
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৬
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদ গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
আকস্মিক এমন সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেন? প্রশ্নে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক। আসলে কেন? তাহসানের কাছের কয়েকজন বলছেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক। এটাকে আরো পরিস্কার করে বললে, বলা যায়- দুজনের জীবন দর্শন আলাদা হয়ে গেছে।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, ‘শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব।’ গত শনিবার বিকেলে তাহসান বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য। আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
এদিকে তাহসান আলাদা থাকার কথা বললেও রোজার ইনস্টাগ্রামে বহাল তবিয়তে রয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক। রোজা আহমেদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ছবিটি তাহসানের সঙ্গে। বিয়ের ছবিটি প্রথমে পিন করে রেখেছেন রোজা আহমেদ। অর্থাৎ, রোজা মনে করছেন আলাদা থাকার বিষয়টির হয়তো সমাধান হবে। ফের হয়তো দুজন একসঙ্গে থাকবেন।
তাহসান ও রোজা বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী সময়ে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। সেসব ছবি সেভাবেই রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষভাগ থেকে দুজনে আলাদা থাকলেও রোজার দিক থেকে তাহসানকে মুছে ফেলার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
যদিও দুজনের পথ দুই দিকে বেঁকে গিয়েছে, সেই পথ ফের কি এক হবে— এমন প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। অন্তত রোজার দিক থেকে তাহসানকে নিয়ে কোনো রকম বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ইনস্টাগ্রামে এই যুগল ছবি রেখে দেওয়ার অর্থ হতে পারে রোজা অপেক্ষা করছেন, যেন তাহসান ও তিনি ফের একই ছাদের নিচে থাকবেন।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, তাহসান ধর্মীয় কারণে গান ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এ মাসেই যখন রোজা সর্বশেষ যে ছবিটি প্রকাশ করেন তখন থেকেই নেটিজেনরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন, হয়ে পড়েন দ্বিধাগ্রস্ত। ফলে দুজনের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাহসানই অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
তাহসানের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, তাহসান গান ছেড়ে দিয়েছেন, এটা অনেক বড় একটি ত্যাগ। নিশ্চয়ই এর পেছনে কারণ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকেও সরে গেছেন তাহসান, এরও বড় একটি কারণ রয়েছে। তিনি চেয়েছিলেন একটি ব্যাক্তিগত জীবনযাপন করতে। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি বেড়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমেও আলোচিত হয়ে ওঠেন, এটিকে রোজা উপভোগ করছিলেন। প্রথমদিকে র সমাধান করার চেষ্টাও হচ্ছিল, দুজনে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দুজনের জীবন দর্শন দুরকম হওয়ায় দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদ গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
আকস্মিক এমন সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেন? প্রশ্নে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক। আসলে কেন? তাহসানের কাছের কয়েকজন বলছেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক। এটাকে আরো পরিস্কার করে বললে, বলা যায়- দুজনের জীবন দর্শন আলাদা হয়ে গেছে।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, ‘শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব।’ গত শনিবার বিকেলে তাহসান বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য। আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
এদিকে তাহসান আলাদা থাকার কথা বললেও রোজার ইনস্টাগ্রামে বহাল তবিয়তে রয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক। রোজা আহমেদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ছবিটি তাহসানের সঙ্গে। বিয়ের ছবিটি প্রথমে পিন করে রেখেছেন রোজা আহমেদ। অর্থাৎ, রোজা মনে করছেন আলাদা থাকার বিষয়টির হয়তো সমাধান হবে। ফের হয়তো দুজন একসঙ্গে থাকবেন।
তাহসান ও রোজা বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী সময়ে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। সেসব ছবি সেভাবেই রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষভাগ থেকে দুজনে আলাদা থাকলেও রোজার দিক থেকে তাহসানকে মুছে ফেলার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
যদিও দুজনের পথ দুই দিকে বেঁকে গিয়েছে, সেই পথ ফের কি এক হবে— এমন প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। অন্তত রোজার দিক থেকে তাহসানকে নিয়ে কোনো রকম বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ইনস্টাগ্রামে এই যুগল ছবি রেখে দেওয়ার অর্থ হতে পারে রোজা অপেক্ষা করছেন, যেন তাহসান ও তিনি ফের একই ছাদের নিচে থাকবেন।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, তাহসান ধর্মীয় কারণে গান ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এ মাসেই যখন রোজা সর্বশেষ যে ছবিটি প্রকাশ করেন তখন থেকেই নেটিজেনরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন, হয়ে পড়েন দ্বিধাগ্রস্ত। ফলে দুজনের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাহসানই অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
তাহসানের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, তাহসান গান ছেড়ে দিয়েছেন, এটা অনেক বড় একটি ত্যাগ। নিশ্চয়ই এর পেছনে কারণ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকেও সরে গেছেন তাহসান, এরও বড় একটি কারণ রয়েছে। তিনি চেয়েছিলেন একটি ব্যাক্তিগত জীবনযাপন করতে। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি বেড়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমেও আলোচিত হয়ে ওঠেন, এটিকে রোজা উপভোগ করছিলেন। প্রথমদিকে র সমাধান করার চেষ্টাও হচ্ছিল, দুজনে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দুজনের জীবন দর্শন দুরকম হওয়ায় দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৪

০৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৫
খায়রুল আলম সবুজ, বাংলাদেশের একজন জীবন্ত বরেণ্য অভিনেতা। বহু নাটকেই তিনি বাবার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। কিছুদিন আগে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশিত কাজী আসাদ পরিচালিত ‘লাইফলাইন’ ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। একজন বাবার চরিত্রে নিখুঁত অভিনয়ের কারণে এই মুহূর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল আলম সবুজ।
ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে খায়রুল আলম সবুজ বলেন, ‘এর আগেও আমি অনেক নাটকে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারই প্রথম বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। মিম চমৎকার অভিনয় করে। আমি চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। ফিল্মটি প্রকাশ্যে আসার পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বাহিরে গেলে সবাই বেশ প্রশংসা করছে। ধন্যবাদ কাজী আসাদকে আমাকে এত সুন্দর একটি চরিত্রে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
বরিশালে থাকাকালীন মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন খায়রুল আলম সবুজ। তখন পাড়ায় মঞ্চদল করে নাটকে অভিনয় করতেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ‘নাট্যচক্র’ নামক সংগঠনের মাধ্যমেই নাটকের এক বৈপ্লবিক আন্দোলন শুরু হয়। নাট্যচক্র থেকেই সেলিম আল দীন ও আল মনসুরের লেখা দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। এরপর তিনি ‘থিয়েটার’-এ যোগ দেন। এই দলের হয়ে মঞ্চে ২২ বছর অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘জলের রঙে লেখা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘ঢাকায় থাকি’।
তবে চলচ্চিত্রে এই বরেণ্য অভিনেতাকে খুব কমই দেখা গেছে। পুনে ইনস্টিটিউট থেকে নির্মিত ‘উজান’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর ‘ছাড়পত্র’ নামক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। সাহিত্যচর্চাকে তিনি তার জীবনের কাজ বলে মনে করেন। মৌলিক কাজ যেমন করেছেন, তেমনই করেছেন অনুবাদের কাজ।
খায়রুল আলম সবুজ, বাংলাদেশের একজন জীবন্ত বরেণ্য অভিনেতা। বহু নাটকেই তিনি বাবার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। কিছুদিন আগে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশিত কাজী আসাদ পরিচালিত ‘লাইফলাইন’ ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। একজন বাবার চরিত্রে নিখুঁত অভিনয়ের কারণে এই মুহূর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল আলম সবুজ।
ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে খায়রুল আলম সবুজ বলেন, ‘এর আগেও আমি অনেক নাটকে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারই প্রথম বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। মিম চমৎকার অভিনয় করে। আমি চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। ফিল্মটি প্রকাশ্যে আসার পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বাহিরে গেলে সবাই বেশ প্রশংসা করছে। ধন্যবাদ কাজী আসাদকে আমাকে এত সুন্দর একটি চরিত্রে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
বরিশালে থাকাকালীন মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন খায়রুল আলম সবুজ। তখন পাড়ায় মঞ্চদল করে নাটকে অভিনয় করতেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ‘নাট্যচক্র’ নামক সংগঠনের মাধ্যমেই নাটকের এক বৈপ্লবিক আন্দোলন শুরু হয়। নাট্যচক্র থেকেই সেলিম আল দীন ও আল মনসুরের লেখা দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। এরপর তিনি ‘থিয়েটার’-এ যোগ দেন। এই দলের হয়ে মঞ্চে ২২ বছর অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘জলের রঙে লেখা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘ঢাকায় থাকি’।
তবে চলচ্চিত্রে এই বরেণ্য অভিনেতাকে খুব কমই দেখা গেছে। পুনে ইনস্টিটিউট থেকে নির্মিত ‘উজান’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর ‘ছাড়পত্র’ নামক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। সাহিত্যচর্চাকে তিনি তার জীবনের কাজ বলে মনে করেন। মৌলিক কাজ যেমন করেছেন, তেমনই করেছেন অনুবাদের কাজ।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৪
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান।
পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।
পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।
উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান।
পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।
পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।
উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত।
এ গানটি প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত।
এ গানটি প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।