
১২ জুলাই, ২০২৫ ২০:১৬
চালক না থাকায় ১২ দিন ধরে পড়ে আছে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের দুটি অ্যাম্বুলেন্স। এতে সদর হাসপাতালের রোগীদের জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রোগী নিয়ে বরিশালে যেতে ৪০০ টাকার জায়গায় গুনতে হচ্ছে ১৫০০ টাকা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক আদেশে সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক জামাল হোসেন এবং সিভিল সার্জনের চালক আবু বকর ছিদ্দিককে ভোলায় বদলি করা হয়। তাদের বদলির পর সদর হাসপাতালে কোনো চালক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এতে হাসপাতালের জরুরি পরিবহনসেবা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, জামাল হোসেন ও আবু বকর ছিদ্দিক ভগ্নিপতি। তাদের বাড়ি ভোলায়। অতীতেও তারা ভোলায় বদলি হয়ে সুবিধা নিয়েছেন। এবারও ‘অটো রিলিজ’ সুবিধার আড়ালে তারা সেখানে ফিরে যান। জামাল হোসেন ২০০৪ সালে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দেন। এরপর ভোলা সদর ও টিবি হাসপাতালে ছয় বছর এবং বরিশালের মুলাদীতে দুই বছর দায়িত্ব পালন করেন। আবু বকর ছিদ্দিক ২০১১ সালে মনপুরায় যোগ দিয়ে তজুমদ্দিন, দৌলতখান ও ভোলা সদরে প্রায় ১২ বছর কর্মরত ছিলেন।
একজন অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য প্রশাসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এটি আদেশের অপপ্রয়োগ। ঢাকায় প্রভাবশালী মহলের সুপারিশে বদলির আদেশটি হয়েছে। কিন্তু ক্ষতিটা হচ্ছে সাধারণ মানুষের।’ এদিকে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় রোগীদের বিড়ম্বনার শেষ নেই। একদিকে টাকা গুনতে হচ্ছে তিনগুণ, অন্যদিকে বাড়তি ঝামেলাও পোহাতে হচ্ছে তাদের। ঝালকাঠি থেকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে ভাড়া ৪০০ টাকা।
এখন সেখানে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সকে দিতে হচ্ছে ১২০০-১৫০০ টাকা। রানাপাশা গ্রামের ইমরান হোসেন বলেন, ‘আম্মা অসুস্থ হওয়ায় সদর হাসপাতালে নিয়েছিলাম। ডাক্তার বরিশালে স্থানান্তর করেন। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় ১২০০ টাকা দিয়ে প্রাইভেট গাড়িতে নিতে হয়েছে।’
শেখেরহাটের বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমার ভাবিকে ঝালকাঠি হাসপাতাল থেকে বরিশালে স্থানান্তর করলে এক হাজার ৫০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়েছে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সকে। অথচ সরকারি গাড়িতে খরচ হতো ৪০০ টাকা।’ সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে করে স্থানান্তরে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। নবগ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সরকারি সেবার নামে শুধু কাগজে সুবিধা দেখি, বাস্তবে গরিবের কপালে শুধু ভোগান্তি।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র একজন চালকের মাধ্যমে সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে এক লাখ ৪৪ হাজার ৬০০ টাকা।
রাজস্ব আয় সত্ত্বেও কোনো অতিরিক্ত চালক নিয়োগ কিংবা চালক পুল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও সুপারিশের মাধ্যমে বদলির আদেশটি তড়িঘড়ি করে করা হয়েছে।
জানতে চাইলে চালক জামাল হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছিল, তিন কর্মদিবসের মধ্যে যোগদান না করলে চতুর্থ দিন থেকে তা কার্যকর হবে। সে অনুযায়ী ৪ জুলাই আমি ভোলায় যোগদান করেছি।’ আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মেহেদী হাসান সানি জানান, বদলির পরপরই বিষয়টি বিভাগীয় পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো বিকল্প চালক আসেননি।
সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ও মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. আবুয়াল হাসান বলেন, “বদলির চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছিল। তিনি চালকদের রিলিজ না দিতে বলেন। কিন্তু আদেশে ‘অটো রিলিজ’ শর্ত থাকায় তারা নিজেরাই ভোলায় যোগ দেন। বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।”
তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, ‘অটো রিলিজ’ সাধারণত জাতীয় জরুরি প্রয়োজনে প্রযোজ্য হয়। একটি সাধারণ বদলিতে এই শর্ত প্রয়োগ যৌক্তিক নয়। এ সিদ্ধান্তে স্থানীয় বাস্তবতা পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে।’ সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ঝালকাঠির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্যবান সেনগুপ্ত বলেন, ‘চালক নেই, অথচ গাড়ি আছে; এ যেন কল্পকাহিনি।
এটি শুধু প্রশাসনিক গাফিলতি নয়, দুর্নীতির প্রতিচ্ছবি।’ বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। দ্রুত বিকল্প চালক দিয়ে সমস্যা সমাধান করা হবে।’ তবে স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনা না করে আদেশটি কেন দেওয়া হলো, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
চালক না থাকায় ১২ দিন ধরে পড়ে আছে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের দুটি অ্যাম্বুলেন্স। এতে সদর হাসপাতালের রোগীদের জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রোগী নিয়ে বরিশালে যেতে ৪০০ টাকার জায়গায় গুনতে হচ্ছে ১৫০০ টাকা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক আদেশে সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক জামাল হোসেন এবং সিভিল সার্জনের চালক আবু বকর ছিদ্দিককে ভোলায় বদলি করা হয়। তাদের বদলির পর সদর হাসপাতালে কোনো চালক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এতে হাসপাতালের জরুরি পরিবহনসেবা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, জামাল হোসেন ও আবু বকর ছিদ্দিক ভগ্নিপতি। তাদের বাড়ি ভোলায়। অতীতেও তারা ভোলায় বদলি হয়ে সুবিধা নিয়েছেন। এবারও ‘অটো রিলিজ’ সুবিধার আড়ালে তারা সেখানে ফিরে যান। জামাল হোসেন ২০০৪ সালে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দেন। এরপর ভোলা সদর ও টিবি হাসপাতালে ছয় বছর এবং বরিশালের মুলাদীতে দুই বছর দায়িত্ব পালন করেন। আবু বকর ছিদ্দিক ২০১১ সালে মনপুরায় যোগ দিয়ে তজুমদ্দিন, দৌলতখান ও ভোলা সদরে প্রায় ১২ বছর কর্মরত ছিলেন।
একজন অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য প্রশাসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এটি আদেশের অপপ্রয়োগ। ঢাকায় প্রভাবশালী মহলের সুপারিশে বদলির আদেশটি হয়েছে। কিন্তু ক্ষতিটা হচ্ছে সাধারণ মানুষের।’ এদিকে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় রোগীদের বিড়ম্বনার শেষ নেই। একদিকে টাকা গুনতে হচ্ছে তিনগুণ, অন্যদিকে বাড়তি ঝামেলাও পোহাতে হচ্ছে তাদের। ঝালকাঠি থেকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে ভাড়া ৪০০ টাকা।
এখন সেখানে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সকে দিতে হচ্ছে ১২০০-১৫০০ টাকা। রানাপাশা গ্রামের ইমরান হোসেন বলেন, ‘আম্মা অসুস্থ হওয়ায় সদর হাসপাতালে নিয়েছিলাম। ডাক্তার বরিশালে স্থানান্তর করেন। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় ১২০০ টাকা দিয়ে প্রাইভেট গাড়িতে নিতে হয়েছে।’
শেখেরহাটের বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমার ভাবিকে ঝালকাঠি হাসপাতাল থেকে বরিশালে স্থানান্তর করলে এক হাজার ৫০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়েছে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সকে। অথচ সরকারি গাড়িতে খরচ হতো ৪০০ টাকা।’ সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে করে স্থানান্তরে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। নবগ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সরকারি সেবার নামে শুধু কাগজে সুবিধা দেখি, বাস্তবে গরিবের কপালে শুধু ভোগান্তি।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র একজন চালকের মাধ্যমে সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে এক লাখ ৪৪ হাজার ৬০০ টাকা।
রাজস্ব আয় সত্ত্বেও কোনো অতিরিক্ত চালক নিয়োগ কিংবা চালক পুল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও সুপারিশের মাধ্যমে বদলির আদেশটি তড়িঘড়ি করে করা হয়েছে।
জানতে চাইলে চালক জামাল হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছিল, তিন কর্মদিবসের মধ্যে যোগদান না করলে চতুর্থ দিন থেকে তা কার্যকর হবে। সে অনুযায়ী ৪ জুলাই আমি ভোলায় যোগদান করেছি।’ আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মেহেদী হাসান সানি জানান, বদলির পরপরই বিষয়টি বিভাগীয় পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো বিকল্প চালক আসেননি।
সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ও মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. আবুয়াল হাসান বলেন, “বদলির চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছিল। তিনি চালকদের রিলিজ না দিতে বলেন। কিন্তু আদেশে ‘অটো রিলিজ’ শর্ত থাকায় তারা নিজেরাই ভোলায় যোগ দেন। বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।”
তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, ‘অটো রিলিজ’ সাধারণত জাতীয় জরুরি প্রয়োজনে প্রযোজ্য হয়। একটি সাধারণ বদলিতে এই শর্ত প্রয়োগ যৌক্তিক নয়। এ সিদ্ধান্তে স্থানীয় বাস্তবতা পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে।’ সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ঝালকাঠির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্যবান সেনগুপ্ত বলেন, ‘চালক নেই, অথচ গাড়ি আছে; এ যেন কল্পকাহিনি।
এটি শুধু প্রশাসনিক গাফিলতি নয়, দুর্নীতির প্রতিচ্ছবি।’ বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। দ্রুত বিকল্প চালক দিয়ে সমস্যা সমাধান করা হবে।’ তবে স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনা না করে আদেশটি কেন দেওয়া হলো, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৯
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১