
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস খাত বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
নির্বাচনের সময় অর্থের অবৈধ ব্যবহার রোধে বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টানা ৯৬ ঘণ্টা এই কড়াকড়ি বহাল থাকবে।
এই সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত বা পারসোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে সব ধরনের ক্যাশ-ইন এবং ক্যাশ-আউট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে গ্রাহকরা কোনো এজেন্ট পয়েন্ট থেকে টাকা জমা দিতে বা উত্তোলন করতে পারবেন না।
নির্বাচনী মাঠে ভোট কেনাবেচা কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অর্থের জোগান বন্ধ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অ্যাপে প্রবেশ করলে গ্রাহকরা বর্তমানে ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট অপশনগুলো নিষ্ক্রিয় বা ভিন্ন রঙে দেখতে পাচ্ছেন, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনারই প্রতিফলন।
লেনদেনের ক্ষেত্রে ‘সেন্ড মানি’ সুবিধাও সীমিত করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে একজন গ্রাহক একে অপরকে টাকা পাঠাতে পারলেও তা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
নতুন নিয়মে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা পাঠানো যাবে। দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার এভাবে টাকা পাঠানো সম্ভব হবে, অর্থাৎ একজন গ্রাহক সারা দিনে ১০ হাজার টাকার বেশি সেন্ড মানি করতে পারবেন না।
তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকেও লক্ষ রাখা হয়েছে। মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি) পরিশোধ এবং কেনাকাটার পেমেন্ট বা মার্চেন্ট পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন ও সরকারি বিভিন্ন ফি পরিশোধের ক্ষেত্রেও কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।
এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, সরকারি নির্দেশনা মেনে এই সাময়িক নিয়ন্ত্রক আরোপ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতের পর থেকে সব ধরনের লেনদেন পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস খাত বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
নির্বাচনের সময় অর্থের অবৈধ ব্যবহার রোধে বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টানা ৯৬ ঘণ্টা এই কড়াকড়ি বহাল থাকবে।
এই সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত বা পারসোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে সব ধরনের ক্যাশ-ইন এবং ক্যাশ-আউট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে গ্রাহকরা কোনো এজেন্ট পয়েন্ট থেকে টাকা জমা দিতে বা উত্তোলন করতে পারবেন না।
নির্বাচনী মাঠে ভোট কেনাবেচা কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অর্থের জোগান বন্ধ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অ্যাপে প্রবেশ করলে গ্রাহকরা বর্তমানে ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট অপশনগুলো নিষ্ক্রিয় বা ভিন্ন রঙে দেখতে পাচ্ছেন, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনারই প্রতিফলন।
লেনদেনের ক্ষেত্রে ‘সেন্ড মানি’ সুবিধাও সীমিত করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে একজন গ্রাহক একে অপরকে টাকা পাঠাতে পারলেও তা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
নতুন নিয়মে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা পাঠানো যাবে। দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার এভাবে টাকা পাঠানো সম্ভব হবে, অর্থাৎ একজন গ্রাহক সারা দিনে ১০ হাজার টাকার বেশি সেন্ড মানি করতে পারবেন না।
তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকেও লক্ষ রাখা হয়েছে। মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি) পরিশোধ এবং কেনাকাটার পেমেন্ট বা মার্চেন্ট পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন ও সরকারি বিভিন্ন ফি পরিশোধের ক্ষেত্রেও কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।
এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, সরকারি নির্দেশনা মেনে এই সাময়িক নিয়ন্ত্রক আরোপ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতের পর থেকে সব ধরনের লেনদেন পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
অপেক্ষায়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটা জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (৮ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
অপেক্ষায়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটা জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (৮ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৩
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫২
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.