Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৩
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় সাপে কাটা এক যুবকের মৃত্যুর পর দাফন না করে বাড়ির উঠানে রেখে ঝাড়ফুঁক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সর্বশেষ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই যুবকের দাফন সম্পন্ন হয়নি। তার মরদেহ বাড়ির উঠানে রেখে ঝাড়ফুঁকে জীবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্বজনরা।
নিহত ওই যুবকের নাম এইচএম সায়েম (২৭)। উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাজমাথা এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাভার্ড ভ্যানচালক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে কাভার্ডভ্যান পার্কিং করে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে চাঁদপাশা ও রহমতপুর ইউনিয়নের সংযোগস্থল ভাঙ্গা বুনিয়া খাল এলাকায় সায়েমকে সাপে কামড় দেয়। এরপর কোনোভাবে বাড়ি পৌঁছালেও ধীরে ধীরে তার শরীরে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
পরে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে গুরুতর অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দ্রুত এন্টিভেনম প্রয়োগ করেন। পরপর দুইবার এন্টিভেনম দেওয়া হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি।
পরদিন (শুক্রবার) বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে স্বজনরা তাকে দাফন না করে বাড়ির উঠানে রেখে বিভিন্ন স্থান থেকে সাপুড়ে ও ওঝা এনে ঝাড়ফুঁক শুরু করেন।
তাদের বিশ্বাস, অলৌকিকভাবে সায়েম আবার জীবিত হতে পারেন। এ ঘটনায় এলাকায় কৌতূহল ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় উৎসুক জনতা নিহতের বাড়িতে ভিড় করছেন।
নিহতের স্বজন মো. জুয়েল হোসেন বলেন, চিকিৎসকরা সায়েমকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তবে আমরা আশা ছাড়িনি। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় অলৌকিক কিছু ঘটতে পারে,এই বিশ্বাস থেকেই আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলা চাঁদপাশা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমি তাদের বাড়িতে গিয়েছি। তারা ওই যুবককে জীবিত করার আশায় ঝাড়ফুঁক করছে। আমি তাদের অনুরোধ করেছি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে দাফন করতে। স্বজনরা রাত ৮টার দিকে দাফনের আশ্বাস দিয়েছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় সাপে কাটা এক যুবকের মৃত্যুর পর দাফন না করে বাড়ির উঠানে রেখে ঝাড়ফুঁক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সর্বশেষ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই যুবকের দাফন সম্পন্ন হয়নি। তার মরদেহ বাড়ির উঠানে রেখে ঝাড়ফুঁকে জীবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্বজনরা।
নিহত ওই যুবকের নাম এইচএম সায়েম (২৭)। উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাজমাথা এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাভার্ড ভ্যানচালক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে কাভার্ডভ্যান পার্কিং করে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে চাঁদপাশা ও রহমতপুর ইউনিয়নের সংযোগস্থল ভাঙ্গা বুনিয়া খাল এলাকায় সায়েমকে সাপে কামড় দেয়। এরপর কোনোভাবে বাড়ি পৌঁছালেও ধীরে ধীরে তার শরীরে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
পরে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে গুরুতর অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দ্রুত এন্টিভেনম প্রয়োগ করেন। পরপর দুইবার এন্টিভেনম দেওয়া হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি।
পরদিন (শুক্রবার) বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে স্বজনরা তাকে দাফন না করে বাড়ির উঠানে রেখে বিভিন্ন স্থান থেকে সাপুড়ে ও ওঝা এনে ঝাড়ফুঁক শুরু করেন।
তাদের বিশ্বাস, অলৌকিকভাবে সায়েম আবার জীবিত হতে পারেন। এ ঘটনায় এলাকায় কৌতূহল ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় উৎসুক জনতা নিহতের বাড়িতে ভিড় করছেন।
নিহতের স্বজন মো. জুয়েল হোসেন বলেন, চিকিৎসকরা সায়েমকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তবে আমরা আশা ছাড়িনি। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় অলৌকিক কিছু ঘটতে পারে,এই বিশ্বাস থেকেই আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলা চাঁদপাশা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমি তাদের বাড়িতে গিয়েছি। তারা ওই যুবককে জীবিত করার আশায় ঝাড়ফুঁক করছে। আমি তাদের অনুরোধ করেছি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে দাফন করতে। স্বজনরা রাত ৮টার দিকে দাফনের আশ্বাস দিয়েছে।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৯
বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর রোড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে এই বিক্ষোভ মিছিল হয়।
মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়- সদর রোড থেকে মিছিলটি জেলা স্কুলের দিকে যাচ্ছে। ব্যানারসহ মিছিলটি অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের মুখে মাস্ক, আবার কেউ কেউ মাস্ক ছাড়া।
বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসির সাবেক কাউন্সিলর রাজিব হোসেন খানের নির্দেশনায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী।
রাজিব খান জানান, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের কালো আইন প্রত্যাহার এবং পুলিশ হত্যার বিচার দাবিতে জুমা নামাজের শেষে শহরের প্রাণকেন্দ্র সদর রোডে তারা মিছিল করেছেন। কাকলির মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়ে জেলা স্কুল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। তবে মিছিলে ছিলেন না জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খান।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম বলেন, জুমার নামাজের সময় সবাই যখন নামাজ নিয়ে ব্যস্ত ঠিক তখন ছাত্রলীগের ১০-১২ জন মিছিল করে। তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৪

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৯
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করে ব্রিজ নির্মাণের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নির্মিত ব্রিজের ঢালাই ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের দুশুমি-করিমবাজার খালের ওপর রুহুল আমিনের বাড়ির সামনে নির্মিত ব্রিজটি নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ হয়।
এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় শতাধিক গ্রামবাসী ব্রিজের ঢালাইয়ে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের পাশাপাশি ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে ৮৫ হাজার টাকা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। পরিদর্শনকালে প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী ব্রিজের উত্তরের অংশে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের সত্যতা পান। অনিয়মের প্রমাণ মেলায় তিনি তৎক্ষণাৎ ব্রিজের ঢালাই ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৫ ফুট প্রস্থের এই ব্রিজে ঢালাইয়ের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম (৫ ইঞ্চি) না মেনে দেওয়া হয়েছে মাত্র সাড়ে ৩ ইঞ্চি। এছাড়া ৮ ইঞ্চি পরপর রড দেওয়ার নিয়ম থাকলেও দেওয়া হয়েছে ১ ফুট পরপর। ঢালাইয়ের সময় বাধা দিলে অনিয়ম ঢাকতে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করে তড়িঘড়ি করে কাজ সম্পন্ন করা হয়।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিখন বণিক জানান, ব্রিজটির মূল স্ট্রাকচার বিগত অর্থবছরে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছিল, তবে তা ঢালাই করা হয়নি। এই অর্থবছরে ঢালাইয়ের কোনো বরাদ্দ বা অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, স্থানীয় একজন ইউপি সদস্য নিজ উদ্যোগে ও এলাকাবাসীর সহায়তায় ঢালাইয়ের কাজ শুরু করেন। কিন্তু সেখানে সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করা হয়নি এবং রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করায় ব্রিজটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
তাই ঢালাই ভেঙে সরকারি নিয়ম মেনে আমরা ব্রিজটি পুনরায় নির্মাণ করে দেব। তিনি আরও বলেন, সরকারি কাজের নামে যারা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর রোড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে এই বিক্ষোভ মিছিল হয়।
মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়- সদর রোড থেকে মিছিলটি জেলা স্কুলের দিকে যাচ্ছে। ব্যানারসহ মিছিলটি অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের মুখে মাস্ক, আবার কেউ কেউ মাস্ক ছাড়া।
বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসির সাবেক কাউন্সিলর রাজিব হোসেন খানের নির্দেশনায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী।
রাজিব খান জানান, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের কালো আইন প্রত্যাহার এবং পুলিশ হত্যার বিচার দাবিতে জুমা নামাজের শেষে শহরের প্রাণকেন্দ্র সদর রোডে তারা মিছিল করেছেন। কাকলির মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়ে জেলা স্কুল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। তবে মিছিলে ছিলেন না জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খান।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম বলেন, জুমার নামাজের সময় সবাই যখন নামাজ নিয়ে ব্যস্ত ঠিক তখন ছাত্রলীগের ১০-১২ জন মিছিল করে। তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তথ্যমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকা বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহিরকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালীন অনুষ্ঠিত সমাবেশে গৌরনদী, উজিরপুর ও বাবুগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা অংশগ্রহন করেন।
সমাবেশে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এম আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক এসএম জুলফিকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোকন আহমেদ হীরা, মো. হানিফ সরদার, উত্তম দাস, সহসাধারণ সম্পাদক আমিনা আকতার সোমা, প্রচার সম্পাদক হাসান মাহমুদ, সদস্য মোল্লা ফারুক হাসান, কাজী আল-আমিন, সোলায়মান তুহিন, লিটন খান, এএস মামুন, তারেক মাহমুদ আলী, গৌরনদী সাংবাদিক ফোরামের উপদেষ্টা সৈয়দ নকিবুল হক, সভাপতি সরদার মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান, উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বাচ্চু, বাবুগঞ্জের সাংবাদিক মো. আলিম মোল্লা প্রমুখ।
গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্য বিএম বেলালের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তারা বলেন, একজন সিনিয়র সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়া শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এটি পুরো গণমাধ্যম কর্মীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের ওপর সরাসরি আঘাত।
বক্তারা আরও বলেন, তথ্যমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকার সিনিয়র সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেয়া মানে তথ্যমন্ত্রীকে বির্তকিত করার যড়যন্ত্রের অংশ।
এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা সত্বেও পুলিশ এখনও হুমকিদাতাকে শনাক্ত করতে না পারায় বক্তারা থানা পুলিশের ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বক্তারা অবিলম্বে হুমকিদাতাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অতীতে দেশে একাধিক সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় আটকে রয়েছে। এতে অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে। যেকারণে বক্তারা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের জন্য তথ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরকে মোবাইল ফোনে অশ্লীলভাষায় গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহ পূর্বে একই প্রেসক্লাবের সদস্য মো. নাসির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে হুমকি প্রদর্শন করা হয়।
ইয়াবাসহ থানা পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরধরে এক নারী আইনজীবী পরিচয়ে গ্রেপ্তারকৃতর পক্ষালম্বন করে সাংবাদিক নাসির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে বিভিন্নধরনের ভয়ভীতিসহ ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অনতিবিলম্বে হুমকিদাতাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)'র কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
তথ্যমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকা বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহিরকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালীন অনুষ্ঠিত সমাবেশে গৌরনদী, উজিরপুর ও বাবুগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা অংশগ্রহন করেন।
সমাবেশে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এম আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক এসএম জুলফিকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোকন আহমেদ হীরা, মো. হানিফ সরদার, উত্তম দাস, সহসাধারণ সম্পাদক আমিনা আকতার সোমা, প্রচার সম্পাদক হাসান মাহমুদ, সদস্য মোল্লা ফারুক হাসান, কাজী আল-আমিন, সোলায়মান তুহিন, লিটন খান, এএস মামুন, তারেক মাহমুদ আলী, গৌরনদী সাংবাদিক ফোরামের উপদেষ্টা সৈয়দ নকিবুল হক, সভাপতি সরদার মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান, উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বাচ্চু, বাবুগঞ্জের সাংবাদিক মো. আলিম মোল্লা প্রমুখ।
গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্য বিএম বেলালের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তারা বলেন, একজন সিনিয়র সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়া শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এটি পুরো গণমাধ্যম কর্মীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের ওপর সরাসরি আঘাত।
বক্তারা আরও বলেন, তথ্যমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকার সিনিয়র সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেয়া মানে তথ্যমন্ত্রীকে বির্তকিত করার যড়যন্ত্রের অংশ।
এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা সত্বেও পুলিশ এখনও হুমকিদাতাকে শনাক্ত করতে না পারায় বক্তারা থানা পুলিশের ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বক্তারা অবিলম্বে হুমকিদাতাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অতীতে দেশে একাধিক সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় আটকে রয়েছে। এতে অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে। যেকারণে বক্তারা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের জন্য তথ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরকে মোবাইল ফোনে অশ্লীলভাষায় গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহ পূর্বে একই প্রেসক্লাবের সদস্য মো. নাসির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে হুমকি প্রদর্শন করা হয়।
ইয়াবাসহ থানা পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরধরে এক নারী আইনজীবী পরিচয়ে গ্রেপ্তারকৃতর পক্ষালম্বন করে সাংবাদিক নাসির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে বিভিন্নধরনের ভয়ভীতিসহ ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অনতিবিলম্বে হুমকিদাতাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)'র কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করে ব্রিজ নির্মাণের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নির্মিত ব্রিজের ঢালাই ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের দুশুমি-করিমবাজার খালের ওপর রুহুল আমিনের বাড়ির সামনে নির্মিত ব্রিজটি নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ হয়।
এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় শতাধিক গ্রামবাসী ব্রিজের ঢালাইয়ে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের পাশাপাশি ইউপি সদস্য সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে ৮৫ হাজার টাকা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। পরিদর্শনকালে প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী ব্রিজের উত্তরের অংশে রডের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহারের সত্যতা পান। অনিয়মের প্রমাণ মেলায় তিনি তৎক্ষণাৎ ব্রিজের ঢালাই ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৫ ফুট প্রস্থের এই ব্রিজে ঢালাইয়ের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম (৫ ইঞ্চি) না মেনে দেওয়া হয়েছে মাত্র সাড়ে ৩ ইঞ্চি। এছাড়া ৮ ইঞ্চি পরপর রড দেওয়ার নিয়ম থাকলেও দেওয়া হয়েছে ১ ফুট পরপর। ঢালাইয়ের সময় বাধা দিলে অনিয়ম ঢাকতে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করে তড়িঘড়ি করে কাজ সম্পন্ন করা হয়।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিখন বণিক জানান, ব্রিজটির মূল স্ট্রাকচার বিগত অর্থবছরে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছিল, তবে তা ঢালাই করা হয়নি। এই অর্থবছরে ঢালাইয়ের কোনো বরাদ্দ বা অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, স্থানীয় একজন ইউপি সদস্য নিজ উদ্যোগে ও এলাকাবাসীর সহায়তায় ঢালাইয়ের কাজ শুরু করেন। কিন্তু সেখানে সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করা হয়নি এবং রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করায় ব্রিজটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
তাই ঢালাই ভেঙে সরকারি নিয়ম মেনে আমরা ব্রিজটি পুনরায় নির্মাণ করে দেব। তিনি আরও বলেন, সরকারি কাজের নামে যারা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।