Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ জুলাই, ২০২৫ ১২:৩৬
পাঁচ বছরের শিশু সন্তান তানিম ইসলামকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান মহিপুর থানা এলাকার বাসিন্দা নুর আলম। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সিবিসি পরীক্ষা করান মহিপুর থানা সদরে অবস্থিত গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’। প্রায় ১ ঘন্টা পরে সিবিসির একটি ভুল রিপোর্ট প্রদান করেন রোগীর বাবা নুর আলমকে।
ভুক্তভোগী নুর আলম বলেন, গত মঙ্গলবার আমার অসুস্থ ৫ বছরের ছেলে তানিমকে ডাক্তার দেখানোর জন্য নিয়ে আসলে ডাক্তার আমাকে কিছু টেস্ট করাতে দেয়।
আমি মহিপুরের গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার আসলে তারা ৫০০ টাকা রেখে আমাকে একটি ভুল সিবিসি রিপোর্ট ধরিয়ে দেন। সেখানে আমার ছেলের নামেও ভুল আছে। রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক রোগীর অবস্থা খুব আশংকাজনক বলে জানান। আমাকে সরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তীতে আমি অন্য একটি ডায়গনস্টিক সেন্টারে টেস্ট করাতে গেলে সেখানে সঠিক রিপোর্ট আসে। পরবর্তীতে তিনি তার এক নিকট আত্মীয়কে সাথে নিয়ে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। ভুল রিপোর্টের কথা বলাতে তাদের সাথে অসদাচরণ করেন রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ রানা। একপর্যায়ে তার সাথে থাকা স্বজন আল-মামুনকে মারধর করতে তেরে আসে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার সাথে থাকা ভুল রিপোর্টটি নিয়ে অন্য একটি রিপোর্ট প্রদান করেন। রোগীর স্বজনের তাড়াহুড়ার কারণে রিপোর্ট এমন ভুল হয়েছে দাবি ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহিপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত গ্রীণলাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো টেস্ট করাতে গেলে তারা তাদের মনগড়া রিপোর্ট দিয়ে রোগীদের বাড়তি চাপে ফেলে দেন এমন অহরহ অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে ভুয়া সিবিসির মনগড়া রিপোর্টে হয়রানি শিকার হন নুর আলম নামের এক রোগীর স্বজন। অভিযোগ রয়েছে এর আগেও বেশ কয়েকবার ভুল রিপোর্ট প্রদান করেন এই ডায়গনস্টিক সেন্টার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, গত তিন মাস টেকনোলজিস্ট ছাড়াই রিসিপশনিস্ট রানা রিপোর্ট প্রদান করেছেন। এমনকি এক্সরেও করিয়ে দেন তিনি।
এ বিষয় ভুক্তভোগীর স্বজন আল-মামুন বলেন, গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে একটি ভুল রিপোর্ট প্রদান করলে নুর আলম আমাকে বিষয়টি জানায়। ঘটনা শুনে আমি তাকে সাথে নিয়ে ডায়াগনস্টিক এ গিয়ে জিজ্ঞেস করলে রিসিপশনিস্ট রানা নামের একজন আমার সাথে খারাপ আচরণ করেন। একপ্রকার তেড়ে আসেন আমাকে মারতে। ভুল রিপোর্টের সাথে রোগীর নামেও ভুল রয়েছে।
এ বিষয়ে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ রানা বলেন, রিপোর্টের অনেক চাপ ও রোগীর তাড়াহুড়ার কারণে এমনটা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি নিউজ না করার জন্য প্রতিবেদককে অনুরোধ জানান।
গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মোঃ সবুজ আল মামুন বলেন, আসলে আমি তো ডাক্তার না আমি যতটুকু জানি সিবিসির ডব্লিউবিসি কাউন্টে জিরো আসে না।
রিসিপশনিস্ট দিয়ে টেস্ট করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যখন আমাদের টেকনোলজিস্ট ছিল না তখন আমরা তুলাতুলির একটি ল্যাপ দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছি। রিপোর্টটি আমাকে দিলে আমি জেনে আপনাকে জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে একাধিক এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, এটি ভুল টেস্ট, সিবিসি টেস্টের টোটাল ডব্লিউবিসি কাউন্টে জিরো আসার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রসাদ অধিকারী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক, এভাবে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার কোন সুযোগ নাই। আমরা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া। তিনি বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম খোঁজখবর নিচ্ছি। চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা দেবার সুযোগ নেই।
পাঁচ বছরের শিশু সন্তান তানিম ইসলামকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান মহিপুর থানা এলাকার বাসিন্দা নুর আলম। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সিবিসি পরীক্ষা করান মহিপুর থানা সদরে অবস্থিত গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’। প্রায় ১ ঘন্টা পরে সিবিসির একটি ভুল রিপোর্ট প্রদান করেন রোগীর বাবা নুর আলমকে।
ভুক্তভোগী নুর আলম বলেন, গত মঙ্গলবার আমার অসুস্থ ৫ বছরের ছেলে তানিমকে ডাক্তার দেখানোর জন্য নিয়ে আসলে ডাক্তার আমাকে কিছু টেস্ট করাতে দেয়।
আমি মহিপুরের গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার আসলে তারা ৫০০ টাকা রেখে আমাকে একটি ভুল সিবিসি রিপোর্ট ধরিয়ে দেন। সেখানে আমার ছেলের নামেও ভুল আছে। রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক রোগীর অবস্থা খুব আশংকাজনক বলে জানান। আমাকে সরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তীতে আমি অন্য একটি ডায়গনস্টিক সেন্টারে টেস্ট করাতে গেলে সেখানে সঠিক রিপোর্ট আসে। পরবর্তীতে তিনি তার এক নিকট আত্মীয়কে সাথে নিয়ে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। ভুল রিপোর্টের কথা বলাতে তাদের সাথে অসদাচরণ করেন রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ রানা। একপর্যায়ে তার সাথে থাকা স্বজন আল-মামুনকে মারধর করতে তেরে আসে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার সাথে থাকা ভুল রিপোর্টটি নিয়ে অন্য একটি রিপোর্ট প্রদান করেন। রোগীর স্বজনের তাড়াহুড়ার কারণে রিপোর্ট এমন ভুল হয়েছে দাবি ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহিপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত গ্রীণলাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো টেস্ট করাতে গেলে তারা তাদের মনগড়া রিপোর্ট দিয়ে রোগীদের বাড়তি চাপে ফেলে দেন এমন অহরহ অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে ভুয়া সিবিসির মনগড়া রিপোর্টে হয়রানি শিকার হন নুর আলম নামের এক রোগীর স্বজন। অভিযোগ রয়েছে এর আগেও বেশ কয়েকবার ভুল রিপোর্ট প্রদান করেন এই ডায়গনস্টিক সেন্টার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, গত তিন মাস টেকনোলজিস্ট ছাড়াই রিসিপশনিস্ট রানা রিপোর্ট প্রদান করেছেন। এমনকি এক্সরেও করিয়ে দেন তিনি।
এ বিষয় ভুক্তভোগীর স্বজন আল-মামুন বলেন, গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে একটি ভুল রিপোর্ট প্রদান করলে নুর আলম আমাকে বিষয়টি জানায়। ঘটনা শুনে আমি তাকে সাথে নিয়ে ডায়াগনস্টিক এ গিয়ে জিজ্ঞেস করলে রিসিপশনিস্ট রানা নামের একজন আমার সাথে খারাপ আচরণ করেন। একপ্রকার তেড়ে আসেন আমাকে মারতে। ভুল রিপোর্টের সাথে রোগীর নামেও ভুল রয়েছে।
এ বিষয়ে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ রানা বলেন, রিপোর্টের অনেক চাপ ও রোগীর তাড়াহুড়ার কারণে এমনটা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি নিউজ না করার জন্য প্রতিবেদককে অনুরোধ জানান।
গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মোঃ সবুজ আল মামুন বলেন, আসলে আমি তো ডাক্তার না আমি যতটুকু জানি সিবিসির ডব্লিউবিসি কাউন্টে জিরো আসে না।
রিসিপশনিস্ট দিয়ে টেস্ট করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যখন আমাদের টেকনোলজিস্ট ছিল না তখন আমরা তুলাতুলির একটি ল্যাপ দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছি। রিপোর্টটি আমাকে দিলে আমি জেনে আপনাকে জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে একাধিক এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, এটি ভুল টেস্ট, সিবিসি টেস্টের টোটাল ডব্লিউবিসি কাউন্টে জিরো আসার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রসাদ অধিকারী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক, এভাবে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার কোন সুযোগ নাই। আমরা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া। তিনি বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম খোঁজখবর নিচ্ছি। চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা দেবার সুযোগ নেই।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫২
পটুয়াখালীর বাউফলে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সারে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেহ আহমেদ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি,উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি করে মোট দুই হাজার চার শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সঠিক সময়ে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাউফল অঞ্চলে ধান উৎপাদন উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর বাউফলে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সারে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেহ আহমেদ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি,উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি করে মোট দুই হাজার চার শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সঠিক সময়ে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাউফল অঞ্চলে ধান উৎপাদন উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২