ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পেতে প্রচার-প্রচরণায় ব্যস্ত বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের ১২৬ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী। বিপুল সংখ্যক এ প্রার্থীর ভিড়ে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার-প্রচারণায় মাঠে অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছেন মাত্র তিনজন নারী।
যাদের মধ্যে দুইজন দুটি দলের মনোনীত এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। আর এরমধ্যে ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
বরিশাল-৫ বা সদর আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। দ্বীপ জেলা ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সমাজকর্মী তাসলিমা বেগম। আগে তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন।
জানা গেছে, ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
প্রায় ৬০ বছর বয়সী এ নারী নেত্রী ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার স্বামী প্রয়াত জুলফিকার আলী ভুট্টোও ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য। ইলেন ভুট্টোর শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস।
হলফনামা বলছে, ইলেন ভুট্টোর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।
নগদ রয়েছে ২১ লাখ ৩১ হাজার টাকা, ব্যাংকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একটি প্রাইভেটকার ও ৩০ তোলা সোনা রয়েছে। কৃষি ও অকৃষি জমির মূল্য ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। রাজধানীর উত্তরায় একটি বাড়িও রয়েছে তার।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।
বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ছয় লাখ ৭৩ হাজার টাকা এবং ঘোষিত ব্যয় ১৫ লাখ টাকা। নিজের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় বহন করছেন তিনি।
বরিশাল-৫ বা সদর আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। ব্যক্তিগত উদ্যোগ আর স্বজনদের সহায়তার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে ৩৫ বছর বয়সী বামপন্থি এ নারী রাজনীতিকের প্রচারণা। সীমিত সম্পদ, পরিচিতজনের সহযোগিতা, আর মাটির ব্যাংকে শ্রমজীবীদের জমানো অল্পস্বল্প টাকায় এগোচ্ছে এমবিবিএস চিকিৎসক ডা. মনীষার নির্বাচনী প্রচারণা। বড় ব্যানার, শোভাযাত্রা বা গাড়ি কিছু নেই তার। তবে একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে হেঁটে মানুষের সঙ্গে কথা বলা আর শ্রমজীবী মানুষের ওপর আস্থাই তার নির্বাচনের বড় শক্তি।
হলফনামায় ডা. মনীষা অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ২৮ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। এরমধ্যে নগদ ১২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, ব্যাংকে চার লাখ ৬৪ হাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী আমানত পাঁচ লাখ টাকা। রয়েছে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ৬৯ হাজার টাকা। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা। চিকিৎসা পেশা ও ব্যাংকের মুনাফা মিলিয়ে মাসিক আয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ২২ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী নির্ভর করছেন পারিবারিক ও সামাজিক সহায়তার ওপর। বোন তন্দ্রা চক্রবর্ত্তী ধার দেবেন তিন লাখ টাকা, কাকাতো ভাই দুই লাখ টাকা। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা তপন চক্রবর্ত্তী দেবেন ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া শ্রমজীবী মানুষের মাটির ব্যাংকে জমানো টাকাও উৎসর্গ করা হয়েছে তার নির্বাচনি ব্যয়ে।
দ্বীপ জেলা ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সমাজকর্মী তাসলিমা বেগম। আগে তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪.৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন। সেখান থেকে পদত্যাগ করে প্রার্থী হয়েছেন সংসদ নির্বাচনে।
আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপির রাজনীতি করতেন তাসলিমা বেগম। তখন দৌলতখান থানা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উত্তর জয়নগর ইউনিয়ন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ভোলা জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে তার পেশা ছিল আইনজীবী সহকারী। ২০২৪ এর পরে তিনি দলের পদ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
৮ম শ্রেণি পাস এই নারী সমাজকর্মীর স্বামী দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি তিন ছেলে এবং তিন মেয়েসহ ছয় সন্তানের জননী। হলফনামায় তিনি তার বর্তমান পেশা উল্লেখ করেছেন দর্জির কাজ। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বাৎসরিক আয় ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা। এ টাকায় তিনি ব্যয় করবেন নির্বাচনে।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪০
বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মানবপাচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরী এবং স্থানীয়দের নিরাপদ রাখতে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে সচেতনতামূলক পদযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কাশিপুর ইউনিয়নের নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক পদযাত্রা শুরু হয়। এ সময় মানব পাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন, অনলাইন প্রতারণা এবং শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান প্রদর্শন করা হয়। পদযাত্রা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সভাপতি ও নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক অপরাধ। এর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও কমিউনিটির সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, পাচারকারীরা চাকরি, উচ্চ বেতন, বিদেশে কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে পাচারের ফাঁদে ফেলছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও প্রলোভনের মাধ্যমে মানুষকে পাচারের ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে। তাই অনলাইনে বা সরাসরি পাওয়া কোনো চাকরি কিংবা বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাব গ্রহণের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, পরিচয়পত্র বা গুরুত্বপূর্ণ নথি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অনলাইনে কোনো সন্দেহজনক প্রস্তাব বা চাকরির সুযোগ পেলে পরিবারের সদস্য, শিক্ষক অথবা বিশ্বস্ত ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।
জাতিসংঘ ঘোষিত World Day Against Trafficking in Persons প্রতি বছর ৩০ জুলাই পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “Trapped Behind the Scam”। এবারের প্রতিপাদ্যে অনলাইন স্ক্যাম ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে মানুষকে পাচার এবং জোরপূর্বক যুক্ত করার ঝুঁকির বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সদস্য, বিদ্যালয়ের
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ইপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি কাশিপুর ইউনিয়নাধীন নব আদর্শ কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটি-এর উদ্যোগে এবং Empowering Communities for Children Rights (ECCR) Project, World Concern Bangladesh-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজক সংগঠন ও উপস্থিত অতিথিরা বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মানবপাচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরী এবং স্থানীয়দের নিরাপদ রাখতে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে সচেতনতামূলক পদযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কাশিপুর ইউনিয়নের নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক পদযাত্রা শুরু হয়। এ সময় মানব পাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন, অনলাইন প্রতারণা এবং শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান প্রদর্শন করা হয়। পদযাত্রা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সভাপতি ও নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক অপরাধ। এর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও কমিউনিটির সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, পাচারকারীরা চাকরি, উচ্চ বেতন, বিদেশে কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে পাচারের ফাঁদে ফেলছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও প্রলোভনের মাধ্যমে মানুষকে পাচারের ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে। তাই অনলাইনে বা সরাসরি পাওয়া কোনো চাকরি কিংবা বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাব গ্রহণের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, পরিচয়পত্র বা গুরুত্বপূর্ণ নথি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অনলাইনে কোনো সন্দেহজনক প্রস্তাব বা চাকরির সুযোগ পেলে পরিবারের সদস্য, শিক্ষক অথবা বিশ্বস্ত ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।
জাতিসংঘ ঘোষিত World Day Against Trafficking in Persons প্রতি বছর ৩০ জুলাই পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “Trapped Behind the Scam”। এবারের প্রতিপাদ্যে অনলাইন স্ক্যাম ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে মানুষকে পাচার এবং জোরপূর্বক যুক্ত করার ঝুঁকির বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সদস্য, বিদ্যালয়ের
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ইপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি কাশিপুর ইউনিয়নাধীন নব আদর্শ কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটি-এর উদ্যোগে এবং Empowering Communities for Children Rights (ECCR) Project, World Concern Bangladesh-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজক সংগঠন ও উপস্থিত অতিথিরা বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী এসাইনমেন্টে শিক্ষকের নামের বানান ভুল করায় তিনশো বার নিজের নাম লিখিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনা। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ঐ শিক্ষার্থী নিজের ফেসবুক ওয়ালে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। এর পরেই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার নাম এসাইনমেন্টে ভুল করায় তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের সাইদুল ইসলাম সাইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে এমন অভিনব কাজ দেন ওই শিক্ষক।
অভিনব এই এসাইনমেন্টের পিকচার নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে সাইদুল নামের ঐ শিক্ষার্থী লিখেছেন, "গত রাতটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। একটি শব্দের বানানে মাত্র একটি অতিরিক্ত অক্ষর"Morium"এর পরিবর্তে "Morioum" লেখার কারণে আমাকে পুরো লেখাটি ৩০০ বার সংশোধন করতে হয়েছে।"
অভিনব এসাইনমেন্টের বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান সরকার এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, "কত কত অযাচিত assignment করছি তার হিসেব নাই, ক্রিয়েটিভিটি বলতে দেখে দেখে এ্যাসাইনমেন্ট এর এই ধরনের র্যাগিং ই হয় এখানে, শিক্ষক কর্তৃক নানান র্যাগিং এর সম্মুখীন হওয়া খুবই মামুলি বিষয় এই বিভাগে।"
ইসরাত জাহান নামে এক শিক্ষার্থী কমেন্টে শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করেছেন, "তৃতীয় বর্ষে পড়ে একজন ফ্যাকাল্টি মেম্বারের নাম ভুল করেন, তাও আবার পোস্ট করেন নূন্যতম বিবেক বোধ থাকা উচিত।"
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকার কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী এসাইনমেন্টে শিক্ষকের নামের বানান ভুল করায় তিনশো বার নিজের নাম লিখিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনা। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ঐ শিক্ষার্থী নিজের ফেসবুক ওয়ালে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। এর পরেই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার নাম এসাইনমেন্টে ভুল করায় তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের সাইদুল ইসলাম সাইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে এমন অভিনব কাজ দেন ওই শিক্ষক।
অভিনব এই এসাইনমেন্টের পিকচার নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে সাইদুল নামের ঐ শিক্ষার্থী লিখেছেন, "গত রাতটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। একটি শব্দের বানানে মাত্র একটি অতিরিক্ত অক্ষর"Morium"এর পরিবর্তে "Morioum" লেখার কারণে আমাকে পুরো লেখাটি ৩০০ বার সংশোধন করতে হয়েছে।"
অভিনব এসাইনমেন্টের বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান সরকার এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, "কত কত অযাচিত assignment করছি তার হিসেব নাই, ক্রিয়েটিভিটি বলতে দেখে দেখে এ্যাসাইনমেন্ট এর এই ধরনের র্যাগিং ই হয় এখানে, শিক্ষক কর্তৃক নানান র্যাগিং এর সম্মুখীন হওয়া খুবই মামুলি বিষয় এই বিভাগে।"
ইসরাত জাহান নামে এক শিক্ষার্থী কমেন্টে শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করেছেন, "তৃতীয় বর্ষে পড়ে একজন ফ্যাকাল্টি মেম্বারের নাম ভুল করেন, তাও আবার পোস্ট করেন নূন্যতম বিবেক বোধ থাকা উচিত।"
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকার কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী।’
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলছিলেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।’
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘আপনারা যারা বহুদিন নৌকা মার্কা বা অন্য কোনো মার্কায় ভোট দিয়েছেন, তারা বিশ্বাস করেছেন যে আপনাদের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক অধিকারের জন্য এটা করা উচিত, তাহলে আপনারা কোনো ভুল করেননি। যেমনটি গত নির্বাচনে আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে, স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন।’
বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মানিক মুখাজী কুডুর সভাপতিত্বে এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষ খ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দে. সহ পূজা উদ্যাপন পরিষদের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও প্রধান বক্তা ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা।
সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মৃনাল কান্তি সাহা, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান কল্যান ফ্রন্টের আহ্বায়ক এলবার্ট রিপন বল্লভ এবং সদস্যসচিব লিমন কৃষ্ণ সাহা কানু প্রমুখ।
বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী।’
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলছিলেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।’
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘আপনারা যারা বহুদিন নৌকা মার্কা বা অন্য কোনো মার্কায় ভোট দিয়েছেন, তারা বিশ্বাস করেছেন যে আপনাদের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক অধিকারের জন্য এটা করা উচিত, তাহলে আপনারা কোনো ভুল করেননি। যেমনটি গত নির্বাচনে আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে, স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন।’
বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মানিক মুখাজী কুডুর সভাপতিত্বে এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষ খ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দে. সহ পূজা উদ্যাপন পরিষদের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও প্রধান বক্তা ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা।
সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মৃনাল কান্তি সাহা, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান কল্যান ফ্রন্টের আহ্বায়ক এলবার্ট রিপন বল্লভ এবং সদস্যসচিব লিমন কৃষ্ণ সাহা কানু প্রমুখ।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পেতে প্রচার-প্রচরণায় ব্যস্ত বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের ১২৬ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী। বিপুল সংখ্যক এ প্রার্থীর ভিড়ে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার-প্রচারণায় মাঠে অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছেন মাত্র তিনজন নারী।
যাদের মধ্যে দুইজন দুটি দলের মনোনীত এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। আর এরমধ্যে ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
বরিশাল-৫ বা সদর আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। দ্বীপ জেলা ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সমাজকর্মী তাসলিমা বেগম। আগে তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন।
জানা গেছে, ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।
প্রায় ৬০ বছর বয়সী এ নারী নেত্রী ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার স্বামী প্রয়াত জুলফিকার আলী ভুট্টোও ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য। ইলেন ভুট্টোর শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস।
হলফনামা বলছে, ইলেন ভুট্টোর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।
নগদ রয়েছে ২১ লাখ ৩১ হাজার টাকা, ব্যাংকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একটি প্রাইভেটকার ও ৩০ তোলা সোনা রয়েছে। কৃষি ও অকৃষি জমির মূল্য ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। রাজধানীর উত্তরায় একটি বাড়িও রয়েছে তার।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।
বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ছয় লাখ ৭৩ হাজার টাকা এবং ঘোষিত ব্যয় ১৫ লাখ টাকা। নিজের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় বহন করছেন তিনি।
বরিশাল-৫ বা সদর আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। ব্যক্তিগত উদ্যোগ আর স্বজনদের সহায়তার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে ৩৫ বছর বয়সী বামপন্থি এ নারী রাজনীতিকের প্রচারণা। সীমিত সম্পদ, পরিচিতজনের সহযোগিতা, আর মাটির ব্যাংকে শ্রমজীবীদের জমানো অল্পস্বল্প টাকায় এগোচ্ছে এমবিবিএস চিকিৎসক ডা. মনীষার নির্বাচনী প্রচারণা। বড় ব্যানার, শোভাযাত্রা বা গাড়ি কিছু নেই তার। তবে একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে হেঁটে মানুষের সঙ্গে কথা বলা আর শ্রমজীবী মানুষের ওপর আস্থাই তার নির্বাচনের বড় শক্তি।
হলফনামায় ডা. মনীষা অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ২৮ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। এরমধ্যে নগদ ১২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, ব্যাংকে চার লাখ ৬৪ হাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী আমানত পাঁচ লাখ টাকা। রয়েছে পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ৬৯ হাজার টাকা। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা। চিকিৎসা পেশা ও ব্যাংকের মুনাফা মিলিয়ে মাসিক আয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ২২ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী নির্ভর করছেন পারিবারিক ও সামাজিক সহায়তার ওপর। বোন তন্দ্রা চক্রবর্ত্তী ধার দেবেন তিন লাখ টাকা, কাকাতো ভাই দুই লাখ টাকা। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা তপন চক্রবর্ত্তী দেবেন ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া শ্রমজীবী মানুষের মাটির ব্যাংকে জমানো টাকাও উৎসর্গ করা হয়েছে তার নির্বাচনি ব্যয়ে।
দ্বীপ জেলা ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সমাজকর্মী তাসলিমা বেগম। আগে তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৪.৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন। সেখান থেকে পদত্যাগ করে প্রার্থী হয়েছেন সংসদ নির্বাচনে।
আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপির রাজনীতি করতেন তাসলিমা বেগম। তখন দৌলতখান থানা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উত্তর জয়নগর ইউনিয়ন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ভোলা জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে তার পেশা ছিল আইনজীবী সহকারী। ২০২৪ এর পরে তিনি দলের পদ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
৮ম শ্রেণি পাস এই নারী সমাজকর্মীর স্বামী দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি তিন ছেলে এবং তিন মেয়েসহ ছয় সন্তানের জননী। হলফনামায় তিনি তার বর্তমান পেশা উল্লেখ করেছেন দর্জির কাজ। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার বাৎসরিক আয় ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা। এ টাকায় তিনি ব্যয় করবেন নির্বাচনে।
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪০
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬