Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ জুন, ২০২৫ ১৮:৪৯
চট্টগ্রামের জামালখানে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের মুক্তির প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক আয়োজিত সমাবেশে নারীকে মারধর ও লাথি মারার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সিবাগাত উল্লাহ আকাশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১ জুন) দুপুরে নগরীর কোতোয়ালি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্প্রতি আকাশ চৌধুরীকে জামায়াত থেকে ঘোষণা দিয়ে বহিষ্কার করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে আকাশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে এই ঘটনায় পুলিশের করা দ্রুত বিচার আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে ২৮ মে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়ার প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরে সেখানে মিছিল নিয়ে আসে ‘অ্যান্টি শাহবাগ মুভমেন্ট’ নামে একটি সংগঠন।
এই সময় দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের অভিযোগ, এক পর্যায়ে অ্যান্টি শাহবাগ মুভমেন্ট তাদের ওপর হামলা করে। এতে তাদের ১৫ জন আহত হয়। এই সময় ঘটনাস্থল থেকে এক ছাত্রসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশ বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে কোতোয়ালি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এদিকে হামলার পরপরই ভাইরাল হওয়া ১৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রেস ক্লাবের সংলগ্ন চট্টগ্রাম ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের সামনে আশ্রয় নেন গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা। সেখানে একজন পুলিশ সদস্যকেও দেখা গেছে। আকাশ পুলিশের চোখ এড়িয়ে নেতাকর্মীদের পেছন যান।
সেখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ একজনকে লাথি মারেন তিনি। এরপর ঘুরে আবার আরেক নারীকে লাথি মারেন। লাথি মারার এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এরপর গত ৩০ মে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়ত এক বিবৃতিতে জানায়, চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের কর্মসূচিতে নারীকে লাথা মারার ঘটনায় জামায়াতকর্মী আকাশ চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের জামালখানে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের মুক্তির প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক আয়োজিত সমাবেশে নারীকে মারধর ও লাথি মারার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সিবাগাত উল্লাহ আকাশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১ জুন) দুপুরে নগরীর কোতোয়ালি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সম্প্রতি আকাশ চৌধুরীকে জামায়াত থেকে ঘোষণা দিয়ে বহিষ্কার করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে আকাশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে এই ঘটনায় পুলিশের করা দ্রুত বিচার আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে ২৮ মে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়ার প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরে সেখানে মিছিল নিয়ে আসে ‘অ্যান্টি শাহবাগ মুভমেন্ট’ নামে একটি সংগঠন।
এই সময় দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের অভিযোগ, এক পর্যায়ে অ্যান্টি শাহবাগ মুভমেন্ট তাদের ওপর হামলা করে। এতে তাদের ১৫ জন আহত হয়। এই সময় ঘটনাস্থল থেকে এক ছাত্রসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশ বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে কোতোয়ালি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এদিকে হামলার পরপরই ভাইরাল হওয়া ১৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রেস ক্লাবের সংলগ্ন চট্টগ্রাম ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের সামনে আশ্রয় নেন গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা। সেখানে একজন পুলিশ সদস্যকেও দেখা গেছে। আকাশ পুলিশের চোখ এড়িয়ে নেতাকর্মীদের পেছন যান।
সেখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ একজনকে লাথি মারেন তিনি। এরপর ঘুরে আবার আরেক নারীকে লাথি মারেন। লাথি মারার এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এরপর গত ৩০ মে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়ত এক বিবৃতিতে জানায়, চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের কর্মসূচিতে নারীকে লাথা মারার ঘটনায় জামায়াতকর্মী আকাশ চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে অবৈধভাবে বাড়িতে ডিজেল মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এক ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের রাজার কলতা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে একটি বাড়িতে ২০টিরও বেশি তেলের ড্রাম পাওয়া গেলেও সেখানে ৮০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় রাজার কলতা এলাকার নয়ন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নয়ন জানান, তার শ্বশুর রফিকুল ইসলাম বাল্লা ইউনিয়নের ভাদিয়াখোলা বাজারের একজন তেলের ডিলার। শ্বশুরের দেওয়া তেল তিনি নিজের বাড়িতে রেখে বিক্রি করছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, অবৈধভাবে তেল মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৪
ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা দেড় টন চাল পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুস্থদের বরাদ্দের এই চাল চার-পাঁচ মাস গুদামে ফেলে রাখার কারণে চালে বসবাস করছে ইঁদুর-পোকা। অবশেষে ধরেছে পচন। এমন চিত্র দেখা যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায়।
দুস্থদের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ চাল অজ্ঞাত কারণে সময়মতো বিতরণ না করায় ইঁদুর ও পোকায় খাওয়ায় পর এখন পচন ধরেছে ১৫০০ কেজি চালে। ফলে খাবার অনুপযোগী হওয়া ওই চাল দেখে কার্ডধারী ও জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের জামতলা বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, ওই কার্যালয়ে দুপুরের দিকে গ্রাম পুলিশের পাহারায় ইঁদুরে কাটা বস্তা বাইরে বের করা হয়।
পচা ও নষ্ট চাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে মেঝেতে। বের হচ্ছে দুর্গন্ধ। গুদামে চালের বস্তা কমপক্ষে ৫০টি (৩০ কেজি বস্তা), যার পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় টন বা ১৫০০ কেজি। এমন খবরে গুদামে দেখা যায় স্থানীয়দের ভিড়। এ সময় পোকায় খাওয়া চাল দেখে আফসোস করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।
চালের বস্তাগুলো ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) প্রকল্পের। আগের নাম ভিজিডি। বরাদ্দের চাল নিয়মিত বিতরণ না করায় আগের চার-পাঁচ মাসের বরাদ্দের চাল ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা হয়েছে।
গুদামে বিপুল পরিমাণ চাল মেঝেতে পড়ে রয়েছে। চালের ওপর বড় বড় পোকা দেখা যাচ্ছে। ইঁদুরের বিষ্ঠা পড়ে রয়েছে। ইঁদুরে খাওয়া চালের বস্তাগুলো গুদামের বাইরে ফেলে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, চাল পঁচে যাওয়ায় দুর্গন্ধে গুদামে বেশিক্ষণ থাকা যায় না। চালগুলো খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গ্রাম পুলিশের সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে বলা হয়েছে গুদাম পাহারা দেওয়ার জন্য। চাল নষ্ট হয়ে গেলে আমার কী করার আছে?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুম জানান, এত চাল কীভাবে রয়েছে, তা আমাদের জানা নেই। সচিব বলতে পারবেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, কার্ডধারীদের খোঁজ করে না পাওয়ায় ওইসব বরাদ্দ রয়েছে। ফোন করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে কী করার আছে! তা ছাড়া পরিষদ না থাকায় ভালো স্থানের অভাবে অল্প দিনেই চাল নষ্ট হয়ে যায়।
রাজগাতী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হক ফারুক রেজা বলেন, এই চালের বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এখন খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৫
জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভিজিএফ কার্ড না দেওয়ায় প্যানেল চেয়ারম্যানকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী প্যানেল চেয়ারম্যানের নাম মির্জা সোহেল। তিনি উপজেলার মির্জা বাড়ি এলাকার মরহুম মির্জা সাখওয়াত হোসেনের সন্তান। অভিযুক্ত আশিকুর রহমান তুলন বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।
ভুক্তভোগী সোহেল বলেন, আমাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন দুপুরে কল দিয়ে উপজেলা পরিষদে ডেকে নিয়ে যায়। আমি যাওয়ার পর সে আমার কাছে কয়েকটি কার্ড চায়।
আমি কার্ড দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে মারধর করে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। আমি খুব দ্রুত আইনের আশ্রয় নেব।
বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমার কাছেও প্রথমে এসে সরাসরি কিছু কার্ড চায়। আমি বললাম এগুলো কার্ড তো আপনাকে দিতে পারবো না। গরিব মানুষের কার্ড। তারপর সে প্যানেল চেয়ারম্যান মির্জা সোহেলকে ডেকে নিয়ে আসে। সোহেল সাহেব না করার পরই তাকে রুম থেকে বের করে লাঞ্ছিত করে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, মূলত একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ঝামেলা থেকে কথা কাটাকাটি হয়। এর বেশি কিছু হয়নি।
জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুল মোমেন আকন্দ কাউসার মোবাইল ফোনে বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। আপনার কাছ থেকেই মাত্র জানতে পারলাম। দলীয় শৃঙ্খলা যে ভঙ্গ করবে তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এক্ষেত্রে বিষয়টি কেউ আমাদের লিখিত বা মৌখিক জানালে আমরা প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বর্তমানে অভিযোগ ছাড়া এক্ষেত্রে করার কিছু নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইকে ফোন দিলে তিনি নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিক বার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে অবৈধভাবে বাড়িতে ডিজেল মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এক ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের রাজার কলতা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে একটি বাড়িতে ২০টিরও বেশি তেলের ড্রাম পাওয়া গেলেও সেখানে ৮০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় রাজার কলতা এলাকার নয়ন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নয়ন জানান, তার শ্বশুর রফিকুল ইসলাম বাল্লা ইউনিয়নের ভাদিয়াখোলা বাজারের একজন তেলের ডিলার। শ্বশুরের দেওয়া তেল তিনি নিজের বাড়িতে রেখে বিক্রি করছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, অবৈধভাবে তেল মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা দেড় টন চাল পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুস্থদের বরাদ্দের এই চাল চার-পাঁচ মাস গুদামে ফেলে রাখার কারণে চালে বসবাস করছে ইঁদুর-পোকা। অবশেষে ধরেছে পচন। এমন চিত্র দেখা যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায়।
দুস্থদের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ চাল অজ্ঞাত কারণে সময়মতো বিতরণ না করায় ইঁদুর ও পোকায় খাওয়ায় পর এখন পচন ধরেছে ১৫০০ কেজি চালে। ফলে খাবার অনুপযোগী হওয়া ওই চাল দেখে কার্ডধারী ও জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের জামতলা বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, ওই কার্যালয়ে দুপুরের দিকে গ্রাম পুলিশের পাহারায় ইঁদুরে কাটা বস্তা বাইরে বের করা হয়।
পচা ও নষ্ট চাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে মেঝেতে। বের হচ্ছে দুর্গন্ধ। গুদামে চালের বস্তা কমপক্ষে ৫০টি (৩০ কেজি বস্তা), যার পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় টন বা ১৫০০ কেজি। এমন খবরে গুদামে দেখা যায় স্থানীয়দের ভিড়। এ সময় পোকায় খাওয়া চাল দেখে আফসোস করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।
চালের বস্তাগুলো ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) প্রকল্পের। আগের নাম ভিজিডি। বরাদ্দের চাল নিয়মিত বিতরণ না করায় আগের চার-পাঁচ মাসের বরাদ্দের চাল ইউপি গুদামে মজুত করে রাখা হয়েছে।
গুদামে বিপুল পরিমাণ চাল মেঝেতে পড়ে রয়েছে। চালের ওপর বড় বড় পোকা দেখা যাচ্ছে। ইঁদুরের বিষ্ঠা পড়ে রয়েছে। ইঁদুরে খাওয়া চালের বস্তাগুলো গুদামের বাইরে ফেলে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, চাল পঁচে যাওয়ায় দুর্গন্ধে গুদামে বেশিক্ষণ থাকা যায় না। চালগুলো খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গ্রাম পুলিশের সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে বলা হয়েছে গুদাম পাহারা দেওয়ার জন্য। চাল নষ্ট হয়ে গেলে আমার কী করার আছে?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল কাইয়ুম জানান, এত চাল কীভাবে রয়েছে, তা আমাদের জানা নেই। সচিব বলতে পারবেন।
ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, কার্ডধারীদের খোঁজ করে না পাওয়ায় ওইসব বরাদ্দ রয়েছে। ফোন করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে কী করার আছে! তা ছাড়া পরিষদ না থাকায় ভালো স্থানের অভাবে অল্প দিনেই চাল নষ্ট হয়ে যায়।
রাজগাতী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হক ফারুক রেজা বলেন, এই চালের বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। এখন খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভিজিএফ কার্ড না দেওয়ায় প্যানেল চেয়ারম্যানকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী প্যানেল চেয়ারম্যানের নাম মির্জা সোহেল। তিনি উপজেলার মির্জা বাড়ি এলাকার মরহুম মির্জা সাখওয়াত হোসেনের সন্তান। অভিযুক্ত আশিকুর রহমান তুলন বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।
ভুক্তভোগী সোহেল বলেন, আমাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন দুপুরে কল দিয়ে উপজেলা পরিষদে ডেকে নিয়ে যায়। আমি যাওয়ার পর সে আমার কাছে কয়েকটি কার্ড চায়।
আমি কার্ড দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে মারধর করে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। আমি খুব দ্রুত আইনের আশ্রয় নেব।
বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমার কাছেও প্রথমে এসে সরাসরি কিছু কার্ড চায়। আমি বললাম এগুলো কার্ড তো আপনাকে দিতে পারবো না। গরিব মানুষের কার্ড। তারপর সে প্যানেল চেয়ারম্যান মির্জা সোহেলকে ডেকে নিয়ে আসে। সোহেল সাহেব না করার পরই তাকে রুম থেকে বের করে লাঞ্ছিত করে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, মূলত একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ঝামেলা থেকে কথা কাটাকাটি হয়। এর বেশি কিছু হয়নি।
জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুল মোমেন আকন্দ কাউসার মোবাইল ফোনে বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। আপনার কাছ থেকেই মাত্র জানতে পারলাম। দলীয় শৃঙ্খলা যে ভঙ্গ করবে তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এক্ষেত্রে বিষয়টি কেউ আমাদের লিখিত বা মৌখিক জানালে আমরা প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বর্তমানে অভিযোগ ছাড়া এক্ষেত্রে করার কিছু নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইকে ফোন দিলে তিনি নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিক বার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫