
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৪
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। প্রতিদিনই কুলাউড়ার দত্তগ্রাম, লালারচকসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথ দিয়ে অবৈধভাবে দেশে ঢুকছে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গরু।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজিবির তৎপরতায় বেশ কয়েকটি ভারতীয় গরুর চালান আটক হলেও প্রতিদিন চোরাই পথে অসংখ্য গরু বাংলাদেশে ঢুকছে। সম্প্রতি সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে ১৯টি গরু আটক করেন বিজিবির সদস্যরা।
জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা, পৃথিমপাশা, শরীফপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান হয়ে আসছে। চোরাকারবারি চক্রের সিন্ডিকেটে জনপ্রতিনিধিসহ সীমান্তসংলগ্ন এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রয়েছেন।
স্থানীয় দত্তগ্রাম এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, সীমান্তের বিভিন্ন পাহাড়ি টিলা ও নদীপথ দিয়ে রাতে কিংবা ভোরে গরুসহ বিভিন্ন পণ্য ও মাদক পাচার করছে চোরাচালানি সিন্ডিকেট। চোরাকারবারিরা কখনও সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কেটে আবার কখনও কাঁটাতারের ওপর মই ব্যবহার করে চোরাইপণ্য পাচার করছে।
এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে সম্প্রতি ভারতীয় গরুর চোরাচালান বেড়েছে। চোরাকারবারিরা শরীফপুর ইউনিয়নের চারিয়ার ঘাট, হাসারকোনা, কালারায়ের চর, নিশ্চিন্তপুর, চানপুর, বাগজুর, দত্তগ্রাম, লালারচক, কর্মধার গহিন পাহাড়, মুরইছড়া এলাকা, পৃথিমপাশার শিকড়িয়া, আলীনগর এলাকা দিয়ে গরু নিয়ে আসছে। এসব এলাকা চোরাচালানের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত।
বিজিবি সদস্যরা মাঝেমধ্যে চোরাইপথে আসা ভারতীয় গরু আটক করলেও স্থানীয় প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধিরা বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে সুপারিশ করে গরুগুলো ছাড়িয়ে আনেন। অনেক সময় দেশি গরু বলে শনাক্ত করে জনপ্রতিনিধিরা বিজিবির কাছে সুপারিশ করে আটক গরু ছাড়িয়ে আনেন। এসব গরু স্থানীয় রবিরবাজার, ব্রাহ্মণবাজার ও কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে রসিদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।
শরীফপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নুল ইসলাম বলেন, ভারতীয় গরু দেশে ঢুকছে এটা ঠিক। তবে সীমান্তবর্তী গ্রামের অনেক কৃষকের গরু ভারতীয় গরু বলে সন্দেহমূলকভাবে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিজিবি। পরে এলাকার লোকজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুপারিশ করতে বলেন।
শ্রীমঙ্গল ৪৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তের জিরো লাইনের পাশে বিজিবির একাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে টহল জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি বিজিবির পৃথক অভিযানে কুলাউড়ার দত্তগ্রাম ও লালারচক সীমান্ত এলাকা থেকে ১৯টি ভারতীয় গরু আটক করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, ঈদ সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের নজরদারি অনেক বাড়ানো হয়েছে। চোরাকারবারিদের ধরতে পুলিশি টহল ও সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। প্রতিদিনই কুলাউড়ার দত্তগ্রাম, লালারচকসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথ দিয়ে অবৈধভাবে দেশে ঢুকছে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গরু।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজিবির তৎপরতায় বেশ কয়েকটি ভারতীয় গরুর চালান আটক হলেও প্রতিদিন চোরাই পথে অসংখ্য গরু বাংলাদেশে ঢুকছে। সম্প্রতি সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে ১৯টি গরু আটক করেন বিজিবির সদস্যরা।
জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা, পৃথিমপাশা, শরীফপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান হয়ে আসছে। চোরাকারবারি চক্রের সিন্ডিকেটে জনপ্রতিনিধিসহ সীমান্তসংলগ্ন এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রয়েছেন।
স্থানীয় দত্তগ্রাম এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, সীমান্তের বিভিন্ন পাহাড়ি টিলা ও নদীপথ দিয়ে রাতে কিংবা ভোরে গরুসহ বিভিন্ন পণ্য ও মাদক পাচার করছে চোরাচালানি সিন্ডিকেট। চোরাকারবারিরা কখনও সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কেটে আবার কখনও কাঁটাতারের ওপর মই ব্যবহার করে চোরাইপণ্য পাচার করছে।
এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে সম্প্রতি ভারতীয় গরুর চোরাচালান বেড়েছে। চোরাকারবারিরা শরীফপুর ইউনিয়নের চারিয়ার ঘাট, হাসারকোনা, কালারায়ের চর, নিশ্চিন্তপুর, চানপুর, বাগজুর, দত্তগ্রাম, লালারচক, কর্মধার গহিন পাহাড়, মুরইছড়া এলাকা, পৃথিমপাশার শিকড়িয়া, আলীনগর এলাকা দিয়ে গরু নিয়ে আসছে। এসব এলাকা চোরাচালানের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত।
বিজিবি সদস্যরা মাঝেমধ্যে চোরাইপথে আসা ভারতীয় গরু আটক করলেও স্থানীয় প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধিরা বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে সুপারিশ করে গরুগুলো ছাড়িয়ে আনেন। অনেক সময় দেশি গরু বলে শনাক্ত করে জনপ্রতিনিধিরা বিজিবির কাছে সুপারিশ করে আটক গরু ছাড়িয়ে আনেন। এসব গরু স্থানীয় রবিরবাজার, ব্রাহ্মণবাজার ও কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে রসিদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।
শরীফপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নুল ইসলাম বলেন, ভারতীয় গরু দেশে ঢুকছে এটা ঠিক। তবে সীমান্তবর্তী গ্রামের অনেক কৃষকের গরু ভারতীয় গরু বলে সন্দেহমূলকভাবে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিজিবি। পরে এলাকার লোকজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুপারিশ করতে বলেন।
শ্রীমঙ্গল ৪৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তের জিরো লাইনের পাশে বিজিবির একাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে টহল জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি বিজিবির পৃথক অভিযানে কুলাউড়ার দত্তগ্রাম ও লালারচক সীমান্ত এলাকা থেকে ১৯টি ভারতীয় গরু আটক করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, ঈদ সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের নজরদারি অনেক বাড়ানো হয়েছে। চোরাকারবারিদের ধরতে পুলিশি টহল ও সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৬
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুকুরপাড় থেকে পরিত্যক্ত মর্টারশেল সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কামালপুর উত্তর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, বিকেল চারটার দিকে কামালপুর উত্তর গ্রামের বাসিন্দা কুলছুমা বেগম (৫০) প্রতিবেশী সাদা মিয়ার পুকুরপাড়ে ছাগল চরাতে যান। এ সময় তিনি লোহার মতো ভারী একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে সেটিকে সাধারণ লোহার টুকরো মনে করে কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে যান।
পরে বাড়িতে নিয়ে গেলে তার ছেলে রিয়াজুল ইসলাম বস্তুটি দেখে এটি মর্টারশেল হতে পারে বলে সন্দেহ করেন। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তিনি দ্রুত সেটি বাড়ির বাইরে একটি খোলা স্থানে রেখে স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। এরপর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পুরোনো মর্টারশেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি সক্রিয় কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য ঘাটাইল সেনানিবাস থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, কামালপুর সীমান্ত এলাকা মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্র ছিল। স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি সে সময়কার অবিস্ফোরিত কোনো মর্টারশেল হতে পারে।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুকুরপাড় থেকে পরিত্যক্ত মর্টারশেল সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কামালপুর উত্তর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, বিকেল চারটার দিকে কামালপুর উত্তর গ্রামের বাসিন্দা কুলছুমা বেগম (৫০) প্রতিবেশী সাদা মিয়ার পুকুরপাড়ে ছাগল চরাতে যান। এ সময় তিনি লোহার মতো ভারী একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে সেটিকে সাধারণ লোহার টুকরো মনে করে কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে যান।
পরে বাড়িতে নিয়ে গেলে তার ছেলে রিয়াজুল ইসলাম বস্তুটি দেখে এটি মর্টারশেল হতে পারে বলে সন্দেহ করেন। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তিনি দ্রুত সেটি বাড়ির বাইরে একটি খোলা স্থানে রেখে স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। এরপর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পুরোনো মর্টারশেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি সক্রিয় কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য ঘাটাইল সেনানিবাস থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, কামালপুর সীমান্ত এলাকা মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্র ছিল। স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি সে সময়কার অবিস্ফোরিত কোনো মর্টারশেল হতে পারে।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১৭
দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই হিসাবে প্রতি ১০০ কিলোমিটারে ১১ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, এই ভাড়া বৃদ্ধি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এবং তা শুধুমাত্র ডিজেলচালিত বাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সিএনজিচালিত বাসের ভাড়া অপরিবর্তিত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি তেলের দাম কমে এলে বাসভাড়াও সমন্বয় করা হবে। তবে রেল ও নৌ পরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এর আগে গত ১৮ এপ্রিল সরকার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে। নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বাড়ানো হয়, যা ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়েছে।
দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই হিসাবে প্রতি ১০০ কিলোমিটারে ১১ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, এই ভাড়া বৃদ্ধি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এবং তা শুধুমাত্র ডিজেলচালিত বাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সিএনজিচালিত বাসের ভাড়া অপরিবর্তিত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি তেলের দাম কমে এলে বাসভাড়াও সমন্বয় করা হবে। তবে রেল ও নৌ পরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এর আগে গত ১৮ এপ্রিল সরকার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে। নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বাড়ানো হয়, যা ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়েছে।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৫৩
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটরসাইকেল চালককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, ইউএনও বলছেন, তিনি শুধু চাবি নিয়েছেন, মারধর করেননি।
গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তাঁর মোটরসাইকেলে তেল নিতে চাপারহাট বাজারের গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চান। এ সময় প্রদীপ তাঁর কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। নদী লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাকালে সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তাঁর হাতে থাকা কার্ডটি পরীক্ষা করেন। এ সময় কার্ডের ছবির সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাঁকে থাপ্পড় দিতে থাকেন।
এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা নিশ্চিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগকারী যুবক নদী বলেন, ‘আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’
এ বিষয়ে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান বলেন, ‘আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। তার অভিভাবকেরা এলে তাদের কাছে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটরসাইকেল চালককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, ইউএনও বলছেন, তিনি শুধু চাবি নিয়েছেন, মারধর করেননি।
গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তাঁর মোটরসাইকেলে তেল নিতে চাপারহাট বাজারের গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চান। এ সময় প্রদীপ তাঁর কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। নদী লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাকালে সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তাঁর হাতে থাকা কার্ডটি পরীক্ষা করেন। এ সময় কার্ডের ছবির সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাঁকে থাপ্পড় দিতে থাকেন।
এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা নিশ্চিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগকারী যুবক নদী বলেন, ‘আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’
এ বিষয়ে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান বলেন, ‘আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। তার অভিভাবকেরা এলে তাদের কাছে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.