
১২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:২৬
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার তদ্বিরে পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদার ও সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
বিএনপি নেতা বিপ্লবের অব্যাহতি পত্র সোশ্যাল মিডিয়া প্রকাশ হলে বিএনপি'র নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অব্যাহতি ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লব দলের একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি বিগত ১৬-১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে একাধিক মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ করেন।
এমনকি তার ছোট কন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত জুঁথি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিরোধী এক দফার আন্দোলনে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।
বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি আর্থিক ক্ষতিসহ নানারকম হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ রকম একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে অব্যাহতি দেয়া নিয়ে নেতাকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ারসহ নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌর বিএনপির এক নেতা জানান, গত কয়েকদিন ধরে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার কথা লিখে পোস্ট করেন।
এ লেখার প্রতিবাদে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লব তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে প্রতিবাদ করেন। পরবর্তীতে পৌর বিএনপির একটি চক্রের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শোভন সাবেক বিএনপি'র এমপি আবুল হোসেন খানের বাসভবনে গিয়ে বিপ্লবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার তদবিরের কয়েক দিনের মাথায় শনিবার তাকে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
জামাল হোসেন বিপ্লবের অব্যাহতি দেয়ার প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেলে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন উল্লাস প্রকাশ করে লেখেন, "স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বিএনপি থেকে জামাল হোসেন বিপ্লবকে অব্যাহতি দেয়ায় ধন্যবাদ সাবেক এমপি আবুল হোসেন কাকাকে।"
জামাল হোসেন বিপ্লবের অব্যাহতির বিষয় বাকেরগঞ্জ পৌর যুবদলের সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মনির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে "ছাত্রলীগ নেতার সাথে অশোভন আচরণ করার জন্য কারাবরণকারী ত্যাগী নেতা বিপ্লব ভাই বহিষ্কার" শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করেন।
ছাত্রদল নেতা শওকত খান তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছেন পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটিতে পদ পেয়েছেন একাধিক আওয়ামী নেতা, অথচ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার অভিযোগ ও তদবিরের কারণে জুলুমের শিকার কারাবরণকারী ত্যাগী নেতা ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দল থেকে অব্যাহতি! বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
পৌরসভার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়ে জামাল হোসেন বিপ্লব বলেন, কী কারনে তাকে অব্যাহতি দেয়া আছে তিনি জানেন না। তিনি বিগত ১৬-১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামীকে ভূমিকা রেখেছেন এবং একাধিকবার জেল খেটেছেন। রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই। দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই তিনি পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছেন।
পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদ্দার জানান, সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিপ্লবকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার সুপারিশেই কি বিপ্লবকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এ বিষয় প্রশ্ন করলে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে নিশ্চুপ থাকেন। শুধু বানান ঠিক কর
বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার তদ্বিরে পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদার ও সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
বিএনপি নেতা বিপ্লবের অব্যাহতি পত্র সোশ্যাল মিডিয়া প্রকাশ হলে বিএনপি'র নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অব্যাহতি ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লব দলের একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি বিগত ১৬-১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে একাধিক মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ করেন।
এমনকি তার ছোট কন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত জুঁথি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিরোধী এক দফার আন্দোলনে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।
বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি আর্থিক ক্ষতিসহ নানারকম হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ রকম একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে অব্যাহতি দেয়া নিয়ে নেতাকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ারসহ নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌর বিএনপির এক নেতা জানান, গত কয়েকদিন ধরে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার কথা লিখে পোস্ট করেন।
এ লেখার প্রতিবাদে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লব তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে প্রতিবাদ করেন। পরবর্তীতে পৌর বিএনপির একটি চক্রের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শোভন সাবেক বিএনপি'র এমপি আবুল হোসেন খানের বাসভবনে গিয়ে বিপ্লবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার তদবিরের কয়েক দিনের মাথায় শনিবার তাকে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
জামাল হোসেন বিপ্লবের অব্যাহতি দেয়ার প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেলে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন উল্লাস প্রকাশ করে লেখেন, "স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বিএনপি থেকে জামাল হোসেন বিপ্লবকে অব্যাহতি দেয়ায় ধন্যবাদ সাবেক এমপি আবুল হোসেন কাকাকে।"
জামাল হোসেন বিপ্লবের অব্যাহতির বিষয় বাকেরগঞ্জ পৌর যুবদলের সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মনির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে "ছাত্রলীগ নেতার সাথে অশোভন আচরণ করার জন্য কারাবরণকারী ত্যাগী নেতা বিপ্লব ভাই বহিষ্কার" শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করেন।
ছাত্রদল নেতা শওকত খান তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছেন পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটিতে পদ পেয়েছেন একাধিক আওয়ামী নেতা, অথচ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার অভিযোগ ও তদবিরের কারণে জুলুমের শিকার কারাবরণকারী ত্যাগী নেতা ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দল থেকে অব্যাহতি! বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
পৌরসভার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়ে জামাল হোসেন বিপ্লব বলেন, কী কারনে তাকে অব্যাহতি দেয়া আছে তিনি জানেন না। তিনি বিগত ১৬-১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামীকে ভূমিকা রেখেছেন এবং একাধিকবার জেল খেটেছেন। রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই। দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই তিনি পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছেন।
পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদ্দার জানান, সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিপ্লবকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার সুপারিশেই কি বিপ্লবকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এ বিষয় প্রশ্ন করলে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে নিশ্চুপ থাকেন। শুধু বানান ঠিক কর

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪
বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের অভিযানের সময় ইয়াবা গিলে অচেতন হয়ে পড়েছেন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের জনৈক মাদক কারবারি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. সরবত আলী বরিশালটাইমসকে জানান, নীলখোলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একপর্যায়ে কৌশলে তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে ফেলেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বর্তমানে পুলিশ পাহারায় ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।’
বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের অভিযানের সময় ইয়াবা গিলে অচেতন হয়ে পড়েছেন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের জনৈক মাদক কারবারি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. সরবত আলী বরিশালটাইমসকে জানান, নীলখোলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একপর্যায়ে কৌশলে তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে ফেলেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বর্তমানে পুলিশ পাহারায় ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৪
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩০