
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৬
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদ গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
আকস্মিক এমন সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেন? প্রশ্নে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক। আসলে কেন? তাহসানের কাছের কয়েকজন বলছেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক। এটাকে আরো পরিস্কার করে বললে, বলা যায়- দুজনের জীবন দর্শন আলাদা হয়ে গেছে।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, ‘শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব।’ গত শনিবার বিকেলে তাহসান বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য। আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
এদিকে তাহসান আলাদা থাকার কথা বললেও রোজার ইনস্টাগ্রামে বহাল তবিয়তে রয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক। রোজা আহমেদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ছবিটি তাহসানের সঙ্গে। বিয়ের ছবিটি প্রথমে পিন করে রেখেছেন রোজা আহমেদ। অর্থাৎ, রোজা মনে করছেন আলাদা থাকার বিষয়টির হয়তো সমাধান হবে। ফের হয়তো দুজন একসঙ্গে থাকবেন।
তাহসান ও রোজা বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী সময়ে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। সেসব ছবি সেভাবেই রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষভাগ থেকে দুজনে আলাদা থাকলেও রোজার দিক থেকে তাহসানকে মুছে ফেলার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
যদিও দুজনের পথ দুই দিকে বেঁকে গিয়েছে, সেই পথ ফের কি এক হবে— এমন প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। অন্তত রোজার দিক থেকে তাহসানকে নিয়ে কোনো রকম বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ইনস্টাগ্রামে এই যুগল ছবি রেখে দেওয়ার অর্থ হতে পারে রোজা অপেক্ষা করছেন, যেন তাহসান ও তিনি ফের একই ছাদের নিচে থাকবেন।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, তাহসান ধর্মীয় কারণে গান ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এ মাসেই যখন রোজা সর্বশেষ যে ছবিটি প্রকাশ করেন তখন থেকেই নেটিজেনরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন, হয়ে পড়েন দ্বিধাগ্রস্ত। ফলে দুজনের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাহসানই অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
তাহসানের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, তাহসান গান ছেড়ে দিয়েছেন, এটা অনেক বড় একটি ত্যাগ। নিশ্চয়ই এর পেছনে কারণ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকেও সরে গেছেন তাহসান, এরও বড় একটি কারণ রয়েছে। তিনি চেয়েছিলেন একটি ব্যাক্তিগত জীবনযাপন করতে। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি বেড়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমেও আলোচিত হয়ে ওঠেন, এটিকে রোজা উপভোগ করছিলেন। প্রথমদিকে র সমাধান করার চেষ্টাও হচ্ছিল, দুজনে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দুজনের জীবন দর্শন দুরকম হওয়ায় দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদ গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
আকস্মিক এমন সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেন? প্রশ্নে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক। আসলে কেন? তাহসানের কাছের কয়েকজন বলছেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক। এটাকে আরো পরিস্কার করে বললে, বলা যায়- দুজনের জীবন দর্শন আলাদা হয়ে গেছে।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, ‘শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব।’ গত শনিবার বিকেলে তাহসান বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য। আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
এদিকে তাহসান আলাদা থাকার কথা বললেও রোজার ইনস্টাগ্রামে বহাল তবিয়তে রয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক। রোজা আহমেদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ছবিটি তাহসানের সঙ্গে। বিয়ের ছবিটি প্রথমে পিন করে রেখেছেন রোজা আহমেদ। অর্থাৎ, রোজা মনে করছেন আলাদা থাকার বিষয়টির হয়তো সমাধান হবে। ফের হয়তো দুজন একসঙ্গে থাকবেন।
তাহসান ও রোজা বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী সময়ে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। সেসব ছবি সেভাবেই রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষভাগ থেকে দুজনে আলাদা থাকলেও রোজার দিক থেকে তাহসানকে মুছে ফেলার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
যদিও দুজনের পথ দুই দিকে বেঁকে গিয়েছে, সেই পথ ফের কি এক হবে— এমন প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। অন্তত রোজার দিক থেকে তাহসানকে নিয়ে কোনো রকম বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ইনস্টাগ্রামে এই যুগল ছবি রেখে দেওয়ার অর্থ হতে পারে রোজা অপেক্ষা করছেন, যেন তাহসান ও তিনি ফের একই ছাদের নিচে থাকবেন।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, তাহসান ধর্মীয় কারণে গান ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এ মাসেই যখন রোজা সর্বশেষ যে ছবিটি প্রকাশ করেন তখন থেকেই নেটিজেনরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন, হয়ে পড়েন দ্বিধাগ্রস্ত। ফলে দুজনের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাহসানই অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
তাহসানের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, তাহসান গান ছেড়ে দিয়েছেন, এটা অনেক বড় একটি ত্যাগ। নিশ্চয়ই এর পেছনে কারণ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকেও সরে গেছেন তাহসান, এরও বড় একটি কারণ রয়েছে। তিনি চেয়েছিলেন একটি ব্যাক্তিগত জীবনযাপন করতে। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি বেড়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমেও আলোচিত হয়ে ওঠেন, এটিকে রোজা উপভোগ করছিলেন। প্রথমদিকে র সমাধান করার চেষ্টাও হচ্ছিল, দুজনে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দুজনের জীবন দর্শন দুরকম হওয়ায় দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত।
এ গানটি প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত।
এ গানটি প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গত শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করি।’
মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি। তিনি বলেন, ‘আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।’ ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গত শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করি।’
মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি। তিনি বলেন, ‘আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।’ ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৯
ভারতীয় সংগীতজগতের অমর কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। মুম্বাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে এনডিটিভিসহ ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন কিংবদন্তি এ গায়িকা । তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হন তিনি।
বাঙালি কন্যা আশা ভোঁসলে নানা ভাষার গান কণ্ঠে ধারন করে ভারত উপমহাদেশে সুরের আলো জ্বেলে গেছেন আমৃত্যু। বিশেষ করে তিনি হিন্দি গানের ভুবনে অমর এক নাম। লতা মুঙ্গেশকরের বোন ও আর ডি বর্মণের স্ত্রী পরিচয়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিলেন নিজেই এক মহাতারকা। তার কণ্ঠ চিরকাল কোটি মানুষের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোক নেমেছে।
ভারতীয় সংগীতজগতের অমর কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। মুম্বাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে এনডিটিভিসহ ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন কিংবদন্তি এ গায়িকা । তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হন তিনি।
বাঙালি কন্যা আশা ভোঁসলে নানা ভাষার গান কণ্ঠে ধারন করে ভারত উপমহাদেশে সুরের আলো জ্বেলে গেছেন আমৃত্যু। বিশেষ করে তিনি হিন্দি গানের ভুবনে অমর এক নাম। লতা মুঙ্গেশকরের বোন ও আর ডি বর্মণের স্ত্রী পরিচয়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিলেন নিজেই এক মহাতারকা। তার কণ্ঠ চিরকাল কোটি মানুষের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোক নেমেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.