
০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসন থেকে দাড়ি পাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। হলফনামা অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬৪ টাকা। তার বার্ষিক আয় ১০ লাখ ১২ হাজার ৮৩০ টাকা। বিপরীতে তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ৪৫ হাজার ৪২৫ টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার হাতে নগদ টাকা রয়েছে ৪৩ হাজার ২৫০ টাকা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে তার জমা রয়েছে ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ টাকা। পেশা হিসেবে তিনি নিজেকে পরামর্শক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এছাড়া বন্ড, ঋণপত্র এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তার মোট ৩ লাখ ৫ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নামে কোনো জমি, বাড়ি কিংবা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। তবে তার পরিবারের মোট ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
তার স্ত্রী পেশায় একজন চিকিৎসক। সর্বশেষ আয়কর বিবরণী অনুযায়ী, তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৫ টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ১২ লাখ ২৩ হাজার ৪৪৩ টাকা।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের মালিকানায় রয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকার বৈদ্যুতিক সামগ্রী এবং ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র। তবে তার এবং তার পরিবারের নামে কোনো যানবাহন কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি নেই।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা ও পরামর্শক পেশা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ৫ লাখ ২ হাজার ৮৩০ টাকা এবং পরামর্শক পেশা থেকে আয় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া অন্যান্য খাত থেকে তার আয় রয়েছে ৩০ হাজার টাকা।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসন থেকে দাড়ি পাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। হলফনামা অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬৪ টাকা। তার বার্ষিক আয় ১০ লাখ ১২ হাজার ৮৩০ টাকা। বিপরীতে তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ৪৫ হাজার ৪২৫ টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার হাতে নগদ টাকা রয়েছে ৪৩ হাজার ২৫০ টাকা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে তার জমা রয়েছে ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ টাকা। পেশা হিসেবে তিনি নিজেকে পরামর্শক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এছাড়া বন্ড, ঋণপত্র এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তার মোট ৩ লাখ ৫ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নামে কোনো জমি, বাড়ি কিংবা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। তবে তার পরিবারের মোট ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
তার স্ত্রী পেশায় একজন চিকিৎসক। সর্বশেষ আয়কর বিবরণী অনুযায়ী, তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৫ টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ১২ লাখ ২৩ হাজার ৪৪৩ টাকা।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের মালিকানায় রয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকার বৈদ্যুতিক সামগ্রী এবং ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র। তবে তার এবং তার পরিবারের নামে কোনো যানবাহন কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ি নেই।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা ও পরামর্শক পেশা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ৫ লাখ ২ হাজার ৮৩০ টাকা এবং পরামর্শক পেশা থেকে আয় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া অন্যান্য খাত থেকে তার আয় রয়েছে ৩০ হাজার টাকা।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় সদ্য জন্ম নেওয়া এক কন্যাশিশুর নাম রাখা হয়েছে ‘খালেদা জিয়া’। গত ৩০ ডিসেম্বর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুটির জন্ম হয়। নবজাতকের বাবা ইলিয়াস আজিজ ও মা মারিয়ম লালুয়া ইউনিয়নের হাসনাপাড়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
ইলিয়াস আজিজ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং দেশপ্রেমের জন্য আমরা তাকে শ্রদ্ধা করি। আমার কন্যাসন্তানের জন্মের দিন চারদিকে শোকের আবহ ছিল। সেই অনুভূতি থেকেই আমরা মেয়েটির নাম খালেদা জিয়া রাখি। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে তাকে কোরআনের হাফেজ হিসেবে বড় করতে চাই।
মা মারিয়ম জানান, নামকরণের পেছনে পারিবারিক অনুভূতি ও সম্মানবোধ কাজ করেছে। তারা চান, মেয়ে নৈতিকতা এবং আদর্শের সঙ্গে বড় হোক। স্থানীয় বাসিন্দা আল-আমিন বলেন, নবজাতকের এমন নামকরণ এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এটি যদিও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, তবুও এতে রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতি মানুষের আবেগ প্রতিফলিত হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। একজন সমর্থকের এমন আবেগি সিদ্ধান্ত আমাদের রাজনীতির প্রতি মানুষের ভালোবাসার প্রকাশ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, নবজাতক ও তার মায়ের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে ভালো রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় সদ্য জন্ম নেওয়া এক কন্যাশিশুর নাম রাখা হয়েছে ‘খালেদা জিয়া’। গত ৩০ ডিসেম্বর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুটির জন্ম হয়। নবজাতকের বাবা ইলিয়াস আজিজ ও মা মারিয়ম লালুয়া ইউনিয়নের হাসনাপাড়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
ইলিয়াস আজিজ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং দেশপ্রেমের জন্য আমরা তাকে শ্রদ্ধা করি। আমার কন্যাসন্তানের জন্মের দিন চারদিকে শোকের আবহ ছিল। সেই অনুভূতি থেকেই আমরা মেয়েটির নাম খালেদা জিয়া রাখি। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে তাকে কোরআনের হাফেজ হিসেবে বড় করতে চাই।
মা মারিয়ম জানান, নামকরণের পেছনে পারিবারিক অনুভূতি ও সম্মানবোধ কাজ করেছে। তারা চান, মেয়ে নৈতিকতা এবং আদর্শের সঙ্গে বড় হোক। স্থানীয় বাসিন্দা আল-আমিন বলেন, নবজাতকের এমন নামকরণ এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এটি যদিও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, তবুও এতে রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতি মানুষের আবেগ প্রতিফলিত হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। একজন সমর্থকের এমন আবেগি সিদ্ধান্ত আমাদের রাজনীতির প্রতি মানুষের ভালোবাসার প্রকাশ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, নবজাতক ও তার মায়ের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে ভালো রয়েছে।

৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৮
পটুয়াখালীর বাউফলে মো. খলিল মৃধা (৫৫) নামে এক শ্রমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পুরকাঠী গ্রাম থেকে নিহত শ্রমিকের লাশ উদ্ধার হয়।
নিহত খলিল মৃধা ওই গ্রামের আবুল হোসেন মৃধার ছেলে।
ইউনিয়ন দফাদার মো. সিদ্দিকুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানান, খলিল মৃধা মানসিক ভারসম্যহীন থাকায় তার স্ত্রী রাহিমা বেগম তিন মেয়েসহ অন্যত্র থাকার কারণে তিনি (খলিল) মায়ের সঙ্গে থাকতেন। ঘটনার দিন সকালে খলিল তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে ঘর থেকে বের হয়। সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় নিলুফা বেগম নামে এক নারী কাঠাল গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় খলিলকে ঝুলতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থল এসে লাশ উদ্ধার করে।
বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে মো. খলিল মৃধা (৫৫) নামে এক শ্রমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পুরকাঠী গ্রাম থেকে নিহত শ্রমিকের লাশ উদ্ধার হয়।
নিহত খলিল মৃধা ওই গ্রামের আবুল হোসেন মৃধার ছেলে।
ইউনিয়ন দফাদার মো. সিদ্দিকুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানান, খলিল মৃধা মানসিক ভারসম্যহীন থাকায় তার স্ত্রী রাহিমা বেগম তিন মেয়েসহ অন্যত্র থাকার কারণে তিনি (খলিল) মায়ের সঙ্গে থাকতেন। ঘটনার দিন সকালে খলিল তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে ঘর থেকে বের হয়। সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় নিলুফা বেগম নামে এক নারী কাঠাল গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় খলিলকে ঝুলতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থল এসে লাশ উদ্ধার করে।
বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি আটটি দফতরের কার্যক্রম চলছে পরিত্যক্ত ভবনে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই পরিত্যক্ত ভবনে দায়িত্ব পালন করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদের জন্য একটি নতুন ভবণ নির্মাণ করা হয়। এরপর কিছু অফিস নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হলেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় পরিত্যক্ত ভবনেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে আটটি সরকারি দপ্তরের।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর, তথ্য সেবা কেন্দ্র, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে পরিত্যক্ত ভবনে। ওই পরিত্যক্ত ভবনের প্রতিটি কলাম ফেটে রড বেড়িয়ে গেছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। ছাদ ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরাতন ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি বানিয়ে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অফিস করছেন প্রতিটি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়। ভবন ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরানো ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি তৈরি করে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ হওয়ায় কম্পিউটারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ভূমিকম্পের মতো অঘটন ঘটলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।
এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, অনেক আগেই উপজেলা পরিষদের ৩টি ভবন ও ৩টি ডরমেটরি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন ভবনে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়েকটি দপ্তরের কার্যক্রম চলছে।
বাউফলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি আটটি দফতরের কার্যক্রম চলছে পরিত্যক্ত ভবনে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই পরিত্যক্ত ভবনে দায়িত্ব পালন করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদের জন্য একটি নতুন ভবণ নির্মাণ করা হয়। এরপর কিছু অফিস নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হলেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় পরিত্যক্ত ভবনেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে আটটি সরকারি দপ্তরের।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর, তথ্য সেবা কেন্দ্র, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে পরিত্যক্ত ভবনে। ওই পরিত্যক্ত ভবনের প্রতিটি কলাম ফেটে রড বেড়িয়ে গেছে। দেয়াল ও ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ছে। ছাদ ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরাতন ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি বানিয়ে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অফিস করছেন প্রতিটি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে মেঝে তলিয়ে যায়। ভবন ধ্বসে পড়ার আশংকায় পুরানো ব্রিজের বিম দিয়ে খুঁটি তৈরি করে সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ হওয়ায় কম্পিউটারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ভূমিকম্পের মতো অঘটন ঘটলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।
এলজিইডির উপসহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, অনেক আগেই উপজেলা পরিষদের ৩টি ভবন ও ৩টি ডরমেটরি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন ভবনে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়েকটি দপ্তরের কার্যক্রম চলছে।
বাউফলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০