
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৮
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী বছরের ২ জানুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় এবার প্রার্থীদের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে। প্রায় ১১ লাখ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রথম ধাপে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে প্রতিটি পদের জন্য প্রায় ৭৩ জন ও দ্বিতীয় ধাপে প্রতিটি পদের জন্য ৮০ জনের বেশি প্রার্থী লড়বেন। তাই প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে সঠিক কৌশল অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
পরীক্ষার মানবণ্টন ও নিয়ম
যাঁরা এবারই প্রথম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, তাঁদের পরীক্ষার মানবণ্টন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
পরীক্ষার ধরন নম্বর সময়
লিখিত (এমসিকিউ) ৯০ নম্বর ৯০ মিনিট
মৌখিক পরীক্ষা ১০ নম্বর
লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫ নম্বর কাটা যাবে। তাই নিশ্চিত না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখতে হবে, লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক নম্বর
বাংলা: ২৫ নম্বর
ইংরেজি: ২৫ নম্বর
সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক): ২০ নম্বর
গণিত ও বিজ্ঞান: ৩০ নম্বর (এখানে গণিত, বিজ্ঞানসহ অন্যান্য মৌলিক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত)
প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের পরামর্শ
চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য বিগত বছরের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ (২০০৯-২৩), প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, এটিইও, টিইও ও পিটিআই ইনস্ট্রাক্টর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে পড়ুন। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নগুলোও যথাযথ অনুশীলন করতে হবে। সেই আলোকে নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন।
বাংলা
কারক, সন্ধি, সমাস, বাগ্ধারা, বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, বাক্য সংকোচন—এগুলো নিয়মিত চর্চা করুন। সাহিত্য অংশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জীবনানন্দ দাস, শামসুর রাহমান রহমান, আল মাহমুদ, জহির রায়হানসহ গুরুত্বপূর্ণ কবিদের কবিতা ও রচনাগুলো ভালোভাবে পড়ুন। সহায়ক বই হিসেবে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির এনসিটিবির বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য বইটি পড়তে পারেন।
ইংরেজি
ইংরেজি সাহিত্যের মৌলিক বিষয়গুলো অনুশীলন করতে হবে। গ্রামার অংশে Parts of Speech, Tense, Voice, Narration, Preposition, Correction, Synonym-Antonym, Idioms-Phrase—এগুলোর অনুশীলন জরুরি। এনসিটিবি গ্রামার বই ও নামকরা লেখকদের গ্রামার প্র্যাকটিস বই এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
সাধারণ জ্ঞান
সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির ওপর জোর দিন।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্থাপনা, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, প্রশাসনিক কাঠামো, জাতীয় দিবস ও প্রাথমিক শিক্ষা-সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্ন।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: ভৌগোলিক সীমারেখা, প্রণালি, দ্বীপ, চুক্তি, সংগঠন (যেমন জাতিসংঘ), আন্তর্জাতিক দিবস, খেলাধুলা ও পুরস্কার।
সহায়ক বই: এনসিটিবির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ভূগোল ও অর্থনীতি বইগুলো পড়লে বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবরও নিয়মিত দেখতে হবে।
গণিত ও বিজ্ঞান
গণিত বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে অধিক অনুশীলনে বেশি নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গণিতকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করে প্রস্তুতি নিন—পার্টিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতি।
পার্টিগণিত: লাভ-ক্ষতি, সুদকষা, গড়, শতকরা, ঐকিক নিয়ম, লসাগু ও গসাগু। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির এনসিটিবির গণিত বোর্ড বই অনুশীলন করতে পারেন।
বীজগণিত: মাননির্ণয়, উৎপাদক বিশ্লেষণ, সরল সমীকরণ, সূচক ও লগারিদম, সেট ও ফাংশন। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির গণিত বোর্ড বই সহায়ক।
জ্যামিতি: রেখা ও কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত, ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জ্যামিতিক অংশ বোর্ড বই অনুশীলন কাজে দেবে।
গণিতের পাশাপাশি বিজ্ঞানের প্রশ্নও আসবে। বিজ্ঞান অংশে পদার্থের অবস্থা, মৌলিক কণা, চুম্বকত্ব, শক্তি, উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ, রক্ত সঞ্চালন, রোগজীবাণু, খাদ্য ও পুষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে জোর দিতে হবে। সেই সঙ্গে আইসিটি বিষয়েও মৌলিক ধারণা থাকা আবশ্যক। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির এনসিটিবির গণিত ও বিজ্ঞান বই সহায়ক।
প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে যা মনে রাখবেন
নিয়মিত অধ্যয়ন করুন। পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ ও মডেল টেস্ট অনুশীলনই সাফল্যের চাবিকাঠি।
লেখক: বিশ্বজিৎ সুর, সহকারী শিক্ষক, গোয়ালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোতোয়ালি, ঢাকা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী বছরের ২ জানুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় এবার প্রার্থীদের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে। প্রায় ১১ লাখ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রথম ধাপে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে প্রতিটি পদের জন্য প্রায় ৭৩ জন ও দ্বিতীয় ধাপে প্রতিটি পদের জন্য ৮০ জনের বেশি প্রার্থী লড়বেন। তাই প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে সঠিক কৌশল অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
পরীক্ষার মানবণ্টন ও নিয়ম
যাঁরা এবারই প্রথম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, তাঁদের পরীক্ষার মানবণ্টন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
পরীক্ষার ধরন নম্বর সময়
লিখিত (এমসিকিউ) ৯০ নম্বর ৯০ মিনিট
মৌখিক পরীক্ষা ১০ নম্বর
লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫ নম্বর কাটা যাবে। তাই নিশ্চিত না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখতে হবে, লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক নম্বর
বাংলা: ২৫ নম্বর
ইংরেজি: ২৫ নম্বর
সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক): ২০ নম্বর
গণিত ও বিজ্ঞান: ৩০ নম্বর (এখানে গণিত, বিজ্ঞানসহ অন্যান্য মৌলিক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত)
প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের পরামর্শ
চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য বিগত বছরের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ (২০০৯-২৩), প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, এটিইও, টিইও ও পিটিআই ইনস্ট্রাক্টর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে পড়ুন। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নগুলোও যথাযথ অনুশীলন করতে হবে। সেই আলোকে নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন।
বাংলা
কারক, সন্ধি, সমাস, বাগ্ধারা, বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, বাক্য সংকোচন—এগুলো নিয়মিত চর্চা করুন। সাহিত্য অংশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জীবনানন্দ দাস, শামসুর রাহমান রহমান, আল মাহমুদ, জহির রায়হানসহ গুরুত্বপূর্ণ কবিদের কবিতা ও রচনাগুলো ভালোভাবে পড়ুন। সহায়ক বই হিসেবে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির এনসিটিবির বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য বইটি পড়তে পারেন।
ইংরেজি
ইংরেজি সাহিত্যের মৌলিক বিষয়গুলো অনুশীলন করতে হবে। গ্রামার অংশে Parts of Speech, Tense, Voice, Narration, Preposition, Correction, Synonym-Antonym, Idioms-Phrase—এগুলোর অনুশীলন জরুরি। এনসিটিবি গ্রামার বই ও নামকরা লেখকদের গ্রামার প্র্যাকটিস বই এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
সাধারণ জ্ঞান
সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির ওপর জোর দিন।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্থাপনা, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, প্রশাসনিক কাঠামো, জাতীয় দিবস ও প্রাথমিক শিক্ষা-সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্ন।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: ভৌগোলিক সীমারেখা, প্রণালি, দ্বীপ, চুক্তি, সংগঠন (যেমন জাতিসংঘ), আন্তর্জাতিক দিবস, খেলাধুলা ও পুরস্কার।
সহায়ক বই: এনসিটিবির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ভূগোল ও অর্থনীতি বইগুলো পড়লে বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবরও নিয়মিত দেখতে হবে।
গণিত ও বিজ্ঞান
গণিত বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে অধিক অনুশীলনে বেশি নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গণিতকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করে প্রস্তুতি নিন—পার্টিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতি।
পার্টিগণিত: লাভ-ক্ষতি, সুদকষা, গড়, শতকরা, ঐকিক নিয়ম, লসাগু ও গসাগু। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির এনসিটিবির গণিত বোর্ড বই অনুশীলন করতে পারেন।
বীজগণিত: মাননির্ণয়, উৎপাদক বিশ্লেষণ, সরল সমীকরণ, সূচক ও লগারিদম, সেট ও ফাংশন। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির গণিত বোর্ড বই সহায়ক।
জ্যামিতি: রেখা ও কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত, ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জ্যামিতিক অংশ বোর্ড বই অনুশীলন কাজে দেবে।
গণিতের পাশাপাশি বিজ্ঞানের প্রশ্নও আসবে। বিজ্ঞান অংশে পদার্থের অবস্থা, মৌলিক কণা, চুম্বকত্ব, শক্তি, উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ, রক্ত সঞ্চালন, রোগজীবাণু, খাদ্য ও পুষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে জোর দিতে হবে। সেই সঙ্গে আইসিটি বিষয়েও মৌলিক ধারণা থাকা আবশ্যক। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির এনসিটিবির গণিত ও বিজ্ঞান বই সহায়ক।
প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে যা মনে রাখবেন
নিয়মিত অধ্যয়ন করুন। পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ ও মডেল টেস্ট অনুশীলনই সাফল্যের চাবিকাঠি।
লেখক: বিশ্বজিৎ সুর, সহকারী শিক্ষক, গোয়ালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোতোয়ালি, ঢাকা

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন। ভারতের অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত আনোয়ার হোসেন ওই উপজেলার উত্তর নলকুড়া গ্রামের মো. মজিবরের ছেলে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) জানায়, আনোয়ার হোসেন জনৈক এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। মূলত সেই সম্পর্কের টানেই তিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, গত বছরও একই কারণে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও দমানো যায়নি তাকে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমের টানে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আনোয়ার। কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছাতেই রাতের অন্ধকারে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা পাহাড়ি গারো লোক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হামলায় আনোয়ার গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় কোনো মতে বাংলাদেশে ফিরে আসলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালানসহ যেকোনোপ্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন অমান্য করার ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটছে।
প্রেমের টানে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক ভারতীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন। ভারতের অভ্যন্তরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার বুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত আনোয়ার হোসেন ওই উপজেলার উত্তর নলকুড়া গ্রামের মো. মজিবরের ছেলে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) জানায়, আনোয়ার হোসেন জনৈক এক ভারতীয় নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। মূলত সেই সম্পর্কের টানেই তিনি বারবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতেন।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, গত বছরও একই কারণে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় দুষ্কৃতকারীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও দমানো যায়নি তাকে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমের টানে জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আনোয়ার। কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছাতেই রাতের অন্ধকারে ওত পেতে থাকা একদল অজ্ঞাতনামা পাহাড়ি গারো লোক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হামলায় আনোয়ার গুরুতর জখম হন।
আহত অবস্থায় কোনো মতে বাংলাদেশে ফিরে আসলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালানসহ যেকোনোপ্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন অমান্য করার ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩০
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সমরগাঁও গ্রামে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এক মাদক কারবারির ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমরগাও গ্রামের বাসিন্দা রফিজ আলীর ছেলে সমুজ আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও তিনি জোরপূর্বক গ্রামবাসীর জমি দখল করে সেখানে বসবাস করছিলেন বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তার বসতঘর ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, সমুজ আলী একজন মাদক কারবারি বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রামবাসী তার বসতঘর উচ্ছেদ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সমরগাঁও গ্রামে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এক মাদক কারবারির ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমরগাও গ্রামের বাসিন্দা রফিজ আলীর ছেলে সমুজ আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও তিনি জোরপূর্বক গ্রামবাসীর জমি দখল করে সেখানে বসবাস করছিলেন বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তার বসতঘর ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, সমুজ আলী একজন মাদক কারবারি বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রামবাসী তার বসতঘর উচ্ছেদ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৯
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস সরবরাহ করে এমন একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে চক্রের সদস্যরা ১৪টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে পালিয়ে যায়।
বুধবার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিতাস গ্যাসের সাবস্টেশনের পেছনের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো থেকে প্রায় ৩০ মণ মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গভীর রাতে সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গ্রামবাসী নজরদারি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানান, বুধবার ভোরে গ্রামবাসী ওঁৎ পেতে থেকে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাদের ধাওয়া দিলে মো. তিতাস ও রাজিবসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি নিয়মিত ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও কসাইদের কাছে সরবরাহ করত। প্রমাণ গোপন করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে রাখত। ঘটনাস্থলে অন্তত ২০টি গর্ত এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাড়গোড়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সপ্তাহে কয়েকদিন গভীর রাতে সেখানে গাড়ি আসত। সকালে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই বৈধ নয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস সরবরাহ করে এমন একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে চক্রের সদস্যরা ১৪টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে পালিয়ে যায়।
বুধবার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিতাস গ্যাসের সাবস্টেশনের পেছনের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো থেকে প্রায় ৩০ মণ মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গভীর রাতে সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গ্রামবাসী নজরদারি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানান, বুধবার ভোরে গ্রামবাসী ওঁৎ পেতে থেকে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাদের ধাওয়া দিলে মো. তিতাস ও রাজিবসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি নিয়মিত ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও কসাইদের কাছে সরবরাহ করত। প্রমাণ গোপন করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে রাখত। ঘটনাস্থলে অন্তত ২০টি গর্ত এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাড়গোড়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সপ্তাহে কয়েকদিন গভীর রাতে সেখানে গাড়ি আসত। সকালে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই বৈধ নয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.