Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ জুন, ২০২৬ ১৫:০২
সম্প্রতি নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গাইবান্ধায় ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে তাকে ক্লোজ করা হয়।
শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাইবান্ধার ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন। গত ১৭ জুন রাতের একটি ঘটনায় গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে ক্লোজ করা হয়।
স্থানীয় ও ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে ফেসবুকে কন্টেন্ট বানাচ্ছিলেন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর।
এর সূত্র ধরে নিঝুম নামের এক নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সাথে তার সখ্যতা তৈরি হয়। গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিঝুম নামের ওই নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরসহ স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে।
সেই রাতে, ওই বাসায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর ও নিঝুমের অবস্থান টের পেয়ে, স্থানীয় লোকজন বাসাটি ঘিরে ফেলেন এবং তাদের বের হতে বাধা দেন। পরে তাদের কাছ থেকে মাদক (ইয়াবা) উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা যায়।
ঘটনার পর পরই মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন ও একটি প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে ওই রাতেই অভিযুক্তদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
এসব বিষয় ঘটনার দিন প্রকাশ না পেলেও গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরবভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর পরেই তাকে ক্লোজ করে পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন বলেন, পলাশবাড়ির ওই ঘটনায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সাথে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ বিভাগ।
সম্প্রতি নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গাইবান্ধায় ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে তাকে ক্লোজ করা হয়।
শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাইবান্ধার ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন। গত ১৭ জুন রাতের একটি ঘটনায় গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে ক্লোজ করা হয়।
স্থানীয় ও ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে ফেসবুকে কন্টেন্ট বানাচ্ছিলেন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর।
এর সূত্র ধরে নিঝুম নামের এক নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সাথে তার সখ্যতা তৈরি হয়। গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিঝুম নামের ওই নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরসহ স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে।
সেই রাতে, ওই বাসায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর ও নিঝুমের অবস্থান টের পেয়ে, স্থানীয় লোকজন বাসাটি ঘিরে ফেলেন এবং তাদের বের হতে বাধা দেন। পরে তাদের কাছ থেকে মাদক (ইয়াবা) উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা যায়।
ঘটনার পর পরই মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন ও একটি প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে ওই রাতেই অভিযুক্তদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
এসব বিষয় ঘটনার দিন প্রকাশ না পেলেও গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরবভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর পরেই তাকে ক্লোজ করে পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন বলেন, পলাশবাড়ির ওই ঘটনায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সাথে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ বিভাগ।

২১ জুন, ২০২৬ ১৬:১৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল-আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বড়শি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।
দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্বপাশে একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তারা ডোবার পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল। এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পুড়াভিটায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার সময় প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আটক আসামিকে ছিনিয়ে নেয় স্থানীয় মাদক কারবারিরা।
শনিবার (২০ জুন) পুড়াভিটায় বিকেল ৪টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে রাজবাড়ী জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
এরপর গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে দৌলতদিয়া এশিয়া বোডিং এলাকায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনাকালে আসামি আশীষ চন্দ্র শীলে (২৬) দেহ তল্লাশী করে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
অপর আসামি পুড়াভিটায় মাদক কারবারি বেবীর ছেলে ফয়সালকে (২৪) মাদক ও টাকাসহ গ্রেপ্তার করে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
এ সময় মাদক কারবারিরা আতর্কিত হামলা করে হ্যান্ডকাপসহ আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মাদক কারবারিদের হামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন আহত হন।
গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খান বলেন, আমার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পুড়াভিটা এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে মাদকসহ আটক করা হয়।
এর মধ্যে একজনকে সাজা দেওয়া হয়। অপর আসামি ফয়সালকে নগদ টাকা ও মাদকসহ আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা তাকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেওয়ার পর পুড়াভিটার মাদক কারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা করে আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
হামলায় ঘটনাস্থলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:১৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলওয়ে স্টেশনে কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে পরিচিত সুমন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) সকালে এ ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে প্রায় ১ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল জন্য বন্ধ থাক। আটক সুমন কসবা উপজেলার গোবিনাথপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের রৌশন মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘উপকূল এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে মাছের পোনা বহনকারী এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সুমন স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলার সময় অফিসের টেলিফোন, সিগন্যালিং যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীকে আটক করে।
আহত স্টেশন মাস্টারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হামলার কারণ খতিয়ে দেখছে রেলওয়ে পুলিশ।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল-আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বড়শি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।
দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্বপাশে একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তারা ডোবার পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল। এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পুড়াভিটায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার সময় প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আটক আসামিকে ছিনিয়ে নেয় স্থানীয় মাদক কারবারিরা।
শনিবার (২০ জুন) পুড়াভিটায় বিকেল ৪টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে রাজবাড়ী জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
এরপর গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে দৌলতদিয়া এশিয়া বোডিং এলাকায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনাকালে আসামি আশীষ চন্দ্র শীলে (২৬) দেহ তল্লাশী করে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
অপর আসামি পুড়াভিটায় মাদক কারবারি বেবীর ছেলে ফয়সালকে (২৪) মাদক ও টাকাসহ গ্রেপ্তার করে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
এ সময় মাদক কারবারিরা আতর্কিত হামলা করে হ্যান্ডকাপসহ আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মাদক কারবারিদের হামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন আহত হন।
গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খান বলেন, আমার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পুড়াভিটা এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে মাদকসহ আটক করা হয়।
এর মধ্যে একজনকে সাজা দেওয়া হয়। অপর আসামি ফয়সালকে নগদ টাকা ও মাদকসহ আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা তাকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেওয়ার পর পুড়াভিটার মাদক কারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা করে আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
হামলায় ঘটনাস্থলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলওয়ে স্টেশনে কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে পরিচিত সুমন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) সকালে এ ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে প্রায় ১ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল জন্য বন্ধ থাক। আটক সুমন কসবা উপজেলার গোবিনাথপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের রৌশন মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘উপকূল এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে মাছের পোনা বহনকারী এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সুমন স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলার সময় অফিসের টেলিফোন, সিগন্যালিং যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীকে আটক করে।
আহত স্টেশন মাস্টারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হামলার কারণ খতিয়ে দেখছে রেলওয়ে পুলিশ।