
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে ভোটগ্রহণ পরিচালনা নিয়ে চরম প্রশাসনিক সংকটে পড়তে পারে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা শূন্য থাকায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিকল্প পন্থায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে গেলে নির্বাচনকে ঘিরে বিতর্ক, বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দশমিনা উপজেলায় মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৩ জন ভোটারের জন্য ৪৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৪৮টি ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য ৪৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২৪৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৪৯৬ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রয়োজন হবে। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের প্রধানদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবচিত্র ভিন্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা, মৎস্য, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি, সমবায়, মাধ্যমিক শিক্ষা, সমাজসেবা বিভাগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এসব দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কেউ কেউ অন্য উপজেলা থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, আবার কেউ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে তারা নিজ নিজ মূল কর্মস্থলে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবেন।
এ ছাড়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার দুটি পদও শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে ষষ্ঠ গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণ না হলে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে গ্রেড বিবেচনায় সরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে জটিলতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা পছন্দের প্রার্থী থাকার অভিযোগ উঠতে পারে। এতে ভোটগ্রহণের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার মোট ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাওলাদার বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা প্রশাসনিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কর্মকর্তা পাওয়া না গেলে সরকারি কলেজ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ সংক্রান্ত একটি সভা জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে যে নির্দেশনা পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে বিতর্কমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য একটি প্যানেল গঠনের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে ভোটগ্রহণ পরিচালনা নিয়ে চরম প্রশাসনিক সংকটে পড়তে পারে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা শূন্য থাকায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিকল্প পন্থায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে গেলে নির্বাচনকে ঘিরে বিতর্ক, বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দশমিনা উপজেলায় মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৩ জন ভোটারের জন্য ৪৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৪৮টি ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য ৪৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২৪৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৪৯৬ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রয়োজন হবে। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের প্রধানদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবচিত্র ভিন্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা, মৎস্য, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি, সমবায়, মাধ্যমিক শিক্ষা, সমাজসেবা বিভাগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এসব দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কেউ কেউ অন্য উপজেলা থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, আবার কেউ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে তারা নিজ নিজ মূল কর্মস্থলে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবেন।
এ ছাড়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার দুটি পদও শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে ষষ্ঠ গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণ না হলে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে গ্রেড বিবেচনায় সরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে জটিলতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা পছন্দের প্রার্থী থাকার অভিযোগ উঠতে পারে। এতে ভোটগ্রহণের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার মোট ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাওলাদার বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা প্রশাসনিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কর্মকর্তা পাওয়া না গেলে সরকারি কলেজ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ সংক্রান্ত একটি সভা জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে যে নির্দেশনা পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে বিতর্কমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য একটি প্যানেল গঠনের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:০৪
পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদাবাজি এবং হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. মুসা গাজীর পক্ষে তার দাদি মোসা. ফাতিমা বেগম। তিনি জানান, তার ছেলে মো. মজিবুর রহমান গাজী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। প্রবাসে অর্জিত অর্থে ২০২৪ সালে তিনি ৪০ নং ইউসুফপুর মৌজার বিএস ৮১৬ খতিয়ানের ২৩০৩ ও ২৩০৭ দাগের অংশ থেকে ১.২৮ একর জমি ক্রয় করে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হাওলাদার ও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে মহিপুর থানায় সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত ১২ জুন ইমরান হাওলাদার মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেল্লাল ইসলাম গালিব (মাইকেল), মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আলী আকন ফিরোজ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার ও রাসেল মাহমুদ ভেকুকে দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ফাতিমা বেগম দাবি করেন, তাদের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচা আব্দুল মতিন গাজী মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-আর ১১৬/২৬) করেন।
এবিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি ওই ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও বিবাদীরা ২৩ জুন পুনরায় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন গাজী, শহিদুল গাজী ও দেলোয়ার দুয়ারির ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আব্দুল মতিন গাজী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটির দাবি, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হাওলাদার বলেন, আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। আদালতের কোনো নোটিশও আমি পাইনি।
মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল ইসলাম গালিব বলেন, বাজারে যাওয়ার পথে বিরোধপূর্ণ জমিতে লোকজনের ভিড় দেখে সেখানে যাই। পরে আমাদের জড়িয়ে আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, এটি জমিজমা সংক্রান্ত আদালতের বিষয়। মালিকপক্ষ আদালতে স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে ফয়সালা করবেন। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদাবাজি এবং হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. মুসা গাজীর পক্ষে তার দাদি মোসা. ফাতিমা বেগম। তিনি জানান, তার ছেলে মো. মজিবুর রহমান গাজী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। প্রবাসে অর্জিত অর্থে ২০২৪ সালে তিনি ৪০ নং ইউসুফপুর মৌজার বিএস ৮১৬ খতিয়ানের ২৩০৩ ও ২৩০৭ দাগের অংশ থেকে ১.২৮ একর জমি ক্রয় করে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হাওলাদার ও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে মহিপুর থানায় সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত ১২ জুন ইমরান হাওলাদার মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেল্লাল ইসলাম গালিব (মাইকেল), মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আলী আকন ফিরোজ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার ও রাসেল মাহমুদ ভেকুকে দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ফাতিমা বেগম দাবি করেন, তাদের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচা আব্দুল মতিন গাজী মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-আর ১১৬/২৬) করেন।
এবিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি ওই ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও বিবাদীরা ২৩ জুন পুনরায় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন গাজী, শহিদুল গাজী ও দেলোয়ার দুয়ারির ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আব্দুল মতিন গাজী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটির দাবি, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হাওলাদার বলেন, আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। আদালতের কোনো নোটিশও আমি পাইনি।
মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল ইসলাম গালিব বলেন, বাজারে যাওয়ার পথে বিরোধপূর্ণ জমিতে লোকজনের ভিড় দেখে সেখানে যাই। পরে আমাদের জড়িয়ে আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, এটি জমিজমা সংক্রান্ত আদালতের বিষয়। মালিকপক্ষ আদালতে স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে ফয়সালা করবেন। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.