
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে ভোটগ্রহণ পরিচালনা নিয়ে চরম প্রশাসনিক সংকটে পড়তে পারে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা শূন্য থাকায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিকল্প পন্থায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে গেলে নির্বাচনকে ঘিরে বিতর্ক, বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দশমিনা উপজেলায় মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৩ জন ভোটারের জন্য ৪৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৪৮টি ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য ৪৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২৪৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৪৯৬ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রয়োজন হবে। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের প্রধানদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবচিত্র ভিন্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা, মৎস্য, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি, সমবায়, মাধ্যমিক শিক্ষা, সমাজসেবা বিভাগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এসব দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কেউ কেউ অন্য উপজেলা থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, আবার কেউ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে তারা নিজ নিজ মূল কর্মস্থলে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবেন।
এ ছাড়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার দুটি পদও শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে ষষ্ঠ গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণ না হলে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে গ্রেড বিবেচনায় সরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে জটিলতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা পছন্দের প্রার্থী থাকার অভিযোগ উঠতে পারে। এতে ভোটগ্রহণের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার মোট ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাওলাদার বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা প্রশাসনিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কর্মকর্তা পাওয়া না গেলে সরকারি কলেজ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ সংক্রান্ত একটি সভা জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে যে নির্দেশনা পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে বিতর্কমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য একটি প্যানেল গঠনের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে ভোটগ্রহণ পরিচালনা নিয়ে চরম প্রশাসনিক সংকটে পড়তে পারে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা শূন্য থাকায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিকল্প পন্থায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে গেলে নির্বাচনকে ঘিরে বিতর্ক, বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দশমিনা উপজেলায় মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৩ জন ভোটারের জন্য ৪৪টি ভোট কেন্দ্রে ২৪৮টি ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য ৪৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২৪৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ৪৯৬ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রয়োজন হবে। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের প্রধানদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবচিত্র ভিন্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা, মৎস্য, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি, সমবায়, মাধ্যমিক শিক্ষা, সমাজসেবা বিভাগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এসব দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কেউ কেউ অন্য উপজেলা থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, আবার কেউ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে তারা নিজ নিজ মূল কর্মস্থলে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবেন।
এ ছাড়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার দুটি পদও শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে ষষ্ঠ গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণ না হলে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে গ্রেড বিবেচনায় সরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে জটিলতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষক স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা পছন্দের প্রার্থী থাকার অভিযোগ উঠতে পারে। এতে ভোটগ্রহণের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার মোট ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাওলাদার বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা প্রশাসনিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কর্মকর্তা পাওয়া না গেলে সরকারি কলেজ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এ সংক্রান্ত একটি সভা জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে যে নির্দেশনা পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করে বিতর্কমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য একটি প্যানেল গঠনের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০২
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.