
৩০ মে, ২০২৫ ১১:৩০
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নির্দেশদাতা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিলের শুনানি শুরু হলে তা সরাসরি সম্প্রচার করে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি। খবর বিবিসির।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র ১৩৫ পৃষ্ঠার এবং অভিযোগ প্রমাণে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, দালিলিক প্রমাণসহ ভিডিও অডিও কলের বিস্তারিত উল্লেখ করে মোট আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে। সাক্ষী করা হয়েছে ৮১ জনকে।
মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
এর আগে গত ১২ মে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।
ওই দিন ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নির্বিচারে এক হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ হত্যার দায় শেখ হাসিনার।
তিন আসামির বিরুদ্ধে নির্বিচারে হত্যার নির্দেশনা, প্ররোচনা ও উসকানিসহ পাঁচ অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, এ বিচার কোনো অতীতের প্রতিশোধ নয় বরং ভবিষ্যতের জন্য একটি প্রতিজ্ঞা যে ভবিষ্যতে মানবতাবিরোধী অপরাধ থাকবে না।
২০২৪-এর জুলাই বিপ্লব ‘বর্ষা বিপ্লব বা মনসুন বিপ্লব’ নামে পরিচিত। আন্দোলনকারীদের দমাতে ব্যাপকভিত্তিক ও পদ্ধতিগত হামলা চালানো হয়। এখানে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখন বিচার কার্যক্রম শুরু হলো সেই আদালতে, যে আদালত তার সরকার মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠন করেছিল।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নির্দেশদাতা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিলের শুনানি শুরু হলে তা সরাসরি সম্প্রচার করে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি। খবর বিবিসির।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র ১৩৫ পৃষ্ঠার এবং অভিযোগ প্রমাণে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, দালিলিক প্রমাণসহ ভিডিও অডিও কলের বিস্তারিত উল্লেখ করে মোট আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে। সাক্ষী করা হয়েছে ৮১ জনকে।
মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
এর আগে গত ১২ মে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।
ওই দিন ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নির্বিচারে এক হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ হত্যার দায় শেখ হাসিনার।
তিন আসামির বিরুদ্ধে নির্বিচারে হত্যার নির্দেশনা, প্ররোচনা ও উসকানিসহ পাঁচ অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, এ বিচার কোনো অতীতের প্রতিশোধ নয় বরং ভবিষ্যতের জন্য একটি প্রতিজ্ঞা যে ভবিষ্যতে মানবতাবিরোধী অপরাধ থাকবে না।
২০২৪-এর জুলাই বিপ্লব ‘বর্ষা বিপ্লব বা মনসুন বিপ্লব’ নামে পরিচিত। আন্দোলনকারীদের দমাতে ব্যাপকভিত্তিক ও পদ্ধতিগত হামলা চালানো হয়। এখানে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখন বিচার কার্যক্রম শুরু হলো সেই আদালতে, যে আদালত তার সরকার মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠন করেছিল।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৪:২৬
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুরি ও অর্থপাচারের কারণেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে চাপে জনগণ বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শনিবার (০৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সময়ে যে চুরি ও অর্থপাচার হয়েছে, তার আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকেও বহন করতে হচ্ছে।
তবে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতির চক্র থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসা সহজ নয় এবং এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করলেও সরকারের অনুরোধে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রাহককে অতিরিক্ত কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।
তিনি আরও বলেন, একই বিবেচনায় অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলেও ডিজেলের মূল্য দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়নি। ডা. জাহেদ অভিযোগ করেন, অতীতে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আমদানিনির্ভর করে রাখা হয়েছিল, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুরি ও অর্থপাচারের কারণেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে চাপে জনগণ বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শনিবার (০৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সময়ে যে চুরি ও অর্থপাচার হয়েছে, তার আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকেও বহন করতে হচ্ছে।
তবে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতির চক্র থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসা সহজ নয় এবং এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করলেও সরকারের অনুরোধে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রাহককে অতিরিক্ত কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।
তিনি আরও বলেন, একই বিবেচনায় অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলেও ডিজেলের মূল্য দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়নি। ডা. জাহেদ অভিযোগ করেন, অতীতে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আমদানিনির্ভর করে রাখা হয়েছিল, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৮
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগারে থাকার সময় নিয়মিত গানের আসর বসতো, আর সেই আসরের প্রধান শিল্পী ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজ বাসভবনে জেলজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন আইভী।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্কুলজীবনের কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলাপকালে আইভী জানান, কারাগারে প্রায়ই সাংস্কৃতিক পরিবেশে সময় কাটতো। সেখানে মমতাজ বেগম বিভিন্ন গান পরিবেশন করতেন এবং বন্দিদের মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন।
তবে একটি নির্দিষ্ট গান গাইতে মমতাজকে বারণ করেছিলেন আইভী। ‘আমার ভাইয়েরে কইও নাইওর আনতো গিয়া’ গানটি শুনলেই তার মনে পড়ে যেত সদ্যপ্রয়াত ছোট ভাই আহমদ আলী রেজা রিপনের কথা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রিপন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার হন আইভী।
আইভী জানান, ভাইয়ের মৃত্যুর স্মৃতি এতটাই তীব্র ছিল যে ওই গান শুনলেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। তাই তিনি মমতাজকে বলেছিলেন, কারামুক্তির দিন চাইলে গানটি গাইতে পারবেন। কাকতালীয়ভাবে তার মুক্তির দিন বিকেলেই কারাগারের গানের আসরে মমতাজ সেই গানটি পরিবেশন করেন। তখনও আইভী জানতেন না, কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।
জেলজীবনে তিনি একটি কবিতাও লিখেছেন বলে জানা গেছে। সেই কবিতায় সুর দিয়েছেন মমতাজ বেগম। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত সময়ে গানটি জনসমক্ষে পরিবেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইভী হেসে বলেন, ‘আমি আবার কী কবিতা লিখি! খুব সাধারণ কিছু লেখা। মমতাজ আপা গুণী শিল্পী বলেই সেটাকে গান বানানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইভীর বাসভবনে দেখা করতে যান সাবেক নারী কাউন্সিলর মিনুয়ারা বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আইভী। একসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বরিশাল টাইমস
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগারে থাকার সময় নিয়মিত গানের আসর বসতো, আর সেই আসরের প্রধান শিল্পী ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজ বাসভবনে জেলজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন আইভী।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্কুলজীবনের কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলাপকালে আইভী জানান, কারাগারে প্রায়ই সাংস্কৃতিক পরিবেশে সময় কাটতো। সেখানে মমতাজ বেগম বিভিন্ন গান পরিবেশন করতেন এবং বন্দিদের মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন।
তবে একটি নির্দিষ্ট গান গাইতে মমতাজকে বারণ করেছিলেন আইভী। ‘আমার ভাইয়েরে কইও নাইওর আনতো গিয়া’ গানটি শুনলেই তার মনে পড়ে যেত সদ্যপ্রয়াত ছোট ভাই আহমদ আলী রেজা রিপনের কথা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রিপন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার হন আইভী।
আইভী জানান, ভাইয়ের মৃত্যুর স্মৃতি এতটাই তীব্র ছিল যে ওই গান শুনলেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। তাই তিনি মমতাজকে বলেছিলেন, কারামুক্তির দিন চাইলে গানটি গাইতে পারবেন। কাকতালীয়ভাবে তার মুক্তির দিন বিকেলেই কারাগারের গানের আসরে মমতাজ সেই গানটি পরিবেশন করেন। তখনও আইভী জানতেন না, কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।
জেলজীবনে তিনি একটি কবিতাও লিখেছেন বলে জানা গেছে। সেই কবিতায় সুর দিয়েছেন মমতাজ বেগম। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত সময়ে গানটি জনসমক্ষে পরিবেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইভী হেসে বলেন, ‘আমি আবার কী কবিতা লিখি! খুব সাধারণ কিছু লেখা। মমতাজ আপা গুণী শিল্পী বলেই সেটাকে গান বানানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইভীর বাসভবনে দেখা করতে যান সাবেক নারী কাউন্সিলর মিনুয়ারা বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আইভী। একসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.