
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৬
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদ গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
আকস্মিক এমন সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেন? প্রশ্নে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক। আসলে কেন? তাহসানের কাছের কয়েকজন বলছেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক। এটাকে আরো পরিস্কার করে বললে, বলা যায়- দুজনের জীবন দর্শন আলাদা হয়ে গেছে।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, ‘শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব।’ গত শনিবার বিকেলে তাহসান বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য। আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
এদিকে তাহসান আলাদা থাকার কথা বললেও রোজার ইনস্টাগ্রামে বহাল তবিয়তে রয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক। রোজা আহমেদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ছবিটি তাহসানের সঙ্গে। বিয়ের ছবিটি প্রথমে পিন করে রেখেছেন রোজা আহমেদ। অর্থাৎ, রোজা মনে করছেন আলাদা থাকার বিষয়টির হয়তো সমাধান হবে। ফের হয়তো দুজন একসঙ্গে থাকবেন।
তাহসান ও রোজা বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী সময়ে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। সেসব ছবি সেভাবেই রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষভাগ থেকে দুজনে আলাদা থাকলেও রোজার দিক থেকে তাহসানকে মুছে ফেলার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
যদিও দুজনের পথ দুই দিকে বেঁকে গিয়েছে, সেই পথ ফের কি এক হবে— এমন প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। অন্তত রোজার দিক থেকে তাহসানকে নিয়ে কোনো রকম বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ইনস্টাগ্রামে এই যুগল ছবি রেখে দেওয়ার অর্থ হতে পারে রোজা অপেক্ষা করছেন, যেন তাহসান ও তিনি ফের একই ছাদের নিচে থাকবেন।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, তাহসান ধর্মীয় কারণে গান ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এ মাসেই যখন রোজা সর্বশেষ যে ছবিটি প্রকাশ করেন তখন থেকেই নেটিজেনরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন, হয়ে পড়েন দ্বিধাগ্রস্ত। ফলে দুজনের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাহসানই অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
তাহসানের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, তাহসান গান ছেড়ে দিয়েছেন, এটা অনেক বড় একটি ত্যাগ। নিশ্চয়ই এর পেছনে কারণ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকেও সরে গেছেন তাহসান, এরও বড় একটি কারণ রয়েছে। তিনি চেয়েছিলেন একটি ব্যাক্তিগত জীবনযাপন করতে। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি বেড়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমেও আলোচিত হয়ে ওঠেন, এটিকে রোজা উপভোগ করছিলেন। প্রথমদিকে র সমাধান করার চেষ্টাও হচ্ছিল, দুজনে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দুজনের জীবন দর্শন দুরকম হওয়ায় দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।
গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান ও রোজা আহমেদ গত বছরের শুরুতেই বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। কিন্তু এ বছরের শুরুতেই জানালেন দুঃসংবাদ। দুজনের পথ বেঁকে গেছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই দুজনে আলাদা হয়ে গেছেন।
আকস্মিক এমন সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেন? প্রশ্নে সয়লাব হয়ে গেছে ফেসবুক। আসলে কেন? তাহসানের কাছের কয়েকজন বলছেন, এটি মনস্তাত্ত্বিক। এটাকে আরো পরিস্কার করে বললে, বলা যায়- দুজনের জীবন দর্শন আলাদা হয়ে গেছে।
গত জুলাই থেকে তাহসান ও রোজা একসঙ্গে থাকছেন না। হাঁটছেন চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পথে। বিষয়টি নিশ্চিত করে তাহসান বললেন, ‘শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেব।’ গত শনিবার বিকেলে তাহসান বললেন, ‘যে গুজব ছড়িয়ে তা সত্য। আমরা আর একসঙ্গে থাকছি না। এখন থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি না। শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে ঘোষণা দেব।’
এদিকে তাহসান আলাদা থাকার কথা বললেও রোজার ইনস্টাগ্রামে বহাল তবিয়তে রয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় গায়ক। রোজা আহমেদের ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে প্রথম ছবিটি তাহসানের সঙ্গে। বিয়ের ছবিটি প্রথমে পিন করে রেখেছেন রোজা আহমেদ। অর্থাৎ, রোজা মনে করছেন আলাদা থাকার বিষয়টির হয়তো সমাধান হবে। ফের হয়তো দুজন একসঙ্গে থাকবেন।
তাহসান ও রোজা বিয়ে ও বিয়ে-পরবর্তী সময়ে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেরিয়েছেন। সেসব ছবি সেভাবেই রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষভাগ থেকে দুজনে আলাদা থাকলেও রোজার দিক থেকে তাহসানকে মুছে ফেলার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
যদিও দুজনের পথ দুই দিকে বেঁকে গিয়েছে, সেই পথ ফের কি এক হবে— এমন প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে। অন্তত রোজার দিক থেকে তাহসানকে নিয়ে কোনো রকম বক্তব্য পাওয়া না গেলেও ইনস্টাগ্রামে এই যুগল ছবি রেখে দেওয়ার অর্থ হতে পারে রোজা অপেক্ষা করছেন, যেন তাহসান ও তিনি ফের একই ছাদের নিচে থাকবেন।
অনেকেই ধারণা করছিলেন, তাহসান ধর্মীয় কারণে গান ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এ মাসেই যখন রোজা সর্বশেষ যে ছবিটি প্রকাশ করেন তখন থেকেই নেটিজেনরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন, হয়ে পড়েন দ্বিধাগ্রস্ত। ফলে দুজনের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাহসানই অবস্থান পরিষ্কার করলেন।
তাহসানের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, তাহসান গান ছেড়ে দিয়েছেন, এটা অনেক বড় একটি ত্যাগ। নিশ্চয়ই এর পেছনে কারণ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকেও সরে গেছেন তাহসান, এরও বড় একটি কারণ রয়েছে। তিনি চেয়েছিলেন একটি ব্যাক্তিগত জীবনযাপন করতে। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি বেড়ে গেছে। সামাজিক মাধ্যমেও আলোচিত হয়ে ওঠেন, এটিকে রোজা উপভোগ করছিলেন। প্রথমদিকে র সমাধান করার চেষ্টাও হচ্ছিল, দুজনে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দুজনের জীবন দর্শন দুরকম হওয়ায় দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১০
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.