
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৩
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। এই গণভোটে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছে সাত কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ভোটার। ৬২ শতাংশের বেশি ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথ খুলেছে।
জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব পালন করবেন। সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে দফায় দফায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর গণভোটে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি প্রস্তাবনা ছিল সাংবিধানিক। বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক সংস্কার প্রস্তাবনায় বিএনপিসহ অন্যান্য দলের নোট অব ডিসেন্ট বা আপত্তি ছিল।
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। ফলে জুলাই সনদের যে সব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট নেই, সে সব প্রশ্নে সংস্কারগুলো নিয়ে তেমন কোনো সংকট দেখছেন না সংবিধান বিশ্লেষকরা।
তবে, দুইকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষের গঠন নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে। কেননা, বিএনপি তাদের ইশতেহারে সংসদের আসন সংখ্যার ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন করার বলেছে। এর বিপরীতে গণভোটের প্রশ্নে সরাসরি সংসদের উচ্চকক্ষের গঠনের কথা বলা হয়েছে আনুপাতিক হারে।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি এককভাবে ২৯০ আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত এককভাবে ২২৭ আসনে নির্বাচন করে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
তবে জোটবদ্ধ ভোটের হিসেবে বিএনপি ৫১ শতাংশের বেশি ও জামায়াত-এনসিপি জোট ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। আবার আসন সংখ্যার হিসেবে বিএনপি জোট ২১২টি এবং জামায়াত- এনসিপি জোট জিতেছে ৭৭টি আসন।
এখন আসন সংখ্যার হিসেবে যদি জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করা হয়, তাহলে বিএনপি জোট ১০০টির মধ্যে ৭০টি, জামায়াতে ইসলামী অন্তত ২৬টি, এনসিপি ২টি আসন পেতে পারে। এর বিপরীতে ভোটের আনুপাতিক হারের বিবেচনায় উচ্চকক্ষ গঠন হলে, বিএনপি জোটের আসন কমে হবে ৫২ থেকে ৫৩ টি, আর জামায়াত জোটের অন্তত ৩৮টি।
জুলাই সনদে ভোটের আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন নিয়ে বলা হলেও এ নিয়ে আপত্তি ছিল। এর বিপরীতে বিএনপি তাদের ইশতেহারে বলেছে তারা ক্ষমতায় গেলে উচ্চকক্ষ গঠন করবে আসন সংখ্যার ভিত্তিতে।
এই প্রশ্ন নিয়ে নির্বাচনের দিন থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বিবিসি বাংলাকে বলেন, গণভোটের ব্যালটে চারটি ক্যাটাগরি ছিল। সেখানে উচ্চকক্ষের গঠন যে ভোটের আনুপাতিক হারে হবে, সেটার ওপর সরাসরি ভোট হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘উচ্চকক্ষ বিষয়ে ব্যালটে সরাসরি ভোটাররা ভোট দিয়েছেন। আর বিএনপির ইশতেহার গণভোটে পাস হয়নি।’
তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপিত একটা ইস্যু ডাইরেক্টলি (প্রত্যক্ষভাবে) অ্যাপ্রুভ হইছে, আরেক ইস্যু ইনডাইরেক্টলি (পরোক্ষভাবে) ঘোষণা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে, তাহলে কোনটা প্রাধান্য পাবে’?
তবে, এটি নিয়ে যে পরবর্তী আলোচনা বির্তক চলবে সেটি একবাক্যে বলেছে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংবিধান বিশ্লেষকদের অনেকেই।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। এই গণভোটে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছে সাত কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ভোটার। ৬২ শতাংশের বেশি ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথ খুলেছে।
জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব পালন করবেন। সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে দফায় দফায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর গণভোটে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি প্রস্তাবনা ছিল সাংবিধানিক। বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক সংস্কার প্রস্তাবনায় বিএনপিসহ অন্যান্য দলের নোট অব ডিসেন্ট বা আপত্তি ছিল।
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। ফলে জুলাই সনদের যে সব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট নেই, সে সব প্রশ্নে সংস্কারগুলো নিয়ে তেমন কোনো সংকট দেখছেন না সংবিধান বিশ্লেষকরা।
তবে, দুইকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষের গঠন নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে। কেননা, বিএনপি তাদের ইশতেহারে সংসদের আসন সংখ্যার ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন করার বলেছে। এর বিপরীতে গণভোটের প্রশ্নে সরাসরি সংসদের উচ্চকক্ষের গঠনের কথা বলা হয়েছে আনুপাতিক হারে।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি এককভাবে ২৯০ আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত এককভাবে ২২৭ আসনে নির্বাচন করে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
তবে জোটবদ্ধ ভোটের হিসেবে বিএনপি ৫১ শতাংশের বেশি ও জামায়াত-এনসিপি জোট ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। আবার আসন সংখ্যার হিসেবে বিএনপি জোট ২১২টি এবং জামায়াত- এনসিপি জোট জিতেছে ৭৭টি আসন।
এখন আসন সংখ্যার হিসেবে যদি জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করা হয়, তাহলে বিএনপি জোট ১০০টির মধ্যে ৭০টি, জামায়াতে ইসলামী অন্তত ২৬টি, এনসিপি ২টি আসন পেতে পারে। এর বিপরীতে ভোটের আনুপাতিক হারের বিবেচনায় উচ্চকক্ষ গঠন হলে, বিএনপি জোটের আসন কমে হবে ৫২ থেকে ৫৩ টি, আর জামায়াত জোটের অন্তত ৩৮টি।
জুলাই সনদে ভোটের আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন নিয়ে বলা হলেও এ নিয়ে আপত্তি ছিল। এর বিপরীতে বিএনপি তাদের ইশতেহারে বলেছে তারা ক্ষমতায় গেলে উচ্চকক্ষ গঠন করবে আসন সংখ্যার ভিত্তিতে।
এই প্রশ্ন নিয়ে নির্বাচনের দিন থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বিবিসি বাংলাকে বলেন, গণভোটের ব্যালটে চারটি ক্যাটাগরি ছিল। সেখানে উচ্চকক্ষের গঠন যে ভোটের আনুপাতিক হারে হবে, সেটার ওপর সরাসরি ভোট হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘উচ্চকক্ষ বিষয়ে ব্যালটে সরাসরি ভোটাররা ভোট দিয়েছেন। আর বিএনপির ইশতেহার গণভোটে পাস হয়নি।’
তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপিত একটা ইস্যু ডাইরেক্টলি (প্রত্যক্ষভাবে) অ্যাপ্রুভ হইছে, আরেক ইস্যু ইনডাইরেক্টলি (পরোক্ষভাবে) ঘোষণা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে, তাহলে কোনটা প্রাধান্য পাবে’?
তবে, এটি নিয়ে যে পরবর্তী আলোচনা বির্তক চলবে সেটি একবাক্যে বলেছে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংবিধান বিশ্লেষকদের অনেকেই।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

০১ মে, ২০২৬ ১৩:০২
পঞ্জিকার পাতায় আজ ১ মে, মহান মে দিবস। বিশ্বজুড়ে যখন শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদার জয়গান গাওয়া হচ্ছে, তখন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধানকাটা শ্রমিকদের জীবনে এর কোনো প্রতিফলন নেই। জীবন ও জীবিকার কঠিন বাস্তবতায় এই বিশেষ দিনটিতেও মাঠেই ঘাম ঝরাচ্ছেন তারা। তাদের কাছে মে দিবস মানে ছুটি নয়, বরং পরিবারের মুখে অন্ন জোগানোর আরও একটি কর্মব্যস্ত দিন।
শুক্রবার (১ মে) ভোরে সূর্য ওঠার আগেই রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজারে শত শত শ্রমিকের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে। বোরো ধান কাটার এই ভরা মৌসুমে জমির মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের চলে মজুরির দরদাম। শুধু রায়গঞ্জ নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা গৃহস্থরাও এখানে ভিড় জমান ধানকাটার লোক সংগ্রহ করতে।
ধানকাটা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এটিই তাদের বছরের প্রধান উপার্জনের সময়। সামনেই বর্ষা মৌসুম শুরু হবে, তখন কাজ কমে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই বৈশাখের এই দিনগুলোতে এক মুহূর্তও বসে থাকার সুযোগ নেই তাদের। তাদের কাছে মে দিবসের তাৎপর্যের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে আগাম বৃষ্টির আগে মাঠের পাকা ধান ঘরে তোলা।
মাঠে কর্মরত একাধিক শ্রমিক জানান, মে দিবস বা অন্য কোনো ছুটির দিন তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায় না। একবেলা কাজ না করলে ঘরে উনুন জ্বলে না অনেকের।
তাদের ভাষায়, দিবস দিয়া তো পেট ভরব না। আমরা কামলা মানুষ, কাম না করলে খামু কী? দিবস আমাগো খাবার জোগাবে না, তাই কাজই আমাগো আসল।
রায়গঞ্জের দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠে যখন শ্রমিকদের ঘাম ঝরছে, তখন তাদের কাছে মে দিবস মানে কেবলই রোদে পুড়ে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করে যাওয়া। অধিকার বা ছুটির চেয়ে এক মুঠো ভাতের নিশ্চয়তাই এই শ্রমজীবী মানুষের কাছে বড় বাস্তবতা।
পঞ্জিকার পাতায় আজ ১ মে, মহান মে দিবস। বিশ্বজুড়ে যখন শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদার জয়গান গাওয়া হচ্ছে, তখন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধানকাটা শ্রমিকদের জীবনে এর কোনো প্রতিফলন নেই। জীবন ও জীবিকার কঠিন বাস্তবতায় এই বিশেষ দিনটিতেও মাঠেই ঘাম ঝরাচ্ছেন তারা। তাদের কাছে মে দিবস মানে ছুটি নয়, বরং পরিবারের মুখে অন্ন জোগানোর আরও একটি কর্মব্যস্ত দিন।
শুক্রবার (১ মে) ভোরে সূর্য ওঠার আগেই রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজারে শত শত শ্রমিকের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে। বোরো ধান কাটার এই ভরা মৌসুমে জমির মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের চলে মজুরির দরদাম। শুধু রায়গঞ্জ নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা গৃহস্থরাও এখানে ভিড় জমান ধানকাটার লোক সংগ্রহ করতে।
ধানকাটা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এটিই তাদের বছরের প্রধান উপার্জনের সময়। সামনেই বর্ষা মৌসুম শুরু হবে, তখন কাজ কমে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই বৈশাখের এই দিনগুলোতে এক মুহূর্তও বসে থাকার সুযোগ নেই তাদের। তাদের কাছে মে দিবসের তাৎপর্যের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে আগাম বৃষ্টির আগে মাঠের পাকা ধান ঘরে তোলা।
মাঠে কর্মরত একাধিক শ্রমিক জানান, মে দিবস বা অন্য কোনো ছুটির দিন তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায় না। একবেলা কাজ না করলে ঘরে উনুন জ্বলে না অনেকের।
তাদের ভাষায়, দিবস দিয়া তো পেট ভরব না। আমরা কামলা মানুষ, কাম না করলে খামু কী? দিবস আমাগো খাবার জোগাবে না, তাই কাজই আমাগো আসল।
রায়গঞ্জের দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠে যখন শ্রমিকদের ঘাম ঝরছে, তখন তাদের কাছে মে দিবস মানে কেবলই রোদে পুড়ে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করে যাওয়া। অধিকার বা ছুটির চেয়ে এক মুঠো ভাতের নিশ্চয়তাই এই শ্রমজীবী মানুষের কাছে বড় বাস্তবতা।

০১ মে, ২০২৬ ১২:৫০
মহান মে দিবস—শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিন। অথচ এই দিনেও বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কাজের আশায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে হাজারো দিনমজুরকে। পেটের তাগিদে তাদের কাছে দিবসটির কোনো আলাদা গুরুত্ব নেই।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর মিরপুর, ফকিরাপুল, বাড্ডা, রামপুরা ও নতুন বাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই শ্রমিকরা কাজের সন্ধানে জড়ো হয়েছেন। কারও হাতে কোদাল, কারও হাতে হাতুড়ি বা ঝুড়ি—কাজের আশায় অপেক্ষা করছেন তারা।
মিরপুর ১ নম্বর মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে প্রতিদিনের মতো সকাল সাতটার পর থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে। আটটার মধ্যে শতাধিক শ্রমিক জড়ো হন। রাজমিস্ত্রি, জোগালি, রংমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি ও সাধারণ দিনমজুররা কাজের অপেক্ষায় থাকলেও সবার ভাগ্যে কাজ জোটে না।
রংমিস্ত্রি কামাল মিয়া বলেন, শ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু কাজ বাড়েনি। ফলে দুই-তিন দিন অপেক্ষা করে একদিন কাজ পাওয়া এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে।ফকিরাপুল পানির ট্যাংকের পাশেও একই চিত্র। প্রতিদিন ৩০০–৪০০ শ্রমিক এখানে জড়ো হন। তবে সপ্তাহে তিন-চার দিন বেকার থাকতে হচ্ছে অধিকাংশকেই। কেউ কেউ টানা এক সপ্তাহও কাজ পাচ্ছেন না।
কামরাঙ্গীরচর থেকে আসা দিনমজুর আল আমিন জানান, প্রতিদিন ভোরে এসে দাঁড়ালেও অনেক দিন কাজ পান না। মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বেশি আয় হয় না, অথচ সংসারের খরচ ১৬–১৮ হাজার টাকা। ফলে ধার-দেনা করেই চলতে হচ্ছে।
টাইলস মিস্ত্রি সোহাগ মিয়া বলেন, নির্মাণকাজে মন্দার কারণে তাদের কাজ কমে গেছে। বাধ্য হয়ে পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে তিনি এখন ঢাকায় মেসে থাকেন। কাজ পেলেই টাকা পাঠান, না হলে খরচ চালানোই কঠিন হয়ে পড়ে।
নারী শ্রমিকদের অবস্থাও ভিন্ন নয়। মিরপুর এলাকায় প্রতিদিন ৩০–৪০ জন নারী শ্রমিক কাজের আশায় আসেন। জামিলা খাতুন জানান, সপ্তাহে দুই-তিন দিন কাজ পান। মাসে সাত-আট হাজার টাকার বেশি আয় হয় না, যা দিয়ে সংসার চালানো কষ্টকর।
বাড্ডা এলাকায় হোসেন মিয়া নামে এক শ্রমিক জানান, টানা কয়েক দিন বেকার থাকার পর কাজ পাওয়া যায়। তবে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে।
এদিকে বৃষ্টির মধ্যেও সকাল থেকে প্রায় দুই হাজার শ্রমিক বিভিন্ন এলাকায় কাজের আশায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা জানান, কাজ না পেলে সেদিনের খাবার জোটে না। শ্রমবাজারে মজুরিও নির্ভর করছে দরকষাকষির ওপর। সকালে যেখানে ৪০০–৬০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে ৩০০ টাকায় নেমে আসে।
তাদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্য বাড়লেও আয় বাড়েনি। বরং কাজ কমে যাওয়ায় আয় আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নির্মাণ খাতে মন্দা, গ্রাম থেকে শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অটোরিকশার কারণে ভ্যানচালকদের আয় কমে যাওয়াসহ নানা কারণে তারা চাপে রয়েছেন।
১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেট আন্দোলনের স্মরণে পালিত মে দিবস শ্রমিক অধিকারের প্রতীক হলেও বাস্তবে দেশের অনেক দিনমজুরের কাছে এটি অন্য দিনের মতোই সংগ্রামের দিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মহান মে দিবস—শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিন। অথচ এই দিনেও বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কাজের আশায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে হাজারো দিনমজুরকে। পেটের তাগিদে তাদের কাছে দিবসটির কোনো আলাদা গুরুত্ব নেই।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর মিরপুর, ফকিরাপুল, বাড্ডা, রামপুরা ও নতুন বাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই শ্রমিকরা কাজের সন্ধানে জড়ো হয়েছেন। কারও হাতে কোদাল, কারও হাতে হাতুড়ি বা ঝুড়ি—কাজের আশায় অপেক্ষা করছেন তারা।
মিরপুর ১ নম্বর মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে প্রতিদিনের মতো সকাল সাতটার পর থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে। আটটার মধ্যে শতাধিক শ্রমিক জড়ো হন। রাজমিস্ত্রি, জোগালি, রংমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি ও সাধারণ দিনমজুররা কাজের অপেক্ষায় থাকলেও সবার ভাগ্যে কাজ জোটে না।
রংমিস্ত্রি কামাল মিয়া বলেন, শ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু কাজ বাড়েনি। ফলে দুই-তিন দিন অপেক্ষা করে একদিন কাজ পাওয়া এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে।ফকিরাপুল পানির ট্যাংকের পাশেও একই চিত্র। প্রতিদিন ৩০০–৪০০ শ্রমিক এখানে জড়ো হন। তবে সপ্তাহে তিন-চার দিন বেকার থাকতে হচ্ছে অধিকাংশকেই। কেউ কেউ টানা এক সপ্তাহও কাজ পাচ্ছেন না।
কামরাঙ্গীরচর থেকে আসা দিনমজুর আল আমিন জানান, প্রতিদিন ভোরে এসে দাঁড়ালেও অনেক দিন কাজ পান না। মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বেশি আয় হয় না, অথচ সংসারের খরচ ১৬–১৮ হাজার টাকা। ফলে ধার-দেনা করেই চলতে হচ্ছে।
টাইলস মিস্ত্রি সোহাগ মিয়া বলেন, নির্মাণকাজে মন্দার কারণে তাদের কাজ কমে গেছে। বাধ্য হয়ে পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে তিনি এখন ঢাকায় মেসে থাকেন। কাজ পেলেই টাকা পাঠান, না হলে খরচ চালানোই কঠিন হয়ে পড়ে।
নারী শ্রমিকদের অবস্থাও ভিন্ন নয়। মিরপুর এলাকায় প্রতিদিন ৩০–৪০ জন নারী শ্রমিক কাজের আশায় আসেন। জামিলা খাতুন জানান, সপ্তাহে দুই-তিন দিন কাজ পান। মাসে সাত-আট হাজার টাকার বেশি আয় হয় না, যা দিয়ে সংসার চালানো কষ্টকর।
বাড্ডা এলাকায় হোসেন মিয়া নামে এক শ্রমিক জানান, টানা কয়েক দিন বেকার থাকার পর কাজ পাওয়া যায়। তবে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে।
এদিকে বৃষ্টির মধ্যেও সকাল থেকে প্রায় দুই হাজার শ্রমিক বিভিন্ন এলাকায় কাজের আশায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা জানান, কাজ না পেলে সেদিনের খাবার জোটে না। শ্রমবাজারে মজুরিও নির্ভর করছে দরকষাকষির ওপর। সকালে যেখানে ৪০০–৬০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে ৩০০ টাকায় নেমে আসে।
তাদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্য বাড়লেও আয় বাড়েনি। বরং কাজ কমে যাওয়ায় আয় আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নির্মাণ খাতে মন্দা, গ্রাম থেকে শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অটোরিকশার কারণে ভ্যানচালকদের আয় কমে যাওয়াসহ নানা কারণে তারা চাপে রয়েছেন।
১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেট আন্দোলনের স্মরণে পালিত মে দিবস শ্রমিক অধিকারের প্রতীক হলেও বাস্তবে দেশের অনেক দিনমজুরের কাছে এটি অন্য দিনের মতোই সংগ্রামের দিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.