নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ-মাসদাইর এলাকার বোয়ালিয়া খাল সংলগ্ন লিচুবাগ এলাকায় সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহে যাওয়া র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে র্যাব-১১ এর তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত র্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালিয়া খাল এলাকা মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল সাদা পোশাকে মাদক কারবারিদের অবস্থান ও তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে ওই এলাকায় যায়। এলাকায় প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল চাপাতি, রামদা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে র্যাব সদস্যদের ঘিরে ফেলে এবং অতর্কিত আক্রমণ করে। এতে র্যাব সদস্যদের মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও অন্য র্যাব সদস্যরা আহতদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতরা হলেন র্যাব সদস্য নজিবুল, মাহি ও ইব্রাহিম। এর মধ্যে নজিবুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম জানান, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত রয়েছে। একজনের মাথা ও হাতে গুরুতর ক্ষত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
র্যাব ও পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ ও মাসুদ ওরফে বুইট্টা মাসুদের সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন যুবককে চাপাতি ও রামদা নিয়ে হামলা চালাতে দেখা যায়, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মাহবুব জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। র্যাবের ওপর হামলা করে কেউ পার পাবে না। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে র্যাবের অবস্থান জিরো টলারেন্স। জনগণের নিরাপত্তায় র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময়ের সাধারণ চলাচলের জায়গাটি ধীরে ধীরে মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীদের আড্ডাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষ এলাকাটি এড়িয়ে চলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাসিন্দা বলেন, প্রতিদিন এখানে মাদকের আড্ডা বসে। মাঝেমধ্যে মারামারি হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেওয়া হয়।'

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

০৬ মে, ২০২৬ ০১:৫২
নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ-মাসদাইর এলাকার বোয়ালিয়া খাল সংলগ্ন লিচুবাগ এলাকায় সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহে যাওয়া র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে র্যাব-১১ এর তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত র্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালিয়া খাল এলাকা মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল সাদা পোশাকে মাদক কারবারিদের অবস্থান ও তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে ওই এলাকায় যায়। এলাকায় প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল চাপাতি, রামদা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে র্যাব সদস্যদের ঘিরে ফেলে এবং অতর্কিত আক্রমণ করে। এতে র্যাব সদস্যদের মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও অন্য র্যাব সদস্যরা আহতদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতরা হলেন র্যাব সদস্য নজিবুল, মাহি ও ইব্রাহিম। এর মধ্যে নজিবুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম জানান, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত রয়েছে। একজনের মাথা ও হাতে গুরুতর ক্ষত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
র্যাব ও পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ ও মাসুদ ওরফে বুইট্টা মাসুদের সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন যুবককে চাপাতি ও রামদা নিয়ে হামলা চালাতে দেখা যায়, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মাহবুব জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। র্যাবের ওপর হামলা করে কেউ পার পাবে না। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে র্যাবের অবস্থান জিরো টলারেন্স। জনগণের নিরাপত্তায় র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময়ের সাধারণ চলাচলের জায়গাটি ধীরে ধীরে মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীদের আড্ডাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষ এলাকাটি এড়িয়ে চলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাসিন্দা বলেন, প্রতিদিন এখানে মাদকের আড্ডা বসে। মাঝেমধ্যে মারামারি হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেওয়া হয়।'
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬