
০২ মার্চ, ২০২৬ ১০:৪০
শেরপুরে একটি ভাঙাড়ির দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদ্রাসার সরকারি পাঠ্যবই জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় শহরের নওহাটা এলাকায় মেসার্স রোকেয়া আয়রন স্টোর থেকে মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৮ হাজার সরকারি বই জব্দ করা হয়। দোকানটির মালিক শহরের বাগরাকসা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম অপু। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে দোকানটি সিলগালা করে দেয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহরের নওহাটা এলাকায় আব্দুর রহিম অপুর মালিকানাধীন রোকেয়া আয়রন স্টোরে দীর্ঘদিন থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন বই অবৈধভাবে কেনাবেচা হতো। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের জানান। পরে রোববার সন্ধ্যায় ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে এক ভ্যানগাড়ি ভর্তি ২০২৫ সালের মাদ্রাসার নতুন বই জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। পরে দোকানের গুদামের ভেতর আরও বইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। এদিকে পরিস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়েন ভাঙাড়ি দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা।
তবে ওই দোকানের ভ্যানগাড়ি চালক তজি মিয়া জানান, আমি এই গুদামের ভ্যানগাড়ি চালাই। মালিক বইগুলো আনতে বলেছিলেন। বইগুলো সরকারি কি-না- সেটা আমি জানি না।
স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্দিক আহমেদ জানান, গত বছর বইয়ের সংকটের কারণে একেক শিক্ষার্থীকে ৩/৪টি করে বই দেওয়া হয়েছিল। অথচ এরাই নতুন বই লুকিয়ে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সদর থানার এসআই সুশান্ত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্যানগাড়িসহ নতুন বইগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আর ইউএনও মহোদয় গুদামটি সিলগালা করে রেখেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, খবর পেয়ে ভ্যানগাড়ির বইগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। বইগুলো সদর উপজেলার কোনো মাদ্রাসার হতে পারে। ঘটনা তদন্তে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
শেরপুরে একটি ভাঙাড়ির দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদ্রাসার সরকারি পাঠ্যবই জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় শহরের নওহাটা এলাকায় মেসার্স রোকেয়া আয়রন স্টোর থেকে মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৮ হাজার সরকারি বই জব্দ করা হয়। দোকানটির মালিক শহরের বাগরাকসা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম অপু। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে দোকানটি সিলগালা করে দেয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহরের নওহাটা এলাকায় আব্দুর রহিম অপুর মালিকানাধীন রোকেয়া আয়রন স্টোরে দীর্ঘদিন থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন বই অবৈধভাবে কেনাবেচা হতো। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের জানান। পরে রোববার সন্ধ্যায় ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে এক ভ্যানগাড়ি ভর্তি ২০২৫ সালের মাদ্রাসার নতুন বই জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। পরে দোকানের গুদামের ভেতর আরও বইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়। এদিকে পরিস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়েন ভাঙাড়ি দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা।
তবে ওই দোকানের ভ্যানগাড়ি চালক তজি মিয়া জানান, আমি এই গুদামের ভ্যানগাড়ি চালাই। মালিক বইগুলো আনতে বলেছিলেন। বইগুলো সরকারি কি-না- সেটা আমি জানি না।
স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্দিক আহমেদ জানান, গত বছর বইয়ের সংকটের কারণে একেক শিক্ষার্থীকে ৩/৪টি করে বই দেওয়া হয়েছিল। অথচ এরাই নতুন বই লুকিয়ে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সদর থানার এসআই সুশান্ত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্যানগাড়িসহ নতুন বইগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আর ইউএনও মহোদয় গুদামটি সিলগালা করে রেখেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, খবর পেয়ে ভ্যানগাড়ির বইগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। বইগুলো সদর উপজেলার কোনো মাদ্রাসার হতে পারে। ঘটনা তদন্তে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.