
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭
বরিশাল বিভাগে নতুন করে হাম বা রুবিওলার উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের শরীরে রুবিওনা শনাক্ত হয়। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৯ শিশুর মৃত্যুর খবর রয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র বলছে, বছরের শুরুর দিকেই রুবিওলার উপসর্গ নিয়ে বরিশাল বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোয় সীমিতসংখ্যক শিশু আসতে থাকলেও মার্চে তা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায় এবং সঙ্গে প্রাণহানিও ঘটে। এ পর্যন্ত বিভাগে রুবিওনার উপসর্গ নিয়ে ৩৮৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৬ জন শনাক্ত হয়। মার্চে অধিকাংশ শিশু হাসপাতালে আসে এবং তাদের শরীরেও রুবিওলা শনাক্ত হয়।
সূত্রটি জানায়, গত বুধবার সকাল আটটা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোয় ১১৫ শিশু রুবিওনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়। এ নিয়ে বর্তমানে বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোয় ২১৫ শিশু চিকিৎসাধীন আছেন।
তবে বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে সর্বদক্ষিণের জেলা বরগুনায়। চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৩৮৫ শিশুর মধ্যে বরগুনা জেলার ৯৮ শিশু রয়েছে। হাম শনাক্ত হওয়া ৬৬ শিশুর মধ্যে ২৬ শিশুই এই জেলার।
সূত্রগুলো জানায়, এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১৬ শিশু উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হলেও একজনেরও হাম শনাক্ত হয়নি। বর্তমানে এই হাসপাতালে ভর্তি আছে ৫৪ শিশু। বরিশাল শহরের ৭ জন, বরিশাল জেলায় ১৮, পটুয়াখালীতে ৪, ভোলায় ৪, পিরোজপুরে ১, বরগুনায় ২৬ এবং ঝালকাঠিতে ৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে গত এক সপ্তাহে এত শিশু হাসপাতালে আসছে যে হাসপাতালগুলোয় স্থান দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে এক শয্যায় তিন থেকে চারজন, আবার কোথাও মেঝেতে শয্যা পাততে হচ্ছে।
অবশ্য শয্যা সংকটের এই অভিযোগ অস্বীকার করছেন না বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল।
তিনি রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, হাসপাতালগুলোয় শিশুরা যথাযথ চিকিৎসাসেবা যেন পায়, তা নিশ্চিত করতে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। তবে হাম যেহেতু সংক্রামক, সেক্ষেত্রে সচেতনতা, বিশেষ করে উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশুকে আইসোলেশনে রাখতে হবে। এবং যেসব শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি আছে, তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে, এর বিকল্প নেই।’
বরিশাল বিভাগে নতুন করে হাম বা রুবিওলার উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের শরীরে রুবিওনা শনাক্ত হয়। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৯ শিশুর মৃত্যুর খবর রয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র বলছে, বছরের শুরুর দিকেই রুবিওলার উপসর্গ নিয়ে বরিশাল বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোয় সীমিতসংখ্যক শিশু আসতে থাকলেও মার্চে তা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায় এবং সঙ্গে প্রাণহানিও ঘটে। এ পর্যন্ত বিভাগে রুবিওনার উপসর্গ নিয়ে ৩৮৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৬ জন শনাক্ত হয়। মার্চে অধিকাংশ শিশু হাসপাতালে আসে এবং তাদের শরীরেও রুবিওলা শনাক্ত হয়।
সূত্রটি জানায়, গত বুধবার সকাল আটটা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোয় ১১৫ শিশু রুবিওনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়। এ নিয়ে বর্তমানে বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোয় ২১৫ শিশু চিকিৎসাধীন আছেন।
তবে বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে সর্বদক্ষিণের জেলা বরগুনায়। চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৩৮৫ শিশুর মধ্যে বরগুনা জেলার ৯৮ শিশু রয়েছে। হাম শনাক্ত হওয়া ৬৬ শিশুর মধ্যে ২৬ শিশুই এই জেলার।
সূত্রগুলো জানায়, এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১৬ শিশু উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হলেও একজনেরও হাম শনাক্ত হয়নি। বর্তমানে এই হাসপাতালে ভর্তি আছে ৫৪ শিশু। বরিশাল শহরের ৭ জন, বরিশাল জেলায় ১৮, পটুয়াখালীতে ৪, ভোলায় ৪, পিরোজপুরে ১, বরগুনায় ২৬ এবং ঝালকাঠিতে ৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে গত এক সপ্তাহে এত শিশু হাসপাতালে আসছে যে হাসপাতালগুলোয় স্থান দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে এক শয্যায় তিন থেকে চারজন, আবার কোথাও মেঝেতে শয্যা পাততে হচ্ছে।
অবশ্য শয্যা সংকটের এই অভিযোগ অস্বীকার করছেন না বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল।
তিনি রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, হাসপাতালগুলোয় শিশুরা যথাযথ চিকিৎসাসেবা যেন পায়, তা নিশ্চিত করতে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। তবে হাম যেহেতু সংক্রামক, সেক্ষেত্রে সচেতনতা, বিশেষ করে উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশুকে আইসোলেশনে রাখতে হবে। এবং যেসব শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি আছে, তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে, এর বিকল্প নেই।’

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২২
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এই আবহাওয়া রীতি অব্যাহত থাকতে পারে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালীসহ ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, রাঙামাটি, চাঁদপুর জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামীকাল রোববার সকাল ৯টার মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ২/১ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমক হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে, জানিয়েছে অধিদপ্তর।
পূর্বাভাসে আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।’
মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে ১০২ মিলিমিটার।
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এই আবহাওয়া রীতি অব্যাহত থাকতে পারে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালীসহ ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, রাঙামাটি, চাঁদপুর জেলাসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামীকাল রোববার সকাল ৯টার মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ২/১ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমক হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে, জানিয়েছে অধিদপ্তর।
পূর্বাভাসে আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।’
মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে ১০২ মিলিমিটার।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৩
বরিশাল নগরীর ফুটপাত, রাস্তা ও জনসাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নিজ দায়িত্বে অপসারণের জন্য নোটিশ জারি করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকালে বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রশাসকের মিডিয়া সেল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মিডিয়া সেলের এডমিন সাকলাইন মোস্তাক সাংবাদিকদের জানান, সিটি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের নির্দেশে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ফুটপাত, রাস্তা এবং জনসাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় অবৈধ দোকান ও স্থাপনা আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে নিজ দায়িত্বে অপসারণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করে নোটিশ দেয়া হয়েছে। ১০ এপ্রিল এর পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে সিটি করপোরেশন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, আমার জন্ম এই শহরে। আমি জানি এই শহরে কি কি সমস্যা রয়েছে। বরিশাল নগরীর অধিকাংশ ফুটপাত অবৈধ দখলে রয়েছে, জনসাধারণ চলাচল করতে পারে না। এসব আর সহ্য করা হবে না।
সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। ঐ সময়ের মধ্যে নিজের অবৈধ স্থাপনা নিজে না সরালে আমরা সেগুলো উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেবো।
সিটি কর্পোরেশনের যাবতীয় সেবা নিয়ে সমস্যা, অভিযোগ, পরামর্শ ও সম্ভাবনা জানাতে ০১৬১৬১৬৪৬৯৬ ও ০১৭৩০৪৪১৩৩৫ এই দুইটি নম্বরের হোয়াটস অ্যাপে ছবি ও ভিডিও সহকারে সরাসরি প্রশাসক বরাবর পাঠানোর জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে।
বরিশাল নগরীর ফুটপাত, রাস্তা ও জনসাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নিজ দায়িত্বে অপসারণের জন্য নোটিশ জারি করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকালে বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রশাসকের মিডিয়া সেল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মিডিয়া সেলের এডমিন সাকলাইন মোস্তাক সাংবাদিকদের জানান, সিটি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের নির্দেশে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ফুটপাত, রাস্তা এবং জনসাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় অবৈধ দোকান ও স্থাপনা আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে নিজ দায়িত্বে অপসারণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করে নোটিশ দেয়া হয়েছে। ১০ এপ্রিল এর পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে সিটি করপোরেশন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, আমার জন্ম এই শহরে। আমি জানি এই শহরে কি কি সমস্যা রয়েছে। বরিশাল নগরীর অধিকাংশ ফুটপাত অবৈধ দখলে রয়েছে, জনসাধারণ চলাচল করতে পারে না। এসব আর সহ্য করা হবে না।
সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। ঐ সময়ের মধ্যে নিজের অবৈধ স্থাপনা নিজে না সরালে আমরা সেগুলো উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেবো।
সিটি কর্পোরেশনের যাবতীয় সেবা নিয়ে সমস্যা, অভিযোগ, পরামর্শ ও সম্ভাবনা জানাতে ০১৬১৬১৬৪৬৯৬ ও ০১৭৩০৪৪১৩৩৫ এই দুইটি নম্বরের হোয়াটস অ্যাপে ছবি ও ভিডিও সহকারে সরাসরি প্রশাসক বরাবর পাঠানোর জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৫
বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী সাবরিনা আক্তার (জিয়া) আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলিগলি ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন।
পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে সাবরিনা আক্তার বলেন, আমি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার আমার স্বামীর বাড়ি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের আকন বাড়ি। আমি ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনতে এবং পাশে থাকতে আমি মাঠে নেমেছি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন, নারীদের ক্ষমতায়ন এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে কাজ করবো।
এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় সমর্থক ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ভোটারদের কাছে সাবরিনা আক্তারের পক্ষে সমর্থন কামনা করেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রার্থী সাবরিনা আক্তারের সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিকতায় তারা সন্তুষ্ট। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
এদিকে, ঈদুল ফিতরের পর থেকেই দিন দিন তার গণসংযোগ কার্যক্রম আরও জোরদার হচ্ছে, যা নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী সাবরিনা আক্তার (জিয়া) আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলিগলি ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন।
পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে সাবরিনা আক্তার বলেন, আমি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার আমার স্বামীর বাড়ি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের আকন বাড়ি। আমি ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনতে এবং পাশে থাকতে আমি মাঠে নেমেছি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন, নারীদের ক্ষমতায়ন এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে কাজ করবো।
এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় সমর্থক ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ভোটারদের কাছে সাবরিনা আক্তারের পক্ষে সমর্থন কামনা করেন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রার্থী সাবরিনা আক্তারের সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিকতায় তারা সন্তুষ্ট। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
এদিকে, ঈদুল ফিতরের পর থেকেই দিন দিন তার গণসংযোগ কার্যক্রম আরও জোরদার হচ্ছে, যা নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৬
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩২
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২২
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১৪