Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ মে, ২০২৬ ১৯:৩৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি মৃত ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন ভেসে এসেছে। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পূর্ব পাশে ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১০ ফুট দীর্ঘ ডলফিনটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা।
ধারণা করা হচ্ছে, ডলফিনটি পাঁচ থেকে সাত দিন আগে মারা গেছে। খবর পেয়ে উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (উপরা) বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় মৃত ডলফিনটি মাটি চাপা দেওয়া হয়।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু বলেন, আগের তুলনায় ডলফিনের মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও এখনও নিয়মিত এমন ঘটনা ঘটছে। আমরা চাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা সংস্থাগুলো এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করুক।
ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ সুস্থ সাগর প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ডলফিন শুধু সামুদ্রিক প্রাণী নয়, এটি সমুদ্র পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডলফিনের উপস্থিতি সমুদ্রের ইকোসিস্টেম সুস্থ রাখতে সহায়তা করে, মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে এবং স্থানীয় পর্যটন ও জীবিকার ক্ষেত্রেও অবদান রাখে।
তিনি আরও বলেন, মৃত প্রাণীটি ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন। শরীরে রক্তাক্ত দাগের উপস্থিতি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নৌযানের আঘাত, মাছ ধরার জাল বা জেলেদের কার্যক্রম ডলফিনটির মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এছাড়া নদী ও মোহনার দূষিত পানি, শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক ও তেলজাতীয় বর্জ্যও সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করছে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আমরা উপকূলজুড়ে ডলফিন সংরক্ষণে কাজ করছি। এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয়েছে। মৃত ডলফিনটি যাতে দুর্গন্ধ ছড়াতে না পারে, সে জন্য মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি মৃত ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন ভেসে এসেছে। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পূর্ব পাশে ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১০ ফুট দীর্ঘ ডলফিনটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা।
ধারণা করা হচ্ছে, ডলফিনটি পাঁচ থেকে সাত দিন আগে মারা গেছে। খবর পেয়ে উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (উপরা) বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় মৃত ডলফিনটি মাটি চাপা দেওয়া হয়।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু বলেন, আগের তুলনায় ডলফিনের মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও এখনও নিয়মিত এমন ঘটনা ঘটছে। আমরা চাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা সংস্থাগুলো এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করুক।
ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ সুস্থ সাগর প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ডলফিন শুধু সামুদ্রিক প্রাণী নয়, এটি সমুদ্র পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডলফিনের উপস্থিতি সমুদ্রের ইকোসিস্টেম সুস্থ রাখতে সহায়তা করে, মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে এবং স্থানীয় পর্যটন ও জীবিকার ক্ষেত্রেও অবদান রাখে।
তিনি আরও বলেন, মৃত প্রাণীটি ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন। শরীরে রক্তাক্ত দাগের উপস্থিতি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নৌযানের আঘাত, মাছ ধরার জাল বা জেলেদের কার্যক্রম ডলফিনটির মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এছাড়া নদী ও মোহনার দূষিত পানি, শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক ও তেলজাতীয় বর্জ্যও সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করছে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আমরা উপকূলজুড়ে ডলফিন সংরক্ষণে কাজ করছি। এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয়েছে। মৃত ডলফিনটি যাতে দুর্গন্ধ ছড়াতে না পারে, সে জন্য মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৯:২২
চাঁদপুরে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে দুই লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে লঞ্চঘাটে নোঙর করা একাধিক লঞ্চ, পন্টুন ও জেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। সোমবার (২৫ মে) দুপুরের দিকে চাঁদপুর লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার দুপুরের দিকে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে চাঁদপুর লঞ্চঘাট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রবল বাতাস ও উত্তাল নদীর মধ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো ঘাটে ভিড়তে গিয়ে বিপাকে পড়ে। এ সময় যাত্রীবাহী ‘ঈগল-৭’ লঞ্চে থাকা যাত্রীরা নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই আরেক যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘ময়ূর২’ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঈগল-৭ লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়।
এ সময় ঈগল-৭ লঞ্চটি হেলে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে ব্যাগ ও মালামাল ফেলে দ্রুত নামার চেষ্টা করেন। এতে হুড়োহুড়িতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই ঘাট এলাকায় দায়িত্বে থাকা নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও স্কাউট সদস্যরা উদ্ধার ও নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আতঙ্কিত যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
চাঁদপুর নৌ-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল আজাদ বলেন, হঠাৎ সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ে লঞ্চে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এসময় নৌ-পুলিশ দ্রুত যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।
লঞ্চ থেকে নামার সময় কয়েকজন যাত্রী আহত হলেও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লঞ্চ ও পন্টুনে পড়ে থাকা যাত্রীদের মালামাল তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু সময়ের জন্য নৌযান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। প্রচণ্ড ঝড়ে পন্টুন ও জেটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১০:১৮
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েজন। সোমবার (২৫ মে) ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের উপজেলার জোগারচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিক হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গগামী রডবোঝাই ট্রাকটিতে যাত্রী ছিল ও ত্রিপল দিয়ে ঢাকা ছিল। মহাসড়কের কালিহাতীতে পৌঁছালে এটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে রড এবং চাকার নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ১৫ নিহত হন। এছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হন।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামছুল আলম সরকার বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে রডবোঝাই ট্রাকে যাত্রী তোলা হয়েছিল। মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা এলাকায় বিআরটিসি বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ (রোববার, ২৪ মে) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের সবাই অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাঙ্গা থেকে ফরিদপুরগামী বিআরটিসির একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নগরকান্দা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।
প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।'
চাঁদপুরে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে দুই লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে লঞ্চঘাটে নোঙর করা একাধিক লঞ্চ, পন্টুন ও জেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। সোমবার (২৫ মে) দুপুরের দিকে চাঁদপুর লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার দুপুরের দিকে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে চাঁদপুর লঞ্চঘাট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রবল বাতাস ও উত্তাল নদীর মধ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো ঘাটে ভিড়তে গিয়ে বিপাকে পড়ে। এ সময় যাত্রীবাহী ‘ঈগল-৭’ লঞ্চে থাকা যাত্রীরা নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই আরেক যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘ময়ূর২’ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঈগল-৭ লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়।
এ সময় ঈগল-৭ লঞ্চটি হেলে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে ব্যাগ ও মালামাল ফেলে দ্রুত নামার চেষ্টা করেন। এতে হুড়োহুড়িতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই ঘাট এলাকায় দায়িত্বে থাকা নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও স্কাউট সদস্যরা উদ্ধার ও নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আতঙ্কিত যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
চাঁদপুর নৌ-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল আজাদ বলেন, হঠাৎ সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ে লঞ্চে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এসময় নৌ-পুলিশ দ্রুত যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।
লঞ্চ থেকে নামার সময় কয়েকজন যাত্রী আহত হলেও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লঞ্চ ও পন্টুনে পড়ে থাকা যাত্রীদের মালামাল তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু সময়ের জন্য নৌযান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। প্রচণ্ড ঝড়ে পন্টুন ও জেটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে।
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েজন। সোমবার (২৫ মে) ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের উপজেলার জোগারচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিক হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গগামী রডবোঝাই ট্রাকটিতে যাত্রী ছিল ও ত্রিপল দিয়ে ঢাকা ছিল। মহাসড়কের কালিহাতীতে পৌঁছালে এটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে রড এবং চাকার নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ১৫ নিহত হন। এছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হন।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামছুল আলম সরকার বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে রডবোঝাই ট্রাকে যাত্রী তোলা হয়েছিল। মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শংকরপাশা এলাকায় বিআরটিসি বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ (রোববার, ২৪ মে) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের সবাই অ্যাম্বুলেন্সের যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাঙ্গা থেকে ফরিদপুরগামী বিআরটিসির একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নগরকান্দা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।
প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।'