
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রত্যেক পরিবারকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রত্যেক পরিবারকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫৫
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
আলী হোসেন ফকির ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বি.কম অনার্স, এম.কম এবং এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে ১৫ তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন।
১৯৯৭ সালে শেখ হাসিনার প্রথম আমলে আলী হোসেন ফকির আওয়ামী রোষানলের শিকার হন। তাকে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় চাকরি ফিরে পান। কর্মজীবনে তিনি চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান। এসপি হিসেবে একাধিক জেলায় পদায়ন পান।
সর্বশেষ ২০০৮ সালে ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি ছিলেন। এরপর তিনি জাতিসংঘ মিশনে যান। জাতিসংঘ থেকে দেশে ফেরার পর রাজশাহী ডিআইজি অফিসে এসপি হিসেবে সংযুক্ত করা হয় তাকে। সেখানে থাকা অবস্থায় ২০২২ সালে শেখ হাসিনার সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি পুনরায় চাকরিতে ফেরার সুযোগ পান। এসপি পদমর্যাদায় দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার পর সুপার নিউমারারি হিসেবে ডিআইজি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় তাকে। গত বছরের ১১ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত আইজিপি (দ্বিতীয় গ্রেড) পদে পদোন্নতি লাভ করেন।
আলী হোসেন ফকির বর্তমানে অতিরিক্ত আইজিপি এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার এবং জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২০
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার ফয়সল হাসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ১৭ বছর যাবত বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’
এর আগে, ২২ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক হিসেবে চিহ্নিত ১ হাজার ৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ওই সময় দায়ের হওয়া ২৩ হাজার ৮৬৫ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে বলে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জানায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এসব মামলার অধিকাংশই হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৭
বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও বিস্ফোরক মামলায় আসামি করা হবে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, ফজলে নূর তাপসসহ তৎকালীন মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও এমপি।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন এসব তথ্য জানান। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত হয়েছিল পিলখানা। সে ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে জীবন দিতে হয়।
বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ মামলার রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্ট ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এ ছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৮৩ জন। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
আলী হোসেন ফকির ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বি.কম অনার্স, এম.কম এবং এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে ১৫ তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন।
১৯৯৭ সালে শেখ হাসিনার প্রথম আমলে আলী হোসেন ফকির আওয়ামী রোষানলের শিকার হন। তাকে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় চাকরি ফিরে পান। কর্মজীবনে তিনি চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান। এসপি হিসেবে একাধিক জেলায় পদায়ন পান।
সর্বশেষ ২০০৮ সালে ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি ছিলেন। এরপর তিনি জাতিসংঘ মিশনে যান। জাতিসংঘ থেকে দেশে ফেরার পর রাজশাহী ডিআইজি অফিসে এসপি হিসেবে সংযুক্ত করা হয় তাকে। সেখানে থাকা অবস্থায় ২০২২ সালে শেখ হাসিনার সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি পুনরায় চাকরিতে ফেরার সুযোগ পান। এসপি পদমর্যাদায় দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার পর সুপার নিউমারারি হিসেবে ডিআইজি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় তাকে। গত বছরের ১১ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত আইজিপি (দ্বিতীয় গ্রেড) পদে পদোন্নতি লাভ করেন।
আলী হোসেন ফকির বর্তমানে অতিরিক্ত আইজিপি এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার এবং জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার ফয়সল হাসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ১৭ বছর যাবত বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’
এর আগে, ২২ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক হিসেবে চিহ্নিত ১ হাজার ৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ওই সময় দায়ের হওয়া ২৩ হাজার ৮৬৫ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে বলে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জানায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এসব মামলার অধিকাংশই হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও বিস্ফোরক মামলায় আসামি করা হবে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, ফজলে নূর তাপসসহ তৎকালীন মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও এমপি।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন এসব তথ্য জানান। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত হয়েছিল পিলখানা। সে ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে জীবন দিতে হয়।
বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ মামলার রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্ট ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এ ছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৮৩ জন। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।