চাঁদার দাবিতে বরিশাল সদর উপজেলার তালতলী বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় শহিদুল ইসলাম সাজ্জাদ নামের এক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন।
সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) শাহে আলমের ছেলে সাজ্জাদ বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম সম্পাদক। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি চাঁদাবাজিসহ বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্টের পরে বিভিন্ন সময়ে তালতলী বাজারের ব্যবসায়ী মামুন হাওলাদারের কাছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শহিদুল ইসলাম সাজ্জাদ ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে সাজ্জাদ একই বছরের ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে পরিচিত ৯জনকে নিয়ে অস্ত্রসমেত বাজারে প্রবেশ করেন। এবং ব্যবসায়ীর কাছে সেই ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ব্যর্থ হয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর চালানোসহ ব্যবসায়ী মামুনকে মারধর করেন। এই ঘটনায় ব্যবসায়ী মামুন চলতি বছরের ১ জানুয়ারি বরিশাল আদালতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাজ্জাদসহ নামধারী ৯জনকে অভিযুক্ত করে একটি নালিশি করলে বিচারক মোকদ্দমাটি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।
তদন্ত শেষে কাউনিয়া থানা পুলিশের এসআই হাবিবুর রহমান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এই মামলায় বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হয়ে সাজ্জাদসহ অভিযুক্তরা জামিন আবেদন করেন। বিচারক ৬ জনকে জামিন দিলেও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাজ্জাদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:০৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল মান্নান জুয়েলকে ১৪ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার রিফাত অভি বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-৭ এর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল মান্নান জুয়েল (৩৫) বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার গ্রামের আব্দুল হক মিয়ার ছেলে।
র্যাব জানায়, মান্নান জুয়েলের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণেন অভিযোগে ২০১২ সালে বরিশালের বানারীপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় জুয়েলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরোয়ানা তামিলকারী বানারীপাড়া থানার কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব-৮ অধিনায়ক বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-৮ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১ সেপ্টেম্বর রাতেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জুয়েলকে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল মান্নান জুয়েলকে ১৪ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার রিফাত অভি বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-৭ এর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল মান্নান জুয়েল (৩৫) বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার গ্রামের আব্দুল হক মিয়ার ছেলে।
র্যাব জানায়, মান্নান জুয়েলের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণেন অভিযোগে ২০১২ সালে বরিশালের বানারীপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় জুয়েলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরোয়ানা তামিলকারী বানারীপাড়া থানার কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব-৮ অধিনায়ক বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-৮ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১ সেপ্টেম্বর রাতেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জুয়েলকে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১৯
২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে মোসা. সেলিনা বেগমের বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার। সেদিন রাতে গোয়েন্দা (ডিবি) পরিচয়ে টিপুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর এক দিন পরই টিপুকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার খবর পান সেলিনা বেগম।
বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ মঙ্গলবার সাক্ষী হিসেবে সেলিনা বেগম এ কথা বলেন।
সেলিনা বেগমের ভাগনির স্বামী টিপু হাওলাদার। ২০১১ সালে সাক্ষীর ভাগনির সঙ্গে টিপুর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।
২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
আজকের জবানবন্দিতে সেলিনা বেগম বলেন, টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের বাড়িতে আসেন টিপু হাওলাদার। ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তাঁর বাসায় ডিবি পুলিশ আসে। তাঁরা জিজ্ঞাসা করলে আসা লোকজন জানান যে তাঁরা বরিশাল থেকে এসেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে ঢাকার কিছু লোক আছেন। তাঁরা টিপুকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যান।
সাক্ষী সেলিনা আরও বলেন, এ ঘটনার সময় তিনি চিৎকার করেন। তখন পাশের বাসা থেকে নাহার বেগম নামে একজন প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন। তাঁরা দুজন টিপুকে যে স্থানে গাড়িতে তোলা হয়, সে পর্যন্ত যান। সে রাতেই ভাগনিকে ফোন দিয়ে তিনি ঘটনা জানান। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেখেন টিপু ও কবির নামে দুজন ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তাঁর ভাগনির কাছে তিনি শুনেছেন, অন্য থানার দুজন পুলিশ টিপুকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছেন।
এ মামলায় চারজন আসামি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক। অপর দুই আসামি বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।’
২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে মোসা. সেলিনা বেগমের বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার। সেদিন রাতে গোয়েন্দা (ডিবি) পরিচয়ে টিপুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর এক দিন পরই টিপুকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার খবর পান সেলিনা বেগম।
বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ মঙ্গলবার সাক্ষী হিসেবে সেলিনা বেগম এ কথা বলেন।
সেলিনা বেগমের ভাগনির স্বামী টিপু হাওলাদার। ২০১১ সালে সাক্ষীর ভাগনির সঙ্গে টিপুর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।
২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
আজকের জবানবন্দিতে সেলিনা বেগম বলেন, টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের বাড়িতে আসেন টিপু হাওলাদার। ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তাঁর বাসায় ডিবি পুলিশ আসে। তাঁরা জিজ্ঞাসা করলে আসা লোকজন জানান যে তাঁরা বরিশাল থেকে এসেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে ঢাকার কিছু লোক আছেন। তাঁরা টিপুকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যান।
সাক্ষী সেলিনা আরও বলেন, এ ঘটনার সময় তিনি চিৎকার করেন। তখন পাশের বাসা থেকে নাহার বেগম নামে একজন প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন। তাঁরা দুজন টিপুকে যে স্থানে গাড়িতে তোলা হয়, সে পর্যন্ত যান। সে রাতেই ভাগনিকে ফোন দিয়ে তিনি ঘটনা জানান। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেখেন টিপু ও কবির নামে দুজন ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তাঁর ভাগনির কাছে তিনি শুনেছেন, অন্য থানার দুজন পুলিশ টিপুকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছেন।
এ মামলায় চারজন আসামি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক। অপর দুই আসামি বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।’

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৫৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন বিভাগের প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন করছেন তারা। বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকসহ বিভাগের অন্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সেখানে গেলে সেখানে হাফিজ আশরাফুল হককে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সজিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের দাবিতে আমরা অনশনে বসেছি। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য তারা বর্তমান চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক থেকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে হাফিজ আশরাফুল হক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগটির মাত্র দুটি ব্যাচ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন বিভাগের প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন করছেন তারা। বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকসহ বিভাগের অন্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সেখানে গেলে সেখানে হাফিজ আশরাফুল হককে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সজিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের দাবিতে আমরা অনশনে বসেছি। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য তারা বর্তমান চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক থেকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে হাফিজ আশরাফুল হক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগটির মাত্র দুটি ব্যাচ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে।

০৭ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:২৬
চাঁদার দাবিতে বরিশাল সদর উপজেলার তালতলী বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় শহিদুল ইসলাম সাজ্জাদ নামের এক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন।
সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) শাহে আলমের ছেলে সাজ্জাদ বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম সম্পাদক। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি চাঁদাবাজিসহ বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্টের পরে বিভিন্ন সময়ে তালতলী বাজারের ব্যবসায়ী মামুন হাওলাদারের কাছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শহিদুল ইসলাম সাজ্জাদ ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে সাজ্জাদ একই বছরের ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে পরিচিত ৯জনকে নিয়ে অস্ত্রসমেত বাজারে প্রবেশ করেন। এবং ব্যবসায়ীর কাছে সেই ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ব্যর্থ হয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর চালানোসহ ব্যবসায়ী মামুনকে মারধর করেন। এই ঘটনায় ব্যবসায়ী মামুন চলতি বছরের ১ জানুয়ারি বরিশাল আদালতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাজ্জাদসহ নামধারী ৯জনকে অভিযুক্ত করে একটি নালিশি করলে বিচারক মোকদ্দমাটি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।
তদন্ত শেষে কাউনিয়া থানা পুলিশের এসআই হাবিবুর রহমান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এই মামলায় বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হয়ে সাজ্জাদসহ অভিযুক্তরা জামিন আবেদন করেন। বিচারক ৬ জনকে জামিন দিলেও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাজ্জাদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬