
০৬ মে, ২০২৬ ০১:৫২
নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ-মাসদাইর এলাকার বোয়ালিয়া খাল সংলগ্ন লিচুবাগ এলাকায় সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহে যাওয়া র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে র্যাব-১১ এর তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত র্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালিয়া খাল এলাকা মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল সাদা পোশাকে মাদক কারবারিদের অবস্থান ও তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে ওই এলাকায় যায়। এলাকায় প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল চাপাতি, রামদা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে র্যাব সদস্যদের ঘিরে ফেলে এবং অতর্কিত আক্রমণ করে। এতে র্যাব সদস্যদের মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও অন্য র্যাব সদস্যরা আহতদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতরা হলেন র্যাব সদস্য নজিবুল, মাহি ও ইব্রাহিম। এর মধ্যে নজিবুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম জানান, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত রয়েছে। একজনের মাথা ও হাতে গুরুতর ক্ষত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
র্যাব ও পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ ও মাসুদ ওরফে বুইট্টা মাসুদের সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন যুবককে চাপাতি ও রামদা নিয়ে হামলা চালাতে দেখা যায়, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মাহবুব জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। র্যাবের ওপর হামলা করে কেউ পার পাবে না। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে র্যাবের অবস্থান জিরো টলারেন্স। জনগণের নিরাপত্তায় র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময়ের সাধারণ চলাচলের জায়গাটি ধীরে ধীরে মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীদের আড্ডাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষ এলাকাটি এড়িয়ে চলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাসিন্দা বলেন, প্রতিদিন এখানে মাদকের আড্ডা বসে। মাঝেমধ্যে মারামারি হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেওয়া হয়।'
নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ-মাসদাইর এলাকার বোয়ালিয়া খাল সংলগ্ন লিচুবাগ এলাকায় সাদা পোশাকে তথ্য সংগ্রহে যাওয়া র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে র্যাব-১১ এর তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত র্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালিয়া খাল এলাকা মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের আস্তানা হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল সাদা পোশাকে মাদক কারবারিদের অবস্থান ও তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে ওই এলাকায় যায়। এলাকায় প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল চাপাতি, রামদা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে র্যাব সদস্যদের ঘিরে ফেলে এবং অতর্কিত আক্রমণ করে। এতে র্যাব সদস্যদের মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও অন্য র্যাব সদস্যরা আহতদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতরা হলেন র্যাব সদস্য নজিবুল, মাহি ও ইব্রাহিম। এর মধ্যে নজিবুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম জানান, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত রয়েছে। একজনের মাথা ও হাতে গুরুতর ক্ষত হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
র্যাব ও পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ ও মাসুদ ওরফে বুইট্টা মাসুদের সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন যুবককে চাপাতি ও রামদা নিয়ে হামলা চালাতে দেখা যায়, যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মাহবুব জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। র্যাবের ওপর হামলা করে কেউ পার পাবে না। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে র্যাবের অবস্থান জিরো টলারেন্স। জনগণের নিরাপত্তায় র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময়ের সাধারণ চলাচলের জায়গাটি ধীরে ধীরে মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীদের আড্ডাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষ এলাকাটি এড়িয়ে চলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাসিন্দা বলেন, প্রতিদিন এখানে মাদকের আড্ডা বসে। মাঝেমধ্যে মারামারি হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেওয়া হয়।'
০৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
০৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৬ মে, ২০২৬ ১৪:২০
০৬ মে, ২০২৬ ১৩:৫৩

০৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ২৬ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলমের (৫৩) জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে বগুড়া কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের মামলার বিচারক এই আদেশ দেন।
দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে গত ১১ জানুয়ারি তার কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বগুড়ার সারিয়াকান্দির তাজুরপাড়ার মৃত এএসএম ইবনে আজিজের ছেলে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি (বাধ্যতামূলক অবসরে) আসামি হামিদুল আলম এবং তার স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে অসৎ উদ্দেশে ১৯ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৮ টাকা ৭৮ পয়সা মূল্যের সম্পদের তথ্য/উৎস গোপন করে মিথ্যা হিসাব ও ভিত্তিহীন ঘোষণা প্রদান করেন।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, অসাধু উপায়ে এই মামলার এজাহারে বর্ণিত ১ নম্বর আসামি শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামীর (২ নম্বর আসামি হামিদুল আলম) অবৈধ সহায়তায় ২৬ কোটি ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৯৭ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রেখেছেন।
আসামি শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামী হামিদুল আলমের সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতি ও ঘুস (যা মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ) এর মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্বামীর সহায়তায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করে সম্পদের উৎস গোপন বা আড়াল করার অসৎ উদ্দেশে রূপান্তর বা স্থানান্তর বা হস্তান্তর (লেয়ারিং) করার অপরাধ মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলাটি পরিচালনা করেন, দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট গোলাম দস্তগীর ও অ্যাডভোকেট মাহবুবা খাতুন সুখী।
আসামির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, অ্যাডভোকেট শেখ রেজাউল করিম মিন্টুসহ অনেকে।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ২৬ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলমের (৫৩) জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে বগুড়া কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের মামলার বিচারক এই আদেশ দেন।
দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে গত ১১ জানুয়ারি তার কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বগুড়ার সারিয়াকান্দির তাজুরপাড়ার মৃত এএসএম ইবনে আজিজের ছেলে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি (বাধ্যতামূলক অবসরে) আসামি হামিদুল আলম এবং তার স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে অসৎ উদ্দেশে ১৯ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৮ টাকা ৭৮ পয়সা মূল্যের সম্পদের তথ্য/উৎস গোপন করে মিথ্যা হিসাব ও ভিত্তিহীন ঘোষণা প্রদান করেন।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, অসাধু উপায়ে এই মামলার এজাহারে বর্ণিত ১ নম্বর আসামি শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামীর (২ নম্বর আসামি হামিদুল আলম) অবৈধ সহায়তায় ২৬ কোটি ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৯৭ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রেখেছেন।
আসামি শাহাজাদী আলম লিপি তার স্বামী হামিদুল আলমের সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতি ও ঘুস (যা মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ) এর মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্বামীর সহায়তায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করে সম্পদের উৎস গোপন বা আড়াল করার অসৎ উদ্দেশে রূপান্তর বা স্থানান্তর বা হস্তান্তর (লেয়ারিং) করার অপরাধ মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলাটি পরিচালনা করেন, দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট গোলাম দস্তগীর ও অ্যাডভোকেট মাহবুবা খাতুন সুখী।
আসামির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, অ্যাডভোকেট শেখ রেজাউল করিম মিন্টুসহ অনেকে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৯
রংপুরে জমি নিয়ে বিরোধের মামলার হাজিরা দিতে এসে অসুস্থ হয়ে আদালত চত্বরে মারা গেছেন শাহিনা ইসলাম নামে পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের এক নারী। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রংপুর আদালত চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
শাহিনা ইসলাম নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামী নজরুল ইসলামের কোলে মাথা রাখেন। এ অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে রংপুর আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর শাহিনুর আলম জানান, পারিবারিক জমিসংক্রান্ত মামলায় আগে থেকেই জামিনে থাকা নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুরের বাসিন্দা শাহিনা ইসলাম চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরা দিতে আসেন।
এ সময় তার সঙ্গে স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ছিলেন। আদালত কক্ষে যাওয়ার পর শাহীনা ইসলাম অসুস্থতা বোধ হলে তিনি বিষয়টি তার আইনজীবীকে জানান।
পরে অবস্থা বেগতিক হলে স্বামীর কোলে মাথা রাখেন শাহিনা। সেখান থেকে তাকে অটোরিকশায় করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেড় শতক জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধে মামলার আসামি হয়েছিলেন ওই নারী।
রংপুরে জমি নিয়ে বিরোধের মামলার হাজিরা দিতে এসে অসুস্থ হয়ে আদালত চত্বরে মারা গেছেন শাহিনা ইসলাম নামে পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের এক নারী। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রংপুর আদালত চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
শাহিনা ইসলাম নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামী নজরুল ইসলামের কোলে মাথা রাখেন। এ অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে রংপুর আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর শাহিনুর আলম জানান, পারিবারিক জমিসংক্রান্ত মামলায় আগে থেকেই জামিনে থাকা নগরীর ঘাঘটপাড়া আক্কেলপুরের বাসিন্দা শাহিনা ইসলাম চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরা দিতে আসেন।
এ সময় তার সঙ্গে স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ছিলেন। আদালত কক্ষে যাওয়ার পর শাহীনা ইসলাম অসুস্থতা বোধ হলে তিনি বিষয়টি তার আইনজীবীকে জানান।
পরে অবস্থা বেগতিক হলে স্বামীর কোলে মাথা রাখেন শাহিনা। সেখান থেকে তাকে অটোরিকশায় করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেড় শতক জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধে মামলার আসামি হয়েছিলেন ওই নারী।

০৬ মে, ২০২৬ ১২:৩৬
বগুড়ায় জিন তাড়ানোর কথা বলে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কবিরাজের নাম হাকিম রেজাউল করিম (৪০)।
তিনি নামাজগড় এলাকায় ভান্ডারী মসজিদসংলগ্ন ‘আশ-সিফা দাওয়া খানা’ নামে প্রতিষ্ঠানে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা করতেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে রাজশাহীর একটি কওমি মহিলা মাদ্রাসায় দাখিল (এসএসসি সমমান) শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছিল সে। বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়েও উন্নতি না হওয়ায় এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে রোববার (৩ মে) সকালে মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্তের দাওয়াখানায় যান তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কিশোরীর ওপর ‘জিনের আসর’ রয়েছে দাবি করে ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি কিশোরীকে কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং সবাইকে বাইরে যেতে বলেন। পরে চিকিৎসার কথা বলে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একই দিন বিকেলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আবার যেতে বলেন অভিযুক্ত কবিরাজ। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে পুনরায় সেখানে গেলে কিশোরীকে আবারও কক্ষে নিয়ে একইভাবে ধর্ষণ করা হয়।
পরে কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করে।
বগুড়া সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বগুড়ায় জিন তাড়ানোর কথা বলে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কবিরাজের নাম হাকিম রেজাউল করিম (৪০)।
তিনি নামাজগড় এলাকায় ভান্ডারী মসজিদসংলগ্ন ‘আশ-সিফা দাওয়া খানা’ নামে প্রতিষ্ঠানে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা করতেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে রাজশাহীর একটি কওমি মহিলা মাদ্রাসায় দাখিল (এসএসসি সমমান) শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছিল সে। বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়েও উন্নতি না হওয়ায় এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে রোববার (৩ মে) সকালে মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্তের দাওয়াখানায় যান তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কিশোরীর ওপর ‘জিনের আসর’ রয়েছে দাবি করে ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি কিশোরীকে কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং সবাইকে বাইরে যেতে বলেন। পরে চিকিৎসার কথা বলে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একই দিন বিকেলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আবার যেতে বলেন অভিযুক্ত কবিরাজ। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে পুনরায় সেখানে গেলে কিশোরীকে আবারও কক্ষে নিয়ে একইভাবে ধর্ষণ করা হয়।
পরে কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করে।
বগুড়া সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.