পাঁচ বছরের শিশু সন্তান তানিম ইসলামকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান মহিপুর থানা এলাকার বাসিন্দা নুর আলম। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সিবিসি পরীক্ষা করান মহিপুর থানা সদরে অবস্থিত গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’। প্রায় ১ ঘন্টা পরে সিবিসির একটি ভুল রিপোর্ট প্রদান করেন রোগীর বাবা নুর আলমকে।
ভুক্তভোগী নুর আলম বলেন, গত মঙ্গলবার আমার অসুস্থ ৫ বছরের ছেলে তানিমকে ডাক্তার দেখানোর জন্য নিয়ে আসলে ডাক্তার আমাকে কিছু টেস্ট করাতে দেয়।
আমি মহিপুরের গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার আসলে তারা ৫০০ টাকা রেখে আমাকে একটি ভুল সিবিসি রিপোর্ট ধরিয়ে দেন। সেখানে আমার ছেলের নামেও ভুল আছে। রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক রোগীর অবস্থা খুব আশংকাজনক বলে জানান। আমাকে সরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তীতে আমি অন্য একটি ডায়গনস্টিক সেন্টারে টেস্ট করাতে গেলে সেখানে সঠিক রিপোর্ট আসে। পরবর্তীতে তিনি তার এক নিকট আত্মীয়কে সাথে নিয়ে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। ভুল রিপোর্টের কথা বলাতে তাদের সাথে অসদাচরণ করেন রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ রানা। একপর্যায়ে তার সাথে থাকা স্বজন আল-মামুনকে মারধর করতে তেরে আসে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার সাথে থাকা ভুল রিপোর্টটি নিয়ে অন্য একটি রিপোর্ট প্রদান করেন। রোগীর স্বজনের তাড়াহুড়ার কারণে রিপোর্ট এমন ভুল হয়েছে দাবি ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহিপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত গ্রীণলাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো টেস্ট করাতে গেলে তারা তাদের মনগড়া রিপোর্ট দিয়ে রোগীদের বাড়তি চাপে ফেলে দেন এমন অহরহ অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে ভুয়া সিবিসির মনগড়া রিপোর্টে হয়রানি শিকার হন নুর আলম নামের এক রোগীর স্বজন। অভিযোগ রয়েছে এর আগেও বেশ কয়েকবার ভুল রিপোর্ট প্রদান করেন এই ডায়গনস্টিক সেন্টার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, গত তিন মাস টেকনোলজিস্ট ছাড়াই রিসিপশনিস্ট রানা রিপোর্ট প্রদান করেছেন। এমনকি এক্সরেও করিয়ে দেন তিনি।
এ বিষয় ভুক্তভোগীর স্বজন আল-মামুন বলেন, গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে একটি ভুল রিপোর্ট প্রদান করলে নুর আলম আমাকে বিষয়টি জানায়। ঘটনা শুনে আমি তাকে সাথে নিয়ে ডায়াগনস্টিক এ গিয়ে জিজ্ঞেস করলে রিসিপশনিস্ট রানা নামের একজন আমার সাথে খারাপ আচরণ করেন। একপ্রকার তেড়ে আসেন আমাকে মারতে। ভুল রিপোর্টের সাথে রোগীর নামেও ভুল রয়েছে।
এ বিষয়ে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ রানা বলেন, রিপোর্টের অনেক চাপ ও রোগীর তাড়াহুড়ার কারণে এমনটা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি নিউজ না করার জন্য প্রতিবেদককে অনুরোধ জানান।
গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মোঃ সবুজ আল মামুন বলেন, আসলে আমি তো ডাক্তার না আমি যতটুকু জানি সিবিসির ডব্লিউবিসি কাউন্টে জিরো আসে না।
রিসিপশনিস্ট দিয়ে টেস্ট করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যখন আমাদের টেকনোলজিস্ট ছিল না তখন আমরা তুলাতুলির একটি ল্যাপ দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছি। রিপোর্টটি আমাকে দিলে আমি জেনে আপনাকে জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে একাধিক এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, এটি ভুল টেস্ট, সিবিসি টেস্টের টোটাল ডব্লিউবিসি কাউন্টে জিরো আসার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রসাদ অধিকারী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক, এভাবে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার কোন সুযোগ নাই। আমরা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া। তিনি বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম খোঁজখবর নিচ্ছি। চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা দেবার সুযোগ নেই।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৫
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম কে এম বাচ্চু। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার, স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন কেএম বাচ্চুর ছোট ভাই সোহাগ খলিফা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বায়জিদসহ অভিযুক্ত কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে তাঁর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে বায়জিদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলাকারীরা বাচ্চুকে আহত অবস্থায় ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, কে এম বাচ্চুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।
ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই কথা বলেছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুকও।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:২১
পটুয়াখালীর মহিপুরে ছোয়ামনি (১১) নামের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল ওই শিশু। এ সময় তার মা জরুরি কাজে এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগে একই এলাকার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির বসতঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় লোকজন চলে আসতে দেখে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। দীর্ঘদিন স্থানীয়ভাবে সুবিচার পাওয়ার চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় বুধবার (২২ জুলাই) শিশুটির মা মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মহিপুর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৬

১৭ জুলাই, ২০২৫ ১২:৩৬
পাঁচ বছরের শিশু সন্তান তানিম ইসলামকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান মহিপুর থানা এলাকার বাসিন্দা নুর আলম। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সিবিসি পরীক্ষা করান মহিপুর থানা সদরে অবস্থিত গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’। প্রায় ১ ঘন্টা পরে সিবিসির একটি ভুল রিপোর্ট প্রদান করেন রোগীর বাবা নুর আলমকে।
ভুক্তভোগী নুর আলম বলেন, গত মঙ্গলবার আমার অসুস্থ ৫ বছরের ছেলে তানিমকে ডাক্তার দেখানোর জন্য নিয়ে আসলে ডাক্তার আমাকে কিছু টেস্ট করাতে দেয়।
আমি মহিপুরের গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার আসলে তারা ৫০০ টাকা রেখে আমাকে একটি ভুল সিবিসি রিপোর্ট ধরিয়ে দেন। সেখানে আমার ছেলের নামেও ভুল আছে। রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক রোগীর অবস্থা খুব আশংকাজনক বলে জানান। আমাকে সরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তীতে আমি অন্য একটি ডায়গনস্টিক সেন্টারে টেস্ট করাতে গেলে সেখানে সঠিক রিপোর্ট আসে। পরবর্তীতে তিনি তার এক নিকট আত্মীয়কে সাথে নিয়ে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। ভুল রিপোর্টের কথা বলাতে তাদের সাথে অসদাচরণ করেন রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ রানা। একপর্যায়ে তার সাথে থাকা স্বজন আল-মামুনকে মারধর করতে তেরে আসে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার সাথে থাকা ভুল রিপোর্টটি নিয়ে অন্য একটি রিপোর্ট প্রদান করেন। রোগীর স্বজনের তাড়াহুড়ার কারণে রিপোর্ট এমন ভুল হয়েছে দাবি ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহিপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত গ্রীণলাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো টেস্ট করাতে গেলে তারা তাদের মনগড়া রিপোর্ট দিয়ে রোগীদের বাড়তি চাপে ফেলে দেন এমন অহরহ অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে ভুয়া সিবিসির মনগড়া রিপোর্টে হয়রানি শিকার হন নুর আলম নামের এক রোগীর স্বজন। অভিযোগ রয়েছে এর আগেও বেশ কয়েকবার ভুল রিপোর্ট প্রদান করেন এই ডায়গনস্টিক সেন্টার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, গত তিন মাস টেকনোলজিস্ট ছাড়াই রিসিপশনিস্ট রানা রিপোর্ট প্রদান করেছেন। এমনকি এক্সরেও করিয়ে দেন তিনি।
এ বিষয় ভুক্তভোগীর স্বজন আল-মামুন বলেন, গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে একটি ভুল রিপোর্ট প্রদান করলে নুর আলম আমাকে বিষয়টি জানায়। ঘটনা শুনে আমি তাকে সাথে নিয়ে ডায়াগনস্টিক এ গিয়ে জিজ্ঞেস করলে রিসিপশনিস্ট রানা নামের একজন আমার সাথে খারাপ আচরণ করেন। একপ্রকার তেড়ে আসেন আমাকে মারতে। ভুল রিপোর্টের সাথে রোগীর নামেও ভুল রয়েছে।
এ বিষয়ে গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ রানা বলেন, রিপোর্টের অনেক চাপ ও রোগীর তাড়াহুড়ার কারণে এমনটা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি নিউজ না করার জন্য প্রতিবেদককে অনুরোধ জানান।
গ্রীণ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মোঃ সবুজ আল মামুন বলেন, আসলে আমি তো ডাক্তার না আমি যতটুকু জানি সিবিসির ডব্লিউবিসি কাউন্টে জিরো আসে না।
রিসিপশনিস্ট দিয়ে টেস্ট করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যখন আমাদের টেকনোলজিস্ট ছিল না তখন আমরা তুলাতুলির একটি ল্যাপ দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছি। রিপোর্টটি আমাকে দিলে আমি জেনে আপনাকে জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে একাধিক এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, এটি ভুল টেস্ট, সিবিসি টেস্টের টোটাল ডব্লিউবিসি কাউন্টে জিরো আসার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রসাদ অধিকারী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক, এভাবে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার কোন সুযোগ নাই। আমরা এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া। তিনি বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম খোঁজখবর নিচ্ছি। চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা দেবার সুযোগ নেই।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম কে এম বাচ্চু। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার, স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন কেএম বাচ্চুর ছোট ভাই সোহাগ খলিফা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বায়জিদসহ অভিযুক্ত কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে তাঁর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে বায়জিদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলাকারীরা বাচ্চুকে আহত অবস্থায় ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, কে এম বাচ্চুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।
ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই কথা বলেছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুকও।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর মহিপুরে ছোয়ামনি (১১) নামের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল ওই শিশু। এ সময় তার মা জরুরি কাজে এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগে একই এলাকার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির বসতঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় লোকজন চলে আসতে দেখে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। দীর্ঘদিন স্থানীয়ভাবে সুবিচার পাওয়ার চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় বুধবার (২২ জুলাই) শিশুটির মা মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মহিপুর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এ সড়কে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেছেন। সেই সাঁকোই এখন এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সংযোগকারী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতার কারণে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি দিয়ে মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা, একটি নূরানি মাদ্রাসা ও একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান কেরানি মাওলানা মহিবুল্লাহ সবুজ বলেন, “এটি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”
লেবুখালী মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফরিদ উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
সমাজসেবক রেজাউল করিম বাবুল মৃধা বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত রাস্তা নয়; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।”
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাকির হোসেন খান বলেন, “দৈনন্দিন চলাচলে এ রাস্তার দুরবস্থা এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ইমদাদুল মৃধা বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো খাতের আওতাভুক্ত। সেখানে প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। আগামী জুন মাসে বাজেট এলে কোনো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে।”
এদিকে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এ সড়কে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেছেন। সেই সাঁকোই এখন এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সংযোগকারী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতার কারণে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি দিয়ে মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা, একটি নূরানি মাদ্রাসা ও একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান কেরানি মাওলানা মহিবুল্লাহ সবুজ বলেন, “এটি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”
লেবুখালী মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফরিদ উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
সমাজসেবক রেজাউল করিম বাবুল মৃধা বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত রাস্তা নয়; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।”
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাকির হোসেন খান বলেন, “দৈনন্দিন চলাচলে এ রাস্তার দুরবস্থা এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ইমদাদুল মৃধা বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো খাতের আওতাভুক্ত। সেখানে প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। আগামী জুন মাসে বাজেট এলে কোনো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে।”
এদিকে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।