
১৭ জুন, ২০২৫ ২০:৪১
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে তেহরানে অবস্থানরত ৪০০ বাংলাদেশি গুরুতর ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদেরকে এরই মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার তৎপরতা শুরু করেছে দূতাবাস। এখন পর্যন্ত ১০০ বাংলাদেশি নিরাপত্তা ইস্যুতে দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়েছে, তাদেরকে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে ইরানে প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন। ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী মঙ্গলবার এসব তথ্য জানান।
ভারপ্রাপ্ত সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, ইরানে প্রায় ২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন। এর মধ্যে তেহরানে আছেন প্রায় ৪০০ জন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের ৪০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও রয়েছেন। ইসরাইলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি বর্তমানে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছেন। তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। গত সোমবার রেডিও তেহরানের কার্যালয় ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে। রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগে কমপক্ষে ৮জন বাংলাদেশি সাংবাদিক কাজ করেন। হামলার সময় তারা অফিসেই ছিলেন। তবে তারা নিরাপদ ছিলেন।
ভারপ্রাপ্ত সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, এরই মধ্যে তেহরানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই স্থানান্তরের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তেহরানে অবস্থানরত ১০০ জন বাংলাদেশি নিরাপদ আশ্রয় চেয়ে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তাদের নিরাপদ এলাকায় সরে যাওয়ার জন্য সকল ধরনের (বাসস্থান, খাবার, ওষুধসহ আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার বাংলাদেশ সরকার বহন করছে) সহযোগিতা করা হচ্ছে। শুধু তাদেরই নয় যারাই আমাদের সহযোগিতা চাইবেন তাদের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এজন্য হট লাইন চালু করা হয়েছে। তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইতোমধ্যে নিজের বাসভবন ছেড়ে তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসও ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা দূতাবাসও নিরাপদ কোনো স্থানে সরিয়ে নিচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ইরান থেকে বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সহজ নয়। ইরানের সঙ্গে আকাশ যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সহজেই ইরান ছেড়ে অন্যত্র যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আবার স্থলপথে ইরান থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও নিরাপদ নয়। তাই তেহরান থেকে ইরানের মধ্যেই নিরাপদ দূরত্বে বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো অত্যন্ত কঠিন। তবে আমরা বিকল্প পথ খুঁজছি। এইক্ষেত্রে আমাদের বন্ধু দেশসহ ইরানের সহযোগিতা নিচ্ছি।
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই ঘটনার খুব বেশিদিন হয়নি এবং এমন পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা আমাদের জানা নাই। তাই অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে তা এখনই আমরা নিরূপণ করতে পারিনি।
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান কী? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিফিংয়ে বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি স্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্যের সমর্থনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গত ১৩ জুন বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কূটনীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাই স্থায়ী শান্তির একমাত্র কার্যকর পথ। বাংলাদেশ সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল এ অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে, এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এ হামলা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি ও ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি স্পষ্ট লঙ্ঘন। এধরনের হামলা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তায় একটি গুরুতর হুমকি এবং এটি সুদূরপ্রসারী পরিণতি ডেকে আনবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশি নাগরিক ও বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়স্বজন জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিম্নলিখিত মোবাইল ফোন নম্বরগুলোতে (হোয়াটসঅ্যাপ সহ) সরাসরি যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, তেহরান হটলাইন: +৯৮৯৯০৮৫৭৭৩৬৮ ও +৯৮৯১২২০৬৫৭৪৫। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা হটলাইন: +৮৮০১৭১২০১২৮৪৭।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে তেহরানে অবস্থানরত ৪০০ বাংলাদেশি গুরুতর ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদেরকে এরই মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার তৎপরতা শুরু করেছে দূতাবাস। এখন পর্যন্ত ১০০ বাংলাদেশি নিরাপত্তা ইস্যুতে দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়েছে, তাদেরকে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে ইরানে প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন। ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী মঙ্গলবার এসব তথ্য জানান।
ভারপ্রাপ্ত সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, ইরানে প্রায় ২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন। এর মধ্যে তেহরানে আছেন প্রায় ৪০০ জন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের ৪০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও রয়েছেন। ইসরাইলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি বর্তমানে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছেন। তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। গত সোমবার রেডিও তেহরানের কার্যালয় ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে। রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগে কমপক্ষে ৮জন বাংলাদেশি সাংবাদিক কাজ করেন। হামলার সময় তারা অফিসেই ছিলেন। তবে তারা নিরাপদ ছিলেন।
ভারপ্রাপ্ত সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক বলেন, এরই মধ্যে তেহরানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই স্থানান্তরের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তেহরানে অবস্থানরত ১০০ জন বাংলাদেশি নিরাপদ আশ্রয় চেয়ে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তাদের নিরাপদ এলাকায় সরে যাওয়ার জন্য সকল ধরনের (বাসস্থান, খাবার, ওষুধসহ আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার বাংলাদেশ সরকার বহন করছে) সহযোগিতা করা হচ্ছে। শুধু তাদেরই নয় যারাই আমাদের সহযোগিতা চাইবেন তাদের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এজন্য হট লাইন চালু করা হয়েছে। তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইতোমধ্যে নিজের বাসভবন ছেড়ে তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসও ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা দূতাবাসও নিরাপদ কোনো স্থানে সরিয়ে নিচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ইরান থেকে বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সহজ নয়। ইরানের সঙ্গে আকাশ যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সহজেই ইরান ছেড়ে অন্যত্র যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আবার স্থলপথে ইরান থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও নিরাপদ নয়। তাই তেহরান থেকে ইরানের মধ্যেই নিরাপদ দূরত্বে বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো অত্যন্ত কঠিন। তবে আমরা বিকল্প পথ খুঁজছি। এইক্ষেত্রে আমাদের বন্ধু দেশসহ ইরানের সহযোগিতা নিচ্ছি।
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এই ঘটনার খুব বেশিদিন হয়নি এবং এমন পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা আমাদের জানা নাই। তাই অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে তা এখনই আমরা নিরূপণ করতে পারিনি।
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান কী? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিফিংয়ে বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি স্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্যের সমর্থনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গত ১৩ জুন বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কূটনীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাই স্থায়ী শান্তির একমাত্র কার্যকর পথ। বাংলাদেশ সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল এ অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে, এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এ হামলা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি ও ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি স্পষ্ট লঙ্ঘন। এধরনের হামলা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তায় একটি গুরুতর হুমকি এবং এটি সুদূরপ্রসারী পরিণতি ডেকে আনবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশি নাগরিক ও বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়স্বজন জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিম্নলিখিত মোবাইল ফোন নম্বরগুলোতে (হোয়াটসঅ্যাপ সহ) সরাসরি যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস, তেহরান হটলাইন: +৯৮৯৯০৮৫৭৭৩৬৮ ও +৯৮৯১২২০৬৫৭৪৫। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা হটলাইন: +৮৮০১৭১২০১২৮৪৭।

১১ মার্চ, ২০২৬ ২২:৪৪
উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতাকে কেন্দ্র করে পূর্ব এশিয়ায় নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। দেশটির পশ্চিম উপকূলে একটি অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার থেকে ধারাবাহিকভাবে বেশ কিছু ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তদারকি করেছেন সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন।
বুধবার (১১ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এই খবর নিশ্চিত করে জানায় যে, মূলত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে নিজেদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যাচাই করার পাশাপাশি নৌবাহিনীর সদস্যদের দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতা পরখ করতেই মঙ্গলবার এই বিশেষ মহড়া চালানো হয়েছে।
পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই নামফো উপকূলের কাছে ‘৫১ নম্বর চো হিয়ন’ নামক একটি রণতরী থেকে এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়।
ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উড্ডয়নের ক্ষেত্রে এক অভাবনীয় রেকর্ড তৈরি করেছে। এগুলো কোরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম সাগর বরাবর নির্ধারিত পথ ধরে প্রায় ১৬৯ মিনিট বা ১০ হাজার ১৩৮ সেকেন্ড আকাশপথে উড়ে গিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট দ্বীপের লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানে। উড্ডয়ন সময়ের এই দীর্ঘ রেকর্ডটি ২০২২ ও ২০২৩ সালে পরীক্ষিত ‘হাওয়াসাল’ কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতার প্রায় সমান।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রকাশিত ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, যুদ্ধজাহাজটির পেছনের অংশে থাকা আধুনিক ভার্টিক্যাল লঞ্চিং সিস্টেম থেকে পশ্চিম দিকে দ্রুত গতিতে একে একে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে উঠে যাচ্ছে। এর আগে ৪ মার্চও একই জাহাজ থেকে আরও পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে নিজেদের রণপ্রস্তুতি ঝালিয়ে নিয়েছিল উত্তর কোরিয়া।
বরিশাল টাইমস
উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতাকে কেন্দ্র করে পূর্ব এশিয়ায় নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। দেশটির পশ্চিম উপকূলে একটি অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার থেকে ধারাবাহিকভাবে বেশ কিছু ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তদারকি করেছেন সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন।
বুধবার (১১ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এই খবর নিশ্চিত করে জানায় যে, মূলত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে নিজেদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যাচাই করার পাশাপাশি নৌবাহিনীর সদস্যদের দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতা পরখ করতেই মঙ্গলবার এই বিশেষ মহড়া চালানো হয়েছে।
পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই নামফো উপকূলের কাছে ‘৫১ নম্বর চো হিয়ন’ নামক একটি রণতরী থেকে এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়।
ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উড্ডয়নের ক্ষেত্রে এক অভাবনীয় রেকর্ড তৈরি করেছে। এগুলো কোরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম সাগর বরাবর নির্ধারিত পথ ধরে প্রায় ১৬৯ মিনিট বা ১০ হাজার ১৩৮ সেকেন্ড আকাশপথে উড়ে গিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট দ্বীপের লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানে। উড্ডয়ন সময়ের এই দীর্ঘ রেকর্ডটি ২০২২ ও ২০২৩ সালে পরীক্ষিত ‘হাওয়াসাল’ কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতার প্রায় সমান।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রকাশিত ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, যুদ্ধজাহাজটির পেছনের অংশে থাকা আধুনিক ভার্টিক্যাল লঞ্চিং সিস্টেম থেকে পশ্চিম দিকে দ্রুত গতিতে একে একে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে উঠে যাচ্ছে। এর আগে ৪ মার্চও একই জাহাজ থেকে আরও পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে নিজেদের রণপ্রস্তুতি ঝালিয়ে নিয়েছিল উত্তর কোরিয়া।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৭
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি বা অস্থায়ী ছাড় (ওয়েভার) চেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারতের মতো বাংলাদেশের কাছেও একই ধরনের সুযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলানগরে পরিকল্পনা মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।
আমীর খসরু সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে অস্থায়ী ওয়েভার দিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকেও যদি এমন সুযোগ দেওয়া হয়, তবে তা আমাদের অর্থনীতির জন্য বড় সহায়তা হবে। বিষয়টি তারা ওয়াশিংটনে পাঠাবে। এখন দেখা যাক কী হয়।’
বৈঠকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও আলোকপাত হয়েছে।
আমীর খসরু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে বৈঠকে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে বাংলাদেশের স্বার্থে বিষয়টি সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা চলবে।
তিনি আরও জানান, বর্তমান আন্তর্জাতিক সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সরকারের করণীয় নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুদ্ধ স্বল্পমেয়াদি হোক বা দীর্ঘমেয়াদি, প্রতিটি পরিস্থিতি মাথায় রেখে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি বা অস্থায়ী ছাড় (ওয়েভার) চেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারতের মতো বাংলাদেশের কাছেও একই ধরনের সুযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলানগরে পরিকল্পনা মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।
আমীর খসরু সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে অস্থায়ী ওয়েভার দিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকেও যদি এমন সুযোগ দেওয়া হয়, তবে তা আমাদের অর্থনীতির জন্য বড় সহায়তা হবে। বিষয়টি তারা ওয়াশিংটনে পাঠাবে। এখন দেখা যাক কী হয়।’
বৈঠকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও আলোকপাত হয়েছে।
আমীর খসরু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে বৈঠকে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে বাংলাদেশের স্বার্থে বিষয়টি সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা চলবে।
তিনি আরও জানান, বর্তমান আন্তর্জাতিক সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সরকারের করণীয় নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুদ্ধ স্বল্পমেয়াদি হোক বা দীর্ঘমেয়াদি, প্রতিটি পরিস্থিতি মাথায় রেখে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৬
ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।
মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক অঞ্চলটি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে সহায়তা করেছে পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন সরকার ইতোমধ্যে দুই ডজনের বেশি চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। তবে এসব ফ্লাইটে গড়ে ৪০ শতাংশেরও কম আসন ব্যবহার হয়েছে, কারণ অনেক মার্কিন নাগরিক বাণিজ্যিক ফ্লাইটেই দেশে ফিরতে পছন্দ করেছেন।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে চার্টার ফ্লাইট ও স্থলপথে পরিবহন কার্যক্রম এখনো চালু রয়েছে। প্রয়োজন হলে যেকোনো মার্কিন নাগরিক সরকারের কাছে সহায়তা চাইতে পারবেন।
বরিশাল টাইমস
ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।
মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক অঞ্চলটি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে সহায়তা করেছে পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন সরকার ইতোমধ্যে দুই ডজনের বেশি চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। তবে এসব ফ্লাইটে গড়ে ৪০ শতাংশেরও কম আসন ব্যবহার হয়েছে, কারণ অনেক মার্কিন নাগরিক বাণিজ্যিক ফ্লাইটেই দেশে ফিরতে পছন্দ করেছেন।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে চার্টার ফ্লাইট ও স্থলপথে পরিবহন কার্যক্রম এখনো চালু রয়েছে। প্রয়োজন হলে যেকোনো মার্কিন নাগরিক সরকারের কাছে সহায়তা চাইতে পারবেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.