
১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০০:০৭
কেন্দ্রীয় নেতা সরফুদ্দিন সান্টুর বেশ কয়েকটি বেফাঁস মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এই নেতা একটি বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কর্মী-সমর্থকদের চাঁদাবাজির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিজে স্বীকার করেন। তার এই বেফাঁস মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তোলপাড়, যা নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য সান্টুর ওপর সংক্ষুব্ধ হয়েছেন বরিশাল জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এবং দলের দায়িত্বশীল নেতার এমন আচরণে বিব্রত বিএনপির হাইকমান্ড। এই তথ্য বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এবং ঢাকার একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে।
স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের অভিযোগ, উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরফুদ্দিন সান্টু বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে কখনও মাঠে ছিলেন না। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য করে বিদেশে নিরাপদে থেকেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং নিজের সংসদীয় এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়ায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন।
এই নেতার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা আওয়ামী লীগের অনপুস্থিতিতে গত এক বছরে বিভিন্ন দখলসন্ত্রাসসহ নানামুখী অপরাধে জড়িয়ে আলোচনায় আছেন। নেতাকর্মীদের এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নেপথ্য শক্তি হিসেবে এতদিন সরফুদ্দিন সান্টু নিজেই কাজ করেছেন, যা তিনি স্বীকারও করেছেন। বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সান্টুর বক্তব্যের একটি ভিডিও বেশকদিন ধরে সমাজপাতায় ঘুরছে, যেখানে তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতাকর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা তিনি তাদের করতে দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপির নেতার এমন বেফাঁস মন্তব্যে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় বইছে। এবং এই বিষয়টিকে তার প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ আবার সার্বক্ষণিক আলোচনায় রাখছেন। বিশেষ করে ইস্যুটি নিয়ে একই আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু এবং ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের অনুগত অনুসারীরা সান্টুকে বিতর্কিত করতে নানা কৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ১ মিনিট ২২ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ছাড়াও সরফুদ্দিন সান্টু আরও বেশ কিছু বিতর্কিত কর্মকান্ড করে নিজেকে আলোচনায় রাখেন। গত ১৯ জুলাই উজিরপুর ও ২০ জুলাই বানারীপাড়া উপজেলা এবং পৌর বিএনপির সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ১০ লাখ টাকা’ দিয়ে বিএনপির রাজনীতি করার কথা বলেছেন। এছাড়া ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলালের মনোনয়ন এনে দিয়ে ভোটে জেতানোর কথা বলেছেন সান্টু। তার এই দুটি বেফাঁস মন্তব্যের পরে এবার আলোচনায় এসেছে কর্মী-সমর্থকদের দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করানোর বিষয়টি, যা খোদ বিএনপি নেতা নিজের মুখেই স্বীকার করে রীতিমত আলোচনার খোরাক হয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির একটি সূত্র নিশ্চিত করে কর্মী-সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার সুযোগ দেওয়া সংক্রান্ত যে ভিডিওটি দুদিন পূর্বে ভাইরাল হয়, তা চলতি বছরের জুলাই মাসে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের। নতুন কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কর্মীদের উদ্দেশ করে এমন বেসামাল কথা বলেন। ধারনা করা হচ্ছে, তার বক্তব্যের ভিডিওটি দলীয় ঘরনার রাজনৈতিক কারও কাছে সংরক্ষিত ছিল, তিনি সময় বুঝে প্রকাশ করেছেন।
এই ভিডিও ক্লিপে সান্টুকে বলতে শোনা যায়, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতা-কর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা তিনি তাদের করতে দিয়েছেন। এবং কেন দিয়েছেন তার যুক্তিও খন্ডন করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর নেতাকর্মীরা কিছু খায় নায়। অবস্থা কিন্তু ভালো না, আমি থাকি আর না থাকি, আপনারা এক থাকেন। বিএনপি ক্ষমতায় না এলে কিন্তু কিছু পাবেন না। এবং নেতাকর্মীদের পকেটে যদি পয়সা না থাকে, তাহলে সমস্যা হলে আমার কাছে আসেন, ইত্যাদি...।
উপজেলাপর্যায়ের শীর্ষ নেতার এই ধরনের বেফাঁস মন্তব্য স্থানীয় নেতাকর্মীদের হাতাশ এবং সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব। তিনি বলেন, উজিরপুরের গুঠিয়ায় সান্টুর মালিকানাধীন বাইতুল ভিউ কনভেনশন হলে আয়োজিত একটি বৈঠকে তিনি বেফাঁস মন্তব্যটি করেছেন। তবে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা ওই ভিডিও বক্তব্যকে কাটপিস বলে দাবি করেছেন। এবং তিনি রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ভিডিওটি দেখে মনে হয়েছে এটি কাটপিস করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ভিডিওটি যে সুপার এডিট করা নয়, তা বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সান্টুর এমন বেফাঁস মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু। এই নেতা সাংবাদিকদের বলছেন, দায়িত্বশীল নেতা হয়ে সান্টু দলের ক্ষতি করছেন। তার এই ধরনের বক্তব্যে দলীয় হাইকমান্ড পুরোপুরি বিব্রত এবং তৃণমূল বিএনপিকে তিনি সন্ত্রাসী বানিয়ে ফেলেছেন।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সান্টু শুধু বেফাঁস মন্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি, তিনি এর আগে বরিশাল অঞ্চলের প্রবীণ বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের তিনবারের এমপি সরোয়ারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সান্টু বলেছিলেন, ‘সেই দিন ভুলে যান, আমারে আঙুল দিয়েন না। আমি কিন্তু বরিশালে একবার ভোট করেছি, আবারও করে দেখাব। নেতা সরোয়ারকে নিয়ে তার এমন বিষাদগারমূলক এমন বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করে। এনিয়ে সরোয়ার অনুসারী নেতাকর্মীদের ক্ষোভে ফুসে উঠলেও রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে পরিশেষে চেপে যেতে দেখা যায়।
প্রতাপশালী বিএনপি নেতা সরফুদ্দিন সান্টুর ধারাবাহিক বেফাঁস মন্তব্য পর্যায়ক্রমে প্রকাশ্যে আসা এবং সেগুলো সমাজপাতায় ভাইরাল হওয়া নিয়ে তার কর্মী-অনুসারীরা বেশ টেনশনে রয়েছেন। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী সান্টুর বক্তব্য না পাওয়া গেলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার অনুগত একাধিক কর্মী সাংবাদিকদের জানান, বয়সের ভারে নুহ্য নেতা বক্তব্য রাখতে গিয়ে খানিকটা তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন। পরবর্তীতে সেগুলো দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক, বিশেষ করে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা ভাইরাল করে তাকে বিতর্কিত করতে তোড়জোড় চালিয়ে যাচ্ছেন।
সান্টুর এই ধারাবাহিক বেফাঁস মন্তব্য যে সামগ্রিকভাবে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তা বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীনও স্বীকার করেছেন। এবং তিনি বুধবার সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি নিয়ে তার সাথে আলোচনা হয়েছে, সান্টু এর বিভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। তাছাড়া তিনি নির্বাহী কমিটির সদস্য, বিষয়টি নিয়ে তার সাথে হাইকমান্ডও কথা বলেছেন।’
কেন্দ্রীয় নেতা সরফুদ্দিন সান্টুর বেশ কয়েকটি বেফাঁস মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এই নেতা একটি বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কর্মী-সমর্থকদের চাঁদাবাজির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিজে স্বীকার করেন। তার এই বেফাঁস মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তোলপাড়, যা নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য সান্টুর ওপর সংক্ষুব্ধ হয়েছেন বরিশাল জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এবং দলের দায়িত্বশীল নেতার এমন আচরণে বিব্রত বিএনপির হাইকমান্ড। এই তথ্য বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এবং ঢাকার একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করে।
স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের অভিযোগ, উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরফুদ্দিন সান্টু বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে কখনও মাঠে ছিলেন না। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য করে বিদেশে নিরাপদে থেকেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং নিজের সংসদীয় এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়ায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন।
এই নেতার অনুগত কর্মী-সমর্থকেরা আওয়ামী লীগের অনপুস্থিতিতে গত এক বছরে বিভিন্ন দখলসন্ত্রাসসহ নানামুখী অপরাধে জড়িয়ে আলোচনায় আছেন। নেতাকর্মীদের এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নেপথ্য শক্তি হিসেবে এতদিন সরফুদ্দিন সান্টু নিজেই কাজ করেছেন, যা তিনি স্বীকারও করেছেন। বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সান্টুর বক্তব্যের একটি ভিডিও বেশকদিন ধরে সমাজপাতায় ঘুরছে, যেখানে তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতাকর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা তিনি তাদের করতে দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপির নেতার এমন বেফাঁস মন্তব্যে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় বইছে। এবং এই বিষয়টিকে তার প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ আবার সার্বক্ষণিক আলোচনায় রাখছেন। বিশেষ করে ইস্যুটি নিয়ে একই আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু এবং ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের অনুগত অনুসারীরা সান্টুকে বিতর্কিত করতে নানা কৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ১ মিনিট ২২ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ছাড়াও সরফুদ্দিন সান্টু আরও বেশ কিছু বিতর্কিত কর্মকান্ড করে নিজেকে আলোচনায় রাখেন। গত ১৯ জুলাই উজিরপুর ও ২০ জুলাই বানারীপাড়া উপজেলা এবং পৌর বিএনপির সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ১০ লাখ টাকা’ দিয়ে বিএনপির রাজনীতি করার কথা বলেছেন। এছাড়া ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলালের মনোনয়ন এনে দিয়ে ভোটে জেতানোর কথা বলেছেন সান্টু। তার এই দুটি বেফাঁস মন্তব্যের পরে এবার আলোচনায় এসেছে কর্মী-সমর্থকদের দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করানোর বিষয়টি, যা খোদ বিএনপি নেতা নিজের মুখেই স্বীকার করে রীতিমত আলোচনার খোরাক হয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির একটি সূত্র নিশ্চিত করে কর্মী-সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার সুযোগ দেওয়া সংক্রান্ত যে ভিডিওটি দুদিন পূর্বে ভাইরাল হয়, তা চলতি বছরের জুলাই মাসে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের। নতুন কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কর্মীদের উদ্দেশ করে এমন বেসামাল কথা বলেন। ধারনা করা হচ্ছে, তার বক্তব্যের ভিডিওটি দলীয় ঘরনার রাজনৈতিক কারও কাছে সংরক্ষিত ছিল, তিনি সময় বুঝে প্রকাশ করেছেন।
এই ভিডিও ক্লিপে সান্টুকে বলতে শোনা যায়, ‘গত এক বছর বিএনপি নেতা-কর্মীরা যে চাঁদাবাজি করেছে, সেটা তিনি তাদের করতে দিয়েছেন। এবং কেন দিয়েছেন তার যুক্তিও খন্ডন করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর নেতাকর্মীরা কিছু খায় নায়। অবস্থা কিন্তু ভালো না, আমি থাকি আর না থাকি, আপনারা এক থাকেন। বিএনপি ক্ষমতায় না এলে কিন্তু কিছু পাবেন না। এবং নেতাকর্মীদের পকেটে যদি পয়সা না থাকে, তাহলে সমস্যা হলে আমার কাছে আসেন, ইত্যাদি...।
উপজেলাপর্যায়ের শীর্ষ নেতার এই ধরনের বেফাঁস মন্তব্য স্থানীয় নেতাকর্মীদের হাতাশ এবং সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব। তিনি বলেন, উজিরপুরের গুঠিয়ায় সান্টুর মালিকানাধীন বাইতুল ভিউ কনভেনশন হলে আয়োজিত একটি বৈঠকে তিনি বেফাঁস মন্তব্যটি করেছেন। তবে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা ওই ভিডিও বক্তব্যকে কাটপিস বলে দাবি করেছেন। এবং তিনি রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ভিডিওটি দেখে মনে হয়েছে এটি কাটপিস করে তৈরি করা হয়েছে। তবে ভিডিওটি যে সুপার এডিট করা নয়, তা বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সান্টুর এমন বেফাঁস মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু। এই নেতা সাংবাদিকদের বলছেন, দায়িত্বশীল নেতা হয়ে সান্টু দলের ক্ষতি করছেন। তার এই ধরনের বক্তব্যে দলীয় হাইকমান্ড পুরোপুরি বিব্রত এবং তৃণমূল বিএনপিকে তিনি সন্ত্রাসী বানিয়ে ফেলেছেন।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সান্টু শুধু বেফাঁস মন্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি, তিনি এর আগে বরিশাল অঞ্চলের প্রবীণ বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের তিনবারের এমপি সরোয়ারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সান্টু বলেছিলেন, ‘সেই দিন ভুলে যান, আমারে আঙুল দিয়েন না। আমি কিন্তু বরিশালে একবার ভোট করেছি, আবারও করে দেখাব। নেতা সরোয়ারকে নিয়ে তার এমন বিষাদগারমূলক এমন বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করে। এনিয়ে সরোয়ার অনুসারী নেতাকর্মীদের ক্ষোভে ফুসে উঠলেও রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে পরিশেষে চেপে যেতে দেখা যায়।
প্রতাপশালী বিএনপি নেতা সরফুদ্দিন সান্টুর ধারাবাহিক বেফাঁস মন্তব্য পর্যায়ক্রমে প্রকাশ্যে আসা এবং সেগুলো সমাজপাতায় ভাইরাল হওয়া নিয়ে তার কর্মী-অনুসারীরা বেশ টেনশনে রয়েছেন। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী সান্টুর বক্তব্য না পাওয়া গেলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার অনুগত একাধিক কর্মী সাংবাদিকদের জানান, বয়সের ভারে নুহ্য নেতা বক্তব্য রাখতে গিয়ে খানিকটা তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন। পরবর্তীতে সেগুলো দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক, বিশেষ করে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা ভাইরাল করে তাকে বিতর্কিত করতে তোড়জোড় চালিয়ে যাচ্ছেন।
সান্টুর এই ধারাবাহিক বেফাঁস মন্তব্য যে সামগ্রিকভাবে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তা বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীনও স্বীকার করেছেন। এবং তিনি বুধবার সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি নিয়ে তার সাথে আলোচনা হয়েছে, সান্টু এর বিভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন। তাছাড়া তিনি নির্বাহী কমিটির সদস্য, বিষয়টি নিয়ে তার সাথে হাইকমান্ডও কথা বলেছেন।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.