পটুয়াখালীর বাউফলে গভীর রাতে এক গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আতিকুল ইসলাম নামে এক যুব জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রকূল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন যুব জামায়াতেরমসেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর স্বামী বুধবার তার শ্বশুরবাড়িতে যান। গভীর রাতে ওই গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করেন যুব জামায়াত নেতা আতিক। এ সময় ওই গৃহবধূর শ্বশুর টের পেয়ে চিৎকার দেন। তখন আশেপাশের লোকজন এসে তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে আতিকের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে চড়-থাপ্পড় মেরে তাকে নিয়ে যান।
গৃহবধূর শ্বশুর আমির হোসেন হাওলাদার বলেন,‘আতিক কিছুদিন আগে আমার পুত্রবধূর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বুধবার রাতে আমার চিৎকার শুনে পুত্রবধূর ঘর থেকে বের হয়ে কাঁপতে থাকেন আতিক। এরপর লুঙ্গি পরিবর্তন করে দ্রুত প্যান্ট পরেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাদের আটক করেন।’এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সূর্যমণি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আতিক দলের কোন পদে আছেন তা আমি জানি না। তবে তিনি জামায়াত করেন, এটা সঠিক। বুধবার রাতে আতিককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে গ্রামবাসী।’
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে একজন অবহিত করেন। বিস্তারিত না জেনে কোনো কিছু বলতে পারছি না।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই। পুলিশ যাওয়ার আগেই বিষয়টি নিস্পত্তি হয়ে গেছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩৬
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বিজয়-২৪ হলে র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অনুষদের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিজয়-২৪ হলে র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
রেজিস্ট্রার দপ্তরের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়ীদের শনাক্ত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সুপারিশ দিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
কমিটিতে হলের প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের রাখা হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করে প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন দেবেন।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পাসে র্যাগিং সম্পূর্ণ বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বিজয়-২৪ হলে র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অনুষদের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিজয়-২৪ হলে র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
রেজিস্ট্রার দপ্তরের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়ীদের শনাক্ত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সুপারিশ দিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
কমিটিতে হলের প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের রাখা হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করে প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন দেবেন।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পাসে র্যাগিং সম্পূর্ণ বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৮
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও কোটি টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মোখলেছুর রহমান নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নাসির উদ্দিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই পদে একই স্থানে কর্মরত থেকে স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী প্রভাব বলয় গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার সুযোগে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের সম্পৃক্ত করে সরকারি অর্থ আত্মসাত করছেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় মদনপুরা ও কেশবপুর ইউনিয়নে প্রায় ৫০টি প্রকল্প নিজের ও আত্মীয়দের নামে বেনামে নিয়ন্ত্রণ করছেন নাসির উদ্দিন। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়া উপজেলা কমপে¬ক্স সংলগ্ন পুকুরে মাছ ধরার টিকিট বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাবেক এক ইউএনওর সময় খাস জমি বরাদ্দকে কেন্দ্র করে ঘুষ বাণিজ্যে জড়িত ছিলেন নাসির উদ্দিন এবং এসব কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নাসির উদ্দিন বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার নামে পটুয়াখালী শহরের তিতাস মোড়ে একটি ফ্ল্যাট, বরিশালে বাড়ি এবং বাউফলের নাজিরপুর এলাকায় জমি ক্রয়ের তথ্য অভিযোগে উলে¬খ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকসহ সংশি¬ষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন বলেন, আমার উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট। একটি মহল আমাকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত অভিযুক্ত নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও কোটি টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মোখলেছুর রহমান নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নাসির উদ্দিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই পদে একই স্থানে কর্মরত থেকে স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী প্রভাব বলয় গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার সুযোগে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের সম্পৃক্ত করে সরকারি অর্থ আত্মসাত করছেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় মদনপুরা ও কেশবপুর ইউনিয়নে প্রায় ৫০টি প্রকল্প নিজের ও আত্মীয়দের নামে বেনামে নিয়ন্ত্রণ করছেন নাসির উদ্দিন। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়া উপজেলা কমপে¬ক্স সংলগ্ন পুকুরে মাছ ধরার টিকিট বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাবেক এক ইউএনওর সময় খাস জমি বরাদ্দকে কেন্দ্র করে ঘুষ বাণিজ্যে জড়িত ছিলেন নাসির উদ্দিন এবং এসব কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নাসির উদ্দিন বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার নামে পটুয়াখালী শহরের তিতাস মোড়ে একটি ফ্ল্যাট, বরিশালে বাড়ি এবং বাউফলের নাজিরপুর এলাকায় জমি ক্রয়ের তথ্য অভিযোগে উলে¬খ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকসহ সংশি¬ষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন বলেন, আমার উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট। একটি মহল আমাকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত অভিযুক্ত নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।’

১২ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায়সাহেব বাজারে বিএনপি, জামায়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের নিমদী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড (চর রায়সাহেব) জামায়াতের সভাপতি সোহাগ, একই ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল এবং আল-আমিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের লালচরে মহিষের পালে জেলেদের মাছ ধরার চাই নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের মীমাংসায় চর রায়সাহেব বাজারে সালিস বৈঠক বসে। বৈঠকে জামায়াত নেতা সোহাগ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুলসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। শালিস চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে হাতাহাতি এবং মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে শাহিন রাড়ি, মাঈনুদ্দিন, সোহেল রাড়ি, মামুন, ইউনুস, মমতাজ ও রানী বেগমসহ সাতজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে শাহিন রাড়ি ও মাঈনুদ্দিনকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের চর রায়সাহেব এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলার শিকার মাঈনুদ্দিন অভিযোগ করেন, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সোহাগ ও ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুলের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন তাদের ওপর হামলা চালান। আহত শাহিন রাড়ি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তার কাছ থেকে জমি বিক্রির ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন।
এদিকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘লালচরে মহিষ পালনকারীদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় কয়েকজন অভিযুক্তকে নিয়ে তারা বসেছিলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে অপর পক্ষ উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাহারিয়া বলেন, ‘আহত শাহিন রাড়ির মাথায় ধারালো অস্ত্রের ১৪ সেন্টিমিটার আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার বাম হাতের কাঁধেও ফুলা জখম রয়েছে। এছাড়া মাঈনুদ্দীনের শরীরেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মারামারির ঘটনায় মাঈনুদ্দিন বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন। ওই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায়সাহেব বাজারে বিএনপি, জামায়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের নিমদী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড (চর রায়সাহেব) জামায়াতের সভাপতি সোহাগ, একই ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল এবং আল-আমিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের লালচরে মহিষের পালে জেলেদের মাছ ধরার চাই নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের মীমাংসায় চর রায়সাহেব বাজারে সালিস বৈঠক বসে। বৈঠকে জামায়াত নেতা সোহাগ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুলসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। শালিস চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে হাতাহাতি এবং মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে শাহিন রাড়ি, মাঈনুদ্দিন, সোহেল রাড়ি, মামুন, ইউনুস, মমতাজ ও রানী বেগমসহ সাতজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে শাহিন রাড়ি ও মাঈনুদ্দিনকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের চর রায়সাহেব এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলার শিকার মাঈনুদ্দিন অভিযোগ করেন, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সোহাগ ও ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুলের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন তাদের ওপর হামলা চালান। আহত শাহিন রাড়ি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তার কাছ থেকে জমি বিক্রির ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন।
এদিকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ঘটনার আংশিক সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘লালচরে মহিষ পালনকারীদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় কয়েকজন অভিযুক্তকে নিয়ে তারা বসেছিলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে অপর পক্ষ উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাহারিয়া বলেন, ‘আহত শাহিন রাড়ির মাথায় ধারালো অস্ত্রের ১৪ সেন্টিমিটার আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার বাম হাতের কাঁধেও ফুলা জখম রয়েছে। এছাড়া মাঈনুদ্দীনের শরীরেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মারামারির ঘটনায় মাঈনুদ্দিন বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন। ওই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৭
পটুয়াখালীর বাউফলে গভীর রাতে এক গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আতিকুল ইসলাম নামে এক যুব জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রকূল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন যুব জামায়াতেরমসেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর স্বামী বুধবার তার শ্বশুরবাড়িতে যান। গভীর রাতে ওই গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করেন যুব জামায়াত নেতা আতিক। এ সময় ওই গৃহবধূর শ্বশুর টের পেয়ে চিৎকার দেন। তখন আশেপাশের লোকজন এসে তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে আতিকের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে চড়-থাপ্পড় মেরে তাকে নিয়ে যান।
গৃহবধূর শ্বশুর আমির হোসেন হাওলাদার বলেন,‘আতিক কিছুদিন আগে আমার পুত্রবধূর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বুধবার রাতে আমার চিৎকার শুনে পুত্রবধূর ঘর থেকে বের হয়ে কাঁপতে থাকেন আতিক। এরপর লুঙ্গি পরিবর্তন করে দ্রুত প্যান্ট পরেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাদের আটক করেন।’এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সূর্যমণি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আতিক দলের কোন পদে আছেন তা আমি জানি না। তবে তিনি জামায়াত করেন, এটা সঠিক। বুধবার রাতে আতিককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে গ্রামবাসী।’
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে একজন অবহিত করেন। বিস্তারিত না জেনে কোনো কিছু বলতে পারছি না।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই। পুলিশ যাওয়ার আগেই বিষয়টি নিস্পত্তি হয়ে গেছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৭
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪৯
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩৬
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৮