
০২ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:১৯
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তুরাগ নদে দুর্গা পূজার বিজয়া দশমী চলাকালে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে দুই শিশু নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এই দুর্ঘটনা হয়। নিখোঁজ শিশুরা হলো– তন্ময় ও অঙ্কিতা। তাদের বাড়ি কালিয়াকৈর উপজেলা দক্ষিণ হিজলতলী গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সন্ধ্যার দিকে কালিয়াকৈর তুরাগ নদীতে বিজয়া দশমী চলাকালে একটি শ্যালু নৌকা অন্য একটি নৌকার সঙ্গে ধাক্কা লেগে শিশুসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা উল্টে ডুবে যায়। এ সময় নৌকায় শিশুসহ ১৮ থেকে ২০ জনের মতো ছিল।
অন্যরা সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও দুই শিশু এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাওছার আহাম্মেদ, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। ইউএনও বলেন, ‘শিশুদের উদ্ধারে প্রশাসনিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে’।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তুরাগ নদে দুর্গা পূজার বিজয়া দশমী চলাকালে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে দুই শিশু নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এই দুর্ঘটনা হয়। নিখোঁজ শিশুরা হলো– তন্ময় ও অঙ্কিতা। তাদের বাড়ি কালিয়াকৈর উপজেলা দক্ষিণ হিজলতলী গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সন্ধ্যার দিকে কালিয়াকৈর তুরাগ নদীতে বিজয়া দশমী চলাকালে একটি শ্যালু নৌকা অন্য একটি নৌকার সঙ্গে ধাক্কা লেগে শিশুসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা উল্টে ডুবে যায়। এ সময় নৌকায় শিশুসহ ১৮ থেকে ২০ জনের মতো ছিল।
অন্যরা সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও দুই শিশু এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাওছার আহাম্মেদ, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। ইউএনও বলেন, ‘শিশুদের উদ্ধারে প্রশাসনিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে’।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৩৮
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন। রোববার (৮ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোপন সূত্র মারফত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ খবর পায়, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধ করার পর দুইজন বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং বর্তমানে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছে, যাতে সুযোগ পেলে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ একটি অভিযান পরিচালনা করে এবং দুইজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। তারা হলেন-রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), বাড়ি পটুয়াখালী, বাংলাদেশ এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), বাড়ি ঢাকা, বাংলাদেশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ওই বিবৃতে বলা হয়, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর হোসেন ওসমান হাদিকে খুন করে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর থেকে তারা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে ছিল। সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সম্প্রতি বনগাঁ এলাকায় আসে।
শনিবার (৭ মার্চ) রাতে বনগাঁ এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে এসটিএফ থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের উপযুক্ত আদালতে পেশ করা হয়েছে। আসামিদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চলছে।
পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পুলিশ সূত্র ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বনগাঁয় গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তাদের গ্রেপ্তার হয়। গতকাল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেবল সেটা স্বীকার করেছে। দেশের তদন্তকারী সংস্থার একাধিক কর্মকর্তাও বলছেন, এই দুজন আগেই গ্রেপ্তার বা আটক ছিল বলে তাদের কাছে তথ্য ছিলো।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৩
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করেছে সরকার।কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে স্থানীয় সময় শনিবার (৭ মার্চ) রাতে লন্ডনে পৌঁছে এ তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, একটা সুখবর আছে, হাই কমিশনার লন্ডনে এতদিন 'ডিভাইসিস বিহেভিয়ারে-কনডাক্টে কমিউনিটিকে ডিভাইড' করে রাখছে। যে আওয়ামী করণ করছে এই হাই কমিশনকে, আওয়ামী করণের ধান্ধা নিয়া চলছে, কমিউনিটির ধান্ধা নাই, বাংলাদেশের ইন্টারেস্ট দেখে না, এই হাই কমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, হাই কমিশনার আবিদা ইসলাম হ্যাজ বিন রিমুভড ফ্রম হার পোস্ট। সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশি মিশন প্রধানের দায়িত্বে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলো বিএনপি।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫-এর জানুয়ারিতে আবিদা ইসলামকে লন্ডনে পাঠায়।
১৫ ব্যাচের পেশাদার কূটনীতিক আবিদা তার আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মেক্সিকোতে যাওয়ার আগে আবিদা ইসলাম দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪৮
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন। রোববার (৮ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোপন সূত্র মারফত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ খবর পায়, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধ করার পর দুইজন বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং বর্তমানে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছে, যাতে সুযোগ পেলে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ একটি অভিযান পরিচালনা করে এবং দুইজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। তারা হলেন-রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), বাড়ি পটুয়াখালী, বাংলাদেশ এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), বাড়ি ঢাকা, বাংলাদেশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ওই বিবৃতে বলা হয়, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর হোসেন ওসমান হাদিকে খুন করে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর থেকে তারা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে ছিল। সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সম্প্রতি বনগাঁ এলাকায় আসে।
শনিবার (৭ মার্চ) রাতে বনগাঁ এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে এসটিএফ থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের উপযুক্ত আদালতে পেশ করা হয়েছে। আসামিদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চলছে।
পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পুলিশ সূত্র ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বনগাঁয় গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তাদের গ্রেপ্তার হয়। গতকাল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেবল সেটা স্বীকার করেছে। দেশের তদন্তকারী সংস্থার একাধিক কর্মকর্তাও বলছেন, এই দুজন আগেই গ্রেপ্তার বা আটক ছিল বলে তাদের কাছে তথ্য ছিলো।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করেছে সরকার।কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে স্থানীয় সময় শনিবার (৭ মার্চ) রাতে লন্ডনে পৌঁছে এ তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, একটা সুখবর আছে, হাই কমিশনার লন্ডনে এতদিন 'ডিভাইসিস বিহেভিয়ারে-কনডাক্টে কমিউনিটিকে ডিভাইড' করে রাখছে। যে আওয়ামী করণ করছে এই হাই কমিশনকে, আওয়ামী করণের ধান্ধা নিয়া চলছে, কমিউনিটির ধান্ধা নাই, বাংলাদেশের ইন্টারেস্ট দেখে না, এই হাই কমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, হাই কমিশনার আবিদা ইসলাম হ্যাজ বিন রিমুভড ফ্রম হার পোস্ট। সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশি মিশন প্রধানের দায়িত্বে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলো বিএনপি।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫-এর জানুয়ারিতে আবিদা ইসলামকে লন্ডনে পাঠায়।
১৫ ব্যাচের পেশাদার কূটনীতিক আবিদা তার আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মেক্সিকোতে যাওয়ার আগে আবিদা ইসলাম দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
রাজধানীর গুলশানে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সাবেক সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরমান আলী আসামি রিয়াদসহ চারজনের পাঁচদিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।
অন্য আসামিরা হলেন—প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রিয়াদুল হাওলাদার, আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার। ওইদিন আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
শুনানির সময় চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে রাজ্জাকের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। অন্য তিন আসামির রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের করা রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার বিষয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন এবং প্রাথমিক তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে আসামিদের নাম-ঠিকানা পিসি/পিআর যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, অজ্ঞাতনামা আসামিদের পূর্ণ পরিচয় শনাক্তকরণ এবং তাদের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড অপরিহার্য।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ এই চার আসামিকে গ্রেফতার করে। পরদিন শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুলশান থানায় এই হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ২২ জনকে সেখানে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিদের সঙ্গে নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্বশত্রুতা ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে নির্জনের সঙ্গে আসামিদের দেখা হয়। সেখানে তাকে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের বিষয়ে বলা হয়। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শের সময় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
এজাহারে বলা হয়েছে, রিয়াদের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনের ওপর হামলা চালান, এতে তার পিঠ ও বুকে আঘাত লাগে। পরে রিয়াদ একটি সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনের মুখমণ্ডলে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে তার নাকে আঘাত লেগে ওপরের অংশ কেটে যায় এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এসময় তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে নির্জনের সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা তখন নির্জনকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। পরে খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে।
এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসভবনে চাঁদা দাবির একটি মামলায় রিয়াদ গ্রেফতার হয়েছিলেন। সে মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
রাজধানীর গুলশানে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সাবেক সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরমান আলী আসামি রিয়াদসহ চারজনের পাঁচদিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।
অন্য আসামিরা হলেন—প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রিয়াদুল হাওলাদার, আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার। ওইদিন আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
শুনানির সময় চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে রাজ্জাকের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। অন্য তিন আসামির রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের করা রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার বিষয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন এবং প্রাথমিক তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে আসামিদের নাম-ঠিকানা পিসি/পিআর যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, অজ্ঞাতনামা আসামিদের পূর্ণ পরিচয় শনাক্তকরণ এবং তাদের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড অপরিহার্য।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ এই চার আসামিকে গ্রেফতার করে। পরদিন শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুলশান থানায় এই হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ২২ জনকে সেখানে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিদের সঙ্গে নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্বশত্রুতা ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে নির্জনের সঙ্গে আসামিদের দেখা হয়। সেখানে তাকে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের বিষয়ে বলা হয়। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শের সময় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
এজাহারে বলা হয়েছে, রিয়াদের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনের ওপর হামলা চালান, এতে তার পিঠ ও বুকে আঘাত লাগে। পরে রিয়াদ একটি সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনের মুখমণ্ডলে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে তার নাকে আঘাত লেগে ওপরের অংশ কেটে যায় এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এসময় তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
পরে নির্জনের সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা তখন নির্জনকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। পরে খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে।
এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসভবনে চাঁদা দাবির একটি মামলায় রিয়াদ গ্রেফতার হয়েছিলেন। সে মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।