিরা মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের করনীয় বিভিন্ন দিক তুলে ধরে আলোচনা করেন।
আজ ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে ইলিশ মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ। বরিশাল জেলায় মা ইলিশ রক্ষার্থে অভিযান পরিচালনা ও সার্বক্ষণিক নদী পাহারা নিশ্চিত করার জন্য ৫৪ টিম কাজ করবে।
ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ইলিশ আহরণে বিরত থাকতে জেলেদের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় ৬৬৫২৪ জেলে পরিবারের জন্য ২৫ কেজি হারে মোট ১৬৬৩.১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
আজ ৪ অক্টোবর শনিবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল এর আয়োজনে নগরীর ডিসি ঘাট থেকে কীর্তনখোলা নদীতে মা ইলিশ সম্পদ রক্ষায় প্রজননক্ষম ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৫ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জেলা টাক্সফোর্স কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক বরিশাল মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় পরিচালক মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল কামরুল হাসান৷ পুলিশ সুপার বরিশাল মোঃ শরিফ উদ্দীন, নৌ পুলিশ সুপার বরিশাল অঞ্চল এস এম নাজমুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরিশাল মোঃ ওবায়দুল্লাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরিশাল রিপন কান্তিসহ আরও অনেকে।
র্যাব-৮, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড এবং নৌ-পুলিশের সমন্বয়ে কীর্তনখোলা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান শেষে এক আলোচনায় অতিথিরা মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের করনীয় বিভিন্ন দিক তুলে ধরে আলোচনা করেন।
আজ ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে ইলিশ মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ। বরিশাল জেলায় মা ইলিশ রক্ষার্থে অভিযান পরিচালনা ও সার্বক্ষণিক নদী পাহারা নিশ্চিত করার জন্য ৫৪ টিম কাজ করবে।
ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ইলিশ আহরণে বিরত থাকতে জেলেদের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় ৬৬৫২৪ জেলে পরিবারের জন্য ২৫ কেজি হারে মোট ১৬৬৩.১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব জননেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিলেন।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক। বলাৎকারের দায়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মাসুম বিল্লাহ (২৬)। তিনি বাবুগঞ্জ থানার সামনে অবস্থিত আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবং নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চকহিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১টার দিকে হিফজ শাখার ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে পাশের কক্ষে নিয়ে যান মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। সেখানে তাকে রাতভর অনৈতিক শারীরিক নির্যাতনসহ বলাৎকার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে নানান ভয়ভীতি দেখানো হয়। এতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারপিটের ভয়ে পরিবারের কাছে ঘটনাটি গোপন রাখে। পরবর্তীতে তার পায়ুপথে সংক্রমণ দেখা দিলে এবং মাদ্রাসায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে সে বিষয়টি স্বীকার করে এবং এর আগেও শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ একাধিকবার তাকে বলাৎকার এবং শারীরিক নির্যাতন করেছে বলে পরিবারকে জানায়। ঘটনা জানার পরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রোববার রাতে বাবুগঞ্জ থানায় শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পালিয়ে যান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম নাটোর জেলার বাসিন্দা হওয়ায় তিনিই সহকারী শিক্ষক মাসুম বিল্লাহকে নাটোর থেকে এনে অবৈধভাবে চাকরি দিয়েছেন এবং মাদ্রাসার একটি কক্ষে থাকতে দিয়েছেন। এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। এবারও স্থানীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করে থানার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম। অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ পলাতক এবং মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম বলেন, 'ভিকটিমের বাবা কবির হোসেনের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে তা আমলে নিয়ে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের অবস্থান সনাক্ত করে তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এটা মীমাংসাযোগ্য অপরাধ নয়। থানার বাইরে কেউ মীমাংসার চেষ্টা করছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক। বলাৎকারের দায়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মাসুম বিল্লাহ (২৬)। তিনি বাবুগঞ্জ থানার সামনে অবস্থিত আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এবং নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চকহিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাত আনুমানিক ১টার দিকে হিফজ শাখার ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে পাশের কক্ষে নিয়ে যান মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। সেখানে তাকে রাতভর অনৈতিক শারীরিক নির্যাতনসহ বলাৎকার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে নানান ভয়ভীতি দেখানো হয়। এতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারপিটের ভয়ে পরিবারের কাছে ঘটনাটি গোপন রাখে। পরবর্তীতে তার পায়ুপথে সংক্রমণ দেখা দিলে এবং মাদ্রাসায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে সে বিষয়টি স্বীকার করে এবং এর আগেও শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ একাধিকবার তাকে বলাৎকার এবং শারীরিক নির্যাতন করেছে বলে পরিবারকে জানায়। ঘটনা জানার পরে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রোববার রাতে বাবুগঞ্জ থানায় শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পালিয়ে যান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম নাটোর জেলার বাসিন্দা হওয়ায় তিনিই সহকারী শিক্ষক মাসুম বিল্লাহকে নাটোর থেকে এনে অবৈধভাবে চাকরি দিয়েছেন এবং মাদ্রাসার একটি কক্ষে থাকতে দিয়েছেন। এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। এবারও স্থানীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করে থানার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালক মুফতি আমিনুল ইসলাম। অভিযুক্ত শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ পলাতক এবং মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম বলেন, 'ভিকটিমের বাবা কবির হোসেনের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে তা আমলে নিয়ে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের অবস্থান সনাক্ত করে তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এটা মীমাংসাযোগ্য অপরাধ নয়। থানার বাইরে কেউ মীমাংসার চেষ্টা করছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে ডিজেল ও পেট্রোল মজুদ এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ৫ হাজার ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত ৩ হাজার লিটার তেল তাৎক্ষণিক নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় ট্রলার, ট্রাক্টর, স্পিডবোট ও আলফা চালকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। এতে মোট ৩ লাখ ৯ হাজার ৬০০ টাকা আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) যৌথ দল এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মেসার্স হাওলাদার স্টোর ও সিকদার স্টোর নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে ডিলার আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদারকে ৫ হাজার টাকা এবং সাইদুর রহমান সিকদারকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে ২ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল এবং ৬০০ লিটার পেট্রোলসহ মোট ৩ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। অভিযুক্তরা বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে এনে উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট সংলগ্ন দোকানে মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন।
এদিকে রোববার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামে মোল্লা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। সেখানে তল্লাশী চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতকৃত ২ হাজার ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এসময় মোল্লা এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী সিদ্দিকুর রহমান মোল্লাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের ওই অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'রোববার উপজেলা প্রশাসনের পৃথক দুইটি অভিযানে মোট ৫ হাজার ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক ৩ হাজার লিটার তেল স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে ৩ লক্ষাধিক টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এনএসআই বরিশাল কার্যালয় ও স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল কোর্টের এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে ডিজেল ও পেট্রোল মজুদ এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ৫ হাজার ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত ৩ হাজার লিটার তেল তাৎক্ষণিক নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় ট্রলার, ট্রাক্টর, স্পিডবোট ও আলফা চালকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। এতে মোট ৩ লাখ ৯ হাজার ৬০০ টাকা আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) যৌথ দল এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মেসার্স হাওলাদার স্টোর ও সিকদার স্টোর নামে দুটি প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে ডিলার আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদারকে ৫ হাজার টাকা এবং সাইদুর রহমান সিকদারকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে ২ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল এবং ৬০০ লিটার পেট্রোলসহ মোট ৩ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। অভিযুক্তরা বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে এনে উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট সংলগ্ন দোকানে মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন।
এদিকে রোববার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামে মোল্লা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। সেখানে তল্লাশী চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতকৃত ২ হাজার ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এসময় মোল্লা এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী সিদ্দিকুর রহমান মোল্লাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের ওই অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'রোববার উপজেলা প্রশাসনের পৃথক দুইটি অভিযানে মোট ৫ হাজার ৬০০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক ৩ হাজার লিটার তেল স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে ৩ লক্ষাধিক টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এনএসআই বরিশাল কার্যালয় ও স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল কোর্টের এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।' #

আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব জননেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিলেন।’
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪