ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভপতি শামসুল হক মনু আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও এখন তিনি নতুন ব্যানার নিয়ে সরব হতে চাইছেন। প্রশাসনিক মহলে পূর্বের ন্যায় আধিপত্য বিস্তার করাসহ স্থানীয়ভাবে নিজের শক্তিবৃদ্ধি করতে বহুমুখী তৎপরতায় সামিল রয়েছেন। বিশেষ করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি একটি আয়োজনে অংশ নেওয়ার পরে এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান নেতিবাচক চর্চা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে দলটির প্রভাবশালী নেতা শামসুল হক মনু জনরোষে পড়ার ভয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এবং অন্তর্ধানে থাকার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আঁতাত করে মামলা-মোকদ্দমা থেকে নিজেকে রক্ষায় সক্ষম হন। তবে কিছু দিন ধরে তিনি এলাকায় অবস্থান করেন এবং সবশেষ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে তাকে একটি আয়োজনেও দেখা যায়, যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, ১৭ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠির কালেক্টরেট স্কুল কম্পাউন্ডে ‘ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট’র ব্যানারে গাছের চারা রোপন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যেকার বিতরণ আয়োজনে জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাকিলা রহমান অংশ নিয়েছিলেন। তাদের কাছাকাছি ছিলেন স্বৈরাচারের দোষর শামসুল হক মনু।
অভিযোগ আছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে মনু দলীয় প্রভাব বিস্তার করার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের ঘোর বিরোধীতা করেছিলেন। এবং ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে ভূমিকাও রেখেছিলেন। কিন্তু এরপরেও আওয়ামী লীগের পতন হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, তাদের দলের একটি অংশ মনুকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তাদের কারণে প্রভাবশালী এই আওয়ামী লীগ নেতা একটি মামলায়ও অভিযুক্ত হননি। এখন তিনি এলাকায় অবস্থান নিয়ে পূর্বের ন্যায় আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছেন এবং সামাজিক সংগঠনকে ব্যবহার করে প্রশাসনের কাছাকাছি থাকছেন। তবে এক্ষেত্রে কৌশল হিসেবে তিনি নিজের রাজনৈতিক পরিচয় আড়ালে রাখছেন বলেও শোনা গেছে।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে মনু নতুন মোড়কে সরব হওয়ার বিষয়টি ভালো ভাবে গ্রহণ করতে পারছেন না জুলাই আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, পতিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নানা কৌশল অবলম্বন করে এলাকায় বাসবাস করতে চাইছেন এবং আগের মতো প্রশাসনিক মহলে বিচরণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কিন্তু তাদের কোনো ধরনের সুযোগ না দেওয়া ঠিক হবে না বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
১৭ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসককে নিয়ে শুধু বৃক্ষরোপন করেননি। এরআগেও তিনি শহরের সড়কে ডাস্টবিন বসানোর নামে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজন করেন। সেই বিষয়টি আর বেশিদূর না গড়ালেও জেলা প্রশাসককে নিয়ে বৃক্ষরোপনের ঘটনাটি বেশ সমালোচিত হয়েছে, হচ্ছে।
স্বৈরাচারের দোষরকে আয়োজনে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, শামসুল হক মনু যে একজন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন, তা অনেকেরই অজানা ছিল। বিষয়টি সম্পর্কে খোদ জেলা প্রশাসকও অবগত ছিলেন না। তাছাড়া মনুও তার রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করেছিলেন।
আগামীতে এই ধরনের ব্যক্তি-বিশেষ যেনো প্রশাসনের কাছে ভিড়তে না পারে সে জন্য সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪০
চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ৫০ নম্বর কুশঙ্গল নিকাড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আয়শা আক্তার শান্তার বিরুদ্ধে। তবে তাঁর ছুটির আবেদনপত্রে বিদেশে যাওয়ার কোনো তথ্য উল্লেখ নেই। সেখানে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে চিকিৎসার জন্য ছুটি চাওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষক এস এম সেলিম হোসাইনের অবসরের পর সেখানে চারজন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সহকারী শিক্ষক শায়লা আমিন গত ৩০ মার্চ থেকে ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। এরপর সহকারী শিক্ষক আয়শা আক্তার শান্তা দুই মাসের চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়ে কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত হন। স্থানীয়দের দাবি, ছুটি চলাকালে তিনি স্বামীর কাছে বিদেশে গেছেন।
ফলে বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে দায়িত্ব পালন করছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফেরদাউস ও একজন সহকারী শিক্ষক। মাত্র দুই শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে মাসিক সভা, উপজেলা পর্যায়ের বৈঠক বা অন্য সরকারি কাজে বাইরে যেতে হলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম আরও ব্যাহত হয়।
গত ১৬ জুন নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া ছুটির আবেদনে আয়শা আক্তার শান্তা উল্লেখ করেন, তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ১৬ জুন থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত চিকিৎসাজনিত ছুটি ভোগের অনুমতি চান তিনি।
আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাঁর কর্মস্থল থেকে বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। শারীরিক অবস্থার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।
তবে স্থানীয়দের দাবি, ছুটি চলাকালে তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন। চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফেরদাউস বলেন,ছুটির আবেদন অনুযায়ী তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। লোকমুখে শুনেছি, তিনি স্বামীর কাছে বিদেশে গেছেন। এ বিষয়ে তিনি আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে। ছুটির আবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে আয়শা আক্তার শান্তার বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ৫০ নম্বর কুশঙ্গল নিকাড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আয়শা আক্তার শান্তার বিরুদ্ধে। তবে তাঁর ছুটির আবেদনপত্রে বিদেশে যাওয়ার কোনো তথ্য উল্লেখ নেই। সেখানে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে চিকিৎসার জন্য ছুটি চাওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষক এস এম সেলিম হোসাইনের অবসরের পর সেখানে চারজন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সহকারী শিক্ষক শায়লা আমিন গত ৩০ মার্চ থেকে ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। এরপর সহকারী শিক্ষক আয়শা আক্তার শান্তা দুই মাসের চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়ে কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত হন। স্থানীয়দের দাবি, ছুটি চলাকালে তিনি স্বামীর কাছে বিদেশে গেছেন।
ফলে বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে দায়িত্ব পালন করছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফেরদাউস ও একজন সহকারী শিক্ষক। মাত্র দুই শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে মাসিক সভা, উপজেলা পর্যায়ের বৈঠক বা অন্য সরকারি কাজে বাইরে যেতে হলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম আরও ব্যাহত হয়।
গত ১৬ জুন নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া ছুটির আবেদনে আয়শা আক্তার শান্তা উল্লেখ করেন, তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ১৬ জুন থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত চিকিৎসাজনিত ছুটি ভোগের অনুমতি চান তিনি।
আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাঁর কর্মস্থল থেকে বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। শারীরিক অবস্থার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।
তবে স্থানীয়দের দাবি, ছুটি চলাকালে তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন। চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফেরদাউস বলেন,ছুটির আবেদন অনুযায়ী তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। লোকমুখে শুনেছি, তিনি স্বামীর কাছে বিদেশে গেছেন। এ বিষয়ে তিনি আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।
নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে। ছুটির আবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে আয়শা আক্তার শান্তার বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
ঝালকাঠির নলছিটিতে গাঁজাসহ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। একই রাতে পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে নলছিটি শহরের সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনের সময় পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আদনান রুবেল (২৮)কে আটক করা হয়। তিনি সবুজবাগ এলাকার আব্দুস ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পরে তাকে নলছিটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের তদবিরে সাড়া না দিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
একই রাতে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিজিরা এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে অভিযান চালায় নলছিটি থানা পুলিশ। এ সময় ২০ পিস ইয়াবাসহ হাসিবুর রহমান (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বরিশালের জাগুয়া এলাকার আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঝালকাঠির নলছিটিতে গাঁজাসহ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। একই রাতে পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে নলছিটি শহরের সবুজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনের সময় পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আদনান রুবেল (২৮)কে আটক করা হয়। তিনি সবুজবাগ এলাকার আব্দুস ছত্তার হাওলাদারের ছেলে। পরে তাকে নলছিটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, কোনো ধরনের তদবিরে সাড়া না দিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
একই রাতে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিজিরা এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে অভিযান চালায় নলছিটি থানা পুলিশ। এ সময় ২০ পিস ইয়াবাসহ হাসিবুর রহমান (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বরিশালের জাগুয়া এলাকার আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ আলী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ মুন্নি আক্তার কলি (৩৬) নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ভাসুর ছেলে ও ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ভাসুর ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন আসামী রয়েছে। নলছিটি থানা পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছে আদালত।
বাদীর আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মাওলা শান্ত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জীবন নাশক অস্ত্র-সস্ত্র, দা, লোহার রডসহ শক্তির মহড়া দিয়া জনমনে ভীতি, আতংক, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ঘেরের মাছ লুট, গাছ কাটা, বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করে গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, আসামী শহীদ আলম উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং ভরতকাঠি গ্রামের মৃত রশিদ হাওলাদারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নি আক্তার কলির স্বামী মো. রফিক গত ২০২৪ সালের ২৭ মে সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসার পথে এয়ারপোর্টে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। পরে সৌদি আরব থেকে রফিকের মরদেহের সঙ্গে তার জমাকৃত নগদ ১৮৪০০ সৌদি রিয়াল, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য মালামাল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলার বাদী মুন্নি ও তার দুই সন্তানকে না জানিয়ে ভাসুরের ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগম দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নামে একটি জাল প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করে মুন্নির স্বামীর মরদেহসহ মালামাল, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য কাগজপত্র ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে এসব বিষয় জানতে চাইলে আসামী শহীদ আলম ও তাসলিমা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মুন্নিকে হত্যা, গুরুতর জখমের হুমকি দেন। গত ২ জুলাই আসামী শহীদ, তাসলিমা ও তার জামাই আক্কাসসহ অন্যান্য আসামীরা মুন্নির বসতঘরের সামনের ঘের থেকে প্রায় ২০ মণ মাছ লুট করেন এবং ঘেরের বাঁধ কেটে ঘেরটি উন্মুক্ত করে দেন। আসামীরা মুন্নির ঘরের পাশের বাগানে থেকে ১৩টি গাছ জোরপূর্বক কেটে ফেলেন। এসবের প্রতিবাদ করলে আসামীরা মুন্নিকে ধাওয়া করেন এবং বসতঘরে ঢুকে দুই সন্তানসহ তাকে মারধর করেন। বসতঘরে লুটপাট ও ভাঙচুর করে তাদেরকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে বসতঘরে তালা লাগিয়ে দেয়।
এ বিষয় জানতে চাইলে মামলার প্রধান আসামী শহীদ আলম বলেন, বাদী মুন্নির আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র হয়রানি করার জন্য তাকে ও অন্যান্যদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ মুন্নি আক্তার কলি (৩৬) নামে এক গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ভাসুর ছেলে ও ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ভাসুর ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির আদালতে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন আসামী রয়েছে। নলছিটি থানা পুলিশকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছে আদালত।
বাদীর আইনজীবী অ্যাড. গোলাম মাওলা শান্ত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জীবন নাশক অস্ত্র-সস্ত্র, দা, লোহার রডসহ শক্তির মহড়া দিয়া জনমনে ভীতি, আতংক, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে ঘেরের মাছ লুট, গাছ কাটা, বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করে গৃহবধূকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা গেছে, আসামী শহীদ আলম উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং ভরতকাঠি গ্রামের মৃত রশিদ হাওলাদারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নি আক্তার কলির স্বামী মো. রফিক গত ২০২৪ সালের ২৭ মে সৌদি থেকে বাংলাদেশে আসার পথে এয়ারপোর্টে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। পরে সৌদি আরব থেকে রফিকের মরদেহের সঙ্গে তার জমাকৃত নগদ ১৮৪০০ সৌদি রিয়াল, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য মালামাল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশে পাঠানো হয়। কিন্তু মামলার বাদী মুন্নি ও তার দুই সন্তানকে না জানিয়ে ভাসুরের ছেলে শহীদ আলম ও ননদ তাসলিমা বেগম দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নামে একটি জাল প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করে মুন্নির স্বামীর মরদেহসহ মালামাল, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, অন্যান্য কাগজপত্র ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে এসব বিষয় জানতে চাইলে আসামী শহীদ আলম ও তাসলিমা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মুন্নিকে হত্যা, গুরুতর জখমের হুমকি দেন। গত ২ জুলাই আসামী শহীদ, তাসলিমা ও তার জামাই আক্কাসসহ অন্যান্য আসামীরা মুন্নির বসতঘরের সামনের ঘের থেকে প্রায় ২০ মণ মাছ লুট করেন এবং ঘেরের বাঁধ কেটে ঘেরটি উন্মুক্ত করে দেন। আসামীরা মুন্নির ঘরের পাশের বাগানে থেকে ১৩টি গাছ জোরপূর্বক কেটে ফেলেন। এসবের প্রতিবাদ করলে আসামীরা মুন্নিকে ধাওয়া করেন এবং বসতঘরে ঢুকে দুই সন্তানসহ তাকে মারধর করেন। বসতঘরে লুটপাট ও ভাঙচুর করে তাদেরকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে বসতঘরে তালা লাগিয়ে দেয়।
এ বিষয় জানতে চাইলে মামলার প্রধান আসামী শহীদ আলম বলেন, বাদী মুন্নির আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র হয়রানি করার জন্য তাকে ও অন্যান্যদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।’

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৪
ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভপতি শামসুল হক মনু আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও এখন তিনি নতুন ব্যানার নিয়ে সরব হতে চাইছেন। প্রশাসনিক মহলে পূর্বের ন্যায় আধিপত্য বিস্তার করাসহ স্থানীয়ভাবে নিজের শক্তিবৃদ্ধি করতে বহুমুখী তৎপরতায় সামিল রয়েছেন। বিশেষ করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি একটি আয়োজনে অংশ নেওয়ার পরে এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান নেতিবাচক চর্চা হচ্ছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে দলটির প্রভাবশালী নেতা শামসুল হক মনু জনরোষে পড়ার ভয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এবং অন্তর্ধানে থাকার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আঁতাত করে মামলা-মোকদ্দমা থেকে নিজেকে রক্ষায় সক্ষম হন। তবে কিছু দিন ধরে তিনি এলাকায় অবস্থান করেন এবং সবশেষ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে তাকে একটি আয়োজনেও দেখা যায়, যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, ১৭ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠির কালেক্টরেট স্কুল কম্পাউন্ডে ‘ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট’র ব্যানারে গাছের চারা রোপন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যেকার বিতরণ আয়োজনে জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাকিলা রহমান অংশ নিয়েছিলেন। তাদের কাছাকাছি ছিলেন স্বৈরাচারের দোষর শামসুল হক মনু।
অভিযোগ আছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে মনু দলীয় প্রভাব বিস্তার করার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের ঘোর বিরোধীতা করেছিলেন। এবং ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে ভূমিকাও রেখেছিলেন। কিন্তু এরপরেও আওয়ামী লীগের পতন হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, তাদের দলের একটি অংশ মনুকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তাদের কারণে প্রভাবশালী এই আওয়ামী লীগ নেতা একটি মামলায়ও অভিযুক্ত হননি। এখন তিনি এলাকায় অবস্থান নিয়ে পূর্বের ন্যায় আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছেন এবং সামাজিক সংগঠনকে ব্যবহার করে প্রশাসনের কাছাকাছি থাকছেন। তবে এক্ষেত্রে কৌশল হিসেবে তিনি নিজের রাজনৈতিক পরিচয় আড়ালে রাখছেন বলেও শোনা গেছে।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে মনু নতুন মোড়কে সরব হওয়ার বিষয়টি ভালো ভাবে গ্রহণ করতে পারছেন না জুলাই আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, পতিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নানা কৌশল অবলম্বন করে এলাকায় বাসবাস করতে চাইছেন এবং আগের মতো প্রশাসনিক মহলে বিচরণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কিন্তু তাদের কোনো ধরনের সুযোগ না দেওয়া ঠিক হবে না বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
১৭ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসককে নিয়ে শুধু বৃক্ষরোপন করেননি। এরআগেও তিনি শহরের সড়কে ডাস্টবিন বসানোর নামে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজন করেন। সেই বিষয়টি আর বেশিদূর না গড়ালেও জেলা প্রশাসককে নিয়ে বৃক্ষরোপনের ঘটনাটি বেশ সমালোচিত হয়েছে, হচ্ছে।
স্বৈরাচারের দোষরকে আয়োজনে রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, শামসুল হক মনু যে একজন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন, তা অনেকেরই অজানা ছিল। বিষয়টি সম্পর্কে খোদ জেলা প্রশাসকও অবগত ছিলেন না। তাছাড়া মনুও তার রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করেছিলেন।
আগামীতে এই ধরনের ব্যক্তি-বিশেষ যেনো প্রশাসনের কাছে ভিড়তে না পারে সে জন্য সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি।’
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১