তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০১
পটুয়াখালীর বাউফলে পুলশিরে বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সুমন মৃধা (৩০) ও তানিয়া বগেম (৩৩) নামে দুজনকে আটক করে বাউফল থানা পুলশি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলশি সুপার (বাউফল সারকেল) সব্যসাচী মজুমদার ও ওসি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আর্দশপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমন মৃধা তানিয়ার স্বামীর কাছ থেকে ২০০ পসি ইয়াবা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তানিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তানিয়াকে আটক করা হলেও তার স্বামী মোঃ সুমন মৃধা (৩৫) পালিয়ে যায়।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক সুমন এর আগেও মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছিল। এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে । মাদকরে বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর বাউফলে পুলশিরে বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সুমন মৃধা (৩০) ও তানিয়া বগেম (৩৩) নামে দুজনকে আটক করে বাউফল থানা পুলশি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলশি সুপার (বাউফল সারকেল) সব্যসাচী মজুমদার ও ওসি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আর্দশপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সুমন মৃধা তানিয়ার স্বামীর কাছ থেকে ২০০ পসি ইয়াবা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তানিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তানিয়াকে আটক করা হলেও তার স্বামী মোঃ সুমন মৃধা (৩৫) পালিয়ে যায়।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক সুমন এর আগেও মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছিল। এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে । মাদকরে বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে একটি সালিশ বৈঠক চলাকালে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন ভাইসহ চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালাইয়া বন্দরের সিনেমা সড়কের এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আহতরা হলেন উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ীর ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহিদুল মোল্লা (৩২), তার ভাই রিয়াজ মোল্লা (৪৬) এবং শাহিন মোল্লা (২৬)। এছাড়াও তাদের দোকানের কর্মচারী রাব্বি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত শহিদুল মোল্লার অভিযোগ, তিনি একই এলাকার ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন (২৩) দীর্ঘদিন ধরে তার (শহিদুল) কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অবহিত করলে বুধবার রাতে সালিশ বৈঠকের আয়োাজন করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে ইয়াসিন, ইব্রাহিম ও সোহান পঞ্চায়েতসহ ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় সালিশ বৈঠকে উপস্থিত লোকজনের ওপরও হামলা হয়। এতে শহিদুলের ছোট ভাই শাহিন ও বড় ভাই রিয়াজসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তারা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা দাবি করেন, হামলার সময় তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারিরা।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া ইয়াসিন (২৫), কালাইয়ার ইব্রাহিম এবং সোহান পঞ্চায়েত।
অভিযুক্ত ইয়াসিন দাবি করেন, গত ১৬ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শাহিন তাকে অপহরণ করে মারধর করেন। পরদিন শহিদুল মোল্লার দোকানের সামনে শাহিনের সঙ্গে তার ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরেই বুধবার সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় ইভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং তিনিও আহত হয়েছন বলে দাবি করেন।
সালিশ বৈঠকে সাবেক বাউফল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ পঞ্চায়েত, উপজেলা যুবদলের সদস্য স্বপন মৃধাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সালিশ বৈঠকে হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে তারা শুনেছেন। সাথে সাথে ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে একটি সালিশ বৈঠক চলাকালে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন ভাইসহ চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালাইয়া বন্দরের সিনেমা সড়কের এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আহতরা হলেন উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ীর ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহিদুল মোল্লা (৩২), তার ভাই রিয়াজ মোল্লা (৪৬) এবং শাহিন মোল্লা (২৬)। এছাড়াও তাদের দোকানের কর্মচারী রাব্বি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত শহিদুল মোল্লার অভিযোগ, তিনি একই এলাকার ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন (২৩) দীর্ঘদিন ধরে তার (শহিদুল) কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অবহিত করলে বুধবার রাতে সালিশ বৈঠকের আয়োাজন করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে ইয়াসিন, ইব্রাহিম ও সোহান পঞ্চায়েতসহ ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় সালিশ বৈঠকে উপস্থিত লোকজনের ওপরও হামলা হয়। এতে শহিদুলের ছোট ভাই শাহিন ও বড় ভাই রিয়াজসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তারা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা দাবি করেন, হামলার সময় তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারিরা।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া ইয়াসিন (২৫), কালাইয়ার ইব্রাহিম এবং সোহান পঞ্চায়েত।
অভিযুক্ত ইয়াসিন দাবি করেন, গত ১৬ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শাহিন তাকে অপহরণ করে মারধর করেন। পরদিন শহিদুল মোল্লার দোকানের সামনে শাহিনের সঙ্গে তার ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরেই বুধবার সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় ইভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং তিনিও আহত হয়েছন বলে দাবি করেন।
সালিশ বৈঠকে সাবেক বাউফল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ পঞ্চায়েত, উপজেলা যুবদলের সদস্য স্বপন মৃধাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সালিশ বৈঠকে হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে তারা শুনেছেন। সাথে সাথে ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৮
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদের বিরুদ্দে সংবাদ মম্মেলন করেছেন ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মহিউদ্দিন। বুধবার দুপুর ৩টায় প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন তার নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে চলতি মাসের ১ তারিখ কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এমসিকিউ পরীক্ষা শেষে আমি হল সুপার থাকায় ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করে অফিস কক্ষে বসে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করি। ওই অবস্থায় সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন শত্রুতা বশত পিছন থেকে আমার ছবি তুলে তার নিজ পত্রিকাসহ অন্যান্য মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে উল্লেখ করে আমি নাকি ওএমআরএ উত্তরপত্র ভরাট করি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মহিউদ্দিন আরও বলেন, সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে যোগদান করে এবং ২০২৩ সালে মে মাসের ১ তারিখ ১০ গ্রেডে এমপিওভুক্ত হয়, যার ইনডেক্স নং- (ঘ৫৬৮৫১৩২৫)। অথচ ওই শিক্ষক একই সময়ে উপজেলার দক্ষিণ দাসপাড়া আব্দুল গণি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার বিরুদ্ধে মাউশিতে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা হওয়ার পর থেকেই আমাকে অভিযোগকারী হিসেবে সন্দেহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতা পোষণ করে আসছে।
এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে জায়েদ ইকবাল খানের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্রভাষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা এবং জায়েদ ইকবাল খান প্রমুখ।
এ বিষিয়ে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, এমসিকিউ ভরাট করার কোন ঘটনা ঘটেছে- এমন কোন সত্যতা পাওয়া যায়না। তবে অনুমতি নিয়ে ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদের বিরুদ্দে সংবাদ মম্মেলন করেছেন ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মহিউদ্দিন। বুধবার দুপুর ৩টায় প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন তার নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে চলতি মাসের ১ তারিখ কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এমসিকিউ পরীক্ষা শেষে আমি হল সুপার থাকায় ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করে অফিস কক্ষে বসে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করি। ওই অবস্থায় সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন শত্রুতা বশত পিছন থেকে আমার ছবি তুলে তার নিজ পত্রিকাসহ অন্যান্য মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে উল্লেখ করে আমি নাকি ওএমআরএ উত্তরপত্র ভরাট করি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মহিউদ্দিন আরও বলেন, সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে যোগদান করে এবং ২০২৩ সালে মে মাসের ১ তারিখ ১০ গ্রেডে এমপিওভুক্ত হয়, যার ইনডেক্স নং- (ঘ৫৬৮৫১৩২৫)। অথচ ওই শিক্ষক একই সময়ে উপজেলার দক্ষিণ দাসপাড়া আব্দুল গণি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার বিরুদ্ধে মাউশিতে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা হওয়ার পর থেকেই আমাকে অভিযোগকারী হিসেবে সন্দেহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতা পোষণ করে আসছে।
এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে জায়েদ ইকবাল খানের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্রভাষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা এবং জায়েদ ইকবাল খান প্রমুখ।
এ বিষিয়ে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, এমসিকিউ ভরাট করার কোন ঘটনা ঘটেছে- এমন কোন সত্যতা পাওয়া যায়না। তবে অনুমতি নিয়ে ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করে।

১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৫৭
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:১৫
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩১