
২০ অক্টোবর, ২০২৫ ২৩:০৫
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ডেবরা খালে পাইলিং স্থাপন কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক কামরুজ্জামান সুইটকে জবাই করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।এ ঘটনায় আইনী আশ্রয় পেতে সুইট সোমবার (২০ অক্টোবর) ঝালকাঠি সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। কামরুজ্জামান সুইট জাতীয় দৈনিক খবরেরকাগজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এবং স্থানীয় দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল, দৈনিক দূরযাত্রা ও দৈনিক খবর ডটকম'র নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করছেন।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ডেবরা গ্রামের মোসলেম হাওলাদারের পুত্র নাঈম হোসেন (৩৫) এবং নাইমের মা নিলুফা বেগম(৫০) ওই এলাকার প্রেসিডেন্ট বাড়ির খলিল হাওলাদারের ঘরের সামনের খাল পাড়ের ৫০০ফুট পাইলিং এর কাজ করে। এই কাজের অনিয়ম হওয়ায় ভিডিওসহ দৈনিক খবর ডটকম পোর্টালে গত ১৬ অক্টোবর নিউজ করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার (২০অক্টোবর) ১০টা ৩৬মিনিটে প্রতিবেদকের ব্যবহৃত ০১৯৩৬-১১২৭০৭ নম্বরে ০১৩০৪-৮৫৭৩৫০ থেকে ফোন করে নাইম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তখন প্রতিবেদক তাকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ জবাই করে খুন করবে বলে হুমকি দেয়। এসময় হুমকির ভাষ্য লাউড দিলে পাশে থাকা বাবুল মিনা, সাইফুল ইসলাম বাবু শুনতে পায়। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয় এ জিডিতে। এঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সদর থানা পুলিশের ওসি মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় জিডি করা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ডেবরা খালে পাইলিং স্থাপন কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক কামরুজ্জামান সুইটকে জবাই করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।এ ঘটনায় আইনী আশ্রয় পেতে সুইট সোমবার (২০ অক্টোবর) ঝালকাঠি সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। কামরুজ্জামান সুইট জাতীয় দৈনিক খবরেরকাগজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এবং স্থানীয় দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল, দৈনিক দূরযাত্রা ও দৈনিক খবর ডটকম'র নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করছেন।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ডেবরা গ্রামের মোসলেম হাওলাদারের পুত্র নাঈম হোসেন (৩৫) এবং নাইমের মা নিলুফা বেগম(৫০) ওই এলাকার প্রেসিডেন্ট বাড়ির খলিল হাওলাদারের ঘরের সামনের খাল পাড়ের ৫০০ফুট পাইলিং এর কাজ করে। এই কাজের অনিয়ম হওয়ায় ভিডিওসহ দৈনিক খবর ডটকম পোর্টালে গত ১৬ অক্টোবর নিউজ করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার (২০অক্টোবর) ১০টা ৩৬মিনিটে প্রতিবেদকের ব্যবহৃত ০১৯৩৬-১১২৭০৭ নম্বরে ০১৩০৪-৮৫৭৩৫০ থেকে ফোন করে নাইম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তখন প্রতিবেদক তাকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ জবাই করে খুন করবে বলে হুমকি দেয়। এসময় হুমকির ভাষ্য লাউড দিলে পাশে থাকা বাবুল মিনা, সাইফুল ইসলাম বাবু শুনতে পায়। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয় এ জিডিতে। এঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সদর থানা পুলিশের ওসি মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় জিডি করা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩০
ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে হুমায়ুন কবির সাগর (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, তিনি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এক সাবেক কাউন্সিলর বলে জানা গেছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল–ঝালকাঠি মহাসড়কের নলছিটি উপজেলার রায়াপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ুন কবির সাগর ঝালকাঠি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের ভাই মাহবুব সৈকত।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মোটরসাইকেলে করে বরিশাল থেকে ঝালকাঠির দিকে যাচ্ছিলেন হুমায়ুন কবির সাগর এবং তার সঙ্গী ব্যবসায়ী সোহেল। পথিমধ্যে রায়াপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি গাছে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই হুমায়ুন কবির গুরুতর আহত হন এবং তার সঙ্গী সোহেলও আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক হুমায়ুন কবির সাগরকে মৃত ঘোষণা করেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বরিশালটাইমসকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে হুমায়ুন কবির সাগর (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, তিনি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এক সাবেক কাউন্সিলর বলে জানা গেছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল–ঝালকাঠি মহাসড়কের নলছিটি উপজেলার রায়াপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ুন কবির সাগর ঝালকাঠি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের ভাই মাহবুব সৈকত।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মোটরসাইকেলে করে বরিশাল থেকে ঝালকাঠির দিকে যাচ্ছিলেন হুমায়ুন কবির সাগর এবং তার সঙ্গী ব্যবসায়ী সোহেল। পথিমধ্যে রায়াপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি গাছে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই হুমায়ুন কবির গুরুতর আহত হন এবং তার সঙ্গী সোহেলও আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক হুমায়ুন কবির সাগরকে মৃত ঘোষণা করেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বরিশালটাইমসকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১২
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিম্নমানের খাবার বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পচা কলা দেওয়ার ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মধ্যে পচা কলা দেখতে পেয়ে উপস্থিত অভিভাবকরা তাৎক্ষণিকভাবে খাবারগুলো জব্দ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুধু কলা নয় সরবরাহ করা ডিম ও রুটির মানও ছিল নিম্নমানের। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানান, কলা সরবরাহে স্থানীয় এজেন্ট নিয়োজিত রয়েছে। যারা নিম্নমানের কলা সরবরাহ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয় সরবরাহকারী সজল ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার কলা সরবরাহ করতে হয়। এত বড় পরিমাণে সরবরাহ করতে গেলে কিছু কলার মান খারাপ হতে পারে। কলাগুলো রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আনা হয়, পরিবহনের সময় কিছু দাগ পড়া স্বাভাবিক।
পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন আক্তার বলেন, কিছু কলা নষ্ট ছিল, যা আমরা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করেছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
উল্লেখ্য, নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার ৭৫৪ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে সপ্তাহের নির্ধারিত দিনগুলোতে পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হচ্ছে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নিম্নমানের খাবার বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পচা কলা দেওয়ার ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মধ্যে পচা কলা দেখতে পেয়ে উপস্থিত অভিভাবকরা তাৎক্ষণিকভাবে খাবারগুলো জব্দ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুধু কলা নয় সরবরাহ করা ডিম ও রুটির মানও ছিল নিম্নমানের। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানান, কলা সরবরাহে স্থানীয় এজেন্ট নিয়োজিত রয়েছে। যারা নিম্নমানের কলা সরবরাহ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয় সরবরাহকারী সজল ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার কলা সরবরাহ করতে হয়। এত বড় পরিমাণে সরবরাহ করতে গেলে কিছু কলার মান খারাপ হতে পারে। কলাগুলো রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আনা হয়, পরিবহনের সময় কিছু দাগ পড়া স্বাভাবিক।
পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইরিন আক্তার বলেন, কিছু কলা নষ্ট ছিল, যা আমরা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করেছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
উল্লেখ্য, নলছিটি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার ৭৫৪ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে সপ্তাহের নির্ধারিত দিনগুলোতে পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হচ্ছে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪০
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব ও ঝালকাঠির সাবেক ইউএনও রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে সরকার। শাস্তি হিসেবে আগামী দুই বছরের জন্য তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৩০২টি ঘর নির্মাণের জন্য প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে চর ষাটপাকিয়া এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের কথা ছিল।
তবে পরবর্তী ইউএনও নজরুল ইসলাম সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান, নির্ধারিত ১২৮টির মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। পরে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।
তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রুম্পা সিকদার অনির্মিত ঘরগুলোর বিষয়ে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি এবং পুরো অর্থ উত্তোলনের চেকে সই করেছিলেন। পাশাপাশি ঘর নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে বিভাগীয় তদন্ত করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং তার প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।
সবশেষে অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকার তাকে ‘বেতন বৃদ্ধি স্থগিত’ করার লঘুদণ্ড প্রদান করে।
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব ও ঝালকাঠির সাবেক ইউএনও রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে সরকার। শাস্তি হিসেবে আগামী দুই বছরের জন্য তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৩০২টি ঘর নির্মাণের জন্য প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে চর ষাটপাকিয়া এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের কথা ছিল।
তবে পরবর্তী ইউএনও নজরুল ইসলাম সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান, নির্ধারিত ১২৮টির মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। পরে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।
তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রুম্পা সিকদার অনির্মিত ঘরগুলোর বিষয়ে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি এবং পুরো অর্থ উত্তোলনের চেকে সই করেছিলেন। পাশাপাশি ঘর নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে বিভাগীয় তদন্ত করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং তার প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।
সবশেষে অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকার তাকে ‘বেতন বৃদ্ধি স্থগিত’ করার লঘুদণ্ড প্রদান করে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.