
০৩ মে, ২০২৬ ১৮:২৭
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশের একটি ড্রেন থেকে মানব ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়েছে। ভ্রূণটি মেয়ে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ভ্রূণটি উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জরুরি বিভাগের পাশে ড্রেনের ওপর ভ্রূণটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ভ্রূণটি পূর্ণাঙ্গ ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, গর্ভকালীন বয়স আনুমানিক ৪ থেকে ৫ মাস। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ভ্রূণটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশের একটি ড্রেন থেকে মানব ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়েছে। ভ্রূণটি মেয়ে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ভ্রূণটি উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জরুরি বিভাগের পাশে ড্রেনের ওপর ভ্রূণটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ভ্রূণটি পূর্ণাঙ্গ ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, গর্ভকালীন বয়স আনুমানিক ৪ থেকে ৫ মাস। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ভ্রূণটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

০২ মে, ২০২৬ ১৩:৪১
ঝালকাঠির রাজাপুরে একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী মনি আক্তারের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাঘড়ি বাজারের ওয়ালটন প্লাজা সংলগ্ন এলাকার একটি বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মনি আক্তার উপজেলার বামনকাঠি এলাকার খলিলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নুর উদ্দিন ঝালকাঠি জেলা পুলিশের একজন কনস্টেবল ছিলেন। যিনি গত ৫-৬ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর থেকে মনি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামী নুর উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মনি আক্তারের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন এবং টাকার জন্য চাপ দিতেন। এ নিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।
নিহতের ভাই ওমর ফারুক জানান, মনি আক্তারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাকে হত্যা করে তার স্বামী পালিয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, তাদের পাঁচ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে এবং মনি আক্তার তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুর উদ্দিন জানান, পারিবারিক কলহের কারণে তার স্ত্রী দরজা লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে সে ভয়ে বাসা থেকে ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যায়।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে মেহেরুন্নেছা উর্মি (২৮) নামের এক নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার (০২ মে) ভোররাতে টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে ভাড়া বাসার তিন তলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত উর্মি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামের বহিষ্কৃত পুলিশ সদস্য মহিববুর রহমান বাপ্পীর স্ত্রী। উর্মি কলাপাড়া থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।
ঝালকাঠির রাজাপুরে একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী মনি আক্তারের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাঘড়ি বাজারের ওয়ালটন প্লাজা সংলগ্ন এলাকার একটি বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মনি আক্তার উপজেলার বামনকাঠি এলাকার খলিলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নুর উদ্দিন ঝালকাঠি জেলা পুলিশের একজন কনস্টেবল ছিলেন। যিনি গত ৫-৬ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর থেকে মনি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামী নুর উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মনি আক্তারের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন এবং টাকার জন্য চাপ দিতেন। এ নিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।
নিহতের ভাই ওমর ফারুক জানান, মনি আক্তারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাকে হত্যা করে তার স্বামী পালিয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, তাদের পাঁচ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে এবং মনি আক্তার তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুর উদ্দিন জানান, পারিবারিক কলহের কারণে তার স্ত্রী দরজা লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে সে ভয়ে বাসা থেকে ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যায়।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে মেহেরুন্নেছা উর্মি (২৮) নামের এক নারী পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার (০২ মে) ভোররাতে টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে ভাড়া বাসার তিন তলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত উর্মি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামের বহিষ্কৃত পুলিশ সদস্য মহিববুর রহমান বাপ্পীর স্ত্রী। উর্মি কলাপাড়া থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.