শারদীয় দুর্গোৎসব আয়োজনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটার সমূহ আলামত পেয়ে বরিশাল নগরীতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। বিশেষ করে বুধবার নবমীর রাতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়গুলোকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আনসার সদস্যের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয় মন্দিরগুলোতে।
মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, পুলিশ হেডকোয়াটার থেকে বুধবার রাত দেড়টার দিকে খবর আসে দুর্গোৎসব আয়োজনকে ঘিরে সমাজে হিংসা ছড়ানোর হুমকি রয়েছে। আকস্মিক এই খবরের ভিত্তিতে দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা জোরদারে মাঠপুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, এতদিন মন্দিরগুলোতে কম সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও বুধবার রাতে পুলিশের উর্ধ্বতন নির্দেশনার আলোকে এই সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। এবং থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানও শহরের বিভিন্ন এলাকাসমূহের উপাসনালয়গুলোতে একের পর এক ছুটছেন, সেখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে কথা বলছেন।
কথিত হুমকির বিষয়টি শোনার কথা স্বীকার করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে গভীর রাতে শহরের মন্দিরগুলোতে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা বজায় রাখতে আনসার সদস্যরাও সমান্তরাল কাজ করছেন।
বুধবার রাত পৌনে ২টায় ওসি জানান, তিনি শহরের ৪২টি মন্দিরে ঘুরেছেন এবং সেখানকার দায়িত্বশীলদের সাথে আলোচনা করেছেন। কিন্তু কোথাও এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
গভীর রাতে মন্দিরসমূহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধির নির্দেশনা দিয়ে মাঠপুলিশের কার্যক্রম তদারকি করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৫৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন বিভাগের প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন করছেন তারা। বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকসহ বিভাগের অন্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সেখানে গেলে সেখানে হাফিজ আশরাফুল হককে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সজিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের দাবিতে আমরা অনশনে বসেছি। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য তারা বর্তমান চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক থেকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে হাফিজ আশরাফুল হক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগটির মাত্র দুটি ব্যাচ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন বিভাগের প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন করছেন তারা। বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকসহ বিভাগের অন্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সেখানে গেলে সেখানে হাফিজ আশরাফুল হককে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সজিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের দাবিতে আমরা অনশনে বসেছি। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য তারা বর্তমান চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক থেকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে হাফিজ আশরাফুল হক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগটির মাত্র দুটি ব্যাচ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:২৯
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সাদ্দাম হাওলাদার সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও তিনি ওই ভিডিওর কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না সে ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাদ্দাম হাওলাদার লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি মো. সাদ্দাম হাওলাদার জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।
আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারো কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানের মতো সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয়, আমার চাইতে হাজারো লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারো ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই।’
সবশেষে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক, ভেবেছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরেও যে মানবসেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিব আল্লাহ ভরসা। বিগত দিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সাদ্দাম হাওলাদার সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও তিনি ওই ভিডিওর কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না সে ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাদ্দাম হাওলাদার লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি মো. সাদ্দাম হাওলাদার জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।
আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারো কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানের মতো সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয়, আমার চাইতে হাজারো লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারো ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই।’
সবশেষে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক, ভেবেছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরেও যে মানবসেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিব আল্লাহ ভরসা। বিগত দিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৪০
বরিশালে প্রতারণা মামলায় নারগিজ আক্তার (৪৫) নামের এক কৃষি কর্মকর্তা কারাগারে গেছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সোমবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ আদেশ। নারগিজ আক্তার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা এবং তিনি স্থানীয় ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিনের স্ত্রী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিএম কলেজ সম্মুখে একটি ভূমি বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন সোলনা গ্রামের জনৈক বাসিন্দাকে দেওয়ার কথা বলে নারগিজ আক্তার নগদ ৮ লাখ টাকা নেন। কিন্তু তাকে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে তিনি অপর আরেকজনের কাছে বিক্রি করে দেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫০৬/৪২০ ধারায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন এবং এর প্রেক্ষিতে একই বছরের ২৩ ডিসেম্বর তিনি আদালতে হাজির হয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু আদালতে দেওয়া সেই অঙ্গীকার তিনি রক্ষা করেননি। এরপরে আদালত চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে পালিয়ে ছিলেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) কৃষি কর্মকর্তা বরিশাল আদালতে এসে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
এই বিষয়ে জানতে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে অধীনস্থ কর্মকর্তার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টিতে এক ধরনের বিস্ময়প্রকাশ করেছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসা: মরিয়ম। তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, খোঁজখবর নিয়ে এই ঘটনায় প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে ব্যবস্থাগ্রহণ করনা হবে।’
বরিশালে প্রতারণা মামলায় নারগিজ আক্তার (৪৫) নামের এক কৃষি কর্মকর্তা কারাগারে গেছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সোমবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ আদেশ। নারগিজ আক্তার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা এবং তিনি স্থানীয় ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিনের স্ত্রী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিএম কলেজ সম্মুখে একটি ভূমি বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন সোলনা গ্রামের জনৈক বাসিন্দাকে দেওয়ার কথা বলে নারগিজ আক্তার নগদ ৮ লাখ টাকা নেন। কিন্তু তাকে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে তিনি অপর আরেকজনের কাছে বিক্রি করে দেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫০৬/৪২০ ধারায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন এবং এর প্রেক্ষিতে একই বছরের ২৩ ডিসেম্বর তিনি আদালতে হাজির হয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু আদালতে দেওয়া সেই অঙ্গীকার তিনি রক্ষা করেননি। এরপরে আদালত চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে পালিয়ে ছিলেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) কৃষি কর্মকর্তা বরিশাল আদালতে এসে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
এই বিষয়ে জানতে বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে অধীনস্থ কর্মকর্তার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টিতে এক ধরনের বিস্ময়প্রকাশ করেছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসা: মরিয়ম। তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, খোঁজখবর নিয়ে এই ঘটনায় প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে ব্যবস্থাগ্রহণ করনা হবে।’

০২ অক্টোবর, ২০২৫ ০২:৫৪
শারদীয় দুর্গোৎসব আয়োজনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটার সমূহ আলামত পেয়ে বরিশাল নগরীতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। বিশেষ করে বুধবার নবমীর রাতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়গুলোকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি আনসার সদস্যের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয় মন্দিরগুলোতে।
মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, পুলিশ হেডকোয়াটার থেকে বুধবার রাত দেড়টার দিকে খবর আসে দুর্গোৎসব আয়োজনকে ঘিরে সমাজে হিংসা ছড়ানোর হুমকি রয়েছে। আকস্মিক এই খবরের ভিত্তিতে দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা জোরদারে মাঠপুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, এতদিন মন্দিরগুলোতে কম সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও বুধবার রাতে পুলিশের উর্ধ্বতন নির্দেশনার আলোকে এই সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। এবং থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানও শহরের বিভিন্ন এলাকাসমূহের উপাসনালয়গুলোতে একের পর এক ছুটছেন, সেখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে কথা বলছেন।
কথিত হুমকির বিষয়টি শোনার কথা স্বীকার করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে গভীর রাতে শহরের মন্দিরগুলোতে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা বজায় রাখতে আনসার সদস্যরাও সমান্তরাল কাজ করছেন।
বুধবার রাত পৌনে ২টায় ওসি জানান, তিনি শহরের ৪২টি মন্দিরে ঘুরেছেন এবং সেখানকার দায়িত্বশীলদের সাথে আলোচনা করেছেন। কিন্তু কোথাও এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
গভীর রাতে মন্দিরসমূহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধির নির্দেশনা দিয়ে মাঠপুলিশের কার্যক্রম তদারকি করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬