
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৩
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে থাকছে না চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। গত এক সপ্তাহ ধরে জোটের শরিকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমপক্ষে ৮০ আসন না ছাড়লে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়।
এ পরিস্থিতিতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জোটের অন্যান্য শরিকরা আলাদাভাবে বৈঠক করেন। সেখান থেকে খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মামুনুল হক আবারও চরমোনাই পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আসন বণ্টন নিয়ে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন। পরে গভীর রাতে জামায়াতের একজন নেতাকে পুরো পরিস্থিতি অবহিত করেন মাওলানা মামুনুল হক।
জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—জোটে থাকা আর সম্ভব নয়।
চরমোনাই পীরের দল জোটে না থাকলেও অন্য সব দল জোটে থাকছে বলে নিশ্চিত করেছেন শরিক দলের একাধিক নেতা। সে ক্ষেত্রে ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোটে পরিণত হতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানান, আজ দুপুরের মধ্যে জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এরপর গতকাল স্থগিত হওয়া সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
খেলাফত মজলিসের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জোটের অন্য শরিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, নতুন করে কিছু আসনে বিন্যাস হতে পারে, তবে এতে কোনো সমস্যা হবে না।
জোটের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যোগ দেওয়ার পর থেকেই ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে চাপ বাড়তে থাকে। এনসিপির যোগদানকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি দলটি। এরপর ইসলামী আন্দোলন দাবি করে, ১৪৩টি আসনে তাদের বিজয়ী হওয়ার মতো সমর্থন রয়েছে এবং তারা এনসিপি ও জামায়াতের প্রভাবশালী নেতাদের আসন দাবি করে।
প্রথমে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪০টি আসন ছাড় দেওয়া হয়, পরে তা বেড়ে ৪৫টিতে দাঁড়ায়। এর সঙ্গে ৬ থেকে ৭টি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে ইসলামী আন্দোলন ৮০ আসনের দাবিতে অনড় থাকে। জোটের অন্যান্য শরিকরা চরমোনাই পীরকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
অন্যদিকে, ৮০ আসন ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না জামায়াতের। কারণ এতে শুধু সম্ভাবনাময় আসনগুলো হাতছাড়া হতো না, বরং একটি দলকে এত বেশি আসন দিলে অন্য দলগুলোর পক্ষ থেকেও বাড়তি আসন দাবি আসতে পারত। এ পরিস্থিতিতে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও তাতে সফলতা আসেনি।
সবশেষে ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় দলটিকে ২৬৬টি আসনে আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে থাকছে না চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। গত এক সপ্তাহ ধরে জোটের শরিকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমপক্ষে ৮০ আসন না ছাড়লে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়।
এ পরিস্থিতিতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জোটের অন্যান্য শরিকরা আলাদাভাবে বৈঠক করেন। সেখান থেকে খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মামুনুল হক আবারও চরমোনাই পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আসন বণ্টন নিয়ে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন। পরে গভীর রাতে জামায়াতের একজন নেতাকে পুরো পরিস্থিতি অবহিত করেন মাওলানা মামুনুল হক।
জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—জোটে থাকা আর সম্ভব নয়।
চরমোনাই পীরের দল জোটে না থাকলেও অন্য সব দল জোটে থাকছে বলে নিশ্চিত করেছেন শরিক দলের একাধিক নেতা। সে ক্ষেত্রে ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোটে পরিণত হতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানান, আজ দুপুরের মধ্যে জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এরপর গতকাল স্থগিত হওয়া সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
খেলাফত মজলিসের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জোটের অন্য শরিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, নতুন করে কিছু আসনে বিন্যাস হতে পারে, তবে এতে কোনো সমস্যা হবে না।
জোটের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জোটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যোগ দেওয়ার পর থেকেই ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে চাপ বাড়তে থাকে। এনসিপির যোগদানকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি দলটি। এরপর ইসলামী আন্দোলন দাবি করে, ১৪৩টি আসনে তাদের বিজয়ী হওয়ার মতো সমর্থন রয়েছে এবং তারা এনসিপি ও জামায়াতের প্রভাবশালী নেতাদের আসন দাবি করে।
প্রথমে ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪০টি আসন ছাড় দেওয়া হয়, পরে তা বেড়ে ৪৫টিতে দাঁড়ায়। এর সঙ্গে ৬ থেকে ৭টি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে ইসলামী আন্দোলন ৮০ আসনের দাবিতে অনড় থাকে। জোটের অন্যান্য শরিকরা চরমোনাই পীরকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
অন্যদিকে, ৮০ আসন ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না জামায়াতের। কারণ এতে শুধু সম্ভাবনাময় আসনগুলো হাতছাড়া হতো না, বরং একটি দলকে এত বেশি আসন দিলে অন্য দলগুলোর পক্ষ থেকেও বাড়তি আসন দাবি আসতে পারত। এ পরিস্থিতিতে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও তাতে সফলতা আসেনি।
সবশেষে ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় দলটিকে ২৬৬টি আসনে আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৮
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪৭
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:২১
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১১

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
বগুড়ার শিবগঞ্জে জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে চুরির কবলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের গুজিয়া বালা বত্রিশ গ্রামে জানাজা চলাকালীন তার ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক। এ ঘটনায় তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ তার দুলাভাই ফারুক হোসেনের একটি কালো রঙের ‘পালসার ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল নিয়ে বালা বত্রিশ গ্রামে এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যান। মসজিদের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নামাজে দাঁড়ান। নামাজ শেষ করে এসে দেখেন নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেলটি নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চুরি বলে আমার ধারণা। চোর চক্র সম্ভবত আগে থেকেই আমাকে লক্ষ করছিল। দিনের আলোতে জনসমাগমের মধ্যে এমন চুরির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ চোর চক্রকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জে জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে চুরির কবলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের গুজিয়া বালা বত্রিশ গ্রামে জানাজা চলাকালীন তার ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক। এ ঘটনায় তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ তার দুলাভাই ফারুক হোসেনের একটি কালো রঙের ‘পালসার ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল নিয়ে বালা বত্রিশ গ্রামে এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যান। মসজিদের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নামাজে দাঁড়ান। নামাজ শেষ করে এসে দেখেন নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেলটি নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চুরি বলে আমার ধারণা। চোর চক্র সম্ভবত আগে থেকেই আমাকে লক্ষ করছিল। দিনের আলোতে জনসমাগমের মধ্যে এমন চুরির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ চোর চক্রকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৩
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:৪৩
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.