
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরিশাল নগরীর বিসিক শিল্প এলাকার সিএমএস মুগ ডাল কারখানার একটি বদ্ধ কক্ষ থেকে দুর্জয় শাহ (৩০) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে কারখানা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
দুর্জয় শাহ পিরোজপুরের ব্রাহ্মণকুটি গ্রামের রবীনাথ সাহার ছেলে এবং তিনি বিসিকের সিএমএস মুগ ডাল প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা জানায়, দুর্জয় প্রায় এক বছর ধরে সেখানে কাজ করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও তিনি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিলেন। হঠাৎ তিনি নিজের কক্ষে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর তাকে খোঁজা-খুঁজি করলে অপর এক কর্মী সাকিল জানালা খুলে দেখতে পান, তিনি কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছেন।
এরআগে বিকাল ৪টার দিকে কাজের মাঝখানে দুর্জয় নিজের কক্ষে প্রবেশ করার পর আর বের হননি। পরে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে জানালা খুলে দেখেন, তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছেন। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা বলা সম্ভব নয়।’
বরিশাল নগরীর বিসিক শিল্প এলাকার সিএমএস মুগ ডাল কারখানার একটি বদ্ধ কক্ষ থেকে দুর্জয় শাহ (৩০) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে কারখানা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
দুর্জয় শাহ পিরোজপুরের ব্রাহ্মণকুটি গ্রামের রবীনাথ সাহার ছেলে এবং তিনি বিসিকের সিএমএস মুগ ডাল প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা জানায়, দুর্জয় প্রায় এক বছর ধরে সেখানে কাজ করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও তিনি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিলেন। হঠাৎ তিনি নিজের কক্ষে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর তাকে খোঁজা-খুঁজি করলে অপর এক কর্মী সাকিল জানালা খুলে দেখতে পান, তিনি কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছেন।
এরআগে বিকাল ৪টার দিকে কাজের মাঝখানে দুর্জয় নিজের কক্ষে প্রবেশ করার পর আর বের হননি। পরে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে জানালা খুলে দেখেন, তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছেন। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা বলা সম্ভব নয়।’

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৫

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৬

২৩ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৮
বরিশালের গৌরনদীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিফিনের রুটির ভেতর একটি ধারালো ব্লেড পাওয়া গেছে। বুধবার (২২ জুলাই) গৌরনদী পৌরসভার হরিসেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, টিফিন বিতরণের পর প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রী রুটি ছিঁড়ে খেতে গেলে ভেতরে একটি ধারালো ব্লেড দেখতে পায়। পরে সে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তার শ্রেণিশিক্ষককে অবহিত করে।
রুটিটি মুখে দেওয়ার আগেই ব্লেডটি চোখে পড়ায় কোনোরকম শারীরিক ক্ষতি হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী প্রথম শ্রেণির ছাত্রী আলমতাজের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুন নাহার সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই গৌরনদী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মৃধাকে অবহিত করা হয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা টিফিনের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এ ঘটনায় রুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আইল্যান্ড ট্রেডিং করপোরেশন এর প্রতিনিধি আরিফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়ায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহিম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে আমি নিজে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে কারও গাফিলতির প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে জনগণ যাদের হাতে দেশের ক্ষমতা দিয়েছে, তারা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা প্রমাণ করেছে, তারা দেশের জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, ভালো নেতা ও ভালো নীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়। ভালো নেতা ও নীতির সমন্বয় না হলে দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বপ্ন কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। দেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক দূর করতে ইসলামের শ্রেষ্ঠ আদর্শের কোনো বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কালো বর্ণের মানুষের নাম ‘সাদা মিয়া’ রাখলে যেমন সে সাদা হয়ে যায় না, তেমনি ইসলামের নাম ব্যবহার করে অনৈতিকতা, উচ্ছৃঙ্খলতা ও ধোঁকাবাজি করলেই তা ইসলাম হয়ে যায় না। বরং ইসলামের নামে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলে ইসলামেরই কলঙ্ক হয়।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নেসার উদ্দিন হুজাইফ যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঢাকা উত্তর যে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা হাম্মাদ বিন মোশাররফ, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকার দলীয় হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু বলেছেন, এ দেশে চাঁদাবাজি নির্মূল করা যাবে না। এটা দুঃখজনক। তাহলে সরকারকে মানুষ ক্ষমতায় এনেছে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য। যদি তাতেই তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে সরকারের কাজটা কী?
তিনি বলেন, এই সরকার বলেছিল এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়ে কর্মসংস্থান সংকোচন করছে।
প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, একটি দল ইসলামের নাম দিয়ে যে কর্মকাণ্ড করছে তাতে ইসলামের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। আমরা তাদেরকে আহ্বান জানাই, সঠিক ইসলামের চর্চা করুন। ইসলামের নামে মনগড়া মতবাদের চর্চা বন্ধ করুন।
আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রকৃত দেশপ্রেমিক জনশক্তি। জুলাইতে যুব আন্দোলন জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদকে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
বর্তমানে দেশের পরিবেশ রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করছে। এছাড়াও দেশের বেকার যুবকদেরকে বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য জনশক্তি হিসেবে তৈরি করছে। আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান সহযোগী হবে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে জনগণ যাদের হাতে দেশের ক্ষমতা দিয়েছে, তারা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা প্রমাণ করেছে, তারা দেশের জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, ভালো নেতা ও ভালো নীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়। ভালো নেতা ও নীতির সমন্বয় না হলে দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বপ্ন কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। দেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক দূর করতে ইসলামের শ্রেষ্ঠ আদর্শের কোনো বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কালো বর্ণের মানুষের নাম ‘সাদা মিয়া’ রাখলে যেমন সে সাদা হয়ে যায় না, তেমনি ইসলামের নাম ব্যবহার করে অনৈতিকতা, উচ্ছৃঙ্খলতা ও ধোঁকাবাজি করলেই তা ইসলাম হয়ে যায় না। বরং ইসলামের নামে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলে ইসলামেরই কলঙ্ক হয়।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নেসার উদ্দিন হুজাইফ যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঢাকা উত্তর যে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা হাম্মাদ বিন মোশাররফ, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকার দলীয় হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু বলেছেন, এ দেশে চাঁদাবাজি নির্মূল করা যাবে না। এটা দুঃখজনক। তাহলে সরকারকে মানুষ ক্ষমতায় এনেছে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য। যদি তাতেই তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে সরকারের কাজটা কী?
তিনি বলেন, এই সরকার বলেছিল এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়ে কর্মসংস্থান সংকোচন করছে।
প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, একটি দল ইসলামের নাম দিয়ে যে কর্মকাণ্ড করছে তাতে ইসলামের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। আমরা তাদেরকে আহ্বান জানাই, সঠিক ইসলামের চর্চা করুন। ইসলামের নামে মনগড়া মতবাদের চর্চা বন্ধ করুন।
আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রকৃত দেশপ্রেমিক জনশক্তি। জুলাইতে যুব আন্দোলন জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদকে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
বর্তমানে দেশের পরিবেশ রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করছে। এছাড়াও দেশের বেকার যুবকদেরকে বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য জনশক্তি হিসেবে তৈরি করছে। আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান সহযোগী হবে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ।
বরিশালের গৌরনদীতে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি গার্ডার সেতুর ছাদ ঢালাইয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধসে পড়েছে। ছাদে ঢালাইয়ের কাজ বুধবার সকালে শেষ হওয়ার পর বিকেলেই সেটি ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)কে না জানিয়ে তার অনুপস্থিতিতে ঢালাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।
তবে ঠিকাদারের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগেই বিষয়টি জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি।
ঘটনাটি উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের আহম্মেদকাঠী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুতে ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢালাইয়ের আগে নিয়ম অনুযায়ী পিআইওকে অবহিত করে তার উপস্থিতিতে কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তা না করেই ঢালাই দেওয়া হয়।
পরে সেতুর ছাদ ধসে পড়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে পুরো কাঠামো ভেঙে নতুন করে নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঠিকাদার আবুল খায়ের বলেন, মঙ্গলবার সকালে পিআইও ও একজন প্রকৌশলী কাজ পরিদর্শনে এসে বুধবার ঢালাইয়ের বিষয়টি জেনেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তারা কেউ উপস্থিত হননি।
তার দাবি, নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। টানা বৃষ্টিতে খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় সেন্টারিংয়ে ব্যবহৃত বাঁশ ভেঙে পড়ায় সেতুর ছাদ ধসে যায়।
এতে তার ১২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন প্রকল্পের আওতায় আহম্মেদকাঠী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণে ৩৯ লাখ টাকার টেন্ডার দেওয়া হয়।
কাজটি পায় বরিশালের ‘ডায়নামিক আইসিটি সপ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্পন্ন হয়নি।
পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে গৌরনদীর ঠিকাদার আবুল খায়ের কাজটি শুরু করেন।
চলতি বছরের জুনে সেতুর নির্মাণ শেষ করে হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও সেটিও নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খোকন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বলেন, কাজে অনিয়ম করার উদ্দেশ্যেই হয়তো তাকে না জানিয়ে ঢালাই দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত সেতু নির্মাণকাজের বিপরীতে কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম বলেন, কয়েক দিন আগে পিআইও সেতুটি পরিদর্শন করে নির্মাণকাজে অনিয়মের বিষয় শনাক্ত করেছিলেন। তখন ঠিকাদারকে গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঢালাইয়ের আগে তাকে অবহিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, নির্দেশ উপেক্ষা করেই ঢালাই দেওয়া হয় এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেতুর ছাদ ধসে পড়ে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
একই সঙ্গে তদন্তে পিআইওর কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বরিশালের গৌরনদীতে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি গার্ডার সেতুর ছাদ ঢালাইয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধসে পড়েছে। ছাদে ঢালাইয়ের কাজ বুধবার সকালে শেষ হওয়ার পর বিকেলেই সেটি ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)কে না জানিয়ে তার অনুপস্থিতিতে ঢালাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।
তবে ঠিকাদারের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগেই বিষয়টি জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি।
ঘটনাটি উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের আহম্মেদকাঠী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুতে ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢালাইয়ের আগে নিয়ম অনুযায়ী পিআইওকে অবহিত করে তার উপস্থিতিতে কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তা না করেই ঢালাই দেওয়া হয়।
পরে সেতুর ছাদ ধসে পড়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে পুরো কাঠামো ভেঙে নতুন করে নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঠিকাদার আবুল খায়ের বলেন, মঙ্গলবার সকালে পিআইও ও একজন প্রকৌশলী কাজ পরিদর্শনে এসে বুধবার ঢালাইয়ের বিষয়টি জেনেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তারা কেউ উপস্থিত হননি।
তার দাবি, নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। টানা বৃষ্টিতে খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় সেন্টারিংয়ে ব্যবহৃত বাঁশ ভেঙে পড়ায় সেতুর ছাদ ধসে যায়।
এতে তার ১২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন প্রকল্পের আওতায় আহম্মেদকাঠী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণে ৩৯ লাখ টাকার টেন্ডার দেওয়া হয়।
কাজটি পায় বরিশালের ‘ডায়নামিক আইসিটি সপ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্পন্ন হয়নি।
পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে গৌরনদীর ঠিকাদার আবুল খায়ের কাজটি শুরু করেন।
চলতি বছরের জুনে সেতুর নির্মাণ শেষ করে হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও সেটিও নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খোকন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বলেন, কাজে অনিয়ম করার উদ্দেশ্যেই হয়তো তাকে না জানিয়ে ঢালাই দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত সেতু নির্মাণকাজের বিপরীতে কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম বলেন, কয়েক দিন আগে পিআইও সেতুটি পরিদর্শন করে নির্মাণকাজে অনিয়মের বিষয় শনাক্ত করেছিলেন। তখন ঠিকাদারকে গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঢালাইয়ের আগে তাকে অবহিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, নির্দেশ উপেক্ষা করেই ঢালাই দেওয়া হয় এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেতুর ছাদ ধসে পড়ে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
একই সঙ্গে তদন্তে পিআইওর কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বরিশালের গৌরনদীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিফিনের রুটির ভেতর একটি ধারালো ব্লেড পাওয়া গেছে। বুধবার (২২ জুলাই) গৌরনদী পৌরসভার হরিসেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, টিফিন বিতরণের পর প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রী রুটি ছিঁড়ে খেতে গেলে ভেতরে একটি ধারালো ব্লেড দেখতে পায়। পরে সে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তার শ্রেণিশিক্ষককে অবহিত করে।
রুটিটি মুখে দেওয়ার আগেই ব্লেডটি চোখে পড়ায় কোনোরকম শারীরিক ক্ষতি হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী প্রথম শ্রেণির ছাত্রী আলমতাজের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুন নাহার সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই গৌরনদী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মৃধাকে অবহিত করা হয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা টিফিনের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এ ঘটনায় রুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আইল্যান্ড ট্রেডিং করপোরেশন এর প্রতিনিধি আরিফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়ায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহিম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে আমি নিজে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে কারও গাফিলতির প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।