
১৮ জুন, ২০২৫ ১৩:৩৫
বরগুনার পাথরঘাটায় দুটি ট্রলার জব্দকে কেন্দ্র করে কোস্টগার্ড সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় জেলেদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে পাথরঘাটা কোস্টগার্ড জেটি সংলগ্ন ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সংঘর্ষ চলাকালে কোস্টগার্ডের স্টেশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেন স্থানীয় জেলেরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে ও লাঠিচার্জ করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এসময় জেলেরা কোস্টগার্ডের একটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। পরে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে সাগর থেকে মাছ ধরে পাথরঘাটায় ফেরার পথে অবৈধ দুটি ট্রলার জব্দ করে কোস্টগার্ড। এর প্রতিবাদে ৫ শতাধিক জেলে সন্ধ্যার পর থেকে কোস্টগার্ড স্টেশনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।
এসময় জেলেরা ট্রলার দিয়ে কোস্টগার্ডের নৌযান ও ঘাট আটকে দেয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। পরে জেলেদের সঙ্গে মৎস্য ব্যবসায়ীরা অংশ নিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে। একপর্যায়ে রাত ৯টার দিকে জেলেরা কোস্টগার্ড ক্যাম্প ঘেরাওয়ের চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় কোস্টগার্ডের দুটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোস্টগার্ড সদস্যরা ফাঁকা গুলি ও লাঠিচার্জ করেন। এতে ১২ জন আহত হন।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম আকন বলেন, গতকাল আমার একটি ট্রলারের ত্রুটি থাকায় ডগে ওঠানো হয় এবং আরেকটি ট্রলার সাগর থেকে সেইব ভেঙে আসে। কোস্টগার্ড ওই ট্রলার দুটিকে জব্দ করেন।
হাইকোর্টে চলমান রিট অনুযায়ী ছয় মাস সময় ও কাগজপত্র থাকলেও তা তারা মানেননি। পরে গ্যাস কাটার দিয়ে ট্রলারের নেট কাটা শুরু করলে উৎসুক মানুষ পাশের একটি ব্রিজের ওপর ভিড় করেন। এসময় কোস্ট গার্ড অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ করে। পরে অতীতেও কোস্টগার্ডের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বিক্ষুব্ধ জনতা একত্রিত হয়ে তাদের অবরুদ্ধ করেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, গতকালকের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। এছাড়াও কোস্টগার্ড ক্যাম্পেও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
পাথরঘাটার ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, কোস্টগার্ড দুটি ট্রলিং বোট জব্দ করে কাটিং ওয়েল্ডিংয়ের তার কাটার সময় জনগণ বাধা দেয় ও কোস্টগার্ডকে উদ্দেশ্য করে ঢিল নিক্ষেপ করে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্যে কোস্টগার্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সহায়তায় মধ্য রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু ভুল বোঝবুঝি রয়েছে, তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনার জন্য দুপুরে আমরা বসবো।
বরগুনার পাথরঘাটায় দুটি ট্রলার জব্দকে কেন্দ্র করে কোস্টগার্ড সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় জেলেদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে পাথরঘাটা কোস্টগার্ড জেটি সংলগ্ন ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সংঘর্ষ চলাকালে কোস্টগার্ডের স্টেশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেন স্থানীয় জেলেরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে ও লাঠিচার্জ করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এসময় জেলেরা কোস্টগার্ডের একটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। পরে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে সাগর থেকে মাছ ধরে পাথরঘাটায় ফেরার পথে অবৈধ দুটি ট্রলার জব্দ করে কোস্টগার্ড। এর প্রতিবাদে ৫ শতাধিক জেলে সন্ধ্যার পর থেকে কোস্টগার্ড স্টেশনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।
এসময় জেলেরা ট্রলার দিয়ে কোস্টগার্ডের নৌযান ও ঘাট আটকে দেয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। পরে জেলেদের সঙ্গে মৎস্য ব্যবসায়ীরা অংশ নিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে। একপর্যায়ে রাত ৯টার দিকে জেলেরা কোস্টগার্ড ক্যাম্প ঘেরাওয়ের চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় কোস্টগার্ডের দুটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোস্টগার্ড সদস্যরা ফাঁকা গুলি ও লাঠিচার্জ করেন। এতে ১২ জন আহত হন।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম আকন বলেন, গতকাল আমার একটি ট্রলারের ত্রুটি থাকায় ডগে ওঠানো হয় এবং আরেকটি ট্রলার সাগর থেকে সেইব ভেঙে আসে। কোস্টগার্ড ওই ট্রলার দুটিকে জব্দ করেন।
হাইকোর্টে চলমান রিট অনুযায়ী ছয় মাস সময় ও কাগজপত্র থাকলেও তা তারা মানেননি। পরে গ্যাস কাটার দিয়ে ট্রলারের নেট কাটা শুরু করলে উৎসুক মানুষ পাশের একটি ব্রিজের ওপর ভিড় করেন। এসময় কোস্ট গার্ড অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ করে। পরে অতীতেও কোস্টগার্ডের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বিক্ষুব্ধ জনতা একত্রিত হয়ে তাদের অবরুদ্ধ করেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, গতকালকের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। এছাড়াও কোস্টগার্ড ক্যাম্পেও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
পাথরঘাটার ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, কোস্টগার্ড দুটি ট্রলিং বোট জব্দ করে কাটিং ওয়েল্ডিংয়ের তার কাটার সময় জনগণ বাধা দেয় ও কোস্টগার্ডকে উদ্দেশ্য করে ঢিল নিক্ষেপ করে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্যে কোস্টগার্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সহায়তায় মধ্য রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু ভুল বোঝবুঝি রয়েছে, তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনার জন্য দুপুরে আমরা বসবো।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.