
২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৩৪
নিউইয়র্ক সিটির পাতাল ট্রেনের নিচে পড়ে বাম হাত ও পা হারানো লুইসা জেনসিন হারগার দ্য সিলভাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৮২ মিলিয়ন ডলার প্রদানের রায় দিয়েছেন আদালত।
ব্রাজিলের এই কলেজছাত্রী ২০১৬ সালে টুরিস্ট ভিসায় বেড়াতে এসে দুর্ঘটনার শিকার হন। তিনি ব্রুকলীনে আটলান্টিক অ্যাভিনিউ রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। সে সময় অজ্ঞান হয়ে রেললাইনে পড়ে গেলে একটি ট্রেন তার বাম হাত ও পায়ের ওপরে উঠে যায়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর লুইসাকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কৃত্রিম হাত ও পা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর পাতাল ট্রেনের পরিচালনা সংস্থা মেট্রপলিটন ট্র্যাঞ্জিট অথরিটি এমটিএ-কে দায়ী করে মামলা করেছিলেন লুইসা। ব্রুকলীনে ফেডারেল কোর্টের জুরিবোর্ড গত সপ্তাহে ওই দুর্ঘটনার জন্যে এমটিএকে দায়ী করেন এবং লুইসাকে ৮২ মিলিয়ন ডলার প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার শুনানি লুইসার আইনজীবীরা নিউইয়র্কের রেলের নীচে পড়ে বিগত ১৫ বছর মানুষের প্রাণহানির বিবরণী উপস্থাপন করেন। তারা যুক্তি উপস্থাপন করেন, প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা মাথা ঘুরে পড়ে গেলেও রেললাইনে পড়বেন না, এমন কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। তবে, রায়ের বিরুদ্ধে এমটিএ আপিল করবে বলে জানা গেছে।
এ ধরনের আরেকটি দুর্ঘটনায় হাত ও পা হারানো আরেকজনকে ৯০ মিলিয়ন ডলার প্রদানের রায় দিয়েছিলেন আদালত। সে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পর ক্ষতিপূরণের অঙ্ক কমিয়ে ৪০ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছিল।
জানা গেছে, নিউইয়র্কের পাতাল ট্রেনের নিচে পড়ে ২০২৩ সালে মারা গেছে ২৪১ জন। গত ৫ বছর যাবৎ প্রতিবছর গড়ে ৭ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ গুণছে এমটিএ।
নিউইয়র্ক সিটির পাতাল ট্রেনের নিচে পড়ে বাম হাত ও পা হারানো লুইসা জেনসিন হারগার দ্য সিলভাকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৮২ মিলিয়ন ডলার প্রদানের রায় দিয়েছেন আদালত।
ব্রাজিলের এই কলেজছাত্রী ২০১৬ সালে টুরিস্ট ভিসায় বেড়াতে এসে দুর্ঘটনার শিকার হন। তিনি ব্রুকলীনে আটলান্টিক অ্যাভিনিউ রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। সে সময় অজ্ঞান হয়ে রেললাইনে পড়ে গেলে একটি ট্রেন তার বাম হাত ও পায়ের ওপরে উঠে যায়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর লুইসাকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কৃত্রিম হাত ও পা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর পাতাল ট্রেনের পরিচালনা সংস্থা মেট্রপলিটন ট্র্যাঞ্জিট অথরিটি এমটিএ-কে দায়ী করে মামলা করেছিলেন লুইসা। ব্রুকলীনে ফেডারেল কোর্টের জুরিবোর্ড গত সপ্তাহে ওই দুর্ঘটনার জন্যে এমটিএকে দায়ী করেন এবং লুইসাকে ৮২ মিলিয়ন ডলার প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার শুনানি লুইসার আইনজীবীরা নিউইয়র্কের রেলের নীচে পড়ে বিগত ১৫ বছর মানুষের প্রাণহানির বিবরণী উপস্থাপন করেন। তারা যুক্তি উপস্থাপন করেন, প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা মাথা ঘুরে পড়ে গেলেও রেললাইনে পড়বেন না, এমন কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। তবে, রায়ের বিরুদ্ধে এমটিএ আপিল করবে বলে জানা গেছে।
এ ধরনের আরেকটি দুর্ঘটনায় হাত ও পা হারানো আরেকজনকে ৯০ মিলিয়ন ডলার প্রদানের রায় দিয়েছিলেন আদালত। সে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পর ক্ষতিপূরণের অঙ্ক কমিয়ে ৪০ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছিল।
জানা গেছে, নিউইয়র্কের পাতাল ট্রেনের নিচে পড়ে ২০২৩ সালে মারা গেছে ২৪১ জন। গত ৫ বছর যাবৎ প্রতিবছর গড়ে ৭ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ গুণছে এমটিএ।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
মালয়েশিয়ার পেরাক অঙ্গরাজ্যের চেমোরের কান্থান শিল্প এলাকায় দুটি রাবার গ্লাভস কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৭৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে শ্রমশক্তি বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন।
পেরাক অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক জেমস লি জানান, প্রথম কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পরে দ্বিতীয় কারখানায় শিফট পরিবর্তনের সময় আরও ২৩ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা ভিজিট পাসের অপব্যবহার করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
অভিযান শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, মূল কোম্পানির অধীনে থাকা দুটি কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য কোম্পানি বা খাতে নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর একই প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত অভিযানের পর এটি ছিল দ্বিতীয় অভিযান।
বরিশাল টাইমস
মালয়েশিয়ার পেরাক অঙ্গরাজ্যের চেমোরের কান্থান শিল্প এলাকায় দুটি রাবার গ্লাভস কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৭৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে শ্রমশক্তি বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন।
পেরাক অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক জেমস লি জানান, প্রথম কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পরে দ্বিতীয় কারখানায় শিফট পরিবর্তনের সময় আরও ২৩ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা ভিজিট পাসের অপব্যবহার করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
অভিযান শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, মূল কোম্পানির অধীনে থাকা দুটি কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য কোম্পানি বা খাতে নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর একই প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত অভিযানের পর এটি ছিল দ্বিতীয় অভিযান।
বরিশাল টাইমস

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০২
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.